বরুণা

“কাঁদলে তোমায় অনেক বিশ্রী লাগে,সেটা তুমি জানো? ”
বরুণা কাঁদে আর বলে, “তুমি একটা দস্যু! ”
” সেটা কিরকম? “একটু ঝুঁকে গিয়ে কাছে যাই
বরুণার চোখ বেয়ে মুক্তোকণার মত জল ঝরছে!
কথাগুলো তার থমকে থমকে আসে। “তুমি একটা রাক্ষস! ”
“ও তাই! তা কি খেয়ে নিয়েছি, জানতে পারি? ”
“তুমি দস্যু, তুমি রাক্ষস! ভাংচুর ছাড়া আর কিইবা জান! ”
“ও তাইতে বরুণরানি কেঁদে কেটে একাকার!
বেশ করেছি ভেঙ্গেছি! কি আছে তোমার ঐ আপেক্ষিক অনুভূতিতে?
গোপন করে রেখেছিলেন সতীত্বের বাতাবরণে!
দস্যিপনা কি শুধুই আমার? তুমি কি তাতে আস্কারা দাওনি?
চোর কি তুমিও কম নও? আমার সমস্ত ধ্যানজ্ঞান তুমি চুরি করনি! ”

“কাঁদলে তোমায় অনেক বিশ্রী লাগে,সেটা তুমি জানো? ”
বরুণা কাঁদে আর বলে, “তুমি একটা দস্যু! ”
” সেটা কিরকম? “একটু ঝুঁকে গিয়ে কাছে যাই
বরুণার চোখ বেয়ে মুক্তোকণার মত জল ঝরছে!
কথাগুলো তার থমকে থমকে আসে। “তুমি একটা রাক্ষস! ”
“ও তাই! তা কি খেয়ে নিয়েছি, জানতে পারি? ”
“তুমি দস্যু, তুমি রাক্ষস! ভাংচুর ছাড়া আর কিইবা জান! ”
“ও তাইতে বরুণরানি কেঁদে কেটে একাকার!
বেশ করেছি ভেঙ্গেছি! কি আছে তোমার ঐ আপেক্ষিক অনুভূতিতে?
গোপন করে রেখেছিলেন সতীত্বের বাতাবরণে!
দস্যিপনা কি শুধুই আমার? তুমি কি তাতে আস্কারা দাওনি?
চোর কি তুমিও কম নও? আমার সমস্ত ধ্যানজ্ঞান তুমি চুরি করনি! ”
“হ্যাঁ দিয়েছিলাম! তাই বলে ভেঙ্গেচুরে দিলে সমস্ত স্বপ্ন
লুটে নিলে তোমায় দিব বলে জমিয়ে রাখা অর্ঘ্য!
আমার যে আর কিছুই রইল না। না তোমাকে দেবার
না নিজেকে বাঁচাবার! আমার সমস্ত এখন তোমাতে মিশে!
এখন তুমিই আমার পরাণ পাখি। ”
“বরুণা, আমি জানি তুমি এত তাড়া ছিলনা,
তুমি চাওনি বাঁধা পড়তে! আমি কি তোমাতে হারাইনি?
সবকিছু ? তোমাতে আমি নিজেকে সঁপে দিইনি।
আমিও তো চাইনি বাধা পড়তে। কিন্তু তুমি আমাকে বেঁধেছো
এমনি বাঁধনে , না তাকে ছেঁড়া যায়, না তাকে এড়ানো যায়!
যত চেয়েছি জড়াবো না, ততই তোমার প্রেমের জাল জড়িয়েছে
আমাকে শক্ত করে। আর দূর্বলচিত্ত আমি আজ কেমন যেন পৌরুষের বীজ
পেলাম, তাই অজান্তে পশু হয়ে উঠলাম! রোপণ করে দিলেম আমার ভালোবাসা পশুত্বের জাগরণে! তুমি আমায় ক্ষমা কর! ”
বরূণা বলে না কিছুই! ঘুরে গিয়ে চোখ রাখল আমার চোখে। বাঁহাতটা আমার গালে রাখলে, ” তোমায় আমার সব দেব বলেই ভালবেসেছি! তুমিহীন আমি তো অসম্পূর্ণ! আমি তোমাকে চেয়েছিলাম সবসময়!”
অসভ্য তুমি আমায় নিঃস্ব করে দিলে আজ। ”
“বরুণা …! ”
“না, আর কথা বলো না। শুধু কথা দাও! ”
“কি কথা? ”
“এমন করে ভালবেসো মোরে চিরকাল! ”
বরুণা আর জবাব চাইলে না! সে হারাতে চাইছে আজ
বাঁধভাঙ্গা জোয়ারের জলের মতো!

১ thought on “বরুণা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *