একজন সুচিত্রা সেন; কোটি দর্শকের হার্টথ্রব অভিনেত্রী……..

রমা সেন সর্বাধিক পরিচিত সুচিত্রা সেন নামে।সুচিত্রা সেন ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বিখ্যাত অভিনেত্রী । বিশেষ করে উত্তম কুমারের সাথে অভিনয়ের কারনে তিনি সারা বাংলায় প্রচন্ড জনপ্রিয় হন। উত্তম-সুচিত্রা জুটি আজও বাংলা চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ জুটি হিসেবে পরিচিত।এমনকি বাংলা চলচিত্রের নাম এলেই দর্শকদের হৃদয়ে এখন পর্যন্ত উত্তম-সুচিত্রা জুটির নামই ভেসে ওঠে।


রমা সেন সর্বাধিক পরিচিত সুচিত্রা সেন নামে।সুচিত্রা সেন ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বিখ্যাত অভিনেত্রী । বিশেষ করে উত্তম কুমারের সাথে অভিনয়ের কারনে তিনি সারা বাংলায় প্রচন্ড জনপ্রিয় হন। উত্তম-সুচিত্রা জুটি আজও বাংলা চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ জুটি হিসেবে পরিচিত।এমনকি বাংলা চলচিত্রের নাম এলেই দর্শকদের হৃদয়ে এখন পর্যন্ত উত্তম-সুচিত্রা জুটির নামই ভেসে ওঠে।

সুচিত্রা সেন ৬-ই এপ্রিল, ১৯২৯ সালে বিহারের পাটনায় এক সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।এর কয়েক বছর পর সুচিত্রা সেন বাংলাদেশের পাবনায় তার পৈত্রিক নিবাসে ফিরে আসেন।এরপর তার শৈশবকাল কেটেছে পাবনাতেই। সুচিত্রা সেনের বাবার নাম করুণাময় দাশগুপ্ত এবং মায়ের নাম ইন্দিরা দাশগুপ্ত।
যদিও তিনি আজ সুচিত্রা সেন নামে পরিচিত কিন্তু শৈশবে তার নাম ছিল রমা দাশগুপ্ত।সুচিত্রা সেন তথা রমা দাশগুপ্ত ছিলেন সংসারের পঞ্চম সন্তান এবং তৃতীয় কন্যা।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সুচিত্রা সেন সপরিবারে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান।ওই বছরই রমা দাশগুপ্তের সাথে কলকাতার আদিনাথ সেনের পুত্র দিবানাথ সেনের বিবাহ সম্পূর্ন হয়।শ্বশুরবাড়ি থেকেই তার নামের সঙ্গে যুক্ত হয় ‘সেন’ উপাধি।এরপর থেকেই রমা দাশগুপ্ত হয়ে যান রমা সেন।

১৯৫২ সালে ‘শেষ কোথায়’ ছবির মাধ্যমে সুচিত্রা সেনের চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় কিন্তু দুর্ভাগ্য, ছবিটি মুক্তি পেল না।এরপর ‘সাত নম্বর কয়েদী’ ছবিতে অসাধারণ অভিনয় করে সুচিত্রা সেন চলচিত্র জগতে প্রতিষ্ঠা পান।এবং পরবর্তী বছরে উত্তম কুমারের বিপরীতে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিতে তিনি অভিনয় করেন। ছবিটি বক্স-অফিসে সাফল্য লাভ করে এবং উত্তম-সুচিত্রা জুটি উপহারের কারনে চলচিত্রটি আজও স্মরনীয় হয়ে আছে।

সুচিত্রা সেন সম্পর্কে পরিচালক সুকুমার রায় একবার বলেছিলেন,

‘১৯৫১ সালে সাত নম্বর কয়েদী’ ছবির জন্য নতুন মুখ খুঁজছি। এমন সময় অসিত চৌধুরী আমাকে বললেন, একটি ভালো শিক্ষিত পরিবারের মেয়ে আছে। মনে হয় সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে খুব নাম করবে। তার কথায় মেয়েটিকে পাঠিয়ে দিতে বললাম। প্রথম দিন ওর স্বামী দিবানাথ সেনের সঙ্গে এসেছিল দেখা করতে অরোরা স্টুডিওতে। দেখলাম, ছিপছিপে চেহারায় ডাগর ধরনের ওর চোখ। চোখ দুটি বড় সুন্দর আর খুব এক্সপ্রেসিভ। চাহনিতে স্বচ্ছ গভীরতা। মিস্টি হাসিতে সারা মুখখানা যেন উচ্ছলতায় ভরে যায়। এক নজরেই পছন্দ হয়ে গেল। কণ্ঠস্বরও বেশ মিষ্টি। কথার মধ্যে একটু বাঙাল টোন আছে। আমি সঙ্গে সঙ্গেই তাকে নিতে রাজি হয়ে গেলাম’।

‘সাত নম্বর কয়েদী’ ছবিতে অভিনয় করার পর সুচিত্রা সেন পিনাকী মুখার্জি পরিচালিত ‘সংকেত’ ছবিতে অভিনয় করেন। তখনও তিনি ‘সুচিত্রা সেন’ নামে পরিচিত হননি।এর পরের ছবি অর্থাৎ নীরেন লাহিড়ীর ‘কাজরী’ ছবির মাধ্যমে ১৯৫২ সালে রমা সেন পাল্টিয়ে ‘সুচিত্রা সেন’ নামে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। সুচিত্রা সেন তার অভিনয় জীবনে মোট ৬০টি ছবিতে অভিনয় করেন।
সুচিত্রা সেন অভিনীত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চলচিত্র হলো:
১। সাড়ে চুয়াত্তর(১৯৫৩)
২। ওরা থাকে ওধারে(১৯৫৪)
৩। অগ্নিপরীক্ষা(১৯৫৪)
৪। শাপমোচন(১৯৫৫)
৫। সবার উপরে(১৯৫৫)
৬। সাগরিকা(১৯৫৬)
৭। পথে হল দেরি(১৯৫৭)
৮। হারানো সুর(১৯৫৭)
৯। দীপ জ্বেলে যাই(১৯৫৯)
১০। সপ্তপদী(১৯৬১)
১১। বিপাশা(১৯৬২)
১২। চাওয়া-পাওয়া
১৩। সাত-পাকে বাঁধা(১৯৬৩),
১৪। হসপিটাল
১৫। শিল্পী(১৯৬৫)
১৬। ইন্দ্রাণী(১৯৫৮)
১৭। রাজলক্ষী ও শ্রীকান্ত(১৯৫৮)
১৮। সূর্য তোরণ(১৯৫৮)
১৯। উত্তর ফাল্গুনি(১৯৬৩) (হিন্দিতে পুনঃনির্মিত হয়েছে মমতা নামে)
২০। গৃহদাহ(১৯৬৭)
২১। ফরিয়াদ
২২। দেবী চৌধুরানী(১৯৭৪)
২৩। দত্তা(১৯৭৬)
২৪। প্রণয় পাশা
২৫। প্রিয় বান্ধবী

১৯৫৫সালের দেবদাস ছবিতে অভিনয় করার জন্য সুচিত্রা সেন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেন, যা ছিল তার প্রথম হিন্দি ছবি।তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার পান ( শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার -সাত পাকে বাঁধা ১৯৬৩ছবির জন্য, মস্কো চলচ্চিত্র উৎসব )।
১৯৬০ ও ১৯৭০ দশকেও সুচিত্রা সেন অভিনীত ছবি মুক্তি পেয়েছে। স্বামী মারা যাওয়ার পরও তিনি অভিনয় চালিয়ে গেছেন, যেমন হিন্দি ছবি আন্ধি। এই চলচ্চিত্রে তিনি একজন নেত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।বলা হয় যে চরিত্রটির প্রেরণা এসেছে ইন্দিরা গান্ধী থেকে। এই ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন।
সুচিত্রা সেন অভিনীত শেষ ছবি ‘প্রণয় পাশা’ মুক্তি পায় ১৯৭৮ সালে।ওই বছরই তিনি সুদীর্ঘ ২৫ বছর অভিনয়ের পর চলচ্চিত্র অঙ্গন থেকে চিরতরে অবসরগ্রহণ করেন।এর পর তিনি লোকচক্ষু থেকে আত্মগোপন করেন এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সেবায় ব্রতী হন।
এই বাঙালি নায়িকা সম্পর্কে জানা যায়,

তার নায়ক উত্তম কুমার ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই মারা গেলে সেই রাতে এসেছিলেন একখানি মালা হাতে নিয়ে। মহানায়কের দেহের ওপর মালা রেখে সুচিত্রা সেন ফিরে এলেন কলকাতার বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের বাড়িতে, তারপর তিনি মিডিয়ার সঙ্গে আর কথা বললেন না। একাকী নিঃসঙ্গ জীবন কাটাতে লাগলেন।১৯৯৩ সালের প্রথম দিকে অসুস্থ হয়ে কিংবদন্তি আরেক নায়িকা কানন দেবী যখন হাসপাতালে, তাকেও তিনি দেখতে গিয়েছিলেন।

২০০৫ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারের জন্য সুচিত্রা সেন মনোনীত হন, কিন্তু ভারতের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে সশরীরে পুরস্কার নিতে দিল্লী যাওয়ায় আপত্তি জানানোর কারনে তাকে পুরস্কার দেয়া হয় নি।
১৯৭৮ সালে অভিনয় ছেড়ে দিলেও তিনি এখন পর্যন্ত কোটি দর্শকের হার্টথ্রব।সুচিত্রা সেনের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল মূলত ১৯৫৩ সালে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ মুক্তি পাবার পর থেকে। অভিনয়-জীবনে তিনি লক্ষ লক্ষ পুরুষের হৃদয়হরণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ফলে আমাদের দেশে, বিশেষ করে বাংলার মাটিতে যা হয় – তাঁর জীবনীকারেরা, যেমন সাংবাদিক গোপালকৃষ্ণ রায় (সুচিত্রার কথা) পূর্ব-বাংলার (অধুনা বাংলাদেশ) পাবনার এই চিরন্তন নারীকে (femina perennis) প্রায় পুজোর আসনে বসিয়েছেন।

৪০ thoughts on “একজন সুচিত্রা সেন; কোটি দর্শকের হার্টথ্রব অভিনেত্রী……..

  1. বাংলা সিনেমার মহানায়িকা

    বাংলা সিনেমার মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়ি দখল করে রেখেছেন স্থানীয় জামায়াতের নেতারা। তারা ওই বাড়িতে নির্মাণ করেছেন ‘ইমাম গাযযালি ইন্সটিটিউট’। প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ গাযযালির নামে প্রতিষ্ঠান চালিয়ে স্থানীয় জামায়াত নেতারা ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। প্রচার করছেন জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা আবুল আলা মওদুদির রাজনৈতিক তত্ত্ব। পাবনার ওই বাড়িতে সুচিত্রা জন্ম নেন ১৯২৯ সালের ৬ এপ্রিল, মতান্তরে ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল।

    পাবনার ওই পৈত্রিক বাড়িতে এখন সুচিত্রা সেনের কোনো চিহ্ন নেই। ২০০১ সালে জামায়াত বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধে ক্ষমতায় এলে বাড়িটির আগের নকঁশা বদলে ফেলা হয়। মুছে ফেলা হয় আগের নানা স্মৃতি। সাবেক স্বৈরশাসক, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের আমল থেকে বাড়িটি জামায়াত নেতাদের দখলে আছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ইসলামি চিন্তাবিদের নামে প্রতিষ্ঠান খুব ‘স্পর্শকাতর’। ধর্মীয় ‘স্পর্শকাতর’ নাম দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালালে জনগণ এর বিরুদ্ধে কিছু বলবে না, এমনটা মনে করেছেন জামায়াত নেতারা। উল্লেখ্য, বাংলা সাহিত্যের কথাসাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মনের ব্রাক্ষণবাড়িয়ার পৈত্রিক বাড়ি দখল করে ওই জেলার স্থানীয় জামায়াত নেতারা মাদ্রাসা নির্মাণ করেছেন। পৈত্রিক বাড়ি ফেলে অদ্বৈত মল্লবর্মন কলকাতায় চলে যান।

    1. জামায়াত নেতাদের দখলে থাকা
      জামায়াত নেতাদের দখলে থাকা সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক বাড়িটি দখল মুক্তকরার জন্য সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

    2. সুচিত্রা সেনের বাড়িতে যারা
      সুচিত্রা সেনের বাড়িতে যারা কমিউনাল অর্গানাইজেশন এস্টাব্লিশ করেছে তাদেরকে এরেস্ট করে ওই প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দিয়ে ‘ সুচিত্রা সেন স্মৃতি কমপ্লেক্স ‘ বানানো হোক ।

    3. ভাইয়া, জামায়াত নেতারা বাড়ি
      ভাইয়া, জামায়াত নেতারা বাড়ি দখল করে রেখেছে, আর আওয়ামীলীগ নেতারা অথবা সরকারি প্রশাশন দেখেও না দেখার ভান করে আছে…… এই ক্ষেত্রে দু পক্ষের মাঝে পার্থক্য কততুকু?

  2. সুচিত্রা -কে নিয়ে কিছুই বলার
    সুচিত্রা -কে নিয়ে কিছুই বলার নেই!! ছোট বেলা থেকে আব্বার উত্তম-সুচিত্রা নির্যাতনের জন্যে একসময় বিরক্ত ধরে গিয়েছিল! এখনও অফিস শেষে সন্ধ্যায় বাসায় ডুক্লে দেখি আব্বা ‘হারানো সুর’, ‘শাপমোচন’ বা অন্য কিছু নিয়ে বসে আছেন!! কতবার দেখছেন তার ইয়ত্তা নেই…

    তবে হুমায়ুন আজাদ স্যারের মত করে বলতে হয় সুচিত্রার সেই বাঁকানো গ্রীবার রহস্যময় চাহনি সাদাকালো ফ্রেমে বন্ধী হলেও আজও তরুণদের কাছে চিররঙ্গিন।।

    আপনার লিখাটা চমৎকার লাগল… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: শুভ কামনা এবং ভালবাসা সুচিত্রার জন্যে!!

  3. আমার আব্বুর পিচ্চিকালের ক্রাশ
    আমার আব্বুর পিচ্চিকালের ক্রাশ ছিলেন এই সুন্দরীতমা… :ভেংচি: 😀

    চমৎকার… চমৎকার লিখেছেন খাজা ভাই… :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :ফুল:

    গোলাপ রইল… :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ:

    খাজা বাবা… খাজা বাবা… মারাহাবা… মারহাবা… :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :বুখেআয়বাবুল:

  4. শুভ দা আপনার লিখাটি পড়ার সময়
    শুভ দা আপনার লিখাটি পড়ার সময় আমার পাশে একজন সুচিত্রা ভক্তের উপস্থিতি ছিলো আর উনি ছবি দেখে শুধু বললেন “ইশ” :চোখমারা: আমি জিজ্ঞেস করলাম আঙ্কেল “ইশ” কেনো ?? উনার জবাবঃ কি সুন্দর একখান মাইয়া আছিলো :ভেংচি: ।। উনার কথা শুইনা ভাষা হারায়ালাছি 😀

  5. চমৎকার লিখেছেন। আর এই লেখাটা
    চমৎকার লিখেছেন। আর এই লেখাটা আমার সাথে সাথে আমার মা ও পড়ে ফেলেছে। যেই মহানায়িকার ছবিটা মার চোখে পড়লো সেই আমাকে বলল- ” দেখি আমাকেও পড়তে দাও। মাউস ধরে নাড়াবা না ” :গোলাপ: :ফুল: :গোলাপ:

    1. যেই মহানায়িকার ছবিটা মার চোখে

      যেই মহানায়িকার ছবিটা মার চোখে পড়লো সেই আমাকে বলল- ” দেখি আমাকেও পড়তে দাও। মাউস ধরে নাড়াবা না “

      খাইছে… :ভেংচি: মাউস ধরে নাড়াবা না… :মাথানষ্ট: :চশমুদ্দিন: 😀

          1. আন্তরিকতার টান হাঁপানির টানের
            আন্তরিকতার টান হাঁপানির টানের থেকে বেশি …
            :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য:

  6. সেই ছোটবেলা থেকে উনার চোখ যেন
    সেই ছোটবেলা থেকে উনার চোখ যেন কেমন মনে হতো আমার। আজ বুঝি সেই চোখে কী গভীরতা আছে। কী আকর্ষণ আছে। কী দৃঢ় ব্যক্তিত্ব প্রকাশ পায় শুধু ওই দুটি চোখে। অসাধারণ……

  7. মেয়েদের মধ্যে যে ভাললাগা একটা
    মেয়েদের মধ্যে যে ভাললাগা একটা বিষয় আছে সেটা অনুভব করেছি কিশোর বয়সে সুচিত্রা’কে দেখে। তাই বলা যায়, প্রিয় অভিনেত্রী সুচিত্রা’ই আমার প্রথম প্রেম।

    পাবনায় জামায়াতের দখলে থাকা সুচিত্রা’র বাড়ীটি উদ্ধার করার ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।

  8. চমৎকার লিখেছেন । ধন্যবাদ
    চমৎকার লিখেছেন । ধন্যবাদ আপনাকে !

    অভিনয়-জীবনে তিনি লক্ষ লক্ষ পুরুষের হৃদয়হরণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

    – আমাকে জানাবেন তিনি কি লক্ষ লক্ষ নারীর হৃদয়হরণ করতে সক্ষম হননি ?

      1. ধন্যবাদ আপনাকে । আমাদের একটা
        ধন্যবাদ আপনাকে । আমাদের একটা সাধারণ ধারণা – একজন নারী অভিনেত্রী কেবল পুরুষের হৃদয় হরণ করে মানে ভালো লাগার কেন্দ্র বিন্দুতে থাকে । কিন্তু ব্যাপারটা তো আসলে তা নয় । একজন ভালো অভিনয় শিল্পী নারী – পুরুষ সবার মন হরণ করেন ।

  9. অসাধারন পোষ্ট।খাজা বাবা খাজা
    অসাধারন পোষ্ট।খাজা বাবা খাজা বাবা,মারহাবা মারহাবা। আমার ঘাড় বাঁকানো স্বপ্নকন্যা।চিরসবুজ, চিরতরুন। ♥

  10. খাজা আপনাকে থ্যাংকস নাইস
    খাজা আপনাকে থ্যাংকস নাইস পোস্টটি লেখার জন্য ।
    সুচিত্রা অভিনীত ফিল্ম আমি কম দেখেছি । আপনার দেওয়া লিস্ট থেকে বেশ কয়েকটা দেখতে হবে ।

  11. সুচিত্রা সেনকে নিয়ে লেখা ভালো
    সুচিত্রা সেনকে নিয়ে লেখা ভালো একটি লেখা। অভিনন্দন খাজা বাবা। আতিক ভাইয়ের দেয়া ইনফরমেশনটার জন্য ধন্যবাদ। এই তথ্য জানা ছিল না।

  12. বাপ-কাকার মুখে কত যে প্রশংসা
    বাপ-কাকার মুখে কত যে প্রশংসা শুনছি। বড় হয়া দেখলাম কি নায়িকা রে বাবা সব তো চোখ দিয়াই বলে ফেলতে চায়। হারানো সুর, সাগরিকা কি মুভিরে সিনেমা রে ভাই। অনেক ভাল লিখেছেন। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  13. ১৯৭৮ সালে ‘প্রণয়পাশা’ ছবি
    ১৯৭৮ সালে ‘প্রণয়পাশা’ ছবি মুক্তির পরই আড়ালে চলে যান মহানায়িকা সুচিত্রা সেন। এরপরই ১৯৮০-তে কোনও এক নির্বাচনের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে এসে কলকাতার এক চিত্র-সাংবাদিকদের ক্যামেরা বন্দি হয়ে যান। ওই শেষ। এরপরই আর কোন ক্যামরার লেন্স দেখেনি মহানায়িকা।দীর্ঘ সময় কাক-পক্ষীও দেখতে পায়নি তাকে। বাসার কাজের লোক পর্যন্ত আক্ষেপ করে বলে ‘আমাদের দুর্ভাগ্য, জীবন্ত এই কিংবদন্তির কাছাকাছি আছি কিন্তু তাকে এক নজর দেখতে পর্যন্ত পাই না।’ সুচিত্রা সেন বাসার যে কক্ষে থাকেন সেখানে কন্যা মুনমুন, নাতনি রাইমা এবং রিয়া ছাড়া আর কারও যাওয়ার অনুমতি নেই। প্রায় সময়ই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে নির্দিষ্ট চিকিৎসককেও বারণ, যেন তার চেহারার বর্ণনা মিডিয়াসহ কাউকে জানানো না হয় ।এক সময়ের হাজারো পুরুষের স্বপ্নের নায়িকা এখন প্রবীণ অবস্থায় কেমন দেখতে হয়েছেন, এ নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে, মহারানি গায়ত্রী দেবীর একটি ছবিকে সুচিত্রা সেন বলে চালিয়ে দেয় দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা।খাজা ভাই আপনিও আপনার পোস্টে একই ছবির ছোট অংশ ব্যাবহার করেছেন।গত ৬ জানুয়ারি প্রকাশিত ছবিটিতে দেখা যাচ্ছিলো মুনমুন সেনের সাথে গায়ত্রী দেবীকে। অথচ পত্রিকাটির প্রতিবেদনে গায়ত্রী দেবীর চেহারার বর্ণনা উল্লেখ করে বলা হয়, এক ফটোসাংবাদিক লুকিয়ে যতটুকু দেখতে পেয়েছিলেন তার বর্ণনায় শুভ্র কেশী সুচিত্রা সেনকে ছবিতে সেভাবে দেখা যাচ্ছে। গত বছর বেলভিউ হাসপাতালে গোপনে তোলা হয় এ ছবিটি। সঙ্গে রয়েছেন কন্যা মুনমুন সেন। অথচ, আলোচিত ছবিটি ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল টাইমস অব ইন্ডিয়ায়। বামে মহারানি গায়ত্রী দেবী, ডানে দেশীয় পত্রিকায় সুচিত্রা সেন হিসেবে উপস্থাপিত ছবিটি এদিকে দেশীয় পত্রিকার এমন দ্বায়িত্ব-জ্ঞানহীন কাজের জন্য হতাশা প্রকাশ করেন অনেকেই।

    এদিকে গত ২৩ ডিসেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হলে আবার বেলভিউ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এই মহানায়িকাকে। প্রথমে তাকে কেবিনে রাখা হলেও অবস্থার ক্রমাবনতি হওয়ায় দুদিন পরেই আইসিসিইউতে নেওয়া হয়।

    ৭ এপ্রিল ২০০৯ একবার সুচিত্রা সেনের মৃত্যুর গুজব বের হয়েছিলো।

    আপনার লেখাটি কিন্তু অসাধারণ লেগেছে।

  14. কারাগার ভাই যেহেতু সম্পূর্ন
    কারাগার ভাই যেহেতু সম্পূর্ন লেখাটিই ইন্টারনেটে প্রাপ্ত তথ্য এবং চিত্র-এর উপর ভিত্তি করে লেখা।সেক্ষেত্রে ভুল হতে পারে……..

    …….পরিশেষে অসংখ্য ধন্যবাদ লেখাটি কষ্ট করে পড়ার জন্য।

  15. মি নাকি স্বপ্নবালিকা ছিলে ,
    মি নাকি স্বপ্নবালিকা ছিলে , বাবাদের চাচাদের ।
    আমি শুনেছি তুমি নাকি বাংলার মেরিলিন মনরো । অড্রে হেপবার্নও বলা যেতে পারে ।

    তবে আমি তোমাকে চিনি না । মেগান ফক্স আর বারবারা মোরীর যুগে তুমি সেকেলে , ওল্ড ফ্যাশন্ড ।

    বাবা ফোন করেছিলো । কেমন ভরাট গম্ভীর গলা । প্রিয়জন হারানোর বেদনা যেনো ।

    ভালো থেকো মহানায়িকা
    মেগান অথবা বারবারারা এতটা ভালোবাসা পাবে না কখনোই

  16. আমি ত শুধু তার গান গুলাই শুনে
    আমি ত শুধু তার গান গুলাই শুনে যাচ্ছি…

    এ শুধু গানের দিন এ লগন গান শোনাবার…

    কিছু ক্ষণ আরো না হয় রহিতে কাছে…

    আহা! পুরানো দিনের গান বলতে ইচ্ছে করেনা । এখনো যে দোলা দেয়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *