প্যাচাল-১

ছাত্রলীগ যে বোকা**রা করে এইটা আবারো প্রমান হল। কেন? আসেন বিশ্লেষন করি…ওহ হ্যা, ইহা কোন জ্ঞান গর্ভ আলোচনা নয়। নিতান্তই প্যাচাল।

১. ছাত্রশিবিরের প্রশিক্ষন বিষয়ক একটা পোষ্ট আছে। সেটা কিসের প্রশিক্ষন তা কেউ জানে না তবে অনুমান করতেও কষ্ট হয় না। ছাত্রলীগের এমন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা এখনো করা হয় নাই কেন আমার মাথায় এখনো ঢুকে না। তাহলে এমন অনেক সমস্যায় পরতে হত না। ‘প্রশিক্ষন’ থাকলে কি হতো একবার দেখে আসা যাক।


ছাত্রলীগ যে বোকা**রা করে এইটা আবারো প্রমান হল। কেন? আসেন বিশ্লেষন করি…ওহ হ্যা, ইহা কোন জ্ঞান গর্ভ আলোচনা নয়। নিতান্তই প্যাচাল।

১. ছাত্রশিবিরের প্রশিক্ষন বিষয়ক একটা পোষ্ট আছে। সেটা কিসের প্রশিক্ষন তা কেউ জানে না তবে অনুমান করতেও কষ্ট হয় না। ছাত্রলীগের এমন প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা এখনো করা হয় নাই কেন আমার মাথায় এখনো ঢুকে না। তাহলে এমন অনেক সমস্যায় পরতে হত না। ‘প্রশিক্ষন’ থাকলে কি হতো একবার দেখে আসা যাক।

তারা কখনোই দিনের আলোতে আক্রমন করতো না। হামলার সময় অবশ্যই মুখোশ ব্যবহার করতো। এবং অবশ্যই নারায়ে তাকবীর বলে স্লোগান দিয়ে ছোট দলে ভাগ হয়ে ঝটিকা আক্রমন করতো যাতে শিবিরের উপর দোষ চাপানো যায়। ঠিক যেমন শিবির ‘জয় বাংলা’ বলে মিছিল থেকে আক্রমন করে। পরের দিন একটা বিবৃতি দিত যে, এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে শাস্তি চাই। তারপর অবশ্যই দুই একটা শিবিরকে ধরে মার দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে। তারা যে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এইটা মানুষকে বুঝাতে হবে। তাহলেই খবরে ‘ছাত্রলীগের’ জায়গায় ‘দূবৃত্তের’ হামলা লেখা হত। অযথা কত্ত ঝামেলা থেকে যে বাচা যেত। সুতরাং অচিরেই ছাত্রলীগের জন্য প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হোক। নইলে এরা দূর্নাম কামিয়েই যাবে।

২. এক শ্রেনীর মানুষ আছে যারা সদা সর্বদা আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগ কি করে বেড়ায় তা খুজতে থাকে। তাদের ফিল্টারে অবশ্য ছাত্রদল, জামাত শিবিরের খুন, রগ কাটাকাটি ধরা পড়ে না। ঠিক বাংলাদেশের আইনের মত। বড় বড় রুই কাতলারা বেড়িয়ে যায় কিন্তু ছোট ছোট চুনোপুটিরা ধরা পরে। নীলফামারীতে একসাথে একদিনে ৫ জনকে জবাই করে মেরে ফেললেও এই শ্রেনীর মানুষের কোন হাহাকার দেখা যায় না। কারন তাদের পা*য় ‘আওয়ামী’ সিল লাগান ছিল। তারা মানুষ নাকি? এছাড়াও প্রতিদিন হ্যা প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী খুন হচ্ছে। সেখানে কোন হা হুতাশ নেই, স্বচ্ছতার দাবি নেই, বিচার চাওয়া নেই এমনকি একটি টু শব্দও নেই। কারন সেখানে আওয়ামী বিরোধিতার গন্ধও নেই। আর আওয়ামী বিরোধীটার গন্ধ না থাকলে কি আর সেই মার্কেট পাওয়া যায়???

৩. বাবারা লাইনে থাকিস’ বলে একটা কথা আছে না? ছাত্রলীগের ক্ষেত্রে এই কথা কি প্রযোজ্য? না। ৯০ এর দশক থেকে বাংলাদেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা, ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন সহ বাম দলগুলোর এবং ছাত্রলীগের পুটুমারা শিবিরের কাউন্টার যদি আপনি ভদ্রলোককে দাড়া করান তাহলে সরি, বলতেই হচ্ছে পুটুমারা ভদ্রলোকটাও খাবে আপনিও খাবেন। খেলার একপক্ষ ফাউল খেললে আরেক পক্ষের ভালো মানুষি দেখিয়ে লাভ নেই। এটা খেলা। কে জিতবে সেটাই ইতিহাসে লেখা থাকবে, কিভাবে জিতলো সেটা মুখ্য নয়। আফটার অল ইতিহাস কিন্তু বিজিতের দ্বারাই লিখিত। আজ জামাত শিবির ক্ষমতায় থাকলে ছাত্রলীগকে লেজ দুই পায়ের মধ্যে দিয়ে কুই কুই করে পাড়ার কুত্তার মত পালাতে হবে। ইতিহাস তখন বলবে, সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল ছাত্রলীগ। শিবির নয়। আসল কথায় আসি। ছাত্রলীগের এই জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে আগ্রাসী মনোভাবটা আমার ভালোই লাগে। কিন্তু বাবারা অযথা ঝামেলায় জড়াস ক্যান? ‘একটু’ লাইনে থাকতে পারিস না? ‘একটু’ লাইনে থাকিস বাবারা।

৪. আবার আগের কথায় ফিরে আসি। আগে একবার বলেছিলাম, আওয়ামী লীগ জামাত-শিবির দেশ বিরোধীর ভুত সব জায়গায় দেখে। বাস্তব অবস্থা পর্যবেক্ষন করে দেখলাম, কাহিনী খুব যে ভুল তা নয়। এই শিবির ছাগু পোনারা ভারত এবং আওয়ামী বিরোধীতার জন্য একটি ‘বায়ু দূষন’ কেও ইস্যু করতে হয় তাও করে। উদাহরন দিয়ে বলি, ফেলানী ইস্যুতে ভারতীয় পন্য বর্জনের জন্য একটা ডাক দেয়া হয়েছিল। সবাই বেশ সাড়াও দিয়েছিল। কিন্তু এই ছাগবতসদের জন্য আন্দোলন টা পুরাই মাঠে মারা গেলো।এরপরে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমকে পাকিস্তান পাঠানোর ইস্যুতে সবাই যাওখন সরব ছিল এটার বিরুদ্ধে তখন ছাগবতসরা টিমকে পাকিস্তান পাঠানোর পক্ষে রীতিমত ক্যাম্পেইন চালিয়েছে অনলাইনে। অফলাইনে মাঠে নামে নাই। কিন্তু সেই ভারত বিরোধীতার স্কোপ যখন এলো তখনই ছাগবতসরা আবারো সরব। চট্টগ্রামে স্টেডিয়ামের সামনে রীতিমত ব্যানার নিয়ে দাঁড়ায় তারা। বুয়েট ইস্যুতে শিবির যা করেছে তা আমি ব্যক্তিগতভাবে অবলোকন করেছি। এরা আন্দোলন কে সরকার বিরোধী রূপ দিয়ে তা সরকারকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে ছাড়ে। তারপর সরকার আরেক বোকা** যে সেই কাদা গায়ে মেখে হাঁটে।

আওয়ামী লীগ এখন অপেক্ষাকৃত ভালো পজিশনে থাকলেও সময়টা খুবই নাজুক। শেখ হাসিনা সেটা বুঝতে পেরেই স্বচ্ছ ইমেজের একটা মন্ত্রিসভা দিয়ে অবস্থা কিছুটা সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছেন। এই মুহুর্তে ছাত্রলীগের এই হামলা আওয়ামী লীগকে বেকায়দায় ফেলার জন্য একটি নিয়ামক হয়ে থাকবে।

৩ thoughts on “প্যাচাল-১

  1. আপনার কথাগুলোর সাথে সহমত…
    আপনার কথাগুলোর সাথে সহমত… ইসলামী ছাত্রশিবির চিরকালই পৃথিবীর সবচেয়ে ভদ্রসংগঠন… তারা কোনধরনের মারামারি কাটাকাটি করে না। তাই কিছু দুর্বৃত্ত তাদের উপরে অপবাদ চাপাতে আল্লাহু আকবর বলে নির্বিচারে জবাই করে, রগ কাটে, গুলী চালায়। সব দোষ দুর্বৃত্তদের… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :এখানেআয়:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *