প্রজন্ম চত্বর মঞ্চ থেকে ছাত্র নেতাদের আর ধর্মবিদ্বেষি নাস্তিকদের হটান

“ব্লগার মাত্রই নাস্তিক নয়। যেমন টুপি দাড়ি মানেই জামাত নয়” এটা জনতাকে পরিস্কারভাবে বোঝানোর দ্বায়িত্ব আন্দোলোনকারীদের, তাদের নেতা আর সংঘঠকদের। অপ্রাসঙ্গিক নাস্তিকতা, ধর্র্মবিদ্বেষিকতাকে আর দলিয়করনকে সামান্যতম প্রশ্রয় দিলেই যে জামাত তার রাজনৈতিক ফয়দা তুলতে লুফে নেবে এবং নিচ্ছে তাতো জানা কথা। তা জেনেও শাহবাগ মঞ্চের সংগঠক নেতৃত্ব এই ভুল কেন করছেন?


“ব্লগার মাত্রই নাস্তিক নয়। যেমন টুপি দাড়ি মানেই জামাত নয়” এটা জনতাকে পরিস্কারভাবে বোঝানোর দ্বায়িত্ব আন্দোলোনকারীদের, তাদের নেতা আর সংঘঠকদের। অপ্রাসঙ্গিক নাস্তিকতা, ধর্র্মবিদ্বেষিকতাকে আর দলিয়করনকে সামান্যতম প্রশ্রয় দিলেই যে জামাত তার রাজনৈতিক ফয়দা তুলতে লুফে নেবে এবং নিচ্ছে তাতো জানা কথা। তা জেনেও শাহবাগ মঞ্চের সংগঠক নেতৃত্ব এই ভুল কেন করছেন?

নাস্তিকতা আর ধর্র্মবিদ্বেষ এই ৯২% স্বল্প শক্ষিত মুসলিম অধুষ্যিত দেশে জনগ্রহনযোগ্যতার ক্ষেত্রে বিষ আর এই আন্দোলোনের উদ্দেশ্য, যুদ্ধাপরাধিদের বিচারে কিংবা দেশের মানুষের মৌলিক সমস্যাগুলির সাথে একেবারেই সম্পর্কহিন। নাস্তিকরা তাদের নাস্তিকতা নিজের কাছে রাখলেই হয়, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার” এই কথা বিশ্বাস করলে তো নাস্তিকের নাস্তিকতা আর ধর্মবিদ্বেষিতা প্রচারের কোনো কারন বা যুক্তি নেই।

আর ছাত্রনেতাদের উপস্থিতি, বক্তৃতা আর মার্কামারা বক্তৃতার ঢং, জনসাধারনকে, নতুনের আহ্বান ছাপিয়ে আমাদের বস্তাপচা রাজনিতির কথাই মনে করিয়ে দেয় – এ যেন নতুন বোতলে পুরোনো মদ। এ আন্দোলোনের নেতৃত্ব আর সংঘঠন নতুন প্রজন্মের সাধারণ তরুণ তরুণী থেকে তাড়াতাড়ি না উঠে আসলে এটা নিয়ে রাজনিতিক চর দখলের খেলা শুরু হয়ে ভেস্তে যাবে সব। ধর্ম ব্যাবসায়ি, নাস্তিকতার ব্যাবসায়ি আর স্বাধিনতার চেতনার ব্যাবসায়ি এসব ধরনের সব ব্যাবসায়িকেই দূরে রাখতে হবে আন্দলোন থেকে।

নতুন প্রজন্মের সামনে কঠীন ভবিষ্যত্‍ – “বিস্ফোরিত জনসংখ্যা+সমুদ্রের অগ্রাসন+ কুশাসন” বর্তমান অবস্থান থেকে এ বিশাল চ্যালেঞ্জ মকাবেলা করে অদুর ভবিষ্যতে সবার জন্য অন্য, বস্ত্র কর্মসংস্থান আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা এক বিশাল চ্যালেঞ্জ – এ তাদের বাচা মরার সংগ্রাম।

তাই যুদ্ধাপরাধিদের বিচার শুধু বাংলাদেশের বিচারহিনতার ট্রাডিশন ভেঙ্গে ন্যায় আর আইনের শাসনের সুচনা করতে পারে। কিন্তু সেখানে থেমে গেলে নতুন প্রজন্ম তাদের সামনের বিশাল বাস্তব আর বেচে থাকার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারবে না। স্বাধিনতার পর আমরা এভাবে মিথ্যা আত্মতৃপ্তিতে শুরুতেই থেমে যেয়ে একই জায়গায় ঘুরপাক খেয়েছি গত বিয়াল্লিশ বছর ধরে। অন্তহিন অর্থহিন বিতর্কে শুধু স্বাধিনতার চেতনার বুলিই আওড়িয়েছি, তা বাস্তবায়নের জন্য আইন আর ন্যায়ের শাসন ভিত্তিক সমাজ আর রাষ্ট্র গঠনের কঠিন পদক্ষেপগুলো নেয়ার সাহস কোনোদিনই অর্জন করে উঠতে পারি নি।

আরেকটা ব্যাপার লক্ষ্য করছি, এ আন্দোলন এখন পর্য্যন্ত শিক্ষিত মধ্যবিত্ত্য শ্রেনিকেই সম্পৃক্ত করতে পেরেছে, শ্রমিক বা শ্রমজিবি মানুষ, যারা এদেশের জনসংখ্যার এবং ভোটার সংখ্যার ৮০% এর বেশি, তাদের সম্পৃক্ত না করতে পারলে বাংলাদেশে কোনো বড় ধরনের গুনগত পরিবর্তন আনা সম্ভব না। স্বাধিনতা যুদ্ধ জনযুদ্ধে পরিনত হয়েছিল ২৫ শে মার্চের পাকিস্থানি হামলার পরে সাধরন মানুষের ব্যাপক সম্পৃক্ততায়।

আমার বক্তব্য বুঝতে আরো দেখতে পারেনঃ

১৭ thoughts on “প্রজন্ম চত্বর মঞ্চ থেকে ছাত্র নেতাদের আর ধর্মবিদ্বেষি নাস্তিকদের হটান

  1. ভালো বলেছেন। কিন্তু ভাই
    ভালো বলেছেন। কিন্তু ভাই শাহবাগে কেউ কি ঘোষনা দিছে আমি নাস্তিক। শাহবাগে কেউ কি নাস্তিকতা দেখাইতে আইছে। যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে রাইখাই তো আসছে। এইভাবে ভাইসা গেলে তো হইবো না

    1. দুঃখজনক আর অনিচ্ছাকৃত
      দুঃখজনক আর অনিচ্ছাকৃত হইলেও,রাজিবের ব্লগ আর গুটিকয় ধর্মবিদ্বেষি নাস্তিক ব্লগারের ব্লগ প্রচারনা পাওয়ায় এইরকম একটা জনমত দানা বেধে ঊঠছে। তার উপর পড়ছে আওয়ামি ছায়া। একে বৃহত্তর আন্দোলোনের স্বার্থে জরুরি কাঊন্টার করা দরকার।

      নাইলে এত সুন্দর একটা নতুন প্রজন্মের নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থানের সম্ভবনা ভেসেই যেতে পারে।

    1. এটা আপনার মতে কার প্রথম পরিচয়
      এটা আপনার মতে কার প্রথম পরিচয় কি হওয়া উচিত সেই ইন্টেলেকচুয়াল বা তাত্বিক তর্কের ব্যাপার না। আহেতুক বিতর্ক সৃষ্টী না করে বাস্তবতার নিরিক্ষে জনসমর্থন আদায় করা আর লক্ষ্যে পৌছানোর ব্যাপার।

  2. ভালো লিখেছেন,কিন্তু প্রথম
    ভালো লিখেছেন,কিন্তু প্রথম কয়েকটি লাইনের সাথে একমত হতে পারছি না।কারন শাহবাগে নাস্তিক এই কথাটা ছড়াচ্ছে কারা?নিশ্চয়ই সংগঠক কেউ না।তাহলে তাদের ক্যানো দোষারোপ করছেন?তারা যে পরিস্থিতিতে সাধারন মানুষলে জড়ো করেছে যতটা বিরুপ পরিবেশে,ধর্মীয় উস্কানিদাতাদের রক্ত-চক্ষু উপেক্ষা করে,প্রতিক্রিয়াশীলদের বুরো আংগুল দেখিয়ে এটা তাদের যোগ্যতার পরিচয়ই শুধু না,আন্তরিকতা,মেধা আর মনশীলতার পরিচয়ও দেয়।এত উস্কানীর মাঝেও তারা কোন সহিংসতার কথা বলছে না মুখ ফুটে যা খুবই বিচক্ষন আর ধৈর্যশীলতার প্রকাশ।দেখবেন আমরা হারবো না ইনশাল্লাহ।

    1. কারা ছড়াচ্ছে আর ছড়াবে তা আমরা
      কারা ছড়াচ্ছে আর ছড়াবে তা আমরা সবাই জানি। এটা এন্টিসিপেটেড, তাই তারা আগে থেকেই প্রিএম্পটিভ সতর্কতা নিতে পারতেন শুধু জামাত আর যুদ্ধাপরাধিদের উপর ফোকাস রেখে আর এটা কাউন্টার করার মত ক্রেডিবেল লোকদের মঞ্চে নিয়ে এসে। আমার বক্তব্য ব্যাক্তি ব্যক্তিত্ব বা গ্রুপের সামালোচোনা্য না, প্রথম লক্ষ্য আর পরবর্তি লক্ষ্য অর্জনের স্বার্থে। ঐ অর্জনগুলি ছাড়া আমাদের ভবিষ্যত ভিষন অন্ধকার।

      আমরা যতোই চাই, ব্যাপার এখন সহিংসতার দিকেই গড়াবে।

    1. তারা সবাই আন্দোলোনের বাইরের
      তারা সবাই আন্দোলোনের বাইরের না ভিতরের তাতো নিশ্চিত বলতে পাড়বো না। তবে বাস্তবতা এই যে এরা পরিচয় জাহির কইরা আন্দোলোনে সামিল হইলে আন্দোলোনের জনসমর্থন কমারি সম্ভবনা, আর তা জামিতিদের হাতকেই শক্তিশালি করে। আর এর বিপরিতে সবচেয়ে বড় আয়রনিঃ যদি নতুন প্রজন্মের জামাতি শিবিররা তাদের পরিচয় জাহির করে তাদের নেতাদের ফাসির দাবিতে আন্দোলোনে সামিল হয় তাতে আন্দোলোনের জনসমর্থন বাড়বে, এটাই রাজনৈতিক বাস্তবতা। আর জনসমর্থনের পাল্লার উপরই নির্ভর করবে আন্দোলোনের সফলতা।

      আর ওরা যেমন বাংলাদেশের নাগরিক, তেমনতো শিবির জামাতিরাও।

      একটা দেশব্যাপি আন্দোলোন চালাতে এবং সফল করতে হলে, তাকে সার্বিকভাবেই চিন্তা করতে হবে – কোনো ক্ষুদ্র গোষ্ঠি, বিশেষ করে যাদের স্বমন্ধে সাধারন জনমনে মারাত্মক বিরূপ ধারনা আছে, তাদেরকে সাথে দেখিয়ে সার্বিক আন্দোলোনের, তথা মূল লক্ষ্যের ক্ষতি (জনসমর্থন হারানোর) করার যৌক্তিকতা কি?

      ওদের গোষ্ঠি স্বার্থ ওদেরই দেখতে দেন,মুল আন্দোলোনের পিছনে থাইকাই।

  3. আমিতো প্রতিদিন শাহবাগে থাকি।
    আমিতো প্রতিদিন শাহবাগে থাকি। কই, নাস্তিকতার পক্ষ নিয়ে একটা কথা বা স্লোগান বা বক্তব্যতো শুনলাম না!!! আপনি কি আরেকটু পরিষ্কার করে বলবেন? আর, “ব্লগার মানেই নাস্তিক না” এ কথাটা ভাল মনে হতে গিয়েও হলনা, কারণ তার অন্তর্নিহিত কথাটা শোনা যাচ্ছে যেন, অনেক ব্লগারই নাস্তিক! আমার মনে হয় কথাটা এমন হওয়া উচিত ছিল, ‘নাস্তিক মানেই ব্লগার না’, তবে শাহবাগে যেহেতু আমরা দীর্ঘ সময় থাকি, মুক্তিযুদ্ধের একেকটা ঘটনা মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের শোনালে ভাল হত, তাতে আমাদের শপথ আরো সুতীব্র হত। এই মুহুর্তে একজন আন্দোলনকারী ‘কুলসুম’ নামে ১০ বছরের এক বাচ্চার বুকে মাইন বেঁধে পাকিস্থানী আর্মীর ট্যাঙ্কের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ার ঘটনা বর্ণণা করে, আমরা কেউ চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। এরপরেই স্লোগান যেন নতুন শক্তি পায়।
    আর আমি এমন অনেকজনের দেখা পাচ্ছি, যারা শাহবাগ বিদ্বেষী পত্রিকা পড়ে এমন অনেক কথা বলছেন যেগুলো আসলে শাহবাগে ঘটছেনা। আপনি তাই একটু পরিষ্কার করে বলবেন, নাস্তিকতাপুর্ণ কি কথা শুনেছেন। তাহলে উপকৃত হব।

    1. আপনি বোধহয় স্বিকার করবেন
      আপনি বোধহয় স্বিকার করবেন ধর্মদ্বেষি নাস্তিকতা বাংলাদেশের বাস্তবতায় এমনই বিষ যে এর ছিটেফোটাও এই বিশাল আন্দোলোনকে জনসমর্থনহিন করে দিতে পারে।

      আমি বহুদিন ধরেই প্রগতিশিল ব্লগে লিখি এবং ঘোরাফেরা করি। কিছু কিছু চরম ধর্মদ্বেষি নাস্তিক ব্লগারদের লেখার সাথে আমার পরিচিতি আছে। এই লেখাগুলি এবং এইধরনের গ্লমার সিকিং,এট্যেনশন সিকিং ব্লগাররা এত অফেনসিভ, এত নিচ এত নোংরা আর কুরুচিসম্পন্ন যে আপনি পড়লে স্বিকার করবেন যে, এদের সে ধরনের ব্লগ পোষ্ট বাংলাদেশের কোনো গ্রামে, গঞ্জে, হাটে বাজারে পড়ে কেঊ জিবিত ফিরতে পারবে না।

      এধরনের দুয়েকজন মার্কামারা ধর্মদ্বেষি নাস্তিক এর নাম এই আন্দোলোনের সাথে জড়িত হলেই দুধে চোনার মত কাজ করবে, জামাতিরা তা লুফে নেবে।

      তার চেয়ে বরং চেষ্টা করুন,জামাতিদের কাঊন্টার করুনঃ আপনাদের পরিচিত আত্মিয় বন্ধুদের মাঝে থাকা নতুন প্রজন্মের জামাতি আর শিবিরদের মঞ্চে নিয়ে এসে তাদেরকে দিয়ে তদের খুনি অপরাধি নেতাদের ফাসির দাবি করাতে চেষ্টা করুন।

    2. ইমরানুল কবির , সহমত।
      ইমরানুল কবির , সহমত। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
      ‘নাস্তিকতার পক্ষ নিয়ে মন্তব্য’ বা ‘নাস্তিকদের তালিকা’র উৎস যদি আমার দেশ বা শিবির হয় তাহলে ঐ বিষয়ে নিরুদ্বিগ্ন থাকি/থাকুন। :চোখমারা: :চোখমারা:

  4. আর ছাত্রলিগরে মঞ্চে উঠতে
    আর ছাত্রলিগরে মঞ্চে উঠতে দেওয়ার কি দরকার ছিল? ওগোরে রাজাকারগো ফাসি আর সৎকারের ব্যাবস্তার টেন্ডারের আশা দিয়া বিদায় করলেই মনে হয় ভালো হইতো।

  5. মরেনো ভাই, আপনি নিজেই বলছেন
    মরেনো ভাই, আপনি নিজেই বলছেন কুরুচিপূর্ন নোংড়া ধর্মবিদ্বেষি ব্লগার হাতে গোনা কয়েকজন। এই হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়ে আপনি এতো উদ্বিগ্ন ক্যান? এই হাতে গোনা কয়েকজন কি দেশের এতো গুরুত্বপুর্ন কেউ। নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এদের গুরুত্বপুর্ন করা হচ্ছে।

  6. শামীমা মিতু, হাতে গোনা
    শামীমা মিতু, হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়ে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে উদ্বিগ্ন হলে তাদের ব্লগেই জবাব দিতাম। আমার উদ্বেগ,এদের কারনে আন্দোলোনের ইমেজ নষ্ট হয়ে জনসমর্থন ঘুরে গেলে আন্দোলোন ভেসে যাওয়ার সমূহ স্মভবনা ভেবে।

    এই দেশের সাধারন ধর্মভিরু মানুষ তাদের ধর্মের ব্যাপারে ভিষন সেন্সিটিভ। দেখেন না কোন ডেনমার্কে কার্টুন ছাপা হলে, সেই সংবাদ জানিয়ে এদেশে আগুন ধরিয়ে দেওয়া যায়। আর গুটিকয়েকের ব্লগে এমন কুরুচিপূর্ন ধর্ম বা নবি অবমাননা আছে যে, কেউ বাংলাদেশের যে কোনো হাট বাজার বা গ্রামে গঞ্জে ওই ব্লগ পাঠ করে জিবিত ফিরে আসতে পাড়বে না, এটা আমি নিশ্চিত। আমার মনে হয় সেসব ব্লগ পড়ে থাকলে আপনিও আমার সাথে একমত হবেন।

    তাই আমি মনে করি এসব ব্লগারদের থেকে আন্দোলোনের ব্লগার ও আন্দোলোনকে ক্লিয়ার থাকতে হবে,জানাতে হবে জনসাধারনকে যে এধরনের ব্লগারদের সাথে আন্দোলোনের কোনো সম্পর্ক নেই। স্বার্বিক আন্দোলোনের স্বার্থেই, তথা দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থেই তা করতে হবে। এখানে ব্যাক্তিগত সেন্টিমেন্টের দাম দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই – stakes are ver high. না হলে জামাত শিবিরীর সূযোগ নিয়ে জনসাধারনকে বিভ্রান্ত করবে – ওর ভিষন সংঘটিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *