জ্যোর্তিঃবিজ্ঞানের বিবর্তন

লেখাটা অনেক দিন আগের একটা মাসিক পত্রিকার জন্য লিখেছিলাম। তাদের অনুরোধে বিষয় গুলোর গভীরে যাওয়া হয় নাই।

মাথার উপর বিশাল খোলা আকাশ। রাতের আকাশে অসংখ্য নক্ষত্র খচিত স্বর্গীয় উদ্যান। বিবর্তনের যে সময়টাতে প্রাক হোমোগন (আদি মানব) আগুনের ব্যবহার আয়ত্ত করে। হাতিয়ারের ব্যবহারে উৎকর্ষ সাধন করার সাথে সাথে জীবন যাত্রার মান বেড়ে যায়। টিকে থাকার সংগ্রামের ফাকে বিশ্রামের পরিধিও বেড়ে যায়। সে সময়টাতে হয়ত তারা চিন্তা করত আগামীকালকে নিয়ে। হয়তবা আরও বেশী সময় পেলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক ঘটনার কারণ নিয়েও মাথা ঘামাত। প্রাকৃতিক এসব ঘটনার পেছনে হয়ত কোন শক্তি কাজ করে যার নাম দেওয়া হয় দেবতা বা ঈশ্বর।

লেখাটা অনেক দিন আগের একটা মাসিক পত্রিকার জন্য লিখেছিলাম। তাদের অনুরোধে বিষয় গুলোর গভীরে যাওয়া হয় নাই।

মাথার উপর বিশাল খোলা আকাশ। রাতের আকাশে অসংখ্য নক্ষত্র খচিত স্বর্গীয় উদ্যান। বিবর্তনের যে সময়টাতে প্রাক হোমোগন (আদি মানব) আগুনের ব্যবহার আয়ত্ত করে। হাতিয়ারের ব্যবহারে উৎকর্ষ সাধন করার সাথে সাথে জীবন যাত্রার মান বেড়ে যায়। টিকে থাকার সংগ্রামের ফাকে বিশ্রামের পরিধিও বেড়ে যায়। সে সময়টাতে হয়ত তারা চিন্তা করত আগামীকালকে নিয়ে। হয়তবা আরও বেশী সময় পেলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক ঘটনার কারণ নিয়েও মাথা ঘামাত। প্রাকৃতিক এসব ঘটনার পেছনে হয়ত কোন শক্তি কাজ করে যার নাম দেওয়া হয় দেবতা বা ঈশ্বর।
রোজ সকালে সূর্যদেব তার অগ্নি রথনিয়ে পূর্বাকাশের খাড়া পথ ধরে উদিত হয়। আবার পশ্চিম আকাশের ঢালু পথ ধরে অস্তমিত হয়। আর সেই পথধরে উঠে আসে আরেক দেবতার দল (লুব্ধক-কালপূরূষ); আর এদের নেতৃত্ব দেয় চন্দ্র দেব। এমনটিই উল্লেখ আছে হোমারের কবিতা গুলোতে। আসলে মানুষের মন হল আয়নার মত, সে যা চিন্তা করে সেই ছবিই তার মনে অঙ্কিত হয় এবং তাই তার কাজ-কর্মে ও লেখনীতে প্রকাশ পায়।
হয়তবা এক সময় তারা দেব-দেবীদের বাদ দিয়ে মুক্ত ভাবে চিন্তা করতে শুরু করল। মুক্ত জ্ঞান চর্চার এক সময় হয়তবা চিন্তা করত, সূর্য স্থির পৃথিবীর চারদিকে দিনে এক বার ঘুরে আসে। আবার কেউ বা ভাবত স্থির সূর্যকে পৃথিবী প্রদক্ষীণ করে। এমন পরস্পর বিরোধী তত্ত্বের মধ্যে হয়ত অনেক যুক্তি তর্ক চলেছে। আবার হয়ত এক সময় এমন স্বিদ্ধান্ত হয় সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে যে বড় গণ্য হবে সে-ই হবে বিশ্বের কেন্দ্র। কিন্তু, মহাবিশ্বে কে বড়? পৃথিবী, না সূর্য? কারো কাছে হয়ত মনে হয়েছে সূর্য আবার কারো কাছে হয়তবা পৃথিবী। এ যেন বড় প্রমাণের এক দৌড়। এ দৌড়ে যে জয়ী হবে, প্রমাণিত হবে সেই বিশ্বের কেন্দ্র।
এ পৃথিবী হল শত জ্ঞাণী-গুণীর নন্দন নিকেতন, পৃথিবী কী সূর্য চেয়ে বড় না হয়ে পারে? এ যুক্তিতে শত জ্ঞাণী-গুণীর নন্দন নিকেতন এ পৃথিবীই মহাবিশ্বের কেন্দ্র। আর তাই-ই প্রায় সকল খ্রীষ্টপূর্ব (গ্রীক) দার্শনিকগণ মনে করতেন। তারা বিভিন্ন সময় ভূকেন্দ্রিক (Geocentric) বিশ্বের মডেলও তৈরি করেছেন। আর সর্বাধুনিক ভূকেন্দ্রিক মহাবিশ্বের মডেলটি দিয়েছেন গ্রীক গণিতবিদ টলেমি (Ptolemy){৯০-১৬৮ খ্রিষ্টাব্দ}। অ্যারিস্টটলে সময় থেকেই এ তত্ত্ব মানব মনে ভাল ভাবেই অবস্থান করছিল। কিন্তু তারও আগে সংখ্যা তত্ত্বের জনক, মহাদার্শনিক পিথাগোরাস (৫৭০-৪৯৫ খ্রিষ্টপূবাব্দ)। তার মত হল, “সূর্যই মহবিশ্বের কেন্দ্র, আর তাকে কেন্দ্র করে ঘুরছে গ্রহ ও নক্ষত্র গুলো”। পিথাগেরাস ছিলেন, সক্রেটিসেরও আগের সময়ের একজন মহা পূরুষ। একাধারে অধিবিদ্যা, সংগীত, গণিত, নীতিবিদ্যা ও রাজনীতি প্রভৃতি বিষয়ে তার ছিল বিশেষ পান্ডিত্য ছিল। প্রকৃতির সকল নিয়ম-কানুনকে গাণিতিক সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্লেটোর ছাত্র অ্যারিস্টটল; যাকে বলা হত সকল পণ্ডিতদের পণ্ডিত। তাঁর বাণী গৃহীত হত “ঈশ্বরের বাণীর মত”। তিনি পিথাগোরাসের এ তত্ত্বকে বিশুদ্ধ গাঁজা বলে উরিয়ে দেন। তিনি বলেন, সূর্য ও অন্যান্য সকল বস্তু সমুহ স্থির পৃথিবীকে কেন্দ্র করে বৃত্তাকার পথে ঘুরছে। তিনিই প্রথম যুক্তি দিয়ে দৃঢ়তার সাথে বলেন পৃথিবী হল গোলক আকার। এবং তার কিছু প্রমাণও উত্থাপন করেন। পরে টলেমি অ্যারিষ্টটলের ভূ-কেন্দ্রিক তত্ত্বের উৎকর্ষ সাধন করেন। টলেমি প্রথম শতাব্দীর একজন মিশরীয়। তবে অনেকে তাকে গ্রীকও বলে থাকেন। ধারণা করা হয় তিনি রেমান শাসন আমলে মিশরে অথবা গ্রীসে বাস করতেন। তবে তিনি আলেকজান্দ্রিয়ায় ১৬৮ খ্রিষ্টব্দের দিকে মৃত্য বরণ করেন। তার প্রকৃত নাম Claudius Ptolemaeus। একাধারে তিনি ছিলেন গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ, ভূগোলবিদ এবং তিনি কবিতা লিখতেন বলেও প্রমাণ পাওয়া যায়।
এ দিকে গ্রীক জ্যোতির্বিধ অ্যারিস্টার্কাস সাহসের সাথেই বলে ছিলেন, বছরে সূর্যের চারিদিকে পৃথিবীর একবার ঘুরে আসার কথা, তিনি স্ব-অক্ষে পৃথিবীর পাক খাওয়ার কথাও জানতেন। কিন্তু এ ব্যাপারে তার কাছে কোন প্রমাণ না থাকায় তার সে তত্ত্ব জনগনের কাছে সমাদৃত হয়নি।
আর, অপর দিকে, জ্ঞান সম্পর্কে অ্যারিস্টলের ব্যাখ্যা হল,

“শুধু মাত্র বিশুদ্ধ চিন্তা ও যুক্তির উপর নির্ভর করে প্রকৃতির নিয়ম গুলো জানা ও ব্যাখ্যা করা সম্ভব। এর জন্য পরীক্ষার আদৌ কোন দরকার আছে বলে তিনি মনে করতেন না।”

সমবেগে চলন্ত একটা বড় জাহাজের বদ্ধ কেবিনের মধ্যে বসে থাকা পর্যবেক্ষকের পক্ষে যেমন কখনই প্রমাণ করা সম্ভব নয়, জাহাজটি স্থির, না গতিশীল। আবার, সে যদি দূরে থেমে থাকা অপর একটি জাহাজের সাথে তুলনা করে, তাহলে তার কাছে মনে হবে সে স্থির আর জাহাজটি তার দিকে এগিয়ে আসছে। তার কাছে এমন মনে হওয়ার কারণ হল, জাহাজটির সাথে সাথে সে এবং জাহাজের মধ্যে অবস্থিত সকল কিছুই তার সাথে একই বেগে গতিশীল। ফলে পর্যবেক্ষকের কাছে জাহাজের সবকিছু স্থির মনে হবে। আর সে জন্যই আপাত দৃষ্টিতে আমরা নক্ষত্র-সূর্যকে স্থান পরিবর্তন করতে দেখি। অথচ পৃথিবীর গতি অনুভব করিনা। আসলে আমরা নিজেদেরকে স্থিরভাবতে পছন্দ করি।
তাই পৃথিবীতে থেকে শুধু মাত্র বিশুদ্ধ চিন্তা ও যুক্তি দিয়ে কখনোই পৃথিবীর স্থিতি বা গতিশীলতার ব্যাখ্যা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন নিখুঁত পরীক্ষণ ও গভীর পর্যবেক্ষন।
তাই বিশুদ্ধ চিন্তা ও যুক্তি নির্ভর ভূ-কেন্দ্রীক বিশ্ব মডেলটি সঠিক মতবাদ হিসেবে রাজত্ব করে প্রায় সহস্রাধিক বছর ধরে।
১৫০২ খ্রীষ্টাব্দের বসন্তের এক দিন রোম বিশ্ববিদ্যালয়ে তরুণ অধ্যাপক নিকোলাস কোপার্নিকাস তার লেকচারে বোধ হয় বলছিলেন ভূকেন্দ্রীক মডেল উপস্থাপনের পর আজ পর্যন্ত সকলেই এক বাক্যে মেনে নিয়েছে এ তত্ত্ব। কিন্তু, বাধসাধে তারই এক ছাত্র। হঠাৎ সে দাঁড়িয়ে পিথাগোরাসের তত্ত্বের কথা তরুণ অধ্যাপককে স্মরণ করে দিলে, ঘটনাটি তাকে নতুন করে ভাবিয়ে তোলে। কেন পিথাগোরাস সৌর কেন্দ্রীক বিশ্বের পক্ষে ছিলেন? তারই বা কি যুক্তি ছিল? এ সব প্রশ্নের সদুত্তর খুজতে রোম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনা ছেড়ে চলে আসেন নিজের পোল্যান্ডের ফ্রয়েনবার্গ শহরে। চিকিৎসক কোপার্নিকাস তার চার্চের সেবা ও বিনা পয়সায় মানব সেবা করার পর সারা দিন তো কোন সময়ই পেতেন না। কিন্তু, রাতে? রাতের আকাশে লাখো প্রদীপ জ্বেলে নাচের মজলিসে বের হয় অসংখ্য নক্ষত্র-নর্তকীর দল। মেঘ হীন রাতের আকাশে তারার নাচন দেখতে কার না ভাল লাগে? কিন্তু খোলা চোখে আর কত দূর দেখা যায়? দৃষ্টি কিছু দূর গিয়েই যে আবার নিজের কাছে ফিরে আসে। এ সমস্যা মধ্যেও ১৫০৯ থেকে ১৫১১ সাল পর্যন্ত তিন বছর ধরে ঘটা গ্রহণ গুলো সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করেন। গাণিতিক ভাবে আঁকলেন মঙ্গল, বৃহস্পতি এবং শুক্রের আবর্তন পথ। কিন্তু বাদ সাধল ভূ-কেন্দ্রীক বিশ্ব তত্ত্ব। এখন তিনি কি তার পর্যবেক্ষণকে বাদ দিবেন? না কি হাজার বছরের সংস্কারের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবেন? বার বার পর্যবেক্ষণ এবং ফলাফল মিলিয়ে দেখলেন, কখনই এ চিত্র ভূ-কেন্দ্রীক তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করেনা। তিনিই প্রথম বিশ্বের কেন্দ্র থেকে স্থির পৃথিকে সরিয়ে সূর্যকে বসান বিশ্বের কেন্দ্রে। তিনি যে বিশ্ব মডেল উপস্থাপন করেন তা-ই ইতিহাসের প্রথম সৌর কেন্দ্রিক বিশ্ব মডেল।
নিকোলাস কোপার্নিকাসের জন্ম ১৪৭৩ সালের ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখে। তিনি সৌর কেন্দ্রিক মতবাদ প্রতিষ্ঠার মত দূরূহ কাজে জীবনের একত্রিশটি বছর উৎসর্গ করেছেন। তিনি তার বিখ্যাত “খ-বস্তু সমূহের পরিক্রমণ কক্ষপথ”( De revolutionibus orbium coelestium) নামক গ্রন্থে তাঁর পরিকল্পিত বিশ্বের বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি তাঁর বর্ণনায় বিশ্বকে কয়েকটি কক্ষ পথের মধ্যে আবদ্ধ করেন।
তাঁর মতে,

“সবার সবার উপরে নিশ্চল নক্ষত্রের গোলক, এ গোলকে অন্তর্ভূক্ত সকল বস্তুই স্থির ও নিশ্চল। এর পরের কক্ষবৃত্তে শনি গ্রহের অবস্থান। যা ত্রিশ বছরে একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। অতঃপর শনি, যার লাগে এক বছর এবং দুই বছর লাগে মঙ্গলের। পৃথিবীর অবস্থান চতুর্থ কক্ষবৃত্তে। পঞ্চমে শুক্র, ষষ্ঠে বুধ, আর সর্বমধ্যে অবস্থান সূর্যের। আর একটা স্বতন্ত্র কক্ষবৃত্তে পৃথিবীর এক মাত্র উপগ্রহ চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে।”

কিন্তু পৃথিবীর উপর এ আপতিত গতির বিপরীতে আপত্তি হল, ভূপৃষ্ঠের সাথে দৃঢ় ভাবে আবদ্ধ নয় এমন সব বস্তু সমুহ উরে যেতে পারে অথবা পিছনে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কারন তখনতো আর কেউ মহাকর্ষ বলের সাথে পরিচিত ছিলনা। মহাকর্ষ বলের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেন স্যার আইজ্যাক নিউটন। এ মহাকর্ষ বল হল কোন বস্তুর মধ্যে অন্তঃর্নিহিত বল, যে বলের কারনে বিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে, এবং এ বলের মান নির্ভর করে তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব ও ভরের উপর। নিউটনিয় বল বিদ্যার বই গুলোতে আছে এর বিস্তারিত বিবরন।

সূত্রঃ উইকিপিডিয়া, মহাকর্ষের কথা, আলো হাতে চলিয়াছে আধারের যাত্রি, বিজ্ঞানের সাধকগন

৭ thoughts on “জ্যোর্তিঃবিজ্ঞানের বিবর্তন

  1. Heliocentric বা সূর্য-
    Heliocentric বা সূর্য- কেন্দ্রিক বিশ্ব মডেল এবং Geo-centric বা ভূ-কেন্দ্রীক বিশ্ব মডেল নিয়ে অল্প-বিস্তর কৌতূহলবশত পড়া হয়েছিল আপনার লিখায় বিস্তারিত পেয়ে ভাল লাগল। তবে আরও তথ্যবহুল করার সুযোগ ছিল বোধহয়। আশাকরি বিষয়টি নিয়ে আর দু’-এক পর্ব লিখবেন। তাহলে পূর্ণাঙ্গ ধারনা পাবে পাঠক…
    খুবই দরকারি এবং কাজের একটা পোস্ট দিয়েছেন। অফুরন্ত ধইন্যা… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :গোলাপ: :গোলাপ: :বুখেআয়বাবুল:

    1. ধন্যবাদ, দাদা। এই বিষয়ের
      ধন্যবাদ, দাদা। এই বিষয়ের প্রতি আমার বিশেষ ভালবাসা রয়েছে। তাই এর বিষয় গুলোর উপর আরো বিস্তারিত করে লেখার ইচ্ছে আছে।

  2. …..নতুন অনেককিছু জানতে
    …..নতুন অনেককিছু জানতে পারলাম।তবে পোস্টটি আরেকটু বিস্তারিতভাবে লিখলে আরও ভাল হতো।ধন্যবাদ মাজেদুল ভাই। :থাম্বসআপ: ত

  3. পড়ার মজাটা যখন পাচ্ছিলাম- ধুম
    পড়ার মজাটা যখন পাচ্ছিলাম- ধুম করে শেষ হয়ে গেল। আরো একটু বিস্তারিত দিতে পারলে পোস্টটা পরিপূর্ণতা পেত। তারপরও ভিন্নধর্মী এই পোস্টটার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

  4. দারুণ টপিক বেছে নিয়েছেন…
    দারুণ টপিক বেছে নিয়েছেন… ইস্টিশনে বিজ্ঞান লেখকের সংখ্যা কম… তাই যাই আসে, আগ্রহ নিয়ে পড়ি… আরেকটু বিস্তারিত করে একাধিক পর্বে লিখলে বোধ হয় ভাল হত… 🙂

Leave a Reply to তারিক লিংকন Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *