বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, প্রসঙ্গঃ ৩০ লাখ বাঙালী হত্যার আইকনিক মিথ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি হানাদার সামরিক জান্তা নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ২৮ মার্চ ১৯৭১-এর নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, অপারেশন সার্চলাইট-এর ঐ একরাতের হত্যাযজ্ঞে প্রাণ হারায় ১০,০০০ নিরস্ত্র বাঙালী, যদিও ১ এপ্রিল নিউইয়র্ক টাইমস বলে ৩৫,০০০ হাজার বাঙালীর প্রাণহানি হয় অপারেশন সার্চলাইট’র একরাতে। সিডনির মর্নিং হেরাল্ড ২৯ মার্চ ১৯৭১-এ বলেছে অপারেশন সার্চলাইটে মোট নিহতের সংখ্যা ১০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ জন হতে পারে।


১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে পাকিস্তানি হানাদার সামরিক জান্তা নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। ২৮ মার্চ ১৯৭১-এর নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, অপারেশন সার্চলাইট-এর ঐ একরাতের হত্যাযজ্ঞে প্রাণ হারায় ১০,০০০ নিরস্ত্র বাঙালী, যদিও ১ এপ্রিল নিউইয়র্ক টাইমস বলে ৩৫,০০০ হাজার বাঙালীর প্রাণহানি হয় অপারেশন সার্চলাইট’র একরাতে। সিডনির মর্নিং হেরাল্ড ২৯ মার্চ ১৯৭১-এ বলেছে অপারেশন সার্চলাইটে মোট নিহতের সংখ্যা ১০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ জন হতে পারে।

২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন বঙ্গবন্ধু। তিনি গ্রেফতারের পূর্বে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তির জন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর থেকে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে আটক ছিলেন। গোটা বাঙলা যখন স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করছে, বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর বাঙালিদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলে বিশ্বনেতারা বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠেন এবং এ বিষয়ে শক্তিশালী জনমত সৃষ্টি হয়। আন্তর্জাতিক চাপে পরাজিত পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের স্বাধীন স্বদেশ ভূমিতে ফেরা

অপেক্ষার পালা শেষে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করে পিআইয়ের একটি বিশেষ বিমানে লন্ডনে পৌঁছে সাংবাদিকদের কাছে বিবৃতি দেন। ১০ জানুয়ারি ব্রিটেনের রাজকীয় বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে নয়াদিল্লি হয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন মাতৃভূমিতে ফিরে আসেন। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে সেদিন লাখো লাখো জনতার সামনে ভাষণে বঙ্গবন্ধু আবেগাপ্লুত হয়ে বলেছিলেন, ‘যারা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন, যারা বর্বর বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন, তাদের আত্মার প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। লক্ষ মানুষের প্রাণদানের পর আজ আমার দেশ স্বাধীন হয়েছে। আজ আমার জীবনের স্বাদ পূর্ণ হয়েছে। বাংলাদেশ আজ স্বাধীন। বাংলার কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার প্রতি জানাই সালাম। তোমারা আমার সালাম নাও। আমার বাংলায় আজ এক বিরাট ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতা এসেছে। ৩০ লক্ষ লোক মারা গেছে। আপনারাই জীবন দিয়েছেন, কষ্ট করেছেন। বাংলার মানুষ মুক্ত হাওয়ায় বাস করবে। খেয়ে পরে সুখে থাকবে, এটাই ছিল আমার সাধনা।’ বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে আরও বলেছিলেন, ‘ইয়াহিয়া খান আমার ফাঁসির হুকুম দিয়েছিলেন। আমি বাঙালি, আমি মানুষ, আমি মুসলমান। বাঙালিরা একবারই মরতে জানে। তাই আমি ঠিক করেছিলাম, আমি তাদের কাছে নতি স্বীকার করবো না। ফাঁসির মঞ্চে যাবার সময় আমি বলবো, আমি বাঙালি, বাংলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা। তাদের আরো বলেছি তোমরা মারলে ক্ষতি নাই। কিন্তু আমার লাশ বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছে দিও।’

১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সালের অবিরাম মিথ্যাচার আজ দেশের কিছু মানুষকে বিশ্বাস করাতে সক্ষম হয়েছে যে বঙ্গবন্ধু ঐদিন (১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে) ভুলে ৩ লক্ষ শহীদের কথা বলতে গিয়ে ৩০ লক্ষ বলে ফেলেছিলেন। স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী বা ছদ্ম স্বাধীনতাবিরোধীরা ২১ বছরের ক্রমাগত মিথ্যাচারে সমাজের একাংশের কাছে ঠিকই এই মিথ্যাটাকে সত্যরূপে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছে। আজ বঙ্গবন্ধুর এই আইকনিক সংখ্যার বিতর্কের অবসান ঘটাতে কিছু বলতে চাই। শুরুতে কয়েকটি প্রাসঙ্গিক সংজ্ঞা জেনে নিই-

Genocide বা গণহত্যা: Among other things, the killing of people by a government because of their indelible group membership (race, ethnicity, religion, language). অর্থাৎ গণহত্যা হচ্ছে এমন একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড যা কোন সরকার বা শাসক কোন অমোচনীয় জাতিগত, নৃতাত্ত্বিক, ধর্মীয় বা ভাষাগত জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরিচালনা করে।

Politicide বা রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড: The murder of any person or people by a government because of their politics or for political purposes. অর্থাৎ কোন সরকার বা গোষ্ঠী যদি কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকে তবে সেইরকম হত্যাকাণ্ডকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলা হবে।

Mass Murder বা নির্বিচারে মানব হত্যা: The indiscriminate killing of any person or people by a government. অর্থাৎ একটি সরকার দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের নির্বিচারে হত্যা করা।

Democide: The murder of any person or people by a government, including genocide, politicide and mass murder. Democide is a term revived and redefined by the political scientist R. J. Rummel as “the murder of any person or people by a government, including genocide, politicide and mass murder.” অর্থাৎ কোন সরকার বা শাসক যখন নির্বিচারে গণহত্যা, রাজনৈতিক হত্যা এবং মানব হত্যা করে তখন তাকে সম্মিলিতভাবে ডেমোসাইড /Democide বলা হবে।

পৃথিবীতে যতগুলো স্বাধীনতা যুদ্ধ বা মুক্তির সংগ্রাম হয়েছে সেগুলোর কোনটাতেই সামরিক-বেসামরিক মৃত্যুর কোন ধরণের নামিয় তালিকা নাই। এমন তালিকা কখনো করা হয়না কারণ এটা করা সম্ভব না। যুদ্ধ একটা অস্বাভাবিক অবস্থা। এটা একদিনের ঘূর্ণিঝড়, রোড ট্র্যাফিক অ্যাকসিডেন্ট, ভূমিকম্পে নিহতের মত কিংবা রানাপ্লাজার মত সীমাবদ্ধ স্থানের বিপর্যয় নয়। তবে স্বাধীনতা যুদ্ধ বা মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাসের প্রয়োজনে এবং জনগোষ্ঠীর আবেগের সাথে তাল মিলিয়ে যুদ্ধে মৃতের একটা আইকনিক সংখ্যা বা ফিগার বলা হয় যেমন আমেরিকান গৃহযুদ্ধে মৃতের সংখ্যা বলা হয় ৬ লক্ষ ২০ হাজার। এটাও প্রকৃত কোন তালিকাগত সংখ্যা নয়, একটা আইকনিক ফিগার। তবে এই আইকনিক ফিগারেরও একটা গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা এবং বাস্তবসম্মত এনালাইসিস থাকে। এইবার আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ বা মুক্তির সংগ্রামে হারানো শহীদদের যে আইকনিক ফিগার আছে তার গ্রহণযোগ্য এবং বাস্তবসম্মত ব্যাখ্যা দেবঃ

প্রথমত,
বিশিষ্ট রাজনীতি বিজ্ঞানী Rudolph Joseph Rummel বা R.J. Rummel তাঁর ‘China’s
Bloody Century
‘ এবং ‘Lethal Politics: Soviet Genocide and Mass Murder Since 1917’ নামের দু’টি গবেষণাধর্মী বইয়ের পরিশিষ্টে গণহত্যার পরিসংখ্যান কিভাবে করতে হয় সেটার একটা মেথডোলজি দিয়েছেন আগ্রহীরা পুরোটা পড়তে পারেন; নিবন্ধটি ‘ESTIMATING DEMOCIDE: METHODS AND PROCEDURES ESTIMATING DEMOCIDE: METHODS AND PROCEDURES’ সম্পূর্ণ পড়ুন এইখানে। তাঁর গবেষণায় তিনি নিম্ন, মধ্যম এবং উচ্চ সম্ভাবনার স্কেলে মানুষের হত্যার হিসেব করেছেন। তাঁর STATISTICS OF DEMOCIDE, Chapter 8, Statistics Of Pakistan’s Democide Estimates, Calculations, And Sources তিনি দেখিয়েছেন বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মুক্তির সংগ্রামে ৩০,০৩,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

টেবিল- ১ ডেমিসাইড বাংলাদেশ [পূর্ণাঙ্গ দেখতে এইখানে ক্লিক করুণ] এই তালিকা/ টেবিলের ৩৩ নম্বর সারিতে R.J. Rummel ৩০ লক্ষ ৩ হাজার মানুষের প্রাণ হারানোর কথা বলেছেন উচ্চ সম্ভাবনার কলামে আর মধ্যম সম্ভাবনায় বলেছেন ১৫ লক্ষের কথা। আর রিফিউজি বা শরণার্থীর ক্ষেত্রে ৩৭ নম্বর সারিতে মধ্যম এবং উচ্চ হিসেবে যথাক্রমে ১ কোটি এবং ১ কোটি ২০ লক্ষের কথা বলেছেন।

যদিও সঠিক হিসেবে ৩ ডিসেম্বরই ১ কোটি ১০ লক্ষ বা ১১ মিলিয়ন শরণার্থীর কথা ইতিহাস জানে, তবুও এইখানে বলে রাখা ভাল যে রিফিউজির মিছিল ১৫ ডিসেম্বর’৭১ পর্যন্ত ভারতে গিয়েছিল আর মায়ানমারে যাওয়া শরণার্থীর কোন হিসেবে আমরা আজ পর্যন্ত পাইনি, অর্থাৎ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে উচ্চ সম্ভাবনার হিসেবটাই গ্রহণযোগ্য মনে হয়।

টেবিল –২ জেনোসাইড বাংলাদেশ [পূর্ণাঙ্গ দেখতে এইখানে ক্লিক করুন] অর্থাৎ কোন অবস্থাতেই বঙ্গবন্ধু ভুলে ৩ লক্ষকে ৩০ লক্ষ বলেন নি, ত্রিশ লাখ শহীদের কথা তিনি সচেতনভাবেই বলেছেন।

দ্বিতীয়ত,
মানব সভ্যতার ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস সেই শাসক দম্ভ করেই ৩০ লক্ষ খুনের কথা বলেছিলেন। মানবতা যা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন জার্নাল এবং মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। At a meeting of the military top brass, Yahya Khan declared: “Kill 3 million of them and the rest will eat out of our hands.” Accordingly, on the night of 25 March, the Pakistani Army launched Operation Searchlight to “crush” Bengali resistance in which Bengali members of military services were disarmed and killed, students and the intelligentsia systematically liquidated and able-bodied Bengali males just picked up and gunned down. [Source: Robert Payne, Massacre [1972], p. 50 & According to the Asia Times]

তৃতীয়ত,
defence.pk ওয়েবসাইটের ‘The Radical Truth: Teaching MPACUK the forgotten chapter of Pakistan’s history’ শীর্ষক নিবন্ধে কি বলা আছে একটু দেখুনঃ
“It’s common knowledge that Pakistan does not teach its school children the truth about its brutalities during 1971, when East Pakistan broke away to become Bangladesh. The Guinness Book of Records lists the Bangladesh Genocide as one of the top 5 genocides in the 20th century, yet it’s hardly featured in Pakistan’s textbooks, academic discussion or the media. On the 40th Victory Day of Bangladesh, BBC Radio 4 documented how the Pakistani school children perceive Bangladesh Liberation War; they’re in a state of denial of Pakistan’s genocide of Bengali people in former East Pakistan. They have been taught by the propagandist a conspiracy of Hindu Indians causing tensions between the two Muslim wings of Pakistan. The children’s deny Pakistanis could ever do such things to their brothers and sisters in Bangladesh! In one sense these children are also suffering abuse by their own government by being denied the truth. Pakistanis are suffering from this curse even today except of course, the military elite who live on American handouts to the tune of billions of dollars.” [নিবন্ধটির প্রথম প্যারা এইটি]

তৃতীয় প্যারায় ব্রিটিশ একজন পাকিস্তান ইতিহাসবিদের বরাত দিয়ে বলছেঃ “In 1971, over 9 months, President Yahya Khan and his military commanders with the aid of local collaborators committed mass atrocities on unarmed civilians, killed an estimated three million people, raped over 300,000 women, destroyed innumerable homes to crush the rebellion, which was termed an “Indian-inspired” conspiracy. The minority Hindu community was particularly targeted. This unprecedented atrocities led to a mass exodus to India, where an estimated 10 million people took refuge.” এই নিবন্ধেই গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকের স্বীকৃতির কথা বলা আছে। তাই আলাদা আরেকটি পয়েন্টে দিলাম না।

চতুর্থত,
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগের কিছুদিনের দৈনিকগুলো একটু দেখিঃ
দৈনিক পূর্বদেশের সম্পাদক তাঁর পত্রিকায় ২২ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ “ইয়াহইয়া জান্তার ফাঁসি দাও” শিরোনামে একটি সম্পাদকীয় লিখেন। তাঁর কলামে এইভাবে ফুটে উঠে হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার রূপ এইভাবে “হানাদার দুশমন বাহিনী বাংলাদেশের প্রায় ৩০ লাখ নিরীহ লোক ও দু’শতাধিক বুদ্ধিজীবিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে…”

এরপর আন্তর্জাতিক মহলের দিকে তাকালে দেখি রাশিয়ার কমিউনিষ্ট পার্টির মুখপত্র প্রাভদা পত্রিকা ডিসেম্বরেই ৩০ লক্ষ শহীদের বিষয়টি তাদের পত্রিকায় প্রকাশ করে। “over 30 lakh persons were killed throughout Bangladesh by the Pakistani occupation forces during the last nine months”। যার বাঙলা সংস্করণে১৯৭২ সালে ৫ জানুয়ারি শিরোনাম হয় ‘দখলদার বাহিনী বাংলাদেশে ত্রিশলক্ষাধিক মানুষ হত্যা করেছে’

ঢাকার পত্রিকা দৈনিক অবজারভার শিরোনাম করে এভাবে, “Pak Army Killed over 30 Lakh people” যেটা প্রকাশিত হয় ০৫ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে, বঙ্গবন্ধুর দেশে আসার ৫ দিন আগে।

পঞ্চমত,
উইকিপিডিয়ার List of genocides by death toll নিবন্ধের ৪ নম্বর তালিকায় একাত্তরের নৃশংস গণহত্যা। সময়ের ব্যপ্তিতে মাত্র ৯ মাসে এমন গনহত্যা নজির দুনিয়ায় আর নেই। এইখানেও ৩ মিলিয়ন বা ৩০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানির কথা বলা আছে। তালিকাটি দেখুন এবং পাশে শেষ কলামের নোটে কি লিখা আছে পড়ুনঃ

List of genocides by death toll


নোটটি পড়ুন

ষষ্ঠত,
“Sheikh Mujib’s government says that three million Bengalis died between March and December of 1971. The figure is probably inflated but certainly the terrors and atrocities committed here- in Dacca and all across this gentle land of rivers and marshlands- came close to genocide.” অর্থাৎ ‘শেখ মুজিবের সরকার বলছে, দেশে ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ৩০ লক্ষ বাঙালি নিহত হয়েছে। সংখ্যাটি হয়তো অতিরঞ্জিত, কিন্তু সে সময় ঢাকাসহ এই বিস্তীর্ণ নদীমাতৃক দেশের প্রতিটি প্রান্তে যে হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছে তা নিঃসন্দেহে গণহত্যার এই নৃশংসতার খুব কাছাকাছি’। [NatGeo, Sept 1972; Article: “Bangladesh: Hope Nourishes a New Nation”]. সম্পূর্ণ নিবন্ধটির বাঙলা ভাবানুবাদ করেছেন শিক্ষানবিস নামের bangladesh-71.info এর একজন ব্লগার। তাঁর সম্পূর্ণ অনুবাদ পড়ুন এইখানে

ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ম্যাগাজিনের সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ সংখ্যায় এটি প্রকাশিত হয়। সেই ২৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনেরই বাংলা অখণ্ড ভাবানুবাদ এটি। সাথে ভিয়েতনাম যুদ্ধের আলোকচিত্রী ডিক ডুরেন্সের তোলা ছবিগুলোও আছে।

সপ্তমত,
Samuel Totten, William S. Parsons & Israel W. Charny সংকলিত ‘Century of Genocide: Critical Esssesy and Eyewitness Accounts’ গবেষণা গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় নিউইয়র্ক এবং লন্ডনের Routledge প্রকাশনী থেকে। সেই গ্রন্থের ৯ম চ্যাপ্টার ‘Genocide in Bangladesh’ নিবন্ধটি লিখেছেন রওনাক জাহান, তিনিও ৩ মিলিয়ন হত্যা এবং কোয়ার্টার মিলিয়ন নারী ধর্ষণের কথা বলেছেন। [বইটির ২য় সংস্করণের ২৯৫ পৃষ্ঠা দেখুন]

অষ্টমত,
বিভিন্ন সময়ে দেশের ৩৫টি স্থানকে বধ্যভূমি হিসেবে চিহ্নিত করে সেগুলো সংরক্ষণ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মোট কতগুলি স্থান বধ্যভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সেই সংক্রান্ত কোনো তালিকা পাওয়া যায় না; তবে ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি এদেশে প্রায় ৯৪২টি বধ্যভূমি শনাক্ত করেছে। এরমধ্যে চট্টগ্রামে ১১৬টি স্থানকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আনাচে কানাচে সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে আরও অগণিত বধ্যভূমি। এর মধ্যে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী বধ্যভূমি স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিন জানান, স্বাধীনতার পর এ বধ্যভূমির শুধু একটি গর্ত থেকেই প্রায় ১ হাজার ১০০ মাথার খুলি উদ্ধার করা হয়। সংগৃহীত কঙ্কাল এখনও সংরক্ষিত রয়েছে চট্টগ্রাম সেনানিবাসের স্মৃতি অম্লান জাদুঘরে। একাত্তরের এপ্রিল থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত এখানে ২০ হাজারের মতো বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকালে ঢাকায় হত্যা করে রায়েরবাজারে এনে ফেলে রাখা হতো। আর চট্টগ্রামে লোকজনদের ধরে এনে হত্যার কাজটি চলত পাহাড়তলীতে। যেখানে বধ করা হয় সেটাই বধ্যভূমি। সে হিসেবে পাহাড়তলী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বধ্যভূমি। রায়েরবাজার এবং জল্লাদখানা বধ্যভুমির মোট লাশের সংখ্যা কখনই নির্ণয় করা যাবে না। অর্থাৎ আমরা যদি না পাওয়া বধ্যভুমির কথা হিসেব করে সর্বসাকুল্যে মোট ১৫০০ বধ্যভূমির সংখ্যা ধরে নেই তবে প্রতি বধ্যভূমিতে ২০০০ করে লাশ থাকলেই মোট প্রাণ হারানো বাঙালীর সংখ্যা হয় ৩০ লক্ষ! কিন্তু এমন অনেক বধ্যভূমি আছে যেইখানে ২০ হাজারেরও অধিক মানুষের লাশ আছে আবার ১০০/২০০ লাশের বধ্যভূমিও আছে কিন্তু অন্যদিকে আমরা কখনই নদীমাতৃক বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া লাখ শহীদের কোন হিসেব পাব না।

নবমত,

ইউনাইটেড নেশনস-এর ডিক্লারেশন অফ ইউনিভারসাল হিউম্যান রাইটস ১৯৮১ সালে লিখেছে ‘মানব সভ্যতার ইতিহাসে যতগুলি গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার মধ্যে অল্প সময়ের মধ্যে সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে বাংলাদেশে, ১৯৭১ সালে। প্রত্যেক দিন গড়ে ৬০০০ থেকে ১২,০০০ হাজার মানুষ খুন হয়েছিল। গণহত্যার ইতিহাসে এটাই সর্ব্বোচ্চ প্রাত্যহিক গড়’; যদিও অপারেশন সার্চলাইটের প্রথম রাতের প্রাণহানির সংখ্যা ছিল কমপক্ষে ৩৫,০০০; বাংলাদেশে দখলদারি পাকিস্তানি সৈন্যরা প্রায় ২৬০ দিন (২৫ শে মার্চ, ১৯৭১ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ পর্যন্ত) এই নৃশংসতা চালিয়ে যায়। এবার ইউনাইটেড নেশনসের দেওয়া দিন প্রতি নিহতের সংখ্যাকে ২৬০ দিয়ে গুণ করলে যা দাঁড়ায় তা হচ্ছে নিহত বাঙ্তেগালিদের সর্ব নিম্ন সংখ্যা ১,৫৬০,০০০ (পনেরো লক্ষ ষাট হাজার ) এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা ৩, ১২০,০০০ (একত্রিশ লক্ষ কুড়ি হাজার) যা গড় করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ২,৩৪০,০০০ (তেইশ লক্ষ চল্লিশ হাজার)।

দশমত,
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাত কোটি (যদিও সাড়ে সাত কোটি বা ৭.৯ কোটির হিসেবও মিলে); সেই সময় সাধারনভাবে একটি বাঙ্গালি পরিবারের সদস্য সংখ্যা ছিল পাঁচজন অর্থাৎ প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ পরিবার। সেই হিসেবে পরিবার পিছু নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ০.২১ অথবা অন্তত একজন সদস্য মারা গেছে এমন পরিবারের ২১ শতাংশ। অবশ্য এই রকম বহু পরিবার ছিল যাদের একাধিক সদস্য নিহত হয়েছিলেন। আবার এমনও অনেক পরিবার ছিল সে পরিবার সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

একাদশত,
প্রত্যেক পাকিস্তানি সেনা (ধরে নিলাম ৯০,০০০ সৈন্য পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ করেছে) ২৬০ দিনে ৩৩.৩৩ জন অর্থাৎ ৭.৮ দিনে একজন করে বাঙালী হত্যা করলেই ২৬০ দিনে ৩০ লক্ষ হত্যা হয়। ৯০,০০০*(২৬০/৭.৮)=৩০ লক্ষ। এই দিকে ১ কোটি ১০ লক্ষ শরণার্থীর কতজন যে অসুস্থতায় মৃত্যুবরণ করেছে তার হিসেব তো করার সুযোগই পেলাম না।

এরপরও যারা নিজের মায়ের রক্তাক্ত ইতিহাস মায়ের ধর্ষকদের এবং তাদের সমমনাদের কাছে শুনে আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ত্যাগ ও অর্জনকে ছোট করতে চায়, তাদের জন্যে ধিক্কার এবং নিকৃষ্টতম ঘৃণা।

৩০ লাখ প্রাণের জন্যে বলবার মত কোন ভাষা আমার জানা নেই,শুধু অফুরন্ত ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা…

এক নদী রক্ত পেরিয়ে,
বাংলার আকাশে,
রক্তিম সূর্য আনলে যারা,
তোমাদের এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না।
মৃত্যুর মুখোমুখি দাড়িয়ে,
সাত কোটি মানুষের,
জীবনের সন্ধান আনলে যারা,
সে নামের মহিমা কোনদিন ম্লান হবে না।

তথ্যসূত্রঃ
> জেনসাইড বাংলাদেশ ডট অরগ
> উইকিপিডিয়া
> ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক
> এবং নিবন্ধে দেয়া লিংকসমূহ

১৭৯ thoughts on “বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, প্রসঙ্গঃ ৩০ লাখ বাঙালী হত্যার আইকনিক মিথ

  1. অসাধারণ একটি পোস্ট।সরাসরি
    অসাধারণ একটি পোস্ট।সরাসরি প্রিয়তে নিয়ে নিলাম।গতকালই এই বিষয়ের উপর একজনের সাথে আমার তুমুল বিতর্ক হয়।আপনার তথ্যবহুল পোস্টটির জন্য আপনাকে অসংকখ্য ধন্যবাদ। :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:
    এবং জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    1. (No subject)
      :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  2. পোষ্টটা শুধু প্রিয়তে নেয়ার
    পোষ্টটা শুধু প্রিয়তে নেয়ার জন্যে লগ ইন করলাম। পোষ্ট সম্পর্কে কিছু বলার নাই। আর অবাক হইলাম পোষ্টটা স্টিকি হয় নাই দেখে। পোষ্টটা দ্রুত স্টিকি করা হোক।

  3. আপনার পরিশ্রম আমাকে মুগ্ধ করে
    আপনার পরিশ্রম আমাকে মুগ্ধ করে দেয় তারিক ভাই। অন্য কোন ব্লগে প্রকাশিত না হলে স্টিকি করার জন্য ইষ্টিশন মাষ্টারের কাছে জোরালো দাবী জানাচ্ছি।

  4. চমৎকার তথ্যবহুল ও পরিশ্রমী
    চমৎকার তথ্যবহুল ও পরিশ্রমী পোস্ট। আপনাকে স্যালুট এই পোস্টের জন্য। ফেবুতে শেয়ার দিলাম। এসব পোস্ট যত বেশী শেয়ার দিয়ে এই প্রজন্মকে পড়ানো যাবে জাতির ততই মঙ্গল হবে। আশাকরি সবাই শেয়ার দিবেন।

    1. (No subject)
      :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  5. পোস্টের আকার বিশাল হলেও
    পোস্টের আকার বিশাল হলেও তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টটি পড়তে একটুও বিরক্তি লাগে নাই। বরং প্রমাণাদি দেখে ছাগুদের কেমন লাগতে পারে ভেবে বিমলানন্দ পেয়েছি। ওরা এইসব লিঙ্কের বিপরীতে কি লিখে, দেখতে ইচ্ছে করছে 😛
    তারিক লিংকনকে ধন্যবাদ এই প্রয়োজনীয় বিষয়টি নিয়ে লেখার জন্য। শক্তিশালী পোস্টটি সম্পর্কে সবার জানা উচিৎ। শেয়ার দিলাম :bow:

    1. (No subject)
      :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

    1. (No subject)
      :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ফুল: :ফুল:

  6. এমন চমৎকার তথ্য নির্ভর পোস্ট
    :salute:

    এমন চমৎকার তথ্য নির্ভর পোস্ট আপনার দ্বারাই সম্ভব তারিক ভাই । স্টিকি পোস্টে আপনার সাথে আমার পোস্ট দেখে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি

    1. সিফাত ভাই,
      আমরা সবাই একই

      সিফাত ভাই,
      আমরা সবাই একই নায়ের মাঝি, কখনও আপনি গল্পের ছলে এগিয়ে যাবেন, কখনও বা আমি ঐতিহ্যের আর গর্বের ইতিহাস নিয়ে প্রেরণা যোগাব! অন্যদিন আরেকজন অন্যকোন বিষয় নিয়ে স্বপ্ন দেখাবে, এইটাই নিয়ম। বিনয় করে বলছি না সিফাত ভাই, এইভাবে আমাকে দূরে সরিয়ে দেয়ার কোন মানে নেই…

      আপনাকে অফুরন্ত ধন্যবাদ :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ফুল: :ফুল:

  7. অসাধারণ একটা পোস্ট। পড়ে অনেক
    অসাধারণ একটা পোস্ট। পড়ে অনেক কিছু জানলাম। আর লেখাটা সরাসরি প্রিয়তে … :গোলাপ: :গোলাপ: আর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে হাজার হাজার :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  8. অসাধারণ, তথ্যবহুল, একই সাথে
    অসাধারণ, তথ্যবহুল, একই সাথে সময়োপযোগী একটা পোস্ট। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :মুগ্ধৈছি:
    ধন্যবাদ, তারিক লিংকন ভাইকে, এই পরিশ্রমী কাজের জন্য। :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :bow:
    সেই সাথে ইস্টিশন কতৃপক্ষকেও ধন্যবাদ পোস্টটি স্টিকি করায়। :ধইন্যাপাতা: :বুখেআয়বাবুল:

    1. (No subject)
      :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  9. তখন ক্লাস নাইনে পড়ি। আমাদের
    তখন ক্লাস নাইনে পড়ি। আমাদের সমাজবিজ্ঞান টিচার ছিলেন মকবুল চৌধুরী। একদিন স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস পড়াতে পড়াতে হঠাৎ তিনি আমাকে দাড় করালেন। জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা বল তো, ৭১রের গণ্ডগোলে কতগুলা মানুষ মরছে? আমি উত্তর দিলাম, স্যার ৩০ লক্ষ। স্যার হঠাৎ রুম কাপিয়ে হো হো করে হেসে উঠলেন। আমি পুরোপুরি অপ্রস্তুত হয়ে গেলাম। স্যার তারপর বললেন, এই যে বইয়ে লিখছে ৩০ লাখ মানুষ মরছে, এইটা হইল গিয়া শতাব্দীর সেরা মিথ্যা কথা… আরে, ৩০ লাখ মানুষ মরব ক্যামনে? গণ্ডগোল ছিল মাত্র নয় মাস, এই নয় মাসে ৩০ লাখ মানুষরে মারা এতো সহজ? শেখ মুজিব ছিল একটা মালাউন, আর হেতে পা চাটতো ইন্ডিয়ার। ইন্ডিয়াই হেতেরে পাকিস্তানের মুসলমানের দুই ভাগ করার কাজে ব্যবহার করছে। এইসব মালাউনডির লাইগা আজকা একটা মুসলমান কান্ট্রি ভাইঙ্গা দুই ভাগ হইয়া গেলো। পাকিস্তানের বীর সেনাবাহিনী তাদের শেষ চেষ্টা করছিল পাকিস্তান এক রাখতে। ওই সময় কিছু মালাউন মরছিল। এই ২০-৩০ হাজার হইব। আর সেইটারে বানাইছে ৩০ লাখ… ৩০ লাখ চক্ষে দেখছে নি কোন দিন? বুঝছস তোরা?

    আমি খুব ছোটবেলার থেকেই খুবই নম্র, ভদ্র শান্ত একটা ছাত্র। ঠিক যেরকম ছাত্র শিক্ষকেরা চায়। কিন্তু স্যারের প্রত্যেকটা কথা আমার মাথায় শেল হয়ে বিধতে থাকলো। কারন ১৯৯৯ সালে যখন আমার ৮-৯ বছর বয়স, তখন আমি একটা দৃশ্য দেখেছিলাম। সেইটা হইল মিরপুরের জল্লাদখানা বধ্যভূমি থেকে উঠে আসা একের পর এক শহীদের মাথার খুলি,হাড়, কংকাল। তারপর থেকে ঠিক কতবার দুঃস্বপ্নে এই দৃশ্য দেখে চিৎকার করে উঠছি, তার কোন হিসাব নাই। তাই স্যারের এই কথা ঠিক হইলে ওই শহিদগুলো তোঁ মিথ্যা হয়ে যায়। তাই স্যারের কথা শেষ হইছে কি হয় নাই, চিল্লায়া কইয়া উঠলাম, না ,স্যার বুঝি নাই। স্যার জাস্ট থমকায়া গেল। আগুন হইয়া কইল, কেন, তোর আবার বুঝতে সমস্যা কি? আমি ঠিক একই স্বরে বললাম, স্যার, আপনি যা কইলেন, সেইটা ঠিক হইতে পারে না। সেইটা ঠিক হইলে ১০ নাম্বার জল্লাদখানায় ১৯৭১ সালে যে মানুষগুলারে বিহারিরা আর পাকবাহিনী মাইরা ফেলছিল, যাদের হাড় আর খুলি পাওয়া গেছে ৯৯ সালে, ওই মানুষগুলা মিথ্যা হয়ে যায়, এইরকম আরও লাখ লাখ শহীদ মিথ্যা হয়ে যায়। আর আমি খুব ভালো মতনই জানি, এইগুলা মিথ্যা না। এইগুলা মিথ্যা হইতে পারে না। হঠাৎ বুঝলাম, ক্লাসে পিনপতন নীরবতা নেমে আসছে। পোলাপান সব চুপ। স্যার হঠাৎ প্রচণ্ড রেগে গেল , তুই আমারে ইতিহাস শিখাছ? সেইদিনকার দুধের শিশু, তুই আমারে ইতিহাস শিখাছ? বলতে বলতে জালি বেত নিয়া তার সব রাগ তুলল আমার উপর। আমি ক্লাস নাইনে সমাজে ফেল করছিলাম।

    প্রচণ্ড ক্রোধে আজকাল সবকিছু জ্বালিয়ে দিতে ইচ্ছা করে লিংকন ভাই। যখন কিছু মানুষ ৭১ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে, বলতে চায় ৭১রে হিন্দুস্থানী মালাউনদের সাথে বীর পাকিস্তানি বাহিনীর সামান্য গণ্ডগোল হইছিল। আলাদা করে ফেলতে ইচ্ছা করে এই জারজ শুয়োরদের প্রতিটা কোষ… খুনি হইতে ইচ্ছা করে খুব… কুত্তা দিয়ে খাওয়াইওতে মন চায় এই শুয়োরগুলারে…

      1. চমৎকার মন্তব্য।
        তারিক লিংকনের

        চমৎকার মন্তব্য।
        তারিক লিংকনের এই পোস্ট পড়ার পর বুঝলাম উনার মাথায় কিছুটা ঘিলু আছে। কিন্তু রাজনৈতিক অন্ধত্ব জিনিসটা ভাল না!

        1. বৃত্তবন্দী, সভ্য সমাজে কিভাবে
          বৃত্তবন্দী, সভ্য সমাজে কিভাবে কথা বলতে হয়, সেটা হয়তো আপনি ছোটবেলায় শেখানো হয়নি, অথবা আপনি কোনদিন শিখতেই চান নি। নইলে আপনার বৃত্তের মধ্যে ঘুরপাক খেতে থাকা চিন্তাভাবনা দিয়ে আপনি আরেকজনের মাথার ঘিলু পরিমাপ করতে যেতেন না। আজ পর্যন্ত অবশ্য বিশেষ কিছু ক্যাচালের মুহূর্ত ছাড়া ইষ্টিশনে আপনাকে দেখিনি। সুতরাং হুদাই আরেকজনরে যে বিনাকারণে খোঁচা দেয়ার অতি বিরক্তিকর , অর্থহীন এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ কেবল মাত্র আপনার দ্বারাই সম্ভব… :মানেকি: আপনার জন্য খুব পুরনো এবং কার্যকরী একটা সদুপদেশ দিতে পারি, ভালো হইতে পয়সা, ডলার কিংবা ইউরো লাগে না, তাই ভালো হয়ে যান। সভ্য সমাজে এরকম অভদ্রতা বড্ড চোখে লাগে… :মাথাঠুকি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

          1. এই বৃত্ত বন্দী চন্দ্র বাবু কে
            এই বৃত্ত বন্দী চন্দ্র বাবু কে এর আগেও দেখেছি ঝামেলা লাগানো ছাড়া কোন কাজে নাই। যখন গোলমাল হয় তখন পাওয়া যায়। যাহোক ভাই, অযথা কাউকে আক্রমণ করার দরকার কি! যদি তর্ক বা বিতর্ক এর ক্ষেত্রে কথা আসে সেটা ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু ভাল বলেও সাথে ‘চ’ বর্গীয় শব্দ যোগ করতে চান কেন। আর ডন, অরফিয়াস সহ বাকীদের কাছে অনুরোধ থাকবে ব্যান করার দাবী বাদ দেন। এরকম মানুষ এমনিতেই ঝরে পড়বে।

          2. কিরণ দা ক্ষমা না চাইলে ব্যন
            কিরণ দা ক্ষমা না চাইলে ব্যন চাই,

            উনার ভাগ্য ভাল আমার চোখে দেরিতে পড়েছে। জানেনই তো আমি কি। লিংকন ভাই এর জায়গায় আপনি হলে অথবা আতিক ভাই , নাবিদ কায়সার, অবাস্তর স্বপ্নচারী,ডন,মোশফেক,একলা পথের পথিক যাকেই বলুন না কেন আমরা অন্তত আমি প্রতিবাদ করতাম। আপনি পুরাতন পোস্ট দেখুন আমি অন্যদের ক্ষেত্রেও করেছি।

            ব্লগ কি একটা? না অনেক আছে, তবে ইস্টিশন একটাই। ইস্টিশনের ডন,লিংকন, আতিক,রায়হান,কিংবা কিরন -সোমেস্বরি একটা…… এই জয় ও একটা।
            ভেবে দেখুন একটু।

        2. কী বলতে চান ঠিক বুঝলাম না
          কী বলতে চান ঠিক বুঝলাম না বৃত্তবন্দী চন্দ সাব।
          তারিক লিংকনের যে কোনো পোস্ট পড়লেই মনে হওয়ার কথা, উনার মাথায় “কিছুটা” নয় বরং “কয়েক গ্রাম বেশী” ঘিলু আছে।
          আপনার ঘিলু পরিমাপের যন্ত্র নষ্ট। অনুগ্রহ করে আপডেট করুন।

        3. ইস্টিশনে কাউকে ব্যক্তিগত
          ইস্টিশনে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা যায় না জানতাম। একটা বিতর্কিত আইডি একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে এভাবে নোংরা একটা কথা বললো অথচ আমাদের ইস্টিশন মাস্টার নির্বিকার। তবে কি ইস্টিশন আমাদের সবার প্লাটফর্ম না?

          বৃত্তবন্দীকে ক্ষমা চাইতে হবে। নাহলে তাকে ব্যান করতে হবে। এর আগে আমি ইস্টিশন ব্লগে যেকোনো পোস্ট লেখা থেকে বিরত থাকলাম।

          1. বৃত্তবন্দীকে ক্ষমা চাইতে হবে।

            বৃত্তবন্দীকে ক্ষমা চাইতে হবে। নাহলে তাকে ব্যান করতে হবে। –

            মাস্টার সাব কি শুনতেছেন?? :ভাবতেছি: :জলদিকর: :অপেক্ষায়আছি:

          2. ইস্টিশনে ব্যক্তি আক্রমণ করা
            ইস্টিশনে ব্যক্তি আক্রমণ করা নিষেধ, আর দলবদ্ধ আক্রমণ বুঝি বৈধ! ব্যক্তি আক্রমণ আর সমালোচনার পার্থক্য যারা বুঝেনা তাদের কথার পাত্তা দেই না আমি।

            আমি স্পষ্টভাবেই তারিক লিংকনের এই পোস্টের প্রসংশা করেছি। কিন্তু উনার অন্ধভাবে একটা নির্দ্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করার সমালোচনা করেছি। এটার জন্য পুরা বাহিনী নিয়ে ব্যান দাবী করা কতটুকু যুক্তিযুক্ত? ইস্টিশনে পোস্ট স্টিকি করা নিয়ে বিপ্লব কার নেতৃত্বে হয়েছিল? ঐটাও বৈধ?

            ইস্টিশনে যারা নিয়মিত তাদের কোন ধরনের সমালোচনা করা যাবে না, এই রকম একটা বিধি যোগ করার জন্য আমি জোর দাবী জানাচ্ছি। তখন সমালোচনার বিরুদ্ধে ব্যান করার দাবী যৌক্তিক হবে। আর হ্যাঁ, ইস্টিশন আমি নিয়মিত পাঠক। ব্লগটা কি শুধুমাত্র রেজিষ্ট্রাট ব্লগারদের জন্য, নাকি পাঠকদের জন্য? যদি পাঠকদের জন্যও হয়ে থাকে, তাহলে আমি অনিয়মিত এজন্য আমার কোন কথা বলার অধিকার থাকবেনা কেন? ইস্টিশন মাস্টারকে আমার আইপি ধরে ট্রাক করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি, এই ব্লগে আমি সারাদিন কতটা সময় পাঠক হিসাবে উপস্থিত থাকি দেখার জন্য। তখন নিয়মিত আর অনিয়মিত’র পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন আশাকরি।

            আর হ্যাঁ, এই পোস্ট নিয়ে আমার কোন ধরনের আপত্তি থাকলে আমি শেয়ার করতাম না। চারটা সোশাল সাইটে আমি পোস্টটা শেয়ার করেছি।

          3. আপনি চোদনা হয়ে গেলে আমার কিছু
            আপনি চোদনা হয়ে গেলে আমার কিছু বলার নাই। ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আমি মাথায় ঘামাই না।

            ‘লাকুম দিনে উ-কুম ওয়ালিয়াদিন’!

          4. তারিক লিংকন—

            বৃত্তবন্দী
            তারিক লিংকন—

            বৃত্তবন্দী চন্দ

            আপনার কথাগুলো বড়ই উদ্ভট বিনুদুনের… আপনার ভাষ্যমতে একটা নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করায় আপনি তার উপর ক্ষ্যাপা। জানতে চাচ্ছিলাম, কোন দল সাপোর্ট করলেই কি তার মাথায় ঘিলু আছে কিনা, তা নিয়ে আজাইরা খোঁচাখুঁচি করার অধিকার পাওয়া যায়?? আর তার মাথায় কি আছে না আছে, তা নিয়ে বলার আপনি কে? আপনি প্রানে প্রান মেলাবার কথা বলে হুদাই একজন পুরনো এবং সম্মানিত ব্লগারকে খোঁচাখুঁচি করে ইষ্টিশনের পরিবেশ নষ্ট করবেন আর আপনাকে কিছু বললেই সেটা দলবদ্ধ আক্রমন হয়ে যাবে, এই থিউরি কবের থেকে চালু হইল?? আপনার কাছে সমালোচনার ভাষা যদি মাথার ঘিলু পরিমাপ সংক্রান্ত হয়, তবে আপনার মাথার ঘিলু সম্পর্কে কিন্তু একটা স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিকমানের ধারনা পাওয়া যায়। ইষ্টিশন মাস্টার আপনার আইপি ধরে আপনি কত দীর্ঘ সময়ের পাঠক সেইটা পরিমাপ করবেন, এইরাম উদ্ভট আর গাঞ্জাখুরি কথাবার্তার মানে বুঝলাম না। আপনি নিয়মিত পাঠক, সেটা জেনে বড়ই প্রীত হলাম। কিন্তু একই সাথে এইটা কেন বললেন না যে, আপনি খোঁচাখুচি বিশেষজ্ঞ, বিশেষ বিশেষ সময় ও পোস্টের ক্ষেত্রে আপনাকে খোঁচাখুঁচি করবার জন্য আমন্ত্রন জানানো হয়… বলতে চাইলে অনেক কথাই বলা যায়, কিন্তু আর কিছু বলতে ইচ্ছা করছে না। ইষ্টিশন মাস্টার যদি মনে করেন, এরকম আজাইরা অপমান করার পূর্ণ স্বাধীনতা এই আইডির পেছনে থাকা মানুষটার আছে, তবে কিছু বলার নাই। এর একটা ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত আমিও ইষ্টিশনে কোন রকম পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকলাম… :অপেক্ষায়আছি:

          5. আমি আরবি উরদূ কম বুঝি।
            আপনার

            আমি আরবি উরদূ কম বুঝি।

            আপনার অবশ্যই কিছু করার নাই। আমাদের ইস্টিশন মাস্টার সাহেবের অপেক্ষায় থাকলাম।

          6. ইষ্টিশনে অনেক দিন কাটাইলাম।
            ইষ্টিশনে অনেক দিন কাটাইলাম। এখানে মত কিছু খুচানি টাইপ ব্লগার আছে। যারা ভালো কিছু দেখলেও খালি সমালোচনা করা ছাড়া কিছু পাই নাহ। আজিব । ভালো কিছুকে সাপোর্ট দিতেও আপনাদের কষ্ট লাগে। ফাউল । পোস্ট এর প্রশংসা কইরা মাথার ঘিলু লইয়া কথা কইতাছেন। আমি আজ পর্যন্ত আপনারে কোন ব্লগে সমালোচনা ছাড়া কিছু করতে দেখি নাই। প্রশংসা করলেও, শেষে একটা খুচানি না দিলে আপনার যেন ঘুম হয় নাহ!!!! :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

        4. বৃত্তবন্দী চন্দ্রবিন্দু
          বৃত্তবন্দী চন্দ্রবিন্দু ইস্টিশন বিধির ৬নং ধারা মোতাবেক,

          ৬. ‘ইস্টিশন’-এ যাত্রী হিসাবে একে অপরের প্রতি দলবদ্ধ আক্রমণ, অশিষ্টাচার মন্তব্য প্রভৃতি থেকে বিরত থাকতে হবে। কোন যাত্রী আক্রান্তবোধ করলে তাঁর করা অভিযোগের ভিত্তিতে ইস্টিশন মাষ্টার বা ইস্টিশন মাষ্টারের মনোনীত মডারেটর সেই আক্রমণাত্মক পোস্ট, মন্তব্য বা উপাদান সরিয়ে দিতে পারেন। উপরন্ত প্রথম সর্তক সংকেত হিসাবে সাতদিন, দ্বিতীয়বার একমাস তৃতীয়বার অনির্দ্দিষ্ট কালের জন্য সংশ্লিষ্ট যাত্রীর টিকেটটি মডারেশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

          আর আপনার মন্তব্য মন্তব্য করেছেন : বৃত্তবন্দী চন্দ…>> সময় শনি, 11/01/2014 – 6:24অপরাহ্ন
          চমৎকার মন্তব্য।
          তারিক লিংকনের এই পোস্ট পড়ার পর বুঝলাম উনার মাথায় কিছুটা ঘিলু আছে। কিন্তু রাজনৈতিক অন্ধত্ব জিনিসটা ভাল না!
          স্পষ্টভাবে শিষ্টাচার বর্হিভূত।যা কোনভাবেই কাম্য নই।

          আপনি কোনভাবেই একজন ব্লগারকে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আক্রমন করতে পারেন না।

          বৃত্তবন্দি চন্দ্র…. আপনাকে আপনার শিষ্টাচার বর্হিভূত মন্তব্য তুলে নেওয়ার এবং শ্রদ্ধেয় তারিক লিংকন ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানানো হল।

          …… নতুবা ইস্টিশন মাস্টার সাব কে বৃত্তবন্দী চন্দ্রবিন্দুর বিরুদ্ধে ইস্টিশন বিধি মোতাবেক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানানো হল।

          …… উক্ত (বৃত্তবন্দী চন্দ্রবিন্দু) ব্লগারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত ডন দা, ও অর্ফিয়াস ভাইয়ের মত ইস্টিশনে পোস্ট লেখা থেকে বিরত থাকলাম।

        5. বৃত্তবন্দীর এরকম আচরণের তীব্র
          বৃত্তবন্দীর এরকম আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।আমার মনে হয় এই ধরনের মন্তব্য ইস্টিশন বিধিরও লঙ্ঘন করে।

        6. বৃত্তবন্দীর এরকম আচরণের তীব্র
          বৃত্তবন্দীর এরকম আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।আমার মনে হয় এই ধরনের মন্তব্য ইস্টিশন বিধিরও লঙ্ঘন করে।

        7. এই মিয়া, আগে আমার ক​য়টা কথা
          এই মিয়া, আগে আমার ক​য়টা কথা মনোযোগ দিয়া শুনেন।
          নাম্বার ১: এই পোস্টে রাজনৈতিক অন্ধত্বের কোন কথা ফুটে ওঠে নাই এখানে ডাইরেক্ট একাত্তর সালে গনহত্যায় শহীদের সংখ্যার তথ্যপ্রমান তুলে ধরা হ​য়েছে।
          ২:এইখানে দলবদ্ধ আক্রমন হ​য়নাই আপনার কথার প্রতিবাদ করা হ​য়েছে।
          ৩:ভাল পোস্ট দেখে খোঁচা না দিলে কি আপনার ভাত হজম হ​য় না?
          অতঃপর,” আগের নিকে ব্যান খাওয়ার পর নতুন নিক খুলেছেন, আপনে কে তা বহু আগেই টের পেয়েছি কিন্তু চুপ করে ছিলাম, ভাবলাম যদি শুধরান। কিন্তু কি আর করা যাবে।” বিখ্যাত একটা বাংলা প্রবাদ মনে প​ড়ল কিন্তু বললে সেইটা আবার ব্যক্তিগত আক্রমন হ​য়ে যাবে। সুতরাং, ভুলের জন্য ঝগ​ড়া না করে মাফ চেয়ে নেন এখানে মানুষ অনেক দিলদরিয়া, আর ভাল না লাগলে ইস্টিশনে আসা ছেড়ে দেন। খামাখা আরেকটা নিক হারানোর এত শখ কেন আপনার? ভাল কথা বললাম, শুনলে শুনেন, আর এরপর আর কিছু যদি বলেন তবে বাকিটুকু আপনার দায়ভার। কারন উনাদের যুক্তি বেশি যুক্তিযুক্ত।

        8. এই মিয়া, আগে আমার ক​য়টা কথা
          এই মিয়া, আগে আমার ক​য়টা কথা মনোযোগ দিয়া শুনেন।
          নাম্বার ১: এই পোস্টে রাজনৈতিক অন্ধত্বের কোন কথা ফুটে ওঠে নাই এখানে ডাইরেক্ট একাত্তর সালে গনহত্যায় শহীদের সংখ্যার তথ্যপ্রমান তুলে ধরা হ​য়েছে।
          ২:এইখানে দলবদ্ধ আক্রমন হ​য়নাই আপনার কথার প্রতিবাদ করা হ​য়েছে।
          ৩:ভাল পোস্ট দেখে খোঁচা না দিলে কি আপনার ভাত হজম হ​য় না?
          অতঃপর,” আগের নিকে ব্যান খাওয়ার পর নতুন নিক খুলেছেন, আপনে কে তা বহু আগেই টের পেয়েছি কিন্তু চুপ করে ছিলাম, ভাবলাম যদি শুধরান। কিন্তু কি আর করা যাবে।” বিখ্যাত একটা বাংলা প্রবাদ মনে প​ড়ল কিন্তু বললে সেইটা আবার ব্যক্তিগত আক্রমন হ​য়ে যাবে। সুতরাং, ভুলের জন্য ঝগ​ড়া না করে মাফ চেয়ে নেন এখানে মানুষ অনেক দিলদরিয়া, আর ভাল না লাগলে ইস্টিশনে আসা ছেড়ে দেন। খামাখা আরেকটা নিক হারানোর এত শখ কেন আপনার? ভাল কথা বললাম, শুনলে শুনেন, আর এরপর আর কিছু যদি বলেন তবে বাকিটুকু আপনার দায়ভার। কারন উনাদের যুক্তি বেশি যুক্তিযুক্ত। – See more at: http://www.istishon.com/node/6379#sthash.FqIaGLKs.dpuf

        9. গ্যস্ট্রিক মানুষের পৌষ্ট্রিক
          গ্যস্ট্রিক মানুষের পৌষ্ট্রিক তন্ত্র হয় ,
          আপনি মনে হয় স্বচ্ছ নিরপেক্ষ ও
          আন্তর্জাতিক মানের ঔষধ সেবন করেন তাই
          গ্যস্ট্রিক পৌষ্ট্রিক তন্ত্র থেকে বিদায়
          নিয়ে আপনার ব্রেইনের ঊঠেছে। (((ব্যক্তিগত
          আক্রমণ করলাম তাহার জন্য ক্ষমা নয়
          গর্ববোধ করছি)))
          শুনেন, আপনি বলেন এ পোস্টের কোন
          জায়গায় আছে অন্ধ রাজনৈতিক মতাদর্শের
          চিহ্ন?
          আপনার কি স্বপ্ন দোষ আছে?
          দীর্ঘ পাঁচ দিন পর ইস্টিশনে এসে প্রথমেই
          প্রতুল মহসেনের পোস্ট দেখে মেজাজ
          বিগরে গেল, এর পরে এ পোস্টে আপনার
          মন্তব্য দেখে আমি তো মখা হয়ে গেলাম।
          ঊনার মাথায় কত টুকু ঘিলু আছে তা উনার
          আচরণ আর আপনার মাথায় কতটুকু ঘিলু
          আছে তা আপনার আচরণ দেখে বোঝা যায়।
          ইস্টিশনের কিছু ব্লগার আছে যাদের কখনও
          উল্টাপাল্টা পোস্ট অথবা মন্তব্য
          করতে দেখি নি। আতিক ভাই, রাহাত ভাই
          (বর্তমানে অনিয়মিত ), ডন মাইকেল ভাই,
          উত্তর বাঙলা ভাই, অঘূর্ণায়মান ইলেকট্রন
          ভাই, রবো-স্যেপিয়েন্স আপু, নাভিদ কায়সার
          ভাই, তারিক লিংকন ভাই, কিরণ ভাই,
          মোশফেক ভাই [মাঝখানে অফ ছিল আবার
          আসছেন তিনি] অন্যতম। আপনি বলেন
          আপনি নিয়মিত পাঠক তারিক লিংকন ভাইয়ের
          অন্ধত্ব যেখানে দেখেন সেই যায়গায় বলেন
          না কেন?? এখানে তার রাজনৈতিক মতাদর্শ
          নিয়ে প্রশ্ন তোলা কোন সুস্থ মস্তিস্কের
          কাজ বলে মনে হয় না। আমার কথাইয় বলবেন
          আমি ও অসুস্থ মস্তিস্কের! সমস্যা নেই
          আমি সেটাই এমনেই ইস্টিশনে পাগলা জয় নাম
          দেয় নি। ছাগু আর এই আপনি যেটা করলেন
          হুদাই আক্রমন তা দেখতে পারি না।
          কিছুদিন আগে সিরাজুল ইসলাম নামক ছাগু
          আতিক ভাই ও নাভিদ ভাই এর জানার
          পরিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। তার
          পেছনে লেগেছিলাম। বেচারা ছাগু আমার কাছেই
          এসে আগে পড়েছিল আর ব্যন!
          আপনার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে যুদ্ধ
          ঘোষণা করলাম। আমারে ব্যন
          দিবে সমস্যা কি নতুন আইডি খুলবো।
          পাগলা জয়ের নাম দেখলেই সবাই বুঝবে। আর
          ইস্টিশন মাস্টার আমারে যে ব্যন
          দিবে না তাহা ভাল করেই জানি। উনি জানেন
          এই পাগলা সহজে খেপে না সিরিয়াস বিষয়েই
          খেপে। আর ইস্টিশনের ভালই চায় সব সময়।
          আপনি বহুত কিছু কইয়া ফালাইছেন। এত
          জনে কওয়ার পরেও আপনি ক্ষমা চান নাই ।
          নো প্রবলেম। ইস্টিশন মাস্টার
          আপনি কি এত গুলো ব্লগারের কথা রাখবেন
          যারা সর্বদা ইস্টিশনের সাথে আছি নাকি ঐ
          চান্দের থেকে আগত চন্দ্র
          বিন্দুরে ক্ষমা করবেন ?? একটি পদক্ষেপ নিন
          জলদি।
          আর উনার অবগত হইবার জন্যে জানাইতেছি,
          স্টিক নিয়ে প্রথম প্রশ্ন উঠিয়েছিলাম আমি।
          উক্ত পোস্টে যেয়ে দেখেন। আপনার মত
          উনি কাউরে খোচা মাইয়া কথা কয়
          না বুঝলেন??
          আপনি নিয়মিত পাঠক কই ছাগু যখন ল্যদায়
          প্রতিবাদ করেন না তো, নিরবতা সম্মতির
          লক্ষণ। তাই কি ভেবে নেব?? এজন্যেই কি এ
          পোস্ট আপনার পশ্চাৎদেশে বোম্বাই মরিচ
          লাগিয়ে দিল?

          1. পাঁচ দিন পর ইস্টিশনে ঢুকে
            পাঁচ দিন পর ইস্টিশনে ঢুকে প্রথমেই প্রতুল মহসেন, এর পর ভাল কিছুর আশায় যখন এখানে এলাম এই অমাবশ্যার চাদ চন্দ্রবিন্দুর এই কমেন্ট।

            ক্ষমা না চাইলে ব্যন চাই। আন্দোলনের ডাক দেয়ার জন্য সিনিয়ার ব্লগার ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

            এ বিষয়ে আতিক ভাই এর নিরবতায় আমি ব্যথিত…… তার দ্বারা প্রতিবাদ আশা করেছিলাম।

          2. ছুডো (জয়) ভাই দেহি
            ছুডো (জয়) ভাই দেহি ক্ষেপচে……

            ……আমি, ডন দা, অর্ফিয়াস ভাই অনেক আগেই উক্ত (বৃত্তবন্দী চন্দ্রবিন্দু) ব্লগারের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত ইস্টিশনে কোন প্রকার পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকবার ঘোষনা দিয়েছি।

            ….. ইস্টিশনের সকল শ্রদ্ধেয় ব্লগারকে উক্ত (বৃত্তবন্দী চন্দ্রবিন্দু) ব্লগার এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত ইস্টিশনে কোন প্রকার পোস্ট না দেওয়ার আহবান করছি।এবং সকল সিনিয়র ব্লগারদের এই বিষয়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করার জন্য অনুরোধ করছি।

            ……..এই বিষয়ে ইস্টিশন মাস্টার সাবের নিশ্চুপ ভূমিকা আমাদের বড়ই ব্যথিত করছে।আশা করছি মাস্টার সাব খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন

        10. এই পোস্টে কি রাজনৈতিক অন্ধত্ব
          এই পোস্টে কি রাজনৈতিক অন্ধত্ব চন্দ্রবাবা দেখলেন একটু ব্যাখ্যা করেন। আপনি তো ভাই ঘিলুর ‘ঘ’ গিলে ফেলে চন্দ্রবিন্দুর চাঁদ দেখে ফেলছেন। ইস্টিশনে দীর্ঘদিন থেকেই খেয়াল করতেছি আপনি ধুমধাম কিছু একটা মন্তব্য করে ঘিলু শূন্যতার পরিচয় দেন। প্রথমে আক্রমন করেন নিজে, অতঃপর সবাই মিলে প্রতিবাদ করলে বলেন দলগত আক্রমন!! ইস্টিশন মাস্টার সাহেবকে আমন্ত্রন জানাইলাম ব্যবস্থা নিতে। এভাবে ব্লগে আজাইরা পরিবেশ আক্রমন করার শাস্তি না দেয়া হলে চন্দ্রবিন্দু ভাইজানের বাঁদরামি চন্দ্রের পৃষ্ঠ ছেদ করে মিল্কিওয়ের পরিধিতে স্থান করে নিতে পারে। সময় থাকতে সাবধান করে দেয়া উচিত তাঁকে। :জলদিকর:

        11. বাংলা ভাষার শেষ বর্ণ
          বাংলা ভাষার শেষ বর্ণ চন্দ্রবিন্দুর একটা বিশেষত্ব আছে। সে একা একা কখনও থাকতে পারে না। পরজীবির মত অন্যের ঘাড়ের ওপর চেপে থাকে। আমার জানামতে পরজীবি জিনিসটা ক্ষতি ছাড়া কোন উপকার করতে পারে না।

          আমার পোস্ট দেয়া না দেয়াতে কিছু যায় আসে কিনা জানি না। কিন্তু, চন্দের ক্ষমা প্রার্থনা কিংবা তাকে ব্যান করার আগে ইস্টিশনের প্লাটফরমে আমারও কোন পোস্ট দেখা যাবে না।

    1. “যখন কিছু মানুষ ৭১ নিয়ে সংশয়
      “যখন কিছু মানুষ ৭১ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে, বলতে চায় ৭১রে হিন্দুস্থানী মালাউনদের সাথে বীর পাকিস্তানি বাহিনীর সামান্য গণ্ডগোল হইছিল। আলাদা করে ফেলতে ইচ্ছা করে এই জারজ শুয়োরদের প্রতিটা কোষ… খুনি হইতে ইচ্ছা করে খুব… কুত্তা দিয়ে খাওয়াইওতে মন চায় এই শুয়োরগুলারে…” :salute:

      1. দুর্দান্ত ক্রোধে পুড়িয়ে ফেলুন
        দুর্দান্ত ক্রোধে পুড়িয়ে ফেলুন রাজাকারের সকল আস্তানা…
        :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

    2. ডন নামের সার্থকতা
      ডন নামের সার্থকতা এইখানে…
      ওইসব শুয়োরের বংশধরদের বুঝিয়ে দেয়া উচিৎ একাত্তরে তোরা ছিল ৪০ হাজার আমরা ৭ কোটি, আজ তোরা না হয় ৪০ লাখ কিন্তু আমরা ১৬ কোটি!! একবার রেহায় পেয়েছিস এইবার বাঙালী খেপলে তোদের ১৪ গোষ্ঠীর বংশ নির্বংশ করে দিব…

      সেই বয়সেই আমাদের আজকের ডনের স্বকীয়তা বুঝা গিয়েছিল। চেতনা অংকুরেই বিকশিত… :bow: :bow: :bow: :bow: :salute: :salute:
      :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

      ডন ঐ টিচার বাইছা আছে? চল দেখা করি…

    3. স্যালুট জানাই আপনাকে আপনার এই
      স্যালুট জানাই আপনাকে আপনার এই অসামান্য সাহসিকতার জন্য। একই ধাঁচের একটি ঘটনা আমিও শেয়ার করি।

      উচ্চ মাধ্যমিকের পরের কথা, তখন এলাকার রক্ত গরম হোমরা-চোমরাদের অন্যতম একজন ছেলে। প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যার নাস্তা বাইরে না করলে কেমন জানি ভাবই আসে না দশা। তো একদিন সিনেমা প্যালেসের অপর দিকে একটি হোটেল কুতুব রেঁস্তোরাতে নাস্তা করছি এমন সময়ে দুই বয়স্ক আলোচনা করছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে। অনেকক্ষন থেকেই চুপ করে শুনছি কিন্তু যখনই একজন বলে উঠল ৭১-এ যুদ্ধ হয় নাই হয়েছিল গন্ডগোল আর এই গন্ডগোল ছিলো ইন্ডিয়ার তৈরী এবং মুসলিম মুসলিম ভাই ভাইয়ের সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে ৭১ এর জন্য তখনই হাতে থাকা চায়ের কাপটি ছুঁড়ে মারলাম তারে। এরপর তারে যতক্ষন পেরেছি মেরেই গেছি, যেহেতু পাড়ায় দাপট নিয়ে চলতাম তাই কেউ সাহস করছিলো না বাঁধা দিতে আর কিলানির সময়তো বলেই যাচ্ছি তারে। বর্তমানে সেই বুইড়া যখনই আমাকে দেখে তখনই একগাল হেসে বলে উঠে “জয় বাংলা”

  10. লিংকন ভাই, অসাধারণ তথ্যবহুল
    লিংকন ভাই, অসাধারণ তথ্যবহুল পোস্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ… 🙂 ছাগুদের পুটুতে ঝামা ঘষে দেয়ার মত একটা পোস্ট…

    সোজা প্রিয়তে… 🙂

  11. চুলকানিওয়ালাদের চুলকানি তবুও
    :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

    চুলকানিওয়ালাদের চুলকানি তবুও থামবে না। এলার্জি জিনিসটাই তো জেনেটিক্যাল।

    1. ধন্যবাদ আতিক ভাই
      ধন্যবাদ আতিক ভাই :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:
      আচ্ছা আমি ‘Century of Genocide: Critical Esssesy and Eyewitness Accounts’ এই গ্রন্থটির pdf সবার জন্যে আপলোড করে দিতে চাই, কীভাবে করব?
      ড্রপবক্স বা গুগল ড্রাইভ-ই কি একমাত্র সমধান? নাকি অন্যকোন শর্টকাট আছে?

      1. আপনি ইস্টিশন মাস্টারকে মেইল
        আপনি ইস্টিশন মাস্টারকে মেইল করে দিতে পারেন ই-বুকটির কপি। ইস্টিশনের একটা ই-বুক কর্নার আছে খেয়াল করেননি মনে হয়।

        1. ওকে তা করে দিচ্ছি কিন্তু আমার
          ওকে তা করে দিচ্ছি কিন্তু আমার পোস্টের সপ্তম যুক্তিতে এই বইটি সংযুক্ত করতে চাই… ধন্যবাদ, আতিক ভাই! আমি মাস্টার সাবকে এখনই মেইল করে দিচ্ছি!!

    2. চুলকানিওয়ালাদের চুলকানি তবুও

      চুলকানিওয়ালাদের চুলকানি তবুও থামবে না। এলার্জি জিনিসটাই তো জেনেটিক্যাল

      বড়ই সত্য কথা… :থাম্বসআপ: :মাথানষ্ট: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

      1. শেয়ার অপসন থেকে শেয়ার করতে না
        শেয়ার অপসন থেকে শেয়ার করতে না পারলে URL কপি করে আপনার ওয়ালে পেষ্ট করেন। শেয়ার হয়ে যাবে।

        1. আমি এই পোস্টের কথা বলছি না…
          আমি এই পোস্টের কথা বলছি না… আতিক ভাই, যে ইবুকের লিংকটা দিলেন, ওটা গিয়ে পড়া যাচ্ছে, কিন্তু ডাউনলোড করা যাচ্ছে না। সেটার কথা বলছিলাম…

          তারিক ভাইয়ের পোস্ট অলরেডি তিনটা গ্রুপে শেয়ার দিয়ে দিয়েছি… 😀

          1. আমিও এই পোস্টের কথা বলি নাই।
            আমিও এই পোস্টের কথা বলি নাই। বিডিনিউজের ঐ ই-বুক যেই সার্ভারে রাখা আছে সেই সার্ভারের কথা বলছি। 😀

          2. আপনি জানেন মেইল আসার পর,
            আপনি জানেন মেইল আসার পর, আপনার এই দুইটা ইমোর কমেন্ট খুঁইজা বাইর করতে আমার মাথার ঘাম কপালে ফেলা লাগছে… :/

      2. ঘটনা সত্য ‘বধ্যভূমির গদ্য’
        ঘটনা সত্য ‘বধ্যভূমির গদ্য’ বইটি উক্ত লিংকে পড়া যাচ্ছে কিন্তু ডাউনলোড করা যাচ্ছে না। প্রবলেম [404 Not Found] দেখাচ্ছে…

  12. তারিক ভাই এই পোস্টের জন্য আমি
    তারিক ভাই এই পোস্টের জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলি বা বলার চেষ্টা করি তাদের জন্য শিক্ষণীয় হয়ে থাকবে আপনার এই লেখা। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলা মানে শুধু আবেগের বহিঃপ্রকাশ না। চেতনা তখনই শক্তিশালী রুপ পাবে যখন আমরা কাগজে কলমে যৌক্তিক ভাবে এটা উপস্থাপন করতে পারব। আর আপনি সেই কাজটাই করার চেষ্টা করেছেন। আপনার এই লেখা শুধু ইস্টিশন ব্লগ কেই সমৃদ্ধ করেনি এটা একটা শক্ত দলিল। :bow: :bow: :bow: :bow:

    1. যারা পড়েছেন এবং প্রেরনা
      যারা পড়েছেন এবং প্রেরনা দিয়েছেন সবাইকে অফুরন্ত ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :ভালুবাশি: :ভালুবাশি: :ভালুবাশি:

      গত রাতে যখন পোস্টটা ফাইনাল করে একবার চোখ বুলিয়ে শুতে গেলাম তখন নিজের পোস্ট দেখেই চোখে পানি এসে গিয়েছিল! অনেকদিন পর একটা মনেরমত কাজ করে খুব আবেগাপ্লুত হয়ে পরছিলাম। তারপর ভাবতেছিলাম দেশের জন্যে এইটুকুন করেই কত আনন্দ পাচ্ছি বা আত্মতুষ্টিতে ভোগার উপলক্ষ্য খুঁজছি অথচ যারা নিজেদের জীবনের সকল স্বপ্ন-পরিবার, প্রেম-ভালবাসাসহ তাবৎ চাওয়া-পাওয়া ত্যাগ করে নিজেদের প্রাণ বিলিয়ে দিল তাদের যোগ্য সম্মান দিতে পারছি না।

      ডনের মত করে বলতে গেলে; আসলেই প্রচণ্ড ক্রোধে আজকাল সবকিছু জ্বালিয়ে দিতে ইচ্ছা করে, যখন কিছু মানুষ ৭১ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে নিমকহারামের মত বলতে চায় ৭১’রে হিন্দুস্থানী মালাউনদের সাথে বীর পাকিস্তানি বাহিনীর সামান্য গণ্ডগোল হইছিল। আলাদা করে ফেলতে ইচ্ছা করে এই জারজ শুয়োরদের প্রতিটা কোষ, প্রচণ্ড আক্রোশে প্রায় খুনি হইতে ইচ্ছা করে এবং প্রবল ক্রোধে যুদ্ধে অংশ নেয়ার আনন্দ পেতে ইচ্ছা করে, সকল রাজাকার-হায়েনার জাতদের কুত্তা দিয়ে খাওয়াইওতে মন চায়!!

      ৩০ লক্ষ প্রাণের ঋণ আমরা কীভাবে শোধ করব, কেউ বলতে পারেন?
      নাকি আজীবনই তাদের প্রতি অকৃতজ্ঞ থেকে যাব…

      1. ৩০ লক্ষ প্রাণের ঋণ আমরা

        ৩০ লক্ষ প্রাণের ঋণ আমরা কীভাবে শোধ করব, কেউ বলতে পারেন? নাকি আজীবনই তাদের প্রতি অকৃতজ্ঞ থেকে যাব..

        :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  13. [যারা নিজের মায়ের রক্তাক্ত
    [যারা নিজের মায়ের রক্তাক্ত ইতিহাস মায়ের ধর্ষকদের এবং তাদের সমমনাদের কাছে শুনে আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ত্যাগ ও অর্জনকে ছোট করতে চাই তাদের জন্যে ধিক্কার এবং নিকৃষ্টতম ঘৃণা।]
    – সহমত ।

    হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি, স্বাধীনতার স্থপতি, রাজনীতির কবি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

    চমৎকার ও দূর্লভ তথ্যবহুল পোষ্ট ।প্রিয়াতে নিলাম এবং ফেবুতে শেয়ার দিলাম ।
    ধন্যবাদ লিংকন ভাই ।

    1. (No subject)
      :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :bow: :bow:

  14. ব্লগিং জগতে এতদিন এর
    ব্লগিং জগতে এতদিন এর অভিজ্ঞতার মধ্যে one of the best post এটা। লিঙ্কন ভাই, কিছু বলার নাই। :salute: বস। এতো সুন্দর তথ্যবহুল এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা পোস্ট উপহার দেওয়ার জন্য। :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  15. সপ্তম যুক্তিতে দেয়া “Century
    সপ্তম যুক্তিতে দেয়া “Century of Genocide: Critical Esssesy and Eyewitness Accounts”— by Samuel Totten, William S. Parsons & Israel W. Charny [নিউইয়র্ক এবং লন্ডনের Routledge প্রকাশনী] বইয়ের পূর্ণাঙ্গ রূপ সংযুক্ত করা হল। প্রিয় ইস্টিশন মাষ্টার-কে ডঃ আতিক ভাইয়ের পরামর্শ অনুযায়ী পিডিএফ মেইল করলে সবার জন্যে বইটি ইস্টিশনের ই-বুক কর্নারে আপলোড করা হয়েছে। আপনারা চাইলেই ডাউনলোড করতে পারেন…

    আর কেউ যদি গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের (The Guinness Book of Records lists the Bangladesh Genocide as one of the top 5 genocides in the 20th century) ওরিজিনাল লিঙ্ক সহ উপাত্ত দিয়ে হেল্প করেন এবং ১৯৭১ ও ১৯৭৫ সালের বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধির হারের সঠিক তথ্য লিঙ্ক সহকারে দিয়ে সাহায্য করেন তবে আমি আরও দু’টি পয়েন্ট যোগ করতে পারি!! সবার প্রতি তথ্য (যথার্থ লিঙ্কসহ) দিয়ে সাহায্য করার জন্যে অনুরোধ রইল…

  16. বৃত্তবন্দি চন্দের লেঞ্জা
    বৃত্তবন্দি চন্দের লেঞ্জা প্রকট হয়ে দেখা দিচ্ছে।কোথায় এসে কি বলছে নিজেই জানেনা সম্ভবত।
    এরকম লোক যদিও থাকা দরকার,প্রতিপক্ষ না থাকলে ঠিক জমেনা।তবে সেইরকম প্রতিপক্ষ দরকার যে গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারে।বৃত্তবন্দি চন্দকে ছাগুর বেশী নাম্বার দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা।সে ছাগতত্বে নতুন,তার রক্ত গরম শহিদী আর গাজিয়ানা আমেজে।সে এসব বলবেই।হাগুতে কি না থাকে আর ছাগুতে কিনা বকবকায়।ডেম কেয়ার হয়ে এদের উষ্টা মারা উচিত।ইষ্টিশন মাস্টারের অথর্ব আচরন বেড়েই চলছে বাংলাদেশ পুলিশের মতো।সিনেমার শেষ দৃশ্যে এসে উপস্থিত হয়।স্টিকি করা লেখায় ছাগু ল্যাদাচ্ছে দেখেনা!

    তারিক ভাইকে স্যালুট এরকম একটা দরকারি পোষ্টের জন্য।

  17. লিংকন ভাই,
    অনেক ভালো একটা

    লিংকন ভাই,
    অনেক ভালো একটা পোস্ট দিয়েছেন । গুরুত্বপূর্ণ ও তথ্যবহুল লেখাটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ! অহেতুক ঝগড়া – ঝাটিতে নিজেকে যুক্ত করার দরকার নেই ।

    বৃত্তবন্দি চন্দের অপ্রাসঙ্গিক ফালতু কমেন্টের কোন রিপ্লাই হয়না । আশা করি তিনি ইতোমধ্যে সংশোধিত হয়েছেন এবং নতুন করে কূটতর্ক করতে আসবেন না ।

    আপনি যে বাম,ইর্ষান্ধ বাম,আপনার স্বভাবে আপনি তা প্রমান দিলেন আঙ্গুল চালিয়ে।

    – রাজু রনরাজ, বাম চিহ্নিত করণের ক্ষেত্রে আপনার এই মেথডোলজি কতটা যুক্তিসঙ্গত আর কতটা বাম বিদ্বেষপ্রসূত সে ব্যাপারটা ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকে খুঁজে বের করতে অনুরোধ করছি ।

    পরিশেষে তারিক লিংকন কে :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :salute: :salute: :salute:

  18. ” তারিক লিংকনের এই পোস্ট পড়ার
    ” তারিক লিংকনের এই পোস্ট পড়ার পর বুঝলাম
    উনার মাথায় কিছুটা ঘিলু আছে। কিন্তু
    রাজনৈতিক অন্ধত্ব জিনিসটা ভাল না!”

    যেহেতু এখানে টপিকটাই হচ্ছে এই পোষ্ট,এখন বলেন দেখি আপনি মন্তব্যে কি এমন সমালোচনার ঝাপি উপুর করে দিলেন??এখানে তো দেখা যাচ্ছে পোষ্ট ছাড়িয়ে আপনি তারিক ভাই এর ঘিলু নিয়েই বেশী ব্যাস্ত ছিলেন…

    রাজনৈতিক অন্ধত্ব মানে কি?
    যখন আমার সাথে রাজনীতি ব্যাপারটা জড়িয়ে গেলো তখনি সেটা প্রমাশিত হয় এই যে আমি কোনো এল দলের সাপোর্টার।
    উনি যেহেতু আওয়ামীলীগ উনি আওমীলীগ এর পক্ষে বলবেন এটাই কি স্বাভাবিক নয়।
    তারপরো আমরা যেটা পারিনা,তারিক ভাইকে দলের সমালোচনা করতে আমি দেখেছি।এ নিয়ে মনোমালিন্য ও হয়েছিলো। কিন্ত আপনি উনার ব্যাপারে যা বললেন তা ভিত্তিহীন।
    আপনাকে আইপি সহ ব্যান করার আবেদন জানাই।

    1. রাজু রণরাজ,
      কমেন্ট এডিট করার

      রাজু রণরাজ,
      কমেন্ট এডিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ !

      বামানুভুতিতে আঘাত দেয়ার জন্য মাফি

      – এই কথা বলে একটা খোঁচা দেওয়ার অপচেষ্টা করলেন । হজম করলাম । আপনার পূর্ব ইতিহাস সহব্লগারসহ ইস্টিশন কর্তৃপক্ষের ভুলে যাওয়ার কথা নয় । ভালো থাকবেন ।

      1. সবাই ইতিহাস তৈরি করতে পারেনা
        সবাই ইতিহাস তৈরি করতে পারেনা রাহাত ভাই।আমি ছোটবেলা থেকেই ইতিহাস তৈরিতে পারদর্শী।
        ইতিহাস অবগত করার জন্য ধন্যবাদ 😛

          1. বেয়াদপ কারো গায়ে লেখা থাকেনা!
            বেয়াদপ কারো গায়ে লেখা থাকেনা! বেয়াদপদের মন্তব্যের উত্তর আমি দেই না। একই ভাবে আমি এখন ইস্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

          2. “মহামতি দুলাল” এটা কি ধরণের
            “মহামতি দুলাল” এটা কি ধরণের সম্বোধন হোল? নিজে যেখানে একজনের অশিষ্ঠাচারের বিপরীতে তার শাস্তি দাবী করছেন, সেখানে আপনি নিজেও একই ধরণের বেয়াদবি কোন যুক্তিতে করেন রাজু রণরাজ? এখন আপনারও ব্যান দাবী করি? যদিও একেবারে চিহ্নিত ছাগু ছাড়া কথায় কথায় ঘ্যানর ঘ্যানর করে ব্যান দাবী করার মতো ছেলেমানুষি আচরণ আমি সমর্থন করিনা। বরং অশিষ্ট আচরণের জন্য সতর্ক করে দেওয়াটাকেই উত্তম মনে করি। আপনি হয়ত ভুলে গেছেন যে এখানে অনেকেই একসময় আপনার ব্যান দাবী করে ইস্টিশন মাস্টারের ঘুম হারাম করেছিলেন, সেই দলে আমি ছিলাম না। কিন্তু আপনার এই আচরণ দেখে যার পর নাই বিরক্ত হলাম। একজন ব্লগারের সিনিওরিটি যদিও কোন ফ্যাক্টর নয়, কিন্তু ভব্যতা বলে একটা জিনিস মানুষের মধ্যে আছে বলেই আমরা সিনিওরদের সম্মান দিয়ে কথা বলি। দুলাল ভাই আপনার চেয়ে বয়সে এবং ব্লগিং অভিজ্ঞতায় কতো সিনিওর সেটা বুঝে আপনার মন্তব্য করা উচিৎ ছিল। আমি আশা করব আপনি উনার কাছে স্যরি বলবেন। গতকাল ব্লগে সময় দিতে পারিনি তেমন একটা। ব্লগার চন্দ্রবিন্দুর আচরণের কারনে তাকে ইতিমধ্যে শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে সেটা নিয়ে আর কথা বাড়াতে চাই না। ব্লগের পরিবেশ সুন্দর রাখার দায়িত্ব আমাদের সবারই।

          3. সিনিয়র ব্লগার দুলাল ভাই এবং
            সিনিয়র ব্লগার দুলাল ভাই এবং আতিক ভাই,

            ইস্টিশন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আপনারা দু’জন অন্যতম । তাই আপনাদেরকে জানিয়ে রাখতে চাই রাজু রনরাজের বাম বিদ্বেষী মনোভাব সম্পর্কে আপনারা অবগত আছেন নিশ্চয়ই । আমার কথা হলো তিনি যে কোন মতাদর্শের অনুসারী হতেই পারেন, এটা তার নিজস্ব ব্যাপার, কিন্তু তাই বলে অহেতুক কথাবার্তা তিনি বলতে পারেন না । আমি জানতে চাই এবং ব্যাখ্যা চাই ”বামানুভুতিতে আঘাত দেয়ার জন্য মাফি ” – এই কথার ।

          4. রাজু রনরাজ , আপনার বোঝা উচিত,
            রাজু রনরাজ , আপনার বোঝা উচিত, প্রত্যেকটি বাংলা ব্লগের সুনির্দিষ্ট কিছু আচরণীয় বিধি থাকে। আপনি কোন সেন্স এ একজন সহব্লগারকে কটাক্ষ করে, ”মহামতি দুলাল” সম্বোধন করেন, বুঝি না। এটা আপনি করেন , কারন আপনি সব জিনিসকে মজা, হাসি তামাসা, পরিহাস এর সমতুল্য পর্যায়ে উঠিয়ে দেন। এটা পরিহার করুন। আর আপনার আর একটা ব্যাপার, আপনি আপনার বাম বিদ্বেষী চরিত্র একটু কম উত্থাপন করেন। এটা কাম্য নয়। আমাদের শত্রু কারা সেটা দেখেন, শত্রু ঠেলে মিত্রের পেছনে চুলকানি দেওয়ার কোন দরকার নাই।

  19. “ এক নদী রক্ত পেরিয়ে,
    বাংলার

    “ এক নদী রক্ত পেরিয়ে,
    বাংলার আকাশে,
    রক্তিম সূর্য আনলে যারা,
    তোমাদের এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না।
    মৃত্যুর মুখোমুখি দাড়িয়ে,
    সাত কোটি মানুষের,
    জীবনের সন্ধান আনলে যারা,
    সে নামের মহিমা কোনদিন ম্লান হবে না।

    অসাধারাণ হয়েছে। এর চেয়ে বড় কোন বিশেষণ খুজে পাচ্ছি না । আপনি পারেনও বটে!!!

  20. বৃত্তবন্দি চন্দ সাহেব, সেদিন
    বৃত্তবন্দি চন্দ সাহেব, সেদিন একটি পোষ্ট আপনি আমাকে আক্রমন করে কথা বলেছেন ।এর বেশ কয়েকদিন আগে অন্য একটি পোষ্টে আপনি আমার শার্ট আর টাই নিয়ে অযথা কথা বলেছেন ।ঐ দিন আপনার মন্ত্যব্যের প্রতিমন্তব্য করলেও গতবার যখন আমাকে আক্রমন করেছেন তখন কিছু বলিনি ।কেননা আমি অনুমান করতে চেয়েছিলাম হয়তো আমারই ভুল হতে পারে বা আমার অবস্থান সমালোচনাযোগ্য ।কিন্তু আজ যখন দেখলাম গুরুত্বপূর্ণ ও ভাল একটি পোষ্টেও আপনি লেখকের ঘিলু এবং রাজনৈতিক আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তখন আর বুঝতে বাকী রইলো না যে, লিংকনের নয়, আপনারই ঘিলুতে সমস্যা ।

    আমি আপনাকে ইষ্টিশন ব্লগের সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের একজন প্রতিবন্ধক হিসেবে চিহ্নিত ও অভিযুক্ত করছি এবং বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইষ্টিশন মাস্টারের দৃষ্টি আকর্ষন করছি ।

  21. লিংকন ভাই হেব্বী একটা পোস্ট
    লিংকন ভাই হেব্বী একটা পোস্ট দিয়েছেন। পরিক্ষা নিয়ে ব্যস্ততার জন্য ঠিকমত ইস্টিশনে আশা হয়নি, আজ পড়লাম।

    প্রতিবারের মতই কষ্টসাধ্য কাজ করেছেন, প্রিয়তে নয়ে রাখলাম।

  22. সকল যাত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা
    সকল যাত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। যাত্রা শুরুর প্রথম থেকেই ইস্টিশনের মডারেশন প্যানেল একটি নীতি মেনে ব্লগ পরিচালনার চেষ্টা করে আসছে, সেটা হচ্ছে ব্লগের পরিবেশ সুস্থ রাখতে যাত্রীরাই মূল ভূমিকা রাখবেন। পুলিশের মতো সারাক্ষণ খবরদারী করে ব্লগ পরিচালনার ইচ্ছা মডারেশন প্যানেলের কখনই ছিলোনা। আমরা মনে করি এটা যাত্রীদের প্রতি অসম্মান। কারণ আমাদের প্রত্যাশা ইস্টিশনের যাত্রীগণ হবেন জ্ঞ্যানে, প্রজ্ঞায়, মননে অত্যন্ত উঁচু মাপের। তাই কথায় কথায় মডারেশন প্যানেল হস্তক্ষেপ করুক এটা আমরা কখনই চাইনি।

    এখানে কিছু কথা বলা জরুরী মনে করছি। এই কথাগুলো এই পোস্টের পরিধির মাঝে সীমাবদ্ধ রেখে ভুল ব্যাখ্যার পথে কেউ হাঁটবেন না বলে আশা প্রকাশ করছি। ভবিষ্যতেও এই কথাগুলো সবাই মাথায় রেখে মেনে চললে ভালো হয়। একটা পোস্ট স্টিকি করা মানে হচ্ছে ঐ পোস্টটি সবার নজরে আনা এবং পোস্টের বিষয় গুরুত্ব বিবেচনায় পোস্টের বিষয় বস্তু নিয়ে যাত্রীদের মাঝে ফলপ্রসূ আলোচনা অব্যহত রাখা। তাই স্টিকি পোস্টে বিষয় বহির্ভুত কোন আলোচনা যেন পোস্টের আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে না দেয় সেই ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কাম্য। যেমন এই পোস্টে ব্লগার বৃত্তবন্দী চন্দ্রবিন্দু খোঁচা মারা মন্তব্য দিয়ে এর সূচনা করেছেন, সাথে অন্যেরা আলোচনা ভিন্নপথে নিয়ে গেছেন। যেটা কখনই কাম্য ছিলোনা। আপনাদের অভিযোগ সম্পর্কে অন্য কোথাও এই আলোচনা চালিয়ে নিতে পারতেন। কিন্তু স্টিকি পোস্টে এই ধরণের আলোচনা না করার জন্য এই পোস্ট সহ ভবিষ্যতে সকল ক্ষেত্রে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে। এবং এই ব্যাপারে আপনাদের সকলের সহযোগিতা একান্তভাবেই কাম্য।

    পরিশেষে ব্লগার বৃত্তবন্দী চন্দ্রবিন্দুকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হচ্ছে সহব্লগারদের প্রতি আক্রমণাত্মক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য। এখানে সবার উদ্দেশ্যে একটি কথা পরিষ্কারভাবে মডারেশন প্যানেল বলতে চায়, আপনারা অনেকেই মডারেশন প্যানেলের নীরবতা নিয়ে নানান প্রশ্ন তোলার সাথে সাথে এই ব্যাপারটি নিয়ে হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করেন, যেটা মডারেশন প্যানেলের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করে, যা কখনই কাম্য নয়। মডারেশন প্যানেলের সবাইই নিজ নিজ ব্যক্তিগত এবং পেশাগত কাজের পাশাপাশি ব্লগে সময় দেন। তাই ২৪ ঘণ্টা নজরদারী সম্ভব না হলেও অধিকাংশ সময়ই সবার আচরণ মডারেশন প্যানেলের গোচরে থাকে। কিন্তু প্রতিটা ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে কঠোর অবস্থান প্রকাশ করলে সেটা আর ব্লগ না থেকে পুলিশ স্টেশন হয়ে যায়। তাই এই ধরণের আচরণ থেকে মডারেশন প্যানেল বিরত থাকে। আমরা আশা করি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্লগাররা নিজেরাই একটা সমাধানে পৌছতে সক্ষম হবেন, অথবা অভিযুক্ত ব্যক্তি বা বিষয়টি নিজ থেকেই একটা পর্যায়ে সংযত আচরণ করতে শিখবেন। শুধুমাত্র চিহ্নিত ছাগুদের ক্ষেত্রে মডারেশন প্যানেল জিরো টলারেন্স প্রদর্শন করবে। ইস্টিশনেই এমন কিছু উদাহরণ আছে, যেখানে আপনারাই অনেকে কোন একজন ব্লগারকে আইপিসহ ব্যান করার জন্য সমস্বরে দাবী উত্থাপন করেছেন, কিন্তু পরবর্তিতে মডারেশন প্যানেলের পক্ষ থেকে কিছুটা সময় নিয়ে পর্যবেক্ষন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে দেখা গেছে সংশ্লিষ্ট ব্লগারগণ তাদের নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সংশোধনের পথে হেঁটেছেন। তাই মডারেশন প্যানেলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নেওয়া মানে এটা নয় যে মডারেশন প্যানেল সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উদাসীন। তাই মডারেশন প্যানেল নিয়ে ঐ ধরণের হাস্যরসাত্মক মন্তব্য কাম্য নয়। আশা করি সবাই ব্যাপারটা অনুধাবন করবেন এবং সেই মোতাবেক আচরণ করবেন। সবার ব্লগিং আনন্দময় হোক। আমরা প্রাণে প্রাণ মেলাবই…

    1. আমি এবং আমরা আগেই বলেছি, সে
      আমি এবং আমরা আগেই বলেছি, সে ক্ষমা চাইবে। এই পোস্টে তাকে ক্ষমা চাইতে হবে। নাহলে তাকে ব্যান করতে হবে। আর যদি কোনোটাই না হয় তাহলে আমি আর ইস্টিশন এ লিখবো না। একেবারে সোজা কথা। অর্ফিয়াস, ডন, লিংকন ভাই, জয়, খাজাবাবা, রুথ আপু, কালবৈশাখী, কিরণদা, তিতলি আপা, রাইন, ইলেকট্রন, মোশফেক ভাই, সোমেশ্বরী, অদিতি… … আমরা একটা পরিবার। ইস্টিশন মাস্টার ঠিক করুন যে ইস্টিশন তার সেরা যাত্রীদের সাথে থাকবে না তাদের ছাড়া চলবে।

      1. ……সহমত অর্ফিয়াস ভাই।আমরা
        ……সহমত অর্ফিয়াস ভাই।আমরা একটা পরিবার এবং পরিবারের কোন সদস্যের উপর শিষ্টাচার বর্হিভূত আঘাত কখনই মেনে নিতে পারি নাহ্।

    2. ইষ্টিশন মাস্টার, আপনার
      ইষ্টিশন মাস্টার, আপনার বক্তব্য যথেষ্ট প্রীত হলাম। কিন্তু খেয়াল করুন,একজন সহব্লগার এর মূল্যবান পোস্টে যদি একজন ব্লগার আলোচনার বহির্ভূত ,এবং ব্লগিং এর আচরন বহির্ভূত মন্তব্য করে, সেটার বিপক্ষে মন্তব্য প্রদানকে আমি অন্তত খারাপ বলে মনে করি নাহ। ইষ্টিশন ব্লগটি অন্যান্য ব্লগ থেকে অনেক ভিন্ন। এখানে ব্লগার দের মধ্যে একটি সম্পর্ক তৈরি হয়, সবার মধ্যে একটি চেতনা বিরাজমান, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। এটি আমাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করে,অন্যান্য ব্লগে এটা হয় না।
      আর পোস্ট এর ভেতর প্রতিবাদ করাটা আমি সঠিক বলে মনে করছি।
      চন্দ্রবিন্দু বা বৃত্ত বন্দী চন্দ , এই নিক এর আগেও অনেক মন্তব্য আমরা ইষ্টিশনে দেখেছি, বেক্তিগত আক্রমন আগেও করেছেন ইনি। damn-care ভাব নিয়ে মন্তব্য কোন সুস্থ মানসিকতা সম্পর্কিত ব্লগার এর কাছ থেকে আশা করা যায়না ।
      এই বিতর্কিত আচরন মন্তব্য এর জন্য ওনাকে অবশ্যয় ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মনে করছি। এ ব্যাপারে , নিক ব্যান হয়তো করা যাবে না, কিন্তু তাঁকে অবশ্যয় ইষ্টিশন মডারেশন প্যানেল থেকে সতর্ক করে দিতে হবে
      সহব্লগার এবং ব্লগিং এর সার্বিক পরিস্থিতির উপর বিবেচনা করেই এই দাবি রাখছি।

      1. আমিও মনে করি চন্দ্রবিন্দুকে
        আমিও মনে করি চন্দ্রবিন্দুকে মডারেশন প্যানেল থেকে সতর্ক করা উচিত। সেটি করাও হয়েছে।

        পরিশেষে ব্লগার বৃত্তবন্দী চন্দ্রবিন্দুকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হচ্ছে সহব্লগারদের প্রতি আক্রমণাত্মক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য।

    3. প্রিয় ইস্টিশন মাষ্টার
      প্রিয় ইস্টিশন মাষ্টার মহোদয়/বৃন্দ,প্রথমেই তালিয়া জ্বালাময়ী বক্তব্যের জন্য,নিজের গায়ে যদিও খানিকটা খোঁচা খেলাম তবে ধরে নিলাম খোঁচার বিপরীতে খোঁচা খেয়েছি, অল ব্লগ ইজ নিউটন।
      আপনার প্রতি অনুরোধ রেখে গেলাম,বিরাগ অথবা অনুরাগ বা স্বজনপৃতীর বাইরে এসে খাটাস আইডিগুলো ব্যান করুন।
      বৃত্তবন্দি চন্দকে নিষিদ্ধ করার আবেদন জানাই।

      লাভ ইউ মাষ্টর সাব,মাঝে মাঝে একটু মজা করলে মাইন্ড করিয়েন না ♥

    4. মাস্টার সাহেব, আপনাকে ধন্যবাদ
      মাস্টার সাহেব, আপনাকে ধন্যবাদ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য। আপনি যেটি বলেছেন আমরা কি তা করি না। ছোট খাট সমস্যা নিজেরাই সমাধান করি। কিন্তু বড় সমস্যাতেই আপনাকে ডাকা হয়।
      আপনাকে আমরা অভিবাবক হিসেবেই মানি , তাই আপনার হস্তক্ষেপ কামনা করি।
      সে যাই হোক প্রানে প্রান মেলাবোই স্লোগান টি বুলি মাত্র নয়, আমরা তা প্রমান করেছি করবো
      ……… :বুখেআয়বাবুল:

  23. অসাধারণ একটা পোস্টে অনলাইন
    অসাধারণ একটা পোস্টে অনলাইন যোদ্ধাদের ব্যক্তিগত মনোমালিন্য নিয়ে অহেতুক বাহাস দেখে আমি হতাশ। পোস্টের প্রাসঙ্গিকতার চেয়ে যেন মনোমালিন্য বিষয়টাই অনেক বড় হয়ে গেছে।

    প্রসঙ্গটা এখানেই শেষ করে স্টিকি পোস্ট নিয়ে আলোচনায় মনোনিবেশ করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি। মডারেশন প্যানেল থেকে বক্তব্য আসার পর বিষয়টা নিয়ে কথা বাড়ানো ঠিক হবেনা। ছাগু ছাড়া অন্যদের বিষয়ে কথায় কথায় ব্যান দাবী করাও ঠিক না। একটা পরিবারে অনেক ধরনের মানুষ থাকতে পারে। চন্দ্রবিন্দুর আচরণের নিন্দা জানাচ্ছি। পাশাপাশি আপনারও সবাই বাচ্চাদের মত আচরণ করছেন বলে মনে হচ্ছে। চন্দ্রবিন্দু’র এই আচরণের মত আমাদের মধ্যে অনেকেই সমমনাদেরকে এর চেয়েও মন্দ ভাষা প্রয়োগের মাধ্যমে খুঁচিয়ে কথা বলেছি। তাদেরকে কি ব্যান করা হয়েছে? আর এই খোঁচার পেছনে অনেক কাহিনীও আছে।

    আমি সবাইকে অনুরোধ করব- ভুলে যান। সমাজে মন্দ আর ভাল দুই ধরনের মানুষই বাস করেন। ভালরাই এগিয়ে থাকে। প্রাণে প্রাণ মিলাতে সহনশীল হওয়ারও প্রয়োজন আছে।

    ….. আসুন, সবাই সত্যিকারভাবে প্রাণে প্রাণ মিলাই।

    1. অশেষ ধন্যবাদ ইস্টিশন মাস্টার
      অশেষ ধন্যবাদ ইস্টিশন মাস্টার ভাই,কৃতজ্ঞ করে দিলেন ♠♠♠ তবে ১ সপ্তাহের জন্য ব্যান এর সাথে গোলাম আজমের ৯০ বছর কারাদন্ডের মিল আছে।সহযোদ্ধারা কি বলেন??

      1. …..রাজু দা আমার মনে হয় এক
        …..রাজু দা আমার মনে হয় এক সপ্তাহের জন্য ব্যান ঠিকই আছে।কারন এক সপ্তাহের জন্য ব্যান করার ফলে উনি নিজেকে শুধরানোর আর একটা সুযোগ পেলেন।আশা করি উনি নিজের ভুল বুঝতে পারবেন এবং নিজেকে শুধরে নিবেন।

    2. ইস্টিশন মাস্টার কে ধন্যবাদ
      ইস্টিশন মাস্টার কে ধন্যবাদ এমন সিদ্ধান্তের জন্য। আশাকরি এর পর থেকে কেউ পাকনামি করতে গিয়ে একটু চিন্তা করবেন। ডন, অরফিয়াস, জয়, মাশিয়াত, রাজু রণরাজ, শঙ্খনীল ভাই, মোশফেক ভাই, শাহিন ভাই সহ সবাইকে অভিনন্দন জানাই শক্ত অবস্থানে অটল থাকার জন্য।
      মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক এমন কঠিন একটা পোস্টে এ জাতীয় একটা তর্ক দুঃখজনক। এরকম বিভেদ তৈরি করা মানুষ থাকবেই। এদের এড়িয়ে সামনে যেতে হবে। আসুন আমরা পোস্টের বিষয় বস্তুতে মনোযোগ দেই।

    3. বরাবর,
      প্রিয় ইস্টিশন

      বরাবর,
      প্রিয় ইস্টিশন মাস্টার,
      ইস্টিশন ডট কম,

      বিষয়ঃ চন্দ্রবিন্দু

      জনাব,
      আপনার প্রতি দু’টা অনুরোধ থাকবে-

      ১। ব্লগের ভাবমুর্তি রক্ষা এবং অতিথি পাঠকদের কাছে আমাদের প্রানে প্রান মিলানোর এই প্রয়াসকে অনন্য এবং অতুলনীয় করতে চন্দ্রবিন্দুর অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণসহ তর্কের সকল মন্তব্যগুলো সরিয়ে ফেলা হোক! কেননা এই অযাচিত বাকবিতণ্ডা ইস্টিশনের পরিবেশকে বাইরের পাঠকদের কাছে ভুলভাবে উপস্থাপন করে! তা প্রানে প্রান মিলাতে আশা আমরা কেউ মানতে পারছি না।

      ২।একই রকম অপরাধে অমিত লাবন্যকে কর্তৃপক্ষ আজীবনের জন্যে ব্যান করেছিলো অথচ সে পরে ক্ষমাসূচক বার্তা পাঠালেও তাকে ক্ষমা করা হয় নি, আমাদেরও আশাছিল তাকে ১ সপ্তাহের জন্যে সতর্কীকরণ ব্যান করা হবে যেমনটা করা হয়েছে চন্দ্রবিন্দুকে… যদিও চন্দ্রবিন্দু ক্ষমা চায় নি! তা না হলে প্রানে প্রান মিলাবার প্রয়াসের দৈন্যতা প্রকাশ পাবে।

      পরিশেষে বলতে চাই, আমি আসলেই চিন্তা করি নাই ঐ (চন্দ্রবিন্দু) অযাচিত নাম পরিচয়বিহীন কারো বা কোন গোষ্ঠীর বিদ্বেষপরায়ণ স্বত্বার (এইভাবে বলছি কেননা তাকে আমার পূর্ণাঙ্গ একক মানুষ মনেহয় নি, মনে হয়েছে একাধিক ব্যক্তির আক্রমণের হাতিয়ার) আচরণে সহব্লগারেরা এতটা বিবেচনায় নিবে।

      দুলাল ভাইয়ের সাথে তাল মিলিয়ে বলতে চাই, সব যায়গায় সকল বিতর্ক করতে নাই, কেননা যেই তথাকথিত ব্লগারের পোস্ট এবং মন্তব্যে ইস্টিশন খুব বেশী লাভবান হয় নাই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ছাড়া তাকে বিবেচনায় নিয়ে এতটা প্রতীবাদমুখোর হওয়া ঠিক হয় নাই একই সাথে সবাইকে দেখিয়ে একটা এক্সপ্রেস পোস্টে কারও অযাচিত এবং বিদ্বেষপূর্ণ মানসিকতার দৈন্যতা প্রকাশ করাও ঠিক হয় নাই । যাহোক সবার আবেগ এবং মতামতের প্রতি সম্মান জানানোর জন্যে ইস্টিশন মাস্টারকে ধন্যবাদ…

      আসেন প্রানে প্রান মিলাই, বিদ্বেষ এবং অযৌক্তিক সমালোচনায় নয় গঠনমূলক সমালোচনা এবং মুক্তির উচ্ছ্বাসে…

  24. ব্লগের পরিবেশ সুস্থ রাখার
    ব্লগের পরিবেশ সুস্থ রাখার জন্য ব্লগার বৃত্তবন্দি চন্দ্রবিন্দুকে ব্যান করা হয়েছে সাময়িক সময়ের জন্য। এই বিষয়ে আর কোন বিতর্কের অবতারণা অনভিপ্রেত। আর ইস্টিশন মাস্টার বা মডারেশন প্যানেলকে অশিষ্ট এবং ব্যাঙ্গাত্মক ভাষায় সম্বোধন করার ব্যাপারে সবাইকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই ধরণের আচরণ যেই করুক তাকে বিনা নোটিশে ব্যান করার ব্যাপারে মডারেশন প্যানেল কারো কাছে কোন ধরণের জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে না। আশা করি ব্লগের পরিবেশ সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে সবাই ব্যাপারটির গুরুত্ব অনুধাবন করবেন এবং সেইমত আচরণ করবেন।

    1. মাস্টার সাহেব আমি ইস্টিশনকে
      মাস্টার সাহেব আমি ইস্টিশনকে নিজের ঘর মনে করি। প্রতিটি ব্লগারকেই পরিবারের সদস্য।
      আপনি জানেন ইস্টিশন ব্লগের অন্যতম শুভাকাঙ্খি আমি, পূর্বে যখন ইস্টিশন ধীর হয়েছিল পোস্ট দিয়ে নিজেদের মাঝে আলোচনার মাধ্যমে আবার গতিশীল করা হয়েছে।

      আমি খুব কম সময়েই সিরিয়াস থাকি, সকল ব্লগারের সাথে মজা তো করিই আপনার সাথেও, কারণ আপনি আমাদের পরিবারের একটি অংশ।

      আপনার মন্তব্য পড়ে নিজেকে বিপদাপন্ন মনে হচ্ছে। আমার তো এই দুষ্টামি করা বন্ধ হয়ে যাবে ।
      ক্যমনে কি !!! :'( :'(

      1. জয়,
        আমিও মনে করি তোমার আরও

        জয়,
        আমিও মনে করি তোমার আরও কিছুটা কেয়ারফুল হবার অবকাশ আছে । এটা আমাদের পরিবারের মতো হলেও কিছু নিয়ম – নীতি মেনে চলা এবং আবেগ, ভাবাবেগ ইত্যাদি বিষয় নিয়ন্ত্রণে রাখাটাও জরুরী ।

        আর তোমার মাধ্যমে সবাইকে বলতে চাই, আমরা যেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বুদ্ধি – বিবেচনা কাজে লাগাই । একজন বৃত্তবন্দী চন্দ্র’র অপ্রাসঙ্গিক ও আক্রমণাত্মক কমেন্টের জন্য এবং তাকে ব্যান না করলে ইস্টিশনে আর লিখবো না – এই জাতীয় আবেগ আমার কাছে নিতান্ত ছেলেমানুষী আচরণ বলে প্রতীয়মান হয়েছে । ইস্টিশন কে যদি সত্যি সত্যি ভালবাসি এবং পরিবার বলে মানি তাহলে এই রকম সিদ্ধান্ত কী করে গ্রহন করি ? পরিবারের একজন সদস্য যদি বেয়াদবি করে তার জন্য তাকে শাস্তি দেওয়া যেতে পারে কিন্তু তাই বলে নিশ্চয়ই পরিবার ছেড়ে যাওয়ার ঘোষণা দিতে পারিনা । ইস্টিশনে আর লিখবো না এই ঘোষণা ইস্টিশন ছেড়ে যাওয়ার সমতুল্য ।

        পরিশেষে, অন্যদের সাথে সুর মিলিয়ে বলতে চাই এই চমৎকার পোস্টে প্রাসঙ্গিক আলোচনা হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল, হলনা । এই না হওয়ার কারণে আমার থেকেও লিংকন ভাই’র কষ্টটা বেশি হওয়ার কথা । কারণ, আমি বিশ্বাস করি এই ব্লগের অল্প কিছু সেরা পোস্টের মধ্যে এটি একটি ।

        আমাদের ভালবাসা, আবেগ যৌক্তিক ও নিয়ন্ত্রিত হোক এই কামনা করছি …

          1. আরেক পাগলা … ছাড়তে চাইলেই
            আরেক পাগলা … ছাড়তে চাইলেই হলো । যাহোক, হ্যাপি ব্লগিং :ভেংচি: :গোলাপ: :পার্টি: :নৃত্য: :বুখেআয়বাবুল: :ফুল:

        1. একজন বৃত্তবন্দী চন্দ্র’র

          একজন বৃত্তবন্দী চন্দ্র’র অপ্রাসঙ্গিক ও আক্রমণাত্মক কমেন্টের জন্য এবং তাকে ব্যান না করলে ইস্টিশনে আর লিখবো না – এই জাতীয় আবেগ আমার কাছে নিতান্ত ছেলেমানুষী আচরণ বলে প্রতীয়মান হয়েছে ।

          ইয়ে মানে রাহাত ভাই, কয়দিন আগে এই পড়াশোনা নিয়া আব্বুর সাথে বিরাট ক্যাচাল লাগছিল। আমি দিনে একঘণ্টা পড়লেই না’কি কলেজে ফাস্টু হৈতাম, ঢাকা ভার্সিটি আমার পায়ের নিচে থাকত… ব্লা ব্লা ব্লা… এইসব। আমিও মোটামুটি ঘোষণা দিয়া দিলাম, এই বাসা আমার জন্য জাহান্নাম। আমি এই বাসায় আর থাকতেছি না। আমি গেলাম।

          আম্মু হাত ধৈরা টাইনা আমারে আমার রুমে নিয়া গেল। ঝাড়া এক ঘণ্টা এইসেই বুঝাইল – এমন করিস না বাবা… ব্লা ব্লা ব্লা। আমি ভদ্র ছেলের মত পিসিতে বসলাম।

          এইখানের পরিস্থিতিটাও অনেকটা এমনই… আমি খুব ভাল করেই জানি, বাসা ছাড়লে আমার কোথাও যাওয়ার জায়গা নাই। তারপরও সেইটার কথা বলি। এবং তাতে কাজও হয়। এখানেও আমরা যারা ব্লগার আছি খুব ভাল করেই জানি, ইস্টিশন ছেড়ে আমরা কেউ থাকতে পারব না। এটা আমাদের একটা পরিবার। পরিবার ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। আমরাও পারব না। তারপরও অভিমান হয়েছে। দু’এক বেলা ভাত না খাওয়া (পোস্ট বন্ধ রাখা) টাইপ অভিমান দেখিয়েছি। আমাদের কথা আমাদের অভিভাবক মেনে নিয়েছে… কাহিনী শ্যাষ…

          আসুন প্রাণে প্রাণ মেলাই… :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

          1. যার মনে যা, ফালাফালি করে
            যার মনে যা, ফালাফালি করে তা… :শয়তান: জয় শালা এইখানেও বিয়া নিয়া আইছে… :পার্টি: :ভেংচি: :হাহাপগে: 😀

          2. সবই দেখি আমার প্রভাব!! আমার
            সবই দেখি আমার প্রভাব!! আমার মতই বিটলামি করে সবাই!! যাক আমি না আসলেও চলবে। আশা করি কাল বৈশাখি (আজ ঠিক করেই লিখলাম) এ বান্দারামির ধারা অব্যহত রাখবে। এবং ইস্টিশনকে মাতিয়ে রাখবে। আমার আশির্বাদ রইল এগিয়ে যান…… 😛

          3. ১. কালবৈশাখি একটা শব্দ।
            ২.

            ১. কালবৈশাখি একটা শব্দ।
            ২. বানানটা আশীর্বাদ হবে।
            ৩. “আমি না আসলেও চলবে” মানে কী? কই যাবা তুমি???

  25. স্যরি দুলাল ভাই আপনি কি
    স্যরি দুলাল ভাই 🙁 আপনি কি জানেন আপনাকে আমি কতো পছন্দ করি??কিন্ত আপনি কেনো জানিনা আমার সাথে হামেশাই খারাপ আচরন করেন,এ জন্য অভিমান থেকে আপনার সাথে এমন করি।এখন ইস্টিশন ব্লগে একমাত্র আপনি আছেন যার সাথে আমার বনিবনা নাই।আমি আপনাকে বড় ভাই ভাবি আপনি কেনো ছোটভাই ভাবতে পারেন না??হোয়াই????????

    @রাহাত ভাই…. সব কিছু নিজের উপর টেনে নিয়েন না,আমি চন্দকে বাম বললাম চেইতা গেলেন আপনি!কই আর কেউ তো চেতেনাই।আপনি আমার প্রিয় একটা মানুষ এভাবে স্বাধীনতা লইয়া টানাটানি করেন কেন? :O

    1. রাহাত ভাই…. সব কিছু নিজের

      রাহাত ভাই…. সব কিছু নিজের উপর টেনে নিয়েন না,আমি চন্দকে বাম বললাম চেইতা গেলেন আপনি!কই আর কেউ তো চেতেনাই।আপনি আমার প্রিয় একটা মানুষ এভাবে স্বাধীনতা লইয়া টানাটানি করেন কেন? :O

      – আপনার এই অভিযোগের একটাই জবাব, আপনি যদি এতোই ক্লিয়ার হবেন নিজের কাছে তাহলে আপনার কমেন্ট আপনাকে এডিট করতে হলো কেনো ? আমি তো আপনাকে এডিট করতে বলিনি ।

      আপনাকে অপ্রিয় ভাবার কী কারণ থাকতে পারে, কই আর কারো সম্পর্কে বা কারো কমেন্ট নিয়ে এমন হচ্ছে না তো ? স্বয়ং ইস্টিশন মাস্টার আপনাকে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করেছেন, কেন করেছেন আপনি ভেবে দেখুন তাহলে অনেক প্রশ্নের জবাব মিললেও মিলতে পারে ।

      ভালো থাকবেন । শুভ কামনা ।

  26. আমার কষ্ট টা কোথায় জানেন,
    আমার কষ্ট টা কোথায় জানেন, বৃত্ত বন্দী চন্দ্ররা যা চায় আমরা তাই করি। কূট চালে হাত পাকিয়ে উঠে আসে ধীরে ধীরে উপরে। এই চন্দ্ররা এক সময় মতি, মজাহার হয়। আর এদের কারণে আমরা বিভাজিত হই। কে এই চন্দ্র? কি দৃশ্যমান অবদান তার এই ব্লগে! কেন ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করব!

  27. প্রিয় ইস্টিশন মাস্টার মহোদয়,
    প্রিয় ইস্টিশন মাস্টার মহোদয়,

    এই পোস্টে অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা এতো বেশি এবং সেই সাথে বাজে খোঁচাখুচির পরিমান ও কম নয় । এতে করে অতিথি পাঠকরা পোস্টের কমেন্ট পড়ে ইস্টিশন সম্পর্কে একটা বাজে ধারনা পাবে বলে আমি মনে করি । তাই আমার প্রস্তাব হলো – সম্ভব হলে অপ্রাসঙ্গিক কমেন্টগুলো সংরক্ষণ পূর্বক মুছে দেওয়া হোক ।

    1. সহমত রাহাত ভাইয়ের সাথে;

      সহমত রাহাত ভাইয়ের সাথে;

      এ পোস্টটি দেওয়ার পরপরই দেখে অভিমত জানিয়েছিলাম; তারপর বেশ একটা সময় আর লক্ষ্য করিনি।
      এখন এসে দেখি মহাভারত রচিত হয়ে গেছে। :খাইছে: এবং বাজে একটা। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

      শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আবার পড়ার পর বেশ কিছু জায়গায় মন্তব্য করতে ইচ্ছে হল; সেটি হয়তো প্রয়োজনীয় কিন্তু পোস্টের সাথে অপ্রাসঙ্গিক হত। আর বলা বাহুল্য যে, এই পোস্টে যথেষ্ট অপ্রাসঙ্গিক আলোচনা অলরেডি হয়ে গেছে। তাই ক্ষান্ত হলাম।

      সবচেয়ে খারাপ লাগছে লিংকন ভাইয়ের জন্য;
      এমন তথ্যবহুল অনবদ্য পোস্ট!! কোথায় সেখানে প্রাসঙ্গিক, প্রাণবন্ত আলোচনা হবে! তা না এক অর্বাচীন আর দুয়েকটা সীমালঙ্ঘনকারীর জন্য পুরো আলোচনাটাই অন্যখাতে প্রবাহিত হয়ে গেল। :মনখারাপ: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :ক্ষেপছি:

      1. ফাউস্ট একদম মনের কথা বলেছ!!
        ফাউস্ট একদম মনের কথা বলেছ!! দুটা তথ্য দিয়ে কাউকে হেল্প করতে বললাম কেউ করল না! যদি পারেন কেউ একটু জানাবেন; তাহলে আরও দুটো পয়েন্ট এড করতে পারতাম!
        ক) গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের (The Guinness Book of Records lists the Bangladesh Genocide as one of the top 5 genocides in the 20th century) ওরিজিনাল লিঙ্ক সহ উপাত্ত দিয়ে হেল্প করেন এবং
        খ) ১৯৭১ ও ১৯৭৫ সালের বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা এবং তার বৃদ্ধির হারের সঠিক তথ্য লিঙ্ক সহকারে দিয়ে সাহায্য করেন তবে আমি আরও দু’টি পয়েন্ট যোগ করতে পারি!

        সবার প্রতি তথ্য (যথার্থ লিঙ্কসহ) দিয়ে সাহায্য করার জন্যে অনুরোধ রইল….

        1. তারিক ভাই, অ্যান্থনী
          তারিক ভাই, অ্যান্থনী মাসকারেনহাসের “দ্য রেইপ অব বাংলাদেশ” বইতে আপনার কমেন্টের ২ নম্বর পয়েন্ট নিয়ে কিছু লিখা দেখলাম। তথ্য গুলো হঠাৎ করেই ভুলে গেছি। তথ্য সরবরাহের জন্য আপ্রান চেস্টায় আছি।

          আর, পোস্ট নিয়ে কিছু বলার নাই। স্পিচলেস। +++++ :বুখেআয়বাবুল:

  28. চমৎকার একটা পোস্টে কত কিছুই
    চমৎকার একটা পোস্টে কত কিছুই না হয়ে গেল। এই ধরণের ঘটনা কারও কাম্য নয়। অহেতুক কমেন্টগুলো মুছে দেওয়ার জন্য ইষ্টিশন মাষ্টারের প্রতি অনুরোধ রইল।

    1. শঙ্খচিলের ডানা ভাইয়ের সাথে
      শঙ্খচিলের ডানা ভাইয়ের সাথে সহমত… ইষ্টিশন মাস্টার দয়া করে তর্কের কমেন্টগুলো সরিয়ে দিন… :মাথাঠুকি:

  29. নাইস পোস্ট ! মেনি থিংস টু
    নাইস পোস্ট ! মেনি থিংস টু লার্ন ফ্রম দিস পোস্ট । বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দেওয়ার আগেই যেহেতু রাশিয়ার পেপারে ( প্রাভদা )৩০ লক্ষ হত্যার ম্যাটার টি চলে এসেছে, সো দেয়ার ইজ নো আদার অপশন টু ক্রিএট মিস্ট ।

    থাঙ্কস টু তারিক ভাই !

    1. (No subject)
      :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  30. এখানে কারো ঘিলু নিয়ে কথা বলা
    এখানে কারো ঘিলু নিয়ে কথা বলা উচিৎ হয় নি কারন আপনিতো আর তার মাথা ফাটিয়ে দেখেন নি কতটুকু ঘিলু রয়েছে।আমার প্রিয় কবি সুকুমার রায়ের একটি কবিতা আছে এই বিষয় নিয়ে-
    আয় তোর মুন্ডুটা দেখি
    আয় দেখি ফুটুস্কপ দিয়ে
    দেখি কত ভেজালের মেকি
    আছে তোর মগজের ঘিয়ে
    কোন দিকে বুদ্ধিটা খোলা
    কোন দিকে থেকে যায় চাপা
    কতখানি ভসভসে ঘিলু
    কতখানি থকথকে ফাপা।

    1. রাতুল,
      এই ছড়া কবিতাটি প্রথম

      রাতুল,
      এই ছড়া কবিতাটি প্রথম শুনি ‘বাইশে শ্রাবণ ‘ চলচ্চিত্র দেখে ।
      মনে মনে ভাবছিলাম কবিতাটি আবার কবে পড়বো । আপনার উছিলায় পড়া হয়ে গেলো ।

  31. দারুণ তথ্যবহুল এবং চমৎকার
    দারুণ তথ্যবহুল এবং চমৎকার একটি পোস্টের জন্য তারিক ভাইকে জানাই অপরিসীম অভিনন্দন। বহু শ্রমের বিনিময়ে এতো সুন্দর, গুছানো একটি পোস্ট দেওয়ার জন্য উনাকে আবারো অভিনন্দন।

    আপনার জন্য রইল :salute: :salute: :salute:

    1. (No subject)
      :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *