মানুষ কি অন্য প্রাণিকূল থেকে উন্নততর? মানুষ ভার্সাস অন্য প্রাণির তুলনামূলক বিশ্লেষণ (পর্ব-১)

মহাজগতে মানুষই হচ্ছে সম্ভবত একমাত্র সুখী প্রাণি, যারা বেঁচে আছে এবং বলতে গেলে চমৎকারভাবেই বেঁচে আছে অন্য অনেক প্রাণিকে ‘টেক্কা’ দিয়ে। কোন এক মহামনিষী বলেছেন, ‘‘মানুষের জন্যে সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে ‘মানুষ’ হওয়া’’। একটি ইতর প্রাণির জন্ম নেয়ার পর আর তাকে তার সগোত্র পরিচয়ের জন্যে আর কোন পরীক্ষা দিতে হয়না কিন্তু একটি মানব শিশুকে জন্ম নেয়ার পরও অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয় ‘মানুষ’ হওয়ার জন্যে। যে কারণে শৈশবস্থায় কোন কোন মানব শিশুকে গরু, গাথা, ছাগল, বলদ ইত্যাদি বিশেষণে কেউ কেউ ভুষিত করেন অবলীলায়। নানা কারণে ইতর প্রাণি থেকে মানুষ ভিন্ন ও উন্নততর। ইসলামে মানুষকে বলা হয়েছে ‘সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ’ হিসেবে। কিন্তু এই ‘সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ’ মানবকূলের নানাবিধ কর্মকান্ড আধুনিক চিন্তাশীল মানুষকে ভাবিয়ে তোলে, হৃদয়কে করে দগ্ধ ও রক্তাক্ত। প্রশ্ন জাগায় হৃদ এবং মননে যে, প্রকৃতপক্ষে কারা শ্রেষ্ঠ মানুষ নাকি অন্যবিধ প্রাণি? সম্ভবত এটিই হচ্ছে মানুষ ও অন্য প্রাণির মধ্যে পার্থক্য।

০৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ প্রতিদিনের একটি খবর : মাকে খুন করে মাংস চিবিয়ে খেল তিন সন্তান

মানুষের দ্বারা নাকি সবই সম্ভব। এ কথাটি এবার প্রমাণ করল পাষণ্ড তিন যুবক। নিজের গর্ভধারিণী মাকে খুন করে মৃতদেহের বিশেষ বিশেষ অঙ্গ চিবিয়ে খেয়েছে দান্তে (৩৫), পারয়ে (২১) এবং ইবরাহিম (১৮) নামে তিন ভাই। নৃশংস এ ঘটনাটি ঘটেছে ফিলিপাইনে। তবে তারা কীভাবে নরমাংস খেয়েছে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যায়নি। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সন্তানদের আটক করেছে পুলিশ। পাষণ্ড এ সন্তান ফিলিপাইনের মরো মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্য। ডেইলি মেইলে প্রচারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার ফিলিপাইনের আমপাতুয়ান রাজ্যের বারানগে কামাসিতে তাদের আবাসস্থল থেকে নিহত মুসালা আমিলের (৫৬) ক্ষতবিক্ষত লাশটি উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। এ সময় পুলিশ দেখতে পায়, লাশের বেশ কিছু অংশ নেই। তখন প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানান, বেশ কিছুদিন আগে তারা ওই ছেলেদের ঘর থেকে অদ্ভুত শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন। পরে নিহতের তিন ছেলে দান্তে, পারয়ে এবং ইবরাহিম পুলিশের কাছে স্বীকার করে, তারা লাশের খোয়া যাওয়া অংশগুলো খেয়ে ফেলেছে। তবে তারা মাকে খুন করার কথা স্বীকার করেনি।

তাদের দাবি, তারা কেবল ‘অশুভ আত্মাকে’ তাড়ানোর চেষ্টা করেছে। পুলিশের ধারণা, তারা তাদের মাকে বুধবার রাতে হত্যা করেছিল। প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, ওই তিন ভাই বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছে। তবে খুনের ঘটনার সঙ্গে ছেলেদের মাদকাসক্ত হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তারা মাদকাসক্ত ছিল কি-না সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে তিনজনকে মাদক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে। এদিকে আদিবাসী মরো মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, এরা তিন ভাই মিলে মাকে খুন করার পর তার দেহের বিভিন্ন অংশ এমনভাবে খেয়েছে যেন তারা জংলি-জানোয়ার (সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন ০৬.২.২০১৪)

মানুষ তার বুদ্ধি, কৌশল আর ‘চতুরতা’ দিয়ে বিশ্বকে বশ মানানোর নানাবিধ কর্মকৌশলে লিপ্ত সেই আদিম অবস্থা থেকেই। কিন্তু তারপরও অনেক প্রাণিকূলের ‘ন্যাচারাল হারমোনি’-র কাছে হার মানতে বাধ্য মানুষের চিন্তাশীলতা। অনেক প্রাণির সামাজিক জীবনধারা মানুষকে হতবাক ও বিস্মিত করে। সাধারণ বাবুই পাখির মত দক্ষ বাসা মানুষ শ্রেণির ‘আর্কিটেরচারগণ’ তৈরী করতে পারবে কিনা সন্দেহ! অতি সাধারণ প্রজাতির একটি মৌচাকের সামাজিক জীবন ব্যবস্থা উন্নততর মানব গোষ্ঠীর থেকে বিস্ময়কর। কোন মৌচাকেই একের অধিক ‘রাণী’ মৌমাছি গৃহীত বা রক্ষিত হয়না। রাণীর প্রজননে সহায়তার জন্যে তার কুঠরীর চারপাশে থাকে কয়েকশ’ ‘পুরুষ’ মৌমাছি। আর বিষাক্ত হুল নিয়ে মৌচাকের প্রতিরক্ষা কাজে নিয়োজিত মৌমাছিগুলোর সেক্স হচ্ছে ‘হিজড়া’, শ্রমিক মৌমাছিরা ঘ্রাণশক্তির ‘রাডার’ দিয়ে কেবল মধু আছে এমন ফুলটিতেই যায় বহুদূরে হলেও এবং এক চমৎকার ঐকতানীয় পদ্ধতিতে কুঠরী তৈরী, শিশু প্রতিপালন, ঘর মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ, রাণী+পুরষ+সৈনিক+শিশু মৌমাছিদের খাবার সংগ্রহ ও পরিমিত সরবরাহ দিয়ে যায় নিজেদের প্রজনন চেতনাহীন ‘হিজড়া’ জীবনেও। এরা কখনো নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ বা ঝগড়া করেনা রাণীকে পাওয়ার প্রাধান্য বিস্তার কিংবা কর্ম-বন্টন নিয়ে। প্রত্যেকেই যন্ত্রের মত রুটিন কাজ করে নিজের নিয়ন্ত্রণেই। এদের কোন নিয়ন্ত্রক বা ‘রাজা’ নেই, এদের বিবেক তথা সপ্রণোদিত ইচ্ছেই হচ্ছে এদের ‘নিয়ন্ত্রক’।

ভালবাসা প্রাণিজগতের এক চমৎকার মেল বন্ধন। মৌমাছি ছাড়াও এই বিশাল প্রাণিজগতের অন্য কোন প্রাণিই বিশেষ ব্যতিক্রম ছাড়া বিপরীত লিঙ্গের সঙ্গে কখনো যুদ্ধ করেনা। একটি ষাঁড় সাধারণত অন্য একটি ষাঁড়ের সঙ্গে, একটি কুকুর অন্য একটি কুকুরের সঙ্গে, একটি বাঘ অন্য একটি বাঘের সঙ্গে পুরুষ আধিপত্যের লড়াই করলেও, ষাঁড়টি সাধারণত গাভীর সঙ্গে, বাঘটি বাঘিনীর সঙ্গে কিংবা কুকুরটি কুকুরীর সঙ্গে লড়াই করেনা। এ ক্ষেত্রে বিশাল ও চমকপ্রদ সকল শ্রেণির বিপরীত লিঙ্গের প্রাণিদের মধ্যে ভালবাসা প্রগাঢ়তর সব সময়ই। কিন্তু মানুষ তার সমলিঙ্গের এবং বিপরীত লিঙ্গ উভয় শ্রেণির সঙ্গেই নানাবিধ সংঘর্ষ ও যুদ্ধে লিপ্ত হয় নিজ স্বার্থে। এ ক্ষেত্রে লিঙ্গ ছাড়াও সে তার আত্মীয় তথা মা, ভাই, বোন, চাচা, প্রতিবেশীকেও হত্যা করতে দ্বিধা করেনা নানাবিধ স্বার্থে!

একটি হিংস্রতর প্রাণিও তার নবজাতকের জন্য নির্দিষ্ট সময় দেয় এবং এ সময় সে পরকীয়া বা এই শ্রেণির কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেয়না সন্তান সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে পালনার্থে। একটি বাঘিনী সন্তান প্রসবের পর যতদিন বাচ্চাগুলো তার দুধ পান করে, ততদিন পুরুষ বাঘটিকে তার কাছে আহবান করেনা কিন্তু মানুষ বিয়ের আগে, বিয়ের পরে, এমনকি দুগ্ধপানকারী সন্তানকে ফেলে কখনো পরকীয়ার টানে ঘর ছাড়ে কিংবা সন্তান. স্বামী বা স্ত্রীকে হত্যা করে প্রেমিকের সহযোগিতায়। মানুষই নিজস্বার্থে ‘এবরশন’ করে যা অন্য প্রাণিরা চিন্তাও করেনা কখনো। এমনকি ‘তথাকথিত’ সামাজিক লোকলজ্জার ভয়ে মানুষ তার সদ্যজাত শিশু সন্তানকে ড্রেনে ফেলে নিজে দিব্যি ‘সতী’ মহিলা হিসেবে নিজেকে সমাজ আর পরিবারে প্রতিষ্ঠা করে।

ধর্ষণ মানুষের মধ্যে একটি স্বাভাবিক রুচি বিকৃত চিন্তন হলেও, অন্য প্রাণিকূলের মধ্যে ‘ধর্ষণ’ প্রবণতা লক্ষ করা যায়না। সকল প্রাণিকূলের মধ্যে একমাত্র মানুষই সমলিঙ্গের (পুরুষে পুরষে কিংবা মহিলা মহিলায়) প্রাণির সঙ্গে যৌনাচারে অভ্যস্ত ও লিপ্ত হয়, যা অন্য প্রাণিদের হয়তো বিস্ময়ে বিমুঢ় করে। সকল প্রাণির মধ্যে আলাদা অনুসঙ্গ হিসেবে ‘সেক্স’ ও ‘জেন্ডার’ নীতি অনুসৃত হলেও, মানুষ সব সময়ই সেক্স ও জেন্ডারকে একাকার করে। এমনকি সেক্স-টাইমের ব্যাপারে অন্য প্রাণিরা সময়ের রীতি-নীতি মেনে চললেও, এসবে মানুষের কোন রীতি পদ্ধতি নেই বললেই চলে। মানে এ ক্ষেত্রে মানুষ সব রীতি নীতির উর্ধে।

এরপর শেষ পর্ব [আগামিকাল]

লেখকের ফেসবুক ঠিকানা [ধর্মান্ধতামুক্ত যুক্তিবাদিদের ফ্রেন্ডভুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানাই ] : https://www.facebook.com/logicalbengali

২৮ thoughts on “মানুষ কি অন্য প্রাণিকূল থেকে উন্নততর? মানুষ ভার্সাস অন্য প্রাণির তুলনামূলক বিশ্লেষণ (পর্ব-১)

  1. আমি যতদূর জানি মস্তিষ্ক
    আমি যতদূর জানি মস্তিষ্ক ব্যাবহারের দিক থেকে মানুষই সবচেয়ে উন্নত জীব। এখন কেউ সেটা ভালো কাজে ব্যাবহার করুক বা খারাপ কাজে সেটা যার যার ব্যাপার, তাই না? আমার ভাই খুন করেছে বলে সেজন্য আমাকে খুনি বলা যায় না।
    অন্যান্য প্রাণীর সাথে যে তুলনা মূলক চিত্র আপনি দাঁড় করিয়েছেন সেটা পড়ে ভালো লাগলো। তবে আপনার আগের লেখার তুলনায় এই লেখাটা ততটা ভালো লাগে নাই। আগের লেখা গুলতে অনেক তথ্য উপাত্ত ছিল। পড়ে ভালো লেগেছিল।
    আপনার ইহুদি সংক্রান্ত পোষ্টগুলো পড়তে পড়তে সেদিন ইহুদি জাতির ইতিহাস জাতীয় একটা বই কিনে ফেলেছি।

    1. আমি জানতাম তুই এইখানে রিএক্ট
      আমি জানতাম তুই এইখানে রিএক্ট করবি!! দাড়া শাহ্‌বাগ থেকে ঘুরে আসি রাতে কথা হবে বিস্তারিত… :খুশি: :খুশি: :খুশি: :খুশি:
      বাঙ্গালী-ভাই বেশ কিছু অসংগতি আছে মনে হয় আপনার পোস্টে! আলচনা হবে ক্ষণ..
      অন্যথায় চমৎকার কৌতূহল উদ্দীপক পোস্ট!! :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

      1. আমি যে মন্তব্য করেছি সেটাকে
        আমি যে মন্তব্য করেছি সেটাকে রিঅ্যাক্ট করা বলে কিনা সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে।
        দাঁড়া নামাজ পড়ে আসি। যাই হোক রাতে কথা হবে বিস্তারিত।

        1. তোরে কিছু বলার আগে ডঃ
          তোরে কিছু বলার আগে ডঃ বাঙালী’রে কিছু বলার ছিল! ডঃ বাঙালী ভাই একটু খেয়াল কইরেনঃ

          আপনি আবারও একই ভুল করলেন। গোটা মানবজাতিকে বিচার করলেন মানসিক বিকারগ্রস্ত উপেক্ষণীয় একটি উদাহরণ দিয়ে। আপনি নিশ্চয় জানেন একদা কিছু গোষ্ঠীর মানুষ নরমাংসভক্ষণপ্রথায় (Cannibalism) অব্যস্থ ছিল। এখন এই সভ্য সমাজে এই ধরণের পুনরাবৃত্তি অপ্রত্যাশিত হলেও অবাস্তব নয়। যাহোক, এইধরণের ঘটনার কারণে তাই এতোটা রিএক্ট করা প্রতিক্রিয়াশিলতার শামিল বলেই মনে করি!

          ধর্ষণ মানুষের মধ্যে একটি স্বাভাবিক রুচি বিকৃত চিন্তন হলেও, অন্য প্রাণিকূলের মধ্যে ‘ধর্ষণ’ প্রবণতা লক্ষ করা যায়না। — এই কথাটার রেফারেন্স দিয়েন! আর এই বিষয়ে বোধহয় ব্যাপক আলোচনা ছাড়া এমন আংশিক এবং বিছিন্ন মন্তব্য অপ্রাসঙ্গিক।। এইখানে বিবর্তনের ধারা এবং মানুষের আরোপিত মেকী সভ্যতার কিছু আবেগি মানদণ্ডের তুলনামূলক বিশ্লেষণ দরকার। তা আপনি না করেই একটা পূর্বআরোপিত সিদ্ধান্ত পোস্টে চাপিয়ে দিয়েছেন। তা আসলেই প্রতিবাদ করার মত…

          যদিও আপনি এই লিখাকে স্যাটায়ার দাবী করছেন কিন্তু লিখার উপস্থাপনা তা বলে না!

          দোস্ত রায়ান,
          সমুদ্রের জীবকূলের মাঝে স্কুইড মস্তিষ্ক ব্যবহারে সর্বোত্তম কিন্তু সমুদ্রের শাসক তারা না। আমি সামুদ্রিক প্রাণীর শ্রেষ্ঠত্বের বিবেচনায় বলছি।

          1. যেহেতু স্যাটায়ার লিখেছি সে
            যেহেতু স্যাটায়ার লিখেছি সে হিসেবে এভাবে যুক্তি পাল্টাযুক্তি দিতে আর নিতে চাইনা। আমার কথার পেছনে যেমন যুক্তি আছে, মানুষের ঋণাত্মক কাজের প্রতি ঘৃণা আছে, তেমনি যুক্তি বিদ্যমান তারিক লিংকন সপ্তপদি উপমায়।

            ভাল থাকুন তারিক। ধন্যবাদ আপনাকে।

      2. তারিককে ধন্যবাদ রেফারির
        তারিককে ধন্যবাদ রেফারির ভূমিকায় থাকার জন্যে। তবে নাভিদ এটাকে মানুষের প্রজ্ঞাশিলতার মাঝে নিয়েছে, আমি স্যাটায়ার হিসেবে লিখেছি। দুজনেই ঠিক আছি।

    2. নাভিদকে ধন্যবাদ। অবশ্যই এটা
      নাভিদকে ধন্যবাদ। অবশ্যই এটা স্যাটায়ার নাভিদ! এটা মানুষের ঋণাত্মক কাজের সমালোচনা মাত্র। কখনোই অন্য প্রাণি মানুষকে অতিক্রম করেছে বা করবে কি?

      ইহুদি পর্বগুলো দেবো, আপনার আগ্রহ ও বই কেনার জন্য সাধুবাদ। বই কেনাই হ্চছে প্রকৃত “ফিক্স ডিপোজিট”।

      ভাল থাকুন ভাইয়া্

  2. ” তবে আপনার আগের লেখার তুলনায়
    ” তবে আপনার আগের লেখার তুলনায় এই লেখাটা ততটা ভালো লাগে নাই। আগের লেখা গুলতে অনেক তথ্য উপাত্ত ছিল। পড়ে ভালো লেগেছিল।”

    1. রাজু রণরাজকে ধন্যবাদ। সব লেখা
      রাজু রণরাজকে ধন্যবাদ। সব লেখা কি এক হয় রাজু? তবে আপনারা যারা তথ্য জানতে উদগ্রিব তাদের নিরাশ করবো না ভাই, পাবেন। অপেক্ষা করুন।

  3. আমার মনে হয় পৃথিবীতে মানুষই
    আমার মনে হয় পৃথিবীতে মানুষই একমাত্র প্রানী যে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে ও তা পরিবর্তন করতেও পারে নিজ নিজ স্বার্থের কারনে । এই স্বার্থপরতা ঠেকানোর জন্য প্রথম উদ্ভব হয় ধর্মের পরে আইন । কিন্তু এই ধর্ম ও আইন স্বার্থ কেন্দ্রিক হওয়ার কারনে তৈরি হচ্ছা নানান অসঙ্গতি । :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  4. চাষা ভাই + শাহিন ভাইর মতের
    চাষা ভাই + শাহিন ভাইর মতের সাথে সহমত পোষণ করছি, তবে মানুষ এ বিষয়ে যথেষ্ট কপট, ধুরন্দর, স্বাথবাদি অন্যান্য প্রাণির তুলনায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *