বিষন্ন প্যারিস

তুমি বরং আমাকে নিভিয়ে দাও
রাত্রির অন্ধকারের মত ।
আর জ্বালিয়ো না আগুন
আমি ফানুস নয়, মানুষ ।

আমার হাতে সামান্য একটা
গীটারের পিক-
আমি শুধু টুং-টাং শব্দ করতে পারি ।
বাঁশিতে ফু দিয়ে আনতে পারি



তুমি বরং আমাকে নিভিয়ে দাও
রাত্রির অন্ধকারের মত ।
আর জ্বালিয়ো না আগুন
আমি ফানুস নয়, মানুষ ।

আমার হাতে সামান্য একটা
গীটারের পিক-
আমি শুধু টুং-টাং শব্দ করতে পারি ।
বাঁশিতে ফু দিয়ে আনতে পারি
বিষন্ন কোন সুর ।
শেষ বিকেলের গোধুলী আকাশে
তোমাকে আঁকতে পারি
রক্তিম বর্ণছটায় ।

তোমাকে ঘিরে,
আর কিচ্ছু পারি না ।
তোমার মত আমি পারিনা
বারেবারে আগুন জ্বালাতে,
কিংবা নেভাতে ।
তোমার খোপা করা চুলে
হাত দিয়ে বলতে পারি না,
“চুলগুলো ছেড়ে দাও, বাতাসে উড়ুক। ”
কিংবা বলতে পারি না
“রাত হয়েছে, ঘুমোতে যাও মেয়ে ।”

তবে রাত্তিরবেলা বাঁশপাতার
ঝিরঝিরে শব্দের আড়ালে তোমাকে,
তোমাকে আপন করতে পারি আজো ।
ভোরের কুয়াশা ভেদ করে
ভেজা মাঠের নীল ঘাসফুল
আর শিশির বিন্দুগুলো,
আজ খুব কাছে টানে ।

৮ thoughts on “বিষন্ন প্যারিস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *