গ্রেটা গার্বো ( অন্তরাল এর তারা)

গ্রেটা গার্বো ( Greta Lovisa Gutstaffson) একজন প্রখ্যাত সুইডিশ অভিনেত্রী ছিলেন । তিনি হলিউডের সোনালী সময়ে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন । আমেরিকান ফিল্ম ইন্সটিটিউট তাঁকে সর্বকালের সেরা ৫ অভিনেত্রীর মাঝে ৫ নম্বর দেয় ।


গ্রেটা গার্বো ( Greta Lovisa Gutstaffson) একজন প্রখ্যাত সুইডিশ অভিনেত্রী ছিলেন । তিনি হলিউডের সোনালী সময়ে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন । আমেরিকান ফিল্ম ইন্সটিটিউট তাঁকে সর্বকালের সেরা ৫ অভিনেত্রীর মাঝে ৫ নম্বর দেয় ।

শৈশব ও তারুন্য – গ্রেটা সুইডেনের স্টকহোম এ ১৯০৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহন করেন । তিনি সবচেয়ে কনিষ্ঠ সন্তান ছিলেন । তাঁর পিতা পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন আর তারা তাদের সন্তান দের শ্রমিক দের মাঝেই বস্তিতে বড় করেন । এ প্রসঙ্গে গ্রেটা বলেন ,

It was eternally gray—those long winter’s nights. My father would be sitting in a corner, scribbling figures on a newspaper. On the other side of the room my mother is repairing ragged old clothes, sighing. We children would be talking in very low voices, or just sitting silently. We were filled with anxiety, as if there were danger in the air. Such evenings are unforgettable for a sensitive girl. Where we lived, all the houses and apartments looked alike, their ugliness matched by everything surrounding us.

গ্রে টা খুব কল্পনা প্রবন লাজুক শরনের মেয়ে ছিলেন । স্কুলে যাওয়ার চেয়ে একা একা খেলতে পছন্দ করতেন । মনে মনে তিনি অভিনেত্রী হউয়ার ইচ্ছা পোষন করতেন । ১৩ বছর বয়সে তিনি স্কুল পাশ করেন । ১৯১৯ সালের শীতে গ্রেটার বাবা ফ্লু তে আক্রান্ত হন । তিনি তার বাবার দেখাশোনা করেন । তাঁর বাবা ১৯২০ সালে যখন মারা যান গ্রেটার ১৪ বছর ছিল ।

অভিনয় জীবন

গ্রেটা সবার প্রথমে দোকানের ক্যাটালগের জন্য মডেলিং শুরু করেন । তারপর ধীরে ধীরে পোশাকের বিজ্ঞাপনে মডেল হন । এর ফলেই ধীরে ধীরে তার সিনেমায় অভিনয় করার সুযোগ আসে । তিনি একটি সুইডিশ সিনেমায় প্রধান চরিত্র পান ১৯২৪ সালে । সিনেমার নাম ছিল The Saga of Gösta Berling

Anna Christie (1930) ছবিতে তিনি সরব ভুমিকায় অভিনয় করেন । ছবিটিতে তার বিখ্যাত ডায়ালগ ছিল

Gimme a whiskey, ginger ale on the side, and don’t be stingy, baby.”

এই সিনেমার জন্য তিনি প্রথম একাডেমি এওয়ার্ড এর জন্য মনোনীত হন । তার পরপর তিনি Romance (1930). সিনেমায় অভিনয় করেও এই একি পুরষ্কার এর জন্য মনোনীত হন । ১৯৩১ সালে তিনি দুটি সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি পান । দুটি চরিত্র ছিল যথাক্রমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের গুপ্তচর এবং দ্বিতীয় টি রাশিয়ান ব্যালে নৃত্য শিল্পী । সিনেমার নাম যথাক্রমে Mata Hari এবং Grand Hotel ।

শেষের দিকে এসে তিনি কাজ কমিয়ে দেন । মারা যাবার চার বছর আগে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন ,

“I was tired of Hollywood. I did not like my work. There were many days when I had to force myself to go to the studio… I really wanted to live another life ।


নিভ্রিত জীবন
– তিনি অভিনয় জীবন থেকে সরে আসার পর সারা জীবন অন্তরাল এ ছিলেন । কখনো কোন অনুষ্ঠান এ যান নি । কাউকে সাক্ষর দেন নি । সব কিছু থেকে দূরে থেকে একান্ত সময় কাটাতে চেয়েছেন । মারা যাবার আগ অব্দি এই গোপনীয়তা তিনি বজায় রেখেছেন ।

মৃত্যু – তিনি ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিতসা নিচ্ছিলেন । তাঁর খুব ঘনিষ্ট কিছু বন্ধু জানান তিনি সপ্তাহে তিন বার ছয় ঘন্টা করে ডায়ালাইসিস করাতেন । অবশেষে ১৯৯০ সালের ১৫ এপ্রিল নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান ।

গ্রেটা গার্বো আর সুচিত্রা সেনের মাঝে অদ্ভুত মিল হল তারা দুজনেই মারা যাবার আগ অব্দি গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন ।

১৪ thoughts on “গ্রেটা গার্বো ( অন্তরাল এর তারা)

  1. জানতাম না। দেখা হয়নি তার কোন
    জানতাম না। দেখা হয়নি তার কোন চলচ্চিত্র…
    ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্যে!! :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  2. আমিও দেখিনি উনার অভিনীত কোন
    আমিও দেখিনি উনার অভিনীত কোন চলচ্চিত্র। শুধু নামই শুনেছি। আপনার লেখাটা পড়ে দেখার আগ্রহ জন্মাল প্রচণ্ড রকম। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ অদিতিদি। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. ধন্যবাদ আপনারাই এই পোস্ট দিতে
      ধন্যবাদ আপনারাই এই পোস্ট দিতে আগ্রহ দেন । অন্য এক জায়গায় দিসি সেখানে বলল আমি নাকি ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ি বা বিদেশে মানুষ ! হায় কপাল ! এই কথা শুনার আগে মরে গেলাম না কেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *