কাব্য-সুষমা ও বাংলার কবিতা’র আত্মকথন

ব্যক্তি মানুষ হিসেবে আমারা যে সমাজে বাস করি, যে জীবনটা যাপন করি, তার আছে নিজস্ব রূপ, রস, গন্ধ। তাই জীবন যাপনের ক্ষেত্রে আমরা মানুষেরা তাড়িত হই নানা ভাব, অনুভূতি, আবেগ দ্বারা। যা আমাদের ভারাক্রান্ত করে; মালবাহী ট্রাকের মত।
আর এই ভারমুক্তির মানসেই কেউ কেউ কলম ধরেন; অনুভূতিগুলো তখন ভাষা পেয়ে যায়; শব্দে, বর্ণে পাখা মেলে। কলমের খোঁচায় ইতি ঘটে প্রসববেদনার।

তারপর এই লেখনীর সিংহভাগই হয়ত স্থান পায় পেপারবিনে। আর কখনো কখনো, কালেভদ্রে ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে দুয়েকটি লেখা হয়ে ওঠে সুষমামণ্ডিত, ধারন করে ঘনীভূত সৌন্দর্য। তাকেই আমরা আদর করে “কবিতা” নামে ডাকি।


ব্যক্তি মানুষ হিসেবে আমারা যে সমাজে বাস করি, যে জীবনটা যাপন করি, তার আছে নিজস্ব রূপ, রস, গন্ধ। তাই জীবন যাপনের ক্ষেত্রে আমরা মানুষেরা তাড়িত হই নানা ভাব, অনুভূতি, আবেগ দ্বারা। যা আমাদের ভারাক্রান্ত করে; মালবাহী ট্রাকের মত।
আর এই ভারমুক্তির মানসেই কেউ কেউ কলম ধরেন; অনুভূতিগুলো তখন ভাষা পেয়ে যায়; শব্দে, বর্ণে পাখা মেলে। কলমের খোঁচায় ইতি ঘটে প্রসববেদনার।

তারপর এই লেখনীর সিংহভাগই হয়ত স্থান পায় পেপারবিনে। আর কখনো কখনো, কালেভদ্রে ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে দুয়েকটি লেখা হয়ে ওঠে সুষমামণ্ডিত, ধারন করে ঘনীভূত সৌন্দর্য। তাকেই আমরা আদর করে “কবিতা” নামে ডাকি।

কবিতা সাহিত্যের একটি প্রধান এবং মতভেদে আদিমতম শাখা। কবিতার ইতিহাস, হাজার বছরের পুরনো ইতিহাস। বাংলা ভাষায় কাব্য রচনার শুরুটাও কিন্তু হয়েছিল কয়েকশো বছর আগেই। প্রায় ২০ কোটি মানুষের মাতৃভাষা এই বাংলায় রচিত কবিতার ভাণ্ডার বেশ সমৃদ্ধ, এই কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

কবিতা হয়তো অনেকেই নিয়মিত পড়েন না । কিন্তু জীবনযাপন করতে গিয়ে, কোন ভাবে ভাবিত হয়ে বা কোন আবেগে তাড়িত হয়্‌ আমারাই হয়ত আওড়ে উঠি প্রিয় কবির কোন কবিতার কোন চরণ।
তাইতো কবি ও উপন্যাসিক হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন-

মানুষ ও কবিতা অবিচ্ছেদ্য। মানুষ থাকলে বুঝতে হবে কবিতা আছে ; কবিতা থাকলে বুঝতে হবে মানুষ আছে।

আর বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবকিছুই যেখানে ইন্টারনেট নির্ভর হয়ে যাচ্ছে, সেখানে কবিতার অনলাইন সংগ্রহশালা খুব জরুরী হয়ে পড়েছে। কিন্তু, দুঃখের বিষয় হলেও সত্যি যে, অল্প কিছু ফেইসবুক পেইজ, কিছু ব্যক্তিগত ব্লগ বা ছোটখাটো কিছু ওয়ার্ডপ্রেস সাইট ছাড়া তেমন কোন ভাল উদ্যোগ নেই কবিতা নিয়ে।আর বিদ্যমান গুলোতেও শুধুমাত্র বিখ্যাত কবিদের কিছু বাছাইকৃত কবিতাই পাওয়া হয়।

তাই একটি পরিপূর্ণ কবিতার ওয়েবসাইট করার চিন্তা থেকেই এই “বাংলার কবিতা”র যাত্রা শুরু। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে- বাংলা ভাষায় কাব্য রচনার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যত বিখ্যাত কবি কবিতা লিখে গিয়েছেন বা এখনও লিখছেন তাদের সবার, সবগুলো কবিতা আমাদের ওয়েবসাইটে অন্তর্ভুক্ত করা। এমন একটা প্লাটফর্ম হবে “বাংলার কবিতা”, যেখানে যেকোনো কবির যেকোনো কবিতা চাইলেই পাওয়া যাবে।

পাশাপাশি নতুন কবিদের জন্য রয়েছে আলাদা বিভাগ। যার নাম দেওয়া হয়েছে “কাব্যমেলা”। এখানে যে কেউ তার স্বরচিত কবিতা প্রকাশ করতে পারেন। আমরা চাই আপনার নিয়মিত লেখার পাশাপাশি আপনার পুরনো লেখাগুলোও তুলে দিন আমাদের ওয়েবসাইটে।

শুধুমাত্র কবিতাতেই থেমে থাকবে না আমাদের পদযাত্রা। আমাদের সংগ্রহশালাকে আরও তথ্যবহুল এবং সমৃদ্ধ করার জন্যে “ছবিতে কবিতা”, “মুক্তকথা” এবং “খবর” নামে আলাদা তিনটি বিভাগ করা হচ্ছে; যার বিস্তারিত আপনারা সংশ্লিষ্ট বিভাগের পেইজে দেখতে পাবেন।

আমাদের বিশ্বাস আমাদের এই প্রচেষ্টা বাংলা সাহিত্য, কবিতা ও আমাদের দেশীয় ঐতিহ্যকে, বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বাঙ্গালী, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের বাঙ্গালীদের কাছে আরও পরিচিত করে তুলবে।

আমাদের পথচলা কেবল শুরু হল। আশা করছি আপনাদের সবার সাহায্য-সহযোগিতা, উৎসাহ আর গঠনমূলক পরামর্শে আমরা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবো।

সবার জন্যে উন্মুক্ত করা হলেও আমাদের ওয়েবসাইটের কাজ এখনও চলছে। তাই ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে যেয়ে যেকোনো সমস্যার জন্য অনতিবিলম্বে আমাদের জানানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ রইলো।

২ thoughts on “কাব্য-সুষমা ও বাংলার কবিতা’র আত্মকথন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *