বাঙালির ঐতিহ্যের সংকট নাকি ঐতিহ্য ভুলে থাকার ভ্রান্তি বিলাস? (প্রথম পর্ব)

ঠিক এই মুহূর্তে দুনিয়াতে বসবাস করছে প্রায় ৭২১ কোটি মানুষ যার ১৬ কোটি বসবাস এই বাংলাদেশে অর্থাৎ বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২.২২% মানুষের বসবাস এইখানে। এদিকে পৃথিবীর মোট ভূখণ্ডের আয়তন প্রায় ১৫০,০০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার (৫ টি ভিন্ন উপায়ে পাওয়া মোট আয়তনের গড় ধরেই পৃথিবীর আয়তন ১৫০ মিলিয়ন বর্গকিমি ধরা হয়েছে), যেখানে বাংলাদেশের আয়তন ১৪৭,০০০ বর্গ কিমিঃ অর্থাৎ আয়তনের দিক দিয়ে আমাদের ভূখণ্ড বিশ্বের প্রায় ০.০৯৮%! এইবার আমরা বিবেচনা করি বিশ্বের আজকের সভ্যতা, দর্শন, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে আমাদের অবদান কতটুকু হওয়া উচিৎ এবং আমাদের বাস্তবেই অবদান কেমন? বাঙালী জাতির অর্জন কি আসলেই হতাশাব্যঞ্জক নাকি প্রেরণাদায়ক। পর্যায়ক্রমে একটু বিশ্লেষণ করে দেখিঃ

সভ্যতাঃ

প্রাগৈতিহাসিক যুগ পেরিয়ে যখন মানুষ কৃষিকাজের মাধ্যমে নতুন যুগে প্রবেশ করল অর্থাৎ খ্রিস্টপূর্ব ১২,০০০ থেকে ৮০০০ সালের দিকে তখনই কৃষিবিপ্লবের হাত ধরে মানুষ নতুন সভ্যতার গড়তে শুরু করে। তাও খ্রিষ্টপূর্ব ৫,০০০ সালের দিকের কথা। তারপর কৃষিকাজ ও শিকারের নিমিত্তে এল ইন্দোস ভ্যালি সভ্যতা, যা আজ পর্যন্ত হদিস পাওয়া সভ্যতার মধ্যে প্রথম নিদর্শন। সমসাময়িক ‘ব্রোঞ্জ এইজ’ (Bronze Age) সময়ের তিনটি সভ্যতা হচ্ছে Ancient Egypt এবং Mesopotamia । এই ইন্দোস ভ্যালি সভ্যতার বিস্তৃতি কতটুকু তা আজও নিশ্চিত হওয়া যায় নি। তবুও মোটামুটি ধরে নেয়া হয় দক্ষিণ এশিয়ায় ব্রোঞ্জ এইজের পতন হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৫ শতকে। পরিপক্ক হরাপ্পান সভ্যতা বা ইন্দোস ভ্যালী সভ্যতার সময় খ্রিষ্টপূর্ব ২৬০০ থেকে ১৯০০ সালে। নিম্নে এই সভ্যতার সময় পরিক্রমা দেয়া হলঃ


[তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া]

দর্শনঃ

নীতি শাস্ত্র এবং দর্শনের উৎপত্তির কথা ভাবলে অথবা গোড়াপত্তনের কথা বলতেই আমরা আসলে গ্রীক ফিলোসপি ধরে নেই, আসলেই ব্যাপারটা কিন্তু তা না। সভ্যতা দর্শন নীতিগত উন্মেষ ঘটে আঞ্চলিক একটি বৃহত্তর পটভূমিতে এবং প্রেক্ষাপটে কোন রাষ্ট্রীয় সমাজ ব্যাবস্থায় নয়। এদিকে পাশ্চাত্য দর্শন বলতে যা বুঝি তার অবদান কিন্তু গোটা ইউরোপ-অ্যামেরিকা জুড়েই অর্থাৎ সকল জ্ঞান-বিজ্ঞানের আঁধার গ্রীসকে ঘিরে হলেও আজ কিন্তু উন্নতির ছোঁয়া (শুধু অর্থনৈতিক অর্থে নয় সামগ্রিক অর্থে!) সেই গ্রীস ছাড়া প্রায় গোটা পাশ্চাত্য। আর গ্রীক দর্শনের শুরু থেলিস (খ্রিষ্টপূর্ব ৬২৪- ৫৪৬ সাল) এর হাত ধরে অথচ ভারতীয় উপমহাদেশে বেদউপনিষদের হাত ধরে ধর্ম দর্শনের উৎপত্তি ঘটে তাও গ্রীক নীতি শাস্ত্রের গোড়াপত্তনের আগের কথা। গবেষকেরা উপনিষদের দর্শনের সঙ্গে প্লেটো ও কান্টের দর্শনের মিল খুঁজে পান। আর এই ভারতীয় দর্শনের ইতিহাস প্লেটোরও কয়েক’শ বছর পূর্বের। তাই কেউ যদি ইতিহাস নিয়ে গর্ব করতে চাই বা ঐতিহ্য থেকে প্রেরণা নিতে চাই তার নিশ্চয় ভুলে গেলে চলবে না আমাদের খুব নিকট পূর্বপুরুষই ছিলেন হিন্দু। যদিও আমাদের দেশের বেশীর ভাগ মানুষের ধর্ম ইসলাম অথচ এই পরিবর্তন হয়েছে এই সেই দিন। মানব সভ্যতার ইতিহাস পর্যালোচনা করলে যা পাওয়া যায় তা হল মানুষের নৈতিক জ্ঞান সৃষ্টির পরই তাকে কোন ধর্মীয় রুপের মধ্য দিয়ে তখনকার সমাজকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। যেমনটি পাশ্চাত্য দর্শনে হোমার তাঁর মহাকাব্য ইলিয়াড – ওডিসি দিয়ে শুরু করেছেন। তৎকালীন সমাজের সকল নৈতিকতাকে মিথের মাধ্যমে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ঠিক একইভাবেই ভারতীয় পুরাণের ইতিকথার শুরু। আর সময় পরিক্রমায় (টাইমলাইন হিসেব) তা গ্রীকদেরও ঢের পূর্বে। এদিকে আমাদের এই ভারতীয় পুরাণ কিন্তু কেবলই আজকের ভারতীয়দের অবদান নয়। গোটা ইন্দোস ভ্যালী সভ্যতার উন্মেষ হয়েছে গঙ্গাকে কেন্দ্র করে। এইবার দেখুন গঙ্গার গতিপথ, তাহলেই স্পষ্ট হয় বর্তমানের কোন কোন ভূখণ্ড বা রাষ্ট্রের মানুষের অবদান এই বিস্তৃত সভ্যতার পিছনে।

এই সভ্যতার অমর সৃষ্টি মহাভারত-এ এক লক্ষ শ্লোক ও দীর্ঘ গদ্যাংশ রয়েছে। এই মহাকাব্যের শব্দসংখ্যা প্রায় আঠারো লক্ষ। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, মহাভারত-এর রচয়িতা যমুনার পারের ব্যাসদেব। অধুনা প্রাপ্ত পাঠটির প্রাচীনতম অংশটি মোটামুটি ৪০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ রচিত হয়। মহাকাব্যটির আয়তন ইলিয়াড ও ওডিসি কাব্যদ্বয়ের সম্মিলিত আয়তনের দশগুণ এবং রামায়ণ-এর চারগুণ। অর্থাৎ বাল্মীকি রামায়ণ ইলিয়াড – অডিসি’র আড়াই গুণ, বাল্মীকি রামায়ণের রচনাকাল আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী। সমস্যা হচ্ছে আজ গ্রীক পুরাণ বা মিশরীয় রুপকথা গোগ্রাসে গিললেও আজ নিজের ঐতিহ্যের রূপকথা আমরা হেসে উড়িয়ে দেয়। আর দুঃখের বিষয় আজ পশ্চিমারা পৃথিবী শাসন করছে বলে আমরা তাদের সবকিছুতেই আভিজাত্য খুঁজে পাই, খুবই হাস্যকর আর দুঃখজনক। আমরা বাঙালী হয়েছি কবে? নৃতাত্ত্বিক ঐতিহ্য পড়লেই আমরা সব বুঝতে পারি। সমসাময়িক সময়ের এই দুই মহাকাব্য মানব সভ্যতার গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। আজকের অনেক গবেষকরাই দুই মেরুর এই দুই দুই চার মহাকাব্যকে অনেক দিক দিয়েই তুলনা করে থাকেন। মহাভারত-রামায়ণ কে ইলিয়াড-ওডিসি’র সাথে প্যারালাল ধরলেই দু’টি সভ্যতার পরিমাপ করা যায়। তবে কথা থেকে যায় এই জন্যেই যে আমাদের এই সভ্যতা এবং দর্শন নিয়ে বিশদ গবেষণা এবং সভ্যতার সঠিক এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ হয় নি বলেই আজ পশ্চিমারা ছড়ি ঘুরাচ্ছে।

শিল্পঃ

মৃৎ শিল্প বাংলাদেশের তথা এই উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী একটি শিল্প। আমাদের পূর্ব পুরুষেরা নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক বস্তু হিসাবে মৃৎ শিল্পের তৈরি দৈনন্দিন জীবনের ব্যবহারিক উপকরণ যেমন- থালা, বাসন, হাড়ি, পাতিল, ঘাটি-বাটি ইত্যাদি অহরহ ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করতেন কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এই মৃৎ শিল্প বর্তমানে বিলুপ্তির পথে। এককালে যে মৃত শিল্পের তৈজ্যষপত্র রাজা, জমিদার ও অভিজাত পরিবারের নিত্যদিনের ব্যবহার্য্য বস্তু ছিল তা যথেষ্ট সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে। এই শিল্পের ঐতিহাসিক পটভূমি জানতে আমাদের সবার একবার করে চট্টগ্রামে অবস্থিত ‘জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘর’ ঘুরে আশা উচিৎ।

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান। এই জাদুঘরটি মূলত দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর উত্তরাধিকার ও তাদের জীবনপ্রণালী সম্পর্কে দর্শনার্থীদের ধারণা দেওয়ার নিমিত্তে প্রতিষ্ঠিত। এটি গবেষণাকাজেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। চট্টগ্রামের গুরুত্ত্বপূর্ন বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদে অবস্থিত এই জাদুঘরটি ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই এটি পরিদর্শনের জন্য খুলে দেওয়া হয়। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর প্রাত্যহিক জীবনের ব্যবহৃত কিছু দুর্লভ সামগ্রী সংগ্রহে রেখেছে যার অধিকাংশই বিলুপ্ত বা বিলুপ্তির পথে। এতে আছে ৪টি গ্যালারী ও ১টি হল। ৩৬টি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রায় দেড় হাজার নিদর্শন নিয়ে যাত্রা শুরু করে এটি। চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত । এই যাদুঘরে গেলে আমাদের ঐতিহ্যের সকল শিল্পের নমুনা আমরা দেখতে পায়। চট্টগ্রাম ভ্রমণে গেলেই এই দারুণ যাদুঘরটি দেখে আসবেন।

এইবার আসি সঙ্গীত শিল্পে। আমাদের লালন, হাসন, রবীন্দ্র এবং নজরুল সঙ্গীত সারাবিশ্বেই একটি অনন্য এবং অসাধারণ নিদর্শন। আমাদের এইসব ঐতিহ্য নিয়ে আমাদের গবেষণা কম বলেই আমাদের এইসব শিল্প সারাবিশ্বে তেমন দৃশ্যমান স্বীকৃতি পায় নি। কারণ আমাদের অর্থনৈতিক দুর্বলতা জনিত কারণে বিপণনের বা ব্রান্ডিং এর দুর্বলতা। সঙ্গীতের এই চার ধরণের অন্যন্য নিদর্শন শুধু আমাদের গানের ঐতিহ্যগত অবস্থানই নির্দেশ করে না একই সাথে আমাদের নৃতাত্ত্বিক বিশাল ঐতিহ্যের কথা বলে। আজ এতদিন পর ফ্রান্সসহ পশ্চিমা বিশ্ব আমাদের দার্শনিক এবং বাউল লালনকে নিয়ে গবেষণা করছে। আমরা নিজেরাই জানিনা সঙ্গীতের মাধ্যমে এমন দর্শনের কথন গোটা দুনিয়ায় নেই। বিশ্বের সবচে আলোড়ন সৃষ্টিকারী সঙ্গীত স্রষ্টা মোজার্ট (Wolfgang Amadeus Mozart 27 January 1756 – 5 December 1791) এবং বিথোভ্যান (Ludwig van Beethoven 17 December 1770 – 26 March 1827) Ludwig van Beethoven-এরও ২৫০ বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ মিয়া তানসেন (১৫০৬ – ১৫৮৯) -এর জন্ম। আর আমদের স্বকীয় লালন গীতির স্রষ্টা মহাত্মা লালন সাঁই (জন্ম ১৭৭৪- মৃত্যু অক্টোবর ১৭, ১৮৯০) -এর সঙ্গীতচর্চার সময় মোজার্ট-বিথোভ্যানের সময়কার।

এরপর আমাদের রিকশা আর্ট গোটা দুনিয়ায় যে বিষয় নিয়ে চটকদার এবং বিপণন চিন্তা থেকে এই ধরণের কাজ হয়ে থাকে সেইখানে আমাদের রিকশা আর্টের সাবলীলতা নিজেদের অন্যরকম একটি ঐতিহ্যের ইতিহাস বর্ণনা করে। যা আমরা পাই জয়নুল আবেদীন, এস এম সুলতান অথবা আজকের শাহাবুদ্দিন আহমেদের নিজস্বতায়। যখনই চিত্রশিল্পের দিকে নজর দেই তখনই ভার্চুয়াল কৃষি সভ্যতার জনক এস এম সুলতানের কথা প্রথমে আসে। তিনি শুধু একটা নতুন ধারার অংকন রীতিই নির্মাণ করেন নি একই সাথে মানুষের অধিকার স্থাম্পনের কথা বলে গেছেন তাঁর অন্যন্য চিত্রকর্মের মাধ্যমে। এই বিশেষত্ব এই নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর একেবারেই নিজস্ব।

আমাদের এই অঞ্চলের মনবগোষ্ঠীর ঐতিহ্যের সংকট আসলেই নেই, তা আরও স্পষ্ট হবে আগামী এবং শেষ পর্বে। আমাদের যা আছে তা হল হীনমন্যতা এবং নিজেদের নিয়ে গর্ব করতে না পারার ঐতিহ্য। আর এইটাই আমাদের সংকটময়তার ঐতিহ্য। আমাদের আগামী প্রজন্ম একদিন ঠিকই নিজেদের গর্বের ঐতিহ্যকে মাটি খুঁড়ে বের করবে। বিশ্বের সবচে পুরাতন এই সভ্যতার অনন্য নিদর্শন মাত্র উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। আমাদের এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক এবং শিক্ষার দিক দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথই আমাদের সকল গর্বের ইতিহাস গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরবে।

তথ্যসূত্রঃ
তথ্যের সকল রেফারেন্স লিংকে দেয়া আছে! বিশেষ করে উইকিপিডিয়া এবং বারট্রান্ড রাসেলের পাশ্চাত্য দর্শনের ইতিহাস

এই পোস্টটি লিখার পেছনে কারণ হচ্ছে। ইস্টিশনের নতুন ব্লগার ড. লজিক্যাল বাঙালি’র “২০১৪ সনের বিশ্বে বাঙালির অবস্থান পরিমাপ করেছেন কি?” এই শিরোনামের পর্ব – ১, পর্ব – ২, পর্ব – ৩, পর্ব – ৪, পর্ব – ৫ এবং শেষ পর্ব পাঁচটি ধারাবাহিক ব্লগ পোস্ট।

৪৬ thoughts on “বাঙালির ঐতিহ্যের সংকট নাকি ঐতিহ্য ভুলে থাকার ভ্রান্তি বিলাস? (প্রথম পর্ব)

    1. আসলেই ডঃ সাব আমারে অনেক
      আসলেই ডঃ সাব আমারে অনেক খাঁটায় নিয়েছেন। কিন্তু আমি খুশি অনেক কিছু পোস্টটা লিখতে গিয়েই নতুন করে জানলাম। লিখতে গেলে বা তর্ক করতে গেলেই সবচে বেশী জানা যায়, পাঠ্য পুস্তক পড়েও এই সুবিধা পাওয়া যায় না…
      ডঃ সাব কে ধন্যবাদ!! আর নিজের দুর্দান্ত ঐতিহ্যকে নতুন করে জানতে পেরে আসলেই আমি এখন বাঙালী হিসেবে আরও বেশী গর্বিত।।
      তুমি কে? আমি কে?
      বাঙালী… বাঙালী…

    1. (No subject)
      :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

    1. আপনে ভাই মানুষকে খোঁচা না
      আপনে ভাই মানুষকে খোঁচা না মেরে কথা বলতে পারেন না? :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:
      আপনে ভাই পারেনও!! তবে ডঃ সাব কি বলেন দেখার জন্যে আমিও অপেক্ষায় আছি!!আর তিনি (ডঃ সাবের) ১৯৫ দেশের অর্জন নিয়ে যেইভাবে এক দেশের নাগরিককে আঘাত করতে চাইলেন, তা আসলেই বিরল!!

      আর শিরোনাম’টা প্রিয় রাহাত মুস্তাফিজ-ভাই ঠিক করে দিয়েছেন বলে পরিবর্তন করে দিলাম, এই তথ্য সকলের অবগতির জন্য…

    1. (No subject)
      :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :লইজ্জালাগে: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  1. চমৎকার তথ্যপূর্ণ একটা লেখা…
    চমৎকার তথ্যপূর্ণ একটা লেখা… এতো কষ্ট করে আমাদের এতো কিছু জানানোর জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, তারিক ভাই… :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ:

    1. মানে কি? কিসের কথা বলছেন
      মানে কি? কিসের কথা বলছেন দাদা? কিছুইতো বুঝবার পারছি না!!
      :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :দেখুমনা: :দেখুমনা: :দেখুমনা:

  2. এইতো আদি, অকৃত্রিম, অনলবর্ষী
    এইতো আদি, অকৃত্রিম, অনলবর্ষী তারিক ভাই;
    ড. লজিক্যাল বাঙালি ভাইয়ের লেখা পড়া পর থেকেই ভাবছিলাম এ ধরণের একটা পোস্ট দিব; আমার বিখ্যাত আলসেমির জন্য আর হয়ে ওঠেনি; তারিক ভাই ঠিকই দিলেন।
    এজন্য তারিক ভাইকে অসংখ্য ধইন্যা :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

    পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

    1. ফাউস্ট অফুরন্ত ধইন্যা
      ফাউস্ট অফুরন্ত ধইন্যা :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:
      আপনার একটা পোস্ট পেলে আলোচনা আরও জমজমাট হত।।

  3. যা ভাবছিলাম তাই ঠিক ডঃ
    যা ভাবছিলাম তাই ঠিক ডঃ লজিকালি সাহেব আসছেন জ্ঞান দান করতে, নিতে না। তাই তিনি গতকাল থেকে বেশ কয়েক বার ইস্টিশনে আসলে এবং নতুন পোস্ট দিলেও এইসব বাল ছাল পড়ার প্রয়োজনীয়তা মনে করেন নি। তারিক ভাই সহ বাকীদের অপেক্ষা কখন ফুরাবে কে জানে। তিনি দেশ বিদেশ ঘুরে আইসা বাঙ্গালীরে না পেয়ে খোঁচানো শুরু করেছেন এবং নতুন তত্ব দিয়েছেন ৩০১৪ সালে বাঙালি জেগে উঠবে। ওনার নাকি আরও ২-৩ হাজার এইরাম সুন্দর পোস্ট পড়ে আছে।
    হে ইস্টিশন বাসি তোমরা তো জ্ঞানের বাল গাছই অর্জন করতে পারোনি, তাল গাছ ওয়ালা ডঃ লজিক্যালির সাথে কেন তর্ক করতে যাও! :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

    1. এতো খেপছেন ক্যান কিরণ ভাই…

      এতো খেপছেন ক্যান কিরণ ভাই…
      :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:
      দেখেন গণ্ড-মূর্খ বেয়াদব গোলাপি থেকে এমন শিক্ষিত – জ্ঞানী সমালোচকই আমাদের জন্যে উপকারী! তানাহলে আমার এত ঐতিহ্যের কথা জানা হত না আপনাদেরও জানানোর সুযোগ হত না…

      1. খেপুম না কেন ভাই। তিনি কিছু
        খেপুম না কেন ভাই। তিনি কিছু কথা বললেন, আমরা শুনলাম ভাল কথা। কিন্তু যদি আপনি আলোচনায় চান তাহলে নাই কেন। ব্লগ তো আর পত্রিকা না। যে আমি বলেই খালাস। এখানে সুযোগ আছে দুই পক্ষেরই যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করার। শুরু যখন করেছেন তাহলে আবার থেমে যান কেন… তাই না।

  4. আমাদের এই সভ্যতা এবং দর্শন

    আমাদের এই সভ্যতা এবং দর্শন নিয়ে বিশদ গবেষণা এবং সভ্যতার সঠিক এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ হয় নি বলেই আজ পশ্চিমারা ছড়ি ঘুরাচ্ছে।

    ড. লজিকাল বাঙালী- এর পোস্টের আপনার কমেন্টের পর থেকে অপেক্ষায় ছিলাম আপনার কাউন্টার পোস্টের। কাল এত্তগুলা বিজি ছিলাম বলে দেখা হয় নি। আজকে একটানে পড়ে ফেললাম। লিংকন ভাই, আপনি একটা জিনিস… আসলেই! পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

        1. (No subject)
          :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:

  5. ড. লজিক্যাল বাঙালির
    ড. লজিক্যাল বাঙালির প্রতিমন্তব্য :

    দিন কয়েক আগে এ ব্লগের একজন নবাগত অখ্যাত ব্লগার হিসেবে “২০১৪ সনের বিশ্বে বাঙালির অবস্থান পরিমাপ করেছেন কি” শিরোনামে ৫-পর্বের একটা লেখা পোস্ট করি। যার প্রতিক্রিয়ায় এ ব্লগের পুরণো ও খ্যাতিমান ব্লগার মি. তারিক লিংকন “বাঙালির ঐতিহ্যের সংকট নাকি ঐতিহ্য ভুলে থাকার ভ্রান্তি বিলাস” শিরোনামে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সঙ্গে মন্তব্য/প্রতিমন্তব্যও করেছেন অনেক বোদ্ধা ব্লগার। এ প্রেক্ষিতে অনেকেই আমার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইছেন বিধায় এ লেখার অবতারণা।

    তারিক লিংকন পরিশ্রমি লেখক, যা তার লেখাতেই প্রমাণ দেয়। সে জন্যে তাকে প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই চমকপ্রদ তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনার জন্য। আমি আমার উপর্যুক্ত শিরোনামের লেখায় প্রত্যেকটি বিষয় অত্যন্ত ষ্পষ্ট করেছি এভাবে যে, বিশ্বের প্রাগৈহাসিক যুগ থেকে অদ্যাবধি মানুষের উন্নয়নের যে নানাবিধ কর্মতৎপরতা, সেখানে বাঙালির অবস্থান কোথায়! সম্ভবত সুলেখক তারিক লিংকনসহ মন্তব্যকারি অনেকেই বিষটটাকে “বাঙালি তথা নিজের প্রতি অবমাননাকর ধরে নিয়ে” বিষয়টাকে সেভাবে দেখার চেষ্টা করছেন। বাঙালির প্রতি আমার আরোপিত (আমার আরোপিত নয়, নিজেদের কর্মফল) কলঙ্কতিলক (!) ও তা খণ্ডণের চেষ্টা করেছেন নানাভাবে। কিন্তু বিষয়টা সেভাবে নয়। জনাব তারিকের পরিশ্রমি লেখা পড়ে কিছু প্রশ্ন আমার মনে জাগ্রত হয়েছে। যেমন-

    আয়তনের দিক দিয়ে পৃথিবিতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের মর্যাদা নির্ণিত হয় বা হয়েছে কি কখনো? তাহলে ইহুদিদের বিশ্ব উন্নয়নে এতো অবদান কেন? আফ্রিকার আয়তন অনেক বেশি নয় কি কিন্তু অবদান কি তাদের? লেখক প্রাগৈতিহাসিক ভারতবর্ষীয় সভ্যতাকে বাঙালি সভ্যতা মনে করছেন! হরপ্পা সভ্যতা বা ইন্দোস ভ্যালী সভ্যতা কি বাঙালি সভ্যতা। বাঙালিরা কি সিন্ধুতীরে বসতি গড়েছিল না গঙ্গাতীরে? রামায়ণ, মহাভারত, বেদ-উপনিষদ কোনটি বাঙালির হাতে রচিত হয়নি। বাঙালি অষ্টম বা নবম শতকে রচিত চর্যাপদকে তাদের সবচেয়ে আদি গ্রন্থ বলে দাবি করে যা নেপালিরাও করে তাদের বলে। বাঙালির অবিতর্কিত প্রথম সাহিত্য হচ্ছে মধ্যযুগের দেবতা নির্ভর পয়ারছন্দের কাব্যমালা (শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, মঙ্গলকাব্য ইত্যাদি), এর আগের যা কিছু তাতে বাঙালির কোন অবদান আছে এমন কথা বাঙালির ইতিহাসে বলে না। ব্যাসদেব-বাল্মিকি বাঙালি ছিলেন এমন কথা আমি কোথাও শুনিনি। লেখক নিজের অজান্তে কিংবা জান্তে ভারতীয় পুরাণকে বাঙালি পুরাণ বলে নিজেকে জাতে উঠাতে চাইছেন, যা অঠিক। জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘরে ২/৪-টি থালা, বাসন, হাড়ি, পাতিল, ঘাটি-বাটি প্রদর্শনে বিশ্ব উন্নয়নে এর গুরুত্ব খুব বেড়ে যায় না। এ জাতীয় যাদুঘর নেই এমন দেশ, গোষ্ঠী পৃথিবিতে এখন আছে কি? ভুটানের যাদুঘর দেখুন। অনেক সমৃদ্ধাশালী। আমাদের সম্মানিত লালন, হাসন, রবীন্দ্রনাথকে খাটো করার উপায় নেই কিন্তু এ জাতীয় ব্যক্তিত্ব বিশ্বে বিরল কি? সব জাতির মধ্যেই কমবেশি লালন-হাসন, রবীন্দ্রনাথ বিদ্যমান। মিয়া তানসেন বাঙালি ছিলেন বলে কোথাও পাইনি। জয়নুল আবেদীন, এস এম সুলতান, শাহাবুদ্দিন আহমেদকে লেখক কেন এ প্রসঙ্গে টানলেন বুঝতে অক্ষম আমি। আমি অত্যন্ত ষ্পষ্টভাবে ভূমিকাতেই যা বলতে চেয়েছি তা হচ্ছে –

    “এ মাটিতে জন্মের পর থেকেই আমি একজন বাঙালি হিসেবে গর্ববোধ করতে শিখেছি। গর্ববোধ করছি বাঙলার অপরূপ সৌন্দর্যময় প্রকৃতির জন্যে; রক্ত দেয়া বাংলা ভাষার জন্যে; বিশ্বজনীন ‘বঙ্গবন্ধু’ আর ‘রবীন্দ্রনাথে’র জন্যে! এদেশের ভাববাদী কবি আমাকে ভাবতে শিখিয়েছেন, ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি’ কিংবা ‘বাঙলার রূপ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাইনা আর”। এর পর বলেছি “প্রাচীন সভ্যতায় কোন পর্বেই বাঙালির কোন নিদর্শন খুঁজে পায়নি কেউ। প্রাচীন ব্যাবীলনীয় ধর্ম, মায়ানদের উদ্ভাবিত ধর্ম, কেলটিক ধর্ম, প্রাচীন অ্যাজটেক-কানেনাইট-চৈনিক ধর্ম, মনি ধর্ম, বৃটিশ-স্কটিশ-আইরিশ এবং ওয়েলস এর প্রাগৈতিহাসিক দেবদেবীর ধর্ম, প্রাচীন মিশরের ফারাওদের ধর্ম, নরওয়ের দেবতাবাদ, গ্রীস ও রোমের প্রাচীন জিউস কেন্দ্রিক ধর্ম, পার্শী ধর্ম ও জরথুস্ট্র, শিন্টো (শিন-তাও) ধর্ম, কনফুসিয়াস ধর্ম, তাও ধর্ম, বৌদ্ধ ধর্ম (গৌতম বুদ্ধ কি বাঙালি ছিলেন?), জৈন ধর্ম, আর্যদের সনাতন ধর্ম, শিখ ধর্ম, ইহুদী ধর্ম, খ্রীস্ট ধর্ম, ইসলাম ধর্ম, শিয়া ধর্ম, বাহাই ধর্ম, আহমদিয়া বা কাদিয়ানী মতবাদের কোথাও বাঙালিকে খুঁজে পাওয়া যায়না। কিতাব, নবী, ভাষা, ধর্মীয় স্থান কোথাও নেই বাংলা” এরপর বলেছি “প্রাচীন অলিম্পিক থেকে বর্তমান খেলাধুলো তথা সাঁতার, দেঁৗড়, নৌকা-বাইচ, নাচ-গান, বক্সিং, ফুটবল, জাম্প, ফেন্সিং, গদাযুদ্ধ, জ্যাভেলিন, বর্শা নিক্ষেপ, সাইক্লিং, মোটর-রেস, ঘুড়ি-ওড়ানো, তাস-দাবা খেলা, পাশা খেলা, পিংপং, ক্রিকেট, হকি, টেনিস, সুটিং, ব্যাডমিন্টন, জিমন্যাস্টিক, বাস্কেটবল, ভলিবল, রাগবী, পোলো, গলফ, স্কেটিং, বোট-রেস, স্কি কোথাও খুঁজে পাইনা বাঙালিকে”।

    আবার অন্য প্যারায় বলেছি –
    “প্রাচীন মধ্যযুগীয় চিকিৎসা এবং আধুনিক এ্যানাটমি, শরীর বিদ্যা, চিকিৎসা যন্ত্রপাতি, দাঁত, চোখ, কান, রোগ, জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া-ভাইরাস, প্রতিষেধক, ফুসফুস, বৃক্ক, হার্ট ও মস্তিস্ক, স্নায়ুতন্ত্র, অন্তঃক্ষরণতন্ত্র, থাইরয়েড গ্রন্থি, এ্যাড্রিনাল গ্রন্থি, এন্টিবায়োটিক, সাজার্রী পদ্ধতি, ভিটামিন, রেডিয়াম, সিজারিয়ান কোথায় আছে বাঙালি? চিকিৎসাবিদ গ্রিক হিপোক্রিটাস থেকে গ্যালেন, ইবনে সিনা, হ্যানিমান, গ্যারাসেলসাস, জনসন, লুই পাস্তর, লিস্টার, কক, জেনার, রস, ফ্লেমিং, (কালাজ্বরের ব্রক্ষ্মচারী এদেশের), সিমসন, রন্টজেন, কার্টিয়ের, জেমস কুক, হপকিনস্, ক্যুরি, ডিউনা, নাইটেংগেল, মার্কোনী, লিপম্যান, ব্রাউন, আইনস্টাইন, হফ, রাদারফোর্ড, জুলিওকুরি, রস, জেমস ওয়াট, স্টিফেনসন, নিউটন, গ্রাহামবেল, এডিসন, পাস্তর, ফ্লেমিং, রাইট, বেয়ার্ড, রবার্ড গডার্ড, ওপেনহাইমার; ইউনানী, আয়ুের্বদিক, তিববীয়া, এ্যালোপ্যাথিক, হোমিও, আকুপাংচার, চীনা চিকিৎসা পদ্ধতি কোথাও বাঙালি নেই। প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্রে বাঙালি তাহলে কি করলো?”

    এ ছাড়া দার্শনিক তালিকা, আবিস্কার ও আবিস্কারকের তালিকা, ইঞ্জিন, যোগাযোগ, খনিজ সম্পদ আহরণ, মহাকাশ বিজয়, সমুদ্র বিজয়, জলপোত নির্মাণ, দেশজয়, যুদ্ধবিগ্রহ, লিপি, কাগজ, মুদ্রণযন্ত্র আবিস্কার, ছাপাখানা, ঐতিহাসিক, পর্যটক, পৃথিবির নাচ, গান, নাটক, অপেরা, শিল্পকর্ম, আধুনিক যুগের বৈজ্ঞানিক আবিস্কার ও বাণিজ্যিক ব্যবহার, প্রাচীন বিশ্বসাহিত্য, এপিক, প্রাচীন ও আধুনিক শিক্ষা, নিজ জাতিকে ঘুরিয়ে দেয়া বিশ্বনেতৃবৃন্দ, অসংখ্য আবিস্কার ও আবিস্কারকের তালিকা তুলে ধরে দেখিয়েছি সেখানে বাঙালির অনুপস্থিতি!
    সবশেষে বাঙালি হিসেবে নিজের দু:খবোধ থেকে বলতে চেয়েছি “বাঙালি কি এভাবেই কাল কাটাবে নিজের তথাকথিত গৌরবের গান গেয়ে? আর কবিরা কি লিখেই যাবে “এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি, —– আমার জন্মভূমি”? আজকের বিশ্ব যখন উন্নয়নের ছায়াপথে দৌঁড়াচ্ছে চরমতম গতিতে, তখনও বাঙালি ঘুরে বেড়াচ্ছে তার আজন্ম লালিত প্রিয়তম স্বদেশ ভূমিতে একটি ‘দুষ্টচক্রের ভেতরে’, যে দেশটি বাঙালি ছেড়ে যায়নি কখনো অন্য জাতির মতো। নিজের দেশে মাটি কামড়ে পড়ে থাকা জাতিটি কি তার দেশকে ভালবেসেছিল কখনো সত্যিকার অর্থে? যদি ভালবেসেই থাকে, তবে তার দেশ আর মানুষের এতো দুরবস্থা্ কেন? বাঙালির এখনই উচিত, তার নিজের মুখকে অন্তরের আয়নায় গভিরভাবে প্রত্যক্ষণ এবং তার ক্লেদাক্ত মুখের বন্ধুরতাকে বিনাশের মহৌষধ আবিস্কারের সর্বাত্মক চেষ্টা! নাহলে প্রত্যেক নির্বাচনের সময়ই বাঙালি এভাবে রক্তারক্তি করতে থাকবে অনন্ত কাল? এর কি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করবে না বাঙালি?

    আমার এ শেষ প্যারার মধ্যেই আমার চিন্তন ও বাঙালির প্রতি মমত্ববোধ খুঁজে পেতে সচেতন পাঠকের কষ্ট করতে হয় না। কিন্তু তারপরও লেখকসহ কেউ কেউ গৌরবের গান গাইতে চেয়ে আমার বর্ণিত “বাঙালি কি এভাবেই কাল কাটাবে নিজের তথাকথিত গৌরবের গান গেয়ে?” বাক্যটি সত্যে পরিণত করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন, যার সত্যতা বিশ্ব ইতিহাস স্বীকার করেনি কিংবা করেনা। কেউ কেউ আমার প্রতি অর্বাচীন, গ্রাম্য, স্লাং শব্দ প্রয়োগ করে বাঙালির ঋণাত্মক, সংকীর্ণতা তথা নেতিবাচকতার সত্যতা তুলে ধরেছেন এ প্রবন্ধ ও মন্তব্যে!

    আমার ধারণা ৩-শ্রেণির ব্লগার আছে ব্লগে। [১] যারা নিজেরা লেখে ও পোস্ট দেয় [২] যারা কোন লেখা পোস্ট দেয়না। তবে অন্যের লেখা পড়ে ও মন্তব্য/প্রতিমন্তব্য করে [৩] যারা নিজের লেখা পোস্ট দেয়, অন্যের লেখা পড়ে ও মন্তব্য করে। কে কোন শ্রেণির ভেতর থাকবে বা থাকতে পারবে তা ব্লগারের নিজের সময়, যোগ্যতা, সুযোগ-সুবিধে তথা ইচ্ছের উপর নির্ভর করে। আমি সংসারি, কর্মক্ষেত্রে কিছুটা ব্যস্ত মানুষ। নানা সপ্তপদি কারণে অন্যের লেখা খুব একটা পড়তে পারিনা, যে কারণে মন্তব্য করাও অনেক সময় সম্ভব হয়না। তারিক সাহেবের লেখাটি আমাকে জানিয়ে দেয়া হয়নি, সঙ্গত কারণেই অন্য অনেক মূল্যবান ব্লগারের মত তার ২০ তারিখ পোস্টকৃত লেখাটিও আমি পড়িনি কিংবা পারিনি, এ জন্য শালীন মন্তব্য প্রত্যাশা করা অন্যায় হবে কি এ ব্লগে?

    লেখক তারিক সাহেব তার লেখার উপসংহারে বলেছেন “আমাদের এই অঞ্চলের মনবগোষ্ঠীর ঐতিহ্যের সংকট আসলেই নেই, তা আরও স্পষ্ট হবে আগামী এবং শেষ পর্বে। আমাদের যা আছে তা হল হীনমন্যতা এবং নিজেদের নিয়ে গর্ব করতে না পারার ঐতিহ্য। আর এইটাই আমাদের সংকটময়তার ঐতিহ্য। আমাদের আগামী প্রজন্ম একদিন ঠিকই নিজেদের গর্বের ঐতিহ্যকে মাটি খুঁড়ে বের করবে। বিশ্বের সবচে পুরাতন এই সভ্যতার অনন্য নিদর্শন মাত্র উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। লেখকের অনেক মন্তব্যের সাথে আমি দ্বিমত পোষণ করলেও তার “আমাদের আগামী প্রজন্ম একদিন ঠিকই নিজেদের গর্বের ঐতিহ্যকে মাটি খুঁড়ে বের করবে” বাক্যটি আমি শ্রদ্ধাভরে মনে রাখবো এবং প্রত্যাশা করবো তা সত্যে পরিণত হোক এবং দ্রুত! তবে যারা আমার প্রবন্ধে আত্মতুষ্টি লাভ করতে পারেননি বরং বাঙালির অহংবোধে আঘাতকারী মনে করছেন, তাদের জন্য আপাতত কোন সুখবর নেই! আরেকটা আঘাত দেয়ার জন্য আরো হাজারো নিষ্ঠুর সত্য নিয়ে আরেকটি পোস্ট দিয়েছি এই মাত্র যার শিরোনাম “বিশ্বে এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি! হায়!!” অবশ্যই তা বাংলাদেশ আর বাঙালিকে নিয়ে!

    লিংক দেয়া হলো নিচে :
    http://www.istishon.com/node/6562#sthash.mYVkCwAQ.dpbs

    লেখকের ফেসবুক ঠিকানা [ধর্মান্ধতামুক্ত যুক্তিবাদিদের ফ্রেন্ডভুক্ত হওয়ার আমন্ত্রণ জানাই ] : https://www.facebook.com/logicalbengali

    1. প্রথমেই আপনাকে এই জ্ঞানগর্ভ
      প্রথমেই আপনাকে এই জ্ঞানগর্ভ আলোচনার জন্য ধন্যবাদ। :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
      অতঃপর আপনার এই সুদীর্ঘ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমার কিছু কথা পয়েন্ট আকারে বললামঃ
      ১)

      লিংকনসহ মন্তব্যকারি অনেকেই বিষটটাকে “বাঙালি তথা নিজের প্রতি অবমাননাকর ধরে নিয়ে” বিষয়টাকে সেভাবে দেখার চেষ্টা করছেন।

      — ধারণাটি সম্পূর্ণ অবান্তর। আপনি লক্ষ করবেন আমি একজন মন্তব্যকারী সহব্লগারকে বলেছিলামঃ “দেখেন গণ্ড-মূর্খ বেয়াদব গোলাপি থেকে এমন শিক্ষিত – জ্ঞানী সমালোচকই আমাদের জন্যে উপকারী! তানাহলে আমার এত ঐতিহ্যের কথা জানা হত না আপনাদেরও জানানোর সুযোগ হত না”; যা আপনি নিজের শেষ অর্থাৎ ৫ম পোস্টের শেষে বলেছিলেনঃ
      [নিজে একজন বাঙালি হয়েও অনেক কষ্টে লিখলাম লেখাটি, প্রবন্ধটি লেখার সময় বাঙালি হিসেবে নিজ জাতির কষ্টে আমার চোখ আর বুক ভারি হয়ে এসেছিল। বন্ধুরা ক্ষমা করবেন আমায়! পছন্দ না হলেও Like দিন, সকল বাঙালির ঘিলুতে আঘাত দেয়ার জন্যে! যদিবা সে আঘাতে সে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কখনোবা!]
      আপনার এই কথাটা মাথায় রেখেই আমার পোস্ট দেয়া। এই আঘাতে নিজে নতুন করে ইতিহাস গড়ার তীব্র আকাংখার পাশাপাশি সোনালি অতীতকেও জানতে প্রাথমিকভাবে এই পোস্ট দিয়েছিলাম। অতএব আমাকে ভুল বুঝার অভিযোগ করা অবান্তর।

      ২) আপনার পোস্ট এতইতাই বিশাল পটভূমিতে লিখা যে তা নিতান্তই অবিচারের পর্যায়ে পরে। কেননা ১৯৫ টি দেশের ইতিহাসকে কখনও ১ টি দেশ যার ব্যাপ্তি ভূখণ্ডের বিচারে ০.০৯৮% আর জনসংখ্যার হিসেবে ২.২২%; আপনার এই অসামাঞ্জস্যতাপূর্ণ আলোচনার প্রসঙ্গটি আপনি সচেতনভাবেই এড়িয়ে গেছেন বলে আমি মনেকরি। আর এই আলোচনায় ইহুদীদের প্রসঙ্গ টেনে আনা আমার মনে হয় যথেচ্ছাচার, কেননা ইহুদীদের ঐতিহাসিক লিগাসি জাতিসত্ত্বার থেকে বেশী কিছু প্রমাণ করে। আপনার আরেকটি পোস্টে আপনি নিজেই তা প্রমাণ করবেন/করতে যাচ্ছেন। [আপনার পোস্টের ফ্রিকুয়েন্সি এতই বেশী যে সব পোস্টে মন্তব্য করার সুযোগ হয় না, আমার অনুরোধ থাকবে আপনার প্রতি যেন অন্তত ২/৩ দিন বিরতি দিয়ে পোস্ট দিবেন, তাতে আমাদের পড়ার সুযোগ হবে।]

      ৩)

      “লেখক প্রাগৈতিহাসিক ভারতবর্ষীয় সভ্যতাকে বাঙালি সভ্যতা মনে করছেন! হরপ্পা সভ্যতা বা ইন্দোস ভ্যালী সভ্যতা কি বাঙালি সভ্যতা। বাঙালিরা কি সিন্ধুতীরে বসতি গড়েছিল না গঙ্গাতীরে?”—

      আমি নিশ্চিত ছিলাম আপনি এই প্রশ্নটি তুলবেন এবং তুলেছেন। লজিক্যাল – ভাই আপনি কি দেখেন নাই যে গঙ্গা, সিন্দু এবং যমুনা এই তিন নদীর তীরকে কেন্দ্র করেই ইন্দোস ভ্যালী সিভিলাইজেশন ? আর আমি নিজেও পোস্টে বলেছি যে সভ্যতা কখনও ছোট্ট কোন পটভূমিতে গড়ে উঠে না। যেই সভ্যতা এমনকি দেশবিভাগের আগ পর্যন্ত সকল ইতিহাস এবং অর্জন একীভূতভাবে হত তা আপনি কীভাবে শেষ ৫০/৬০ বছরের ইতিহাসের জন্যে অস্বীকার করবেন? কুমিল্লা থেকে বগুড়া হয়ে দিনাজপুরের এই বিশাল অঞ্চলজুড়ে আমাদের সভ্যতার যে ইতিহাস উন্মোচিত হয়েছে তা আপনি অস্বীকার করছেন কীভাবে? আমি পোস্টেও বলেছি আবারও বলছি আমাদের এই সুবিশাল সভ্যতার পূর্ণাঙ্গ আবিষ্কারের অভাবে আজ আপনি এইসব বলার সুযোগ পাচ্ছেন। আমাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতা একদিন এমন সকল ইতিহাসের সত্য উন্মোচন করবে আর তা আমি-আপনি জীবদ্দশায় দেখে যাব।

      ৪)

      “রামায়ণ, মহাভারত, বেদ-উপনিষদ কোনটি বাঙালির হাতে রচিত হয়নি”

      কি ছিলেন? তাও কি আপনি জানতে পেরেছেন? ৫০০০ হাজার বছর পুরাতন এই সকল থেকে শেষপর্যন্ত হিন্দু, বাঙালীসহ সকল জাতিই এসেছে। একটা প্রশ্নই আপনার বিভ্রান্তি দূর করবে আশাকরি। আচ্ছা বলেন তো, মিলিয়ন বছর পূর্বের আর্ডি কি শুধুই মানুষের পূর্বপুরুষ নাকি বানর, শিম্পাঞ্জী, বেবুন এবং মানুষ সকলরই পূর্বপুরুষ? এইবার আশাকরি আপনি ধরতে পেরেছেন বা পারছেন আমি কি বলতে চাচ্ছি?

      ৫)

      ‘জাতিতাত্ত্বিক যাদুঘরে ২/৪-টি থালা, বাসন, হাড়ি, পাতিল, ঘাটি-বাটি প্রদর্শনে বিশ্ব উন্নয়নে এর গুরুত্ব খুব বেড়ে যায় না’


      আপনি খুব ভাল করেই জানেন এই অঞ্চলের ঐতিহ্যকে আজ পর্যন্ত ৩-৫% ও উদ্ধার করা সম্ভব হয় নি। যেভাবে পশ্চিমা বিশ্ব তাঁদের ইতিহাসকে তন্নতন্ন করে খুঁজেছে। এই ৩/৫% এই আমাদেরকে আদিমতম সভ্যতার বংশধর প্রমাণ করেছে। আজ BRIC-ভুক্ত ভারত এবং নেক্সট এলেভেনের অন্যতম এমারজিং টাইগার বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে সক্ষমতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খুদা এবং মৌলিক চাহিদা পূরণের পরই যখন আমরা গবেষণায় প্রচুর মনোনিবেশ করতে পারব তখনই আমরা আমাদের সোনালি অতীতকে আরও চমৎকারভাবে জানতে পারব। লক্ষণ কিন্তু তাই বলে…

      ৬)

      “আমাদের সম্মানিত লালন, হাসন, রবীন্দ্রনাথকে খাটো করার উপায় নেই কিন্তু এ জাতীয় ব্যক্তিত্ব বিশ্বে বিরল কি? সব জাতির মধ্যেই কমবেশি লালন-হাসন, রবীন্দ্রনাথ বিদ্যমান। মিয়া তানসেন বাঙালি ছিলেন বলে কোথাও পাইনি”।


      এই কথা প্রচণ্ড অবেজেকশনাবল। আপনি হয়তো সম্পূর্ণ পোস্ট পড়েন নি। বিথোভেন-মোজার্টকে নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব পাগলপ্রায়, অথচ তারও ২৫০ বছর পূর্বের তানসেনকে আমরা আজও ভালভাবে জানতে পারি নি আর ‘বিথোভেন-মোজার্ট’ এর সময়কার লালনকে মাত্রই বুঝতে শুরু করেছি। আর হ্যাঁ আপনি গোটা বিশ্ব খোঁজে আরেকজন লালন-হাসন এবং রবীন্দ্রনাথের খোঁজ দেন। সহস্রাব্দের সেরা ৪ জন উপন্যাসিকের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ অন্যতম। সেক্সপিয়ার, লিও তলস্তয় এবং রবীন্দ্রনাথকেই গোটা দুনিয়া অন্য মাপকাঠিতে মাপে আর আমরাই বিভ্রান্ত থাকি। আফসোস… ‘বিথোভেন-মোজার্ট’ কেবলই সুর স্রষ্টা ছিলেন কিন্তু লালন একই সাথে দার্শনিকও বটে। মাত্রই পশ্চিমা বিশ্ব এই রত্নের খোঁজ পেয়েছে দেখুন কিছুদিন পর তাকে কোন উচ্চতায় নিয়ে যায়।

      ৭) লালনের মানব ধর্মই আধুনিকতম এবং সর্বোত্তম ধর্ম। আর বাকি সাম্প্রদায়িক হানাহানিপূর্ণ কোন ধর্মের লিগাসি আমরা বহন করছি এতে আমি খুশি। বেশীরভাগ ধর্মইতো ঊশর মরুর ধূসর বালিকায় হয়েছে? এইটা কি মানব কল্যাণকর কিছু? আমি বাঙালী হিসেবে গরবিত কারণ ইতিহাসের কোন কলঙ্ক সৃষ্টিতে তারা নেই। আর হিন্ধু বা সনাতন ধর্মের ক্রেডিট এই গোটা উপমহাদেশের হলেও ধর্ম হিসেবে ওইটা ছিল একদমই বুনিয়াদী ধর্ম। আর সাঁতার, দৌড়, নৌকা-বাইচ, নাচ-গান, বক্সিং, ফুটবল এমন বেসিক খেলাগুলো ঠিক কোথায় কখন শুরু হয়েছে তার কি কোন ইতিহাস আছে? প্রথম রান্না কোথায় হয়েছিল তারও কি কোন ইতিহাস বের করা সম্ভব? গ্রীকেরা অলম্পিকের মাধ্যমে কেবলই একটা প্রতিযোগিতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে এইটা নিয়ে এত হা-হুতাশ করার কিছু নেই।

      ৮) আমি আজই অন্য একটি কাজে ব্যস্ত হয়ে পরছি। আশকরি আপনার শেষোক্ত কিছু ব্যাপার নিয়ে আমি আগামী এবং শেষপর্বে আলোচনা করতে পারব। আর লজিক্যাল-ভাই, আমি কিন্তু কোন ছাত্রকে তোর চৌদ্দগোষ্ঠী অশিক্ষিত তোর কোন এই নাই সেই নাই এইসব বলে ভাল রেজাল্ট করাতে পারব বিশ্বাস করি না। আমি যা আছে তা নিয়েই প্রেরণা দিতে বিশ্বাসী…

      আবারও ধন্যবাদ আপনার জ্ঞানগর্ভ আলোচনার জন্যে!! :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: আগামী পোস্টে কথা হবে।। ভাল থাকবেন, শুভ কামনা…

      1. সত্য সন্ধানে যুদ্ধসাথি তারিক
        সত্য সন্ধানে যুদ্ধসাথি তারিক লিংকনকে অসংখ্য ধন্যবাদ তার মননশিল, আবেগময়ি তথা বাঙালি প্রেমে স্নাত প্রতিমন্তব্যের জন্যে। এর পর আপনার ২য় পর্ব দেখে পরবর্তি বাৎচিৎ হবে।

        তবে আপনার জন্যে কিঞ্চিৎ ঈর্ষা হয় এজন্যে যে, প্রায় সবাই আপনার বাঙালিপ্রেমময় অঐতিহাসিক কথাবার্তা শুনে প্রশংসার প্লাবন বইতে দিলো, আর আমার কঠোর অপছন্দনিয় সত্য ভাষণ শুনে পারলে আমার মাথাটা এখনই কেটে নেয় আরকি! যে কারণে বাঙালি রিলেটেড “বিশ্বে এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি! হায়!!” পোস্টটি শ’ খানেক পাঠক পড়লেও কেউই কোন মন্তব্য করেনি, সম্ভবত মুখ কালো করে আমার মুন্ডপাত করতে করতে বিদায় নিয়েছেন। সে হিসেবে আপনি ধন্য ভাইয়া। আমি অভাগা।

        ভাল আর কল্যাণে থাকুন।

        1. মিলিয়ন বছর পূর্বের আর্ডি কি

          মিলিয়ন বছর পূর্বের আর্ডি কি শুধুই মানুষের পূর্বপুরুষ নাকি বানর, শিম্পাঞ্জী, বেবুন এবং মানুষ সকলরই পূর্বপুরুষ?

          আমার এই প্রশ্নটির উত্তর দিয়ে যাবেন আশাকরি…

          সত্য সন্ধানে যুদ্ধসাথি তারিক লিংকনকে অসংখ্য ধন্যবাদ তার মননশিল, আবেগময়ি তথা বাঙালি প্রেমে স্নাত প্রতিমন্তব্যের জন্যে।

          আপনার এই কথায় আসলেই আবেগময় তবে আমার মন্তব্য কীভাবে আবেগময় বুঝলাম না। হয়তো, আমার যুক্তি না খণ্ডনে যাওয়ার একটা কৌশল। তবে আপনার কাছে অনেক কিছুই জানার আছে। দুর্দান্ত লিখে যাচ্ছেন আপনি…
          আপনাকে ঐকান্তিক :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
          ভাল থাকবেন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *