চুলতন্ত্র

আইয়ুব খান বিশ্বাস করতেন ছাত্রদের মৌলিক কাজ হচ্ছে তিনটা। পড়ালেখা করা, প্রেম করা আর সিনেমা দেখা। তারা কেন রাজনীতি করবে? কেন আন্দোলন করবে? এজন্য বাস ভাড়া ছাত্রদের জন্য হাফ করে দিছেন। যেন ঠিকমত কলেজ ভার্সিটি যেতে পারে। সিনেমা হলের টিকিটের ছাত্রদের জন্য হাফ করে দিলেন। পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে বিনোদনের প্রয়োজন আছে। আন্দোলন সংগ্রামের প্রয়োজন নাই। তাইলে ক্ষমতায় টিকে থাকা মুশকিল।


আইয়ুব খান বিশ্বাস করতেন ছাত্রদের মৌলিক কাজ হচ্ছে তিনটা। পড়ালেখা করা, প্রেম করা আর সিনেমা দেখা। তারা কেন রাজনীতি করবে? কেন আন্দোলন করবে? এজন্য বাস ভাড়া ছাত্রদের জন্য হাফ করে দিছেন। যেন ঠিকমত কলেজ ভার্সিটি যেতে পারে। সিনেমা হলের টিকিটের ছাত্রদের জন্য হাফ করে দিলেন। পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে বিনোদনের প্রয়োজন আছে। আন্দোলন সংগ্রামের প্রয়োজন নাই। তাইলে ক্ষমতায় টিকে থাকা মুশকিল।

এদিক দিয়ে চিন্তা করলে রাজা বাদশাদের আমলই ভালো ছিলো। তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম নাই। নির্বাচনের প্রয়োজন নাই, তত্বাবধায় সর্বদলীয় কোন কিছুরই প্রয়োজন নাই। প্রজাদের কাছ থেকে খাজনা নিবে, আর খাজনার টাকা দিয়ে বউয়ের জন্য তাজমহল বানাবে। মন চাইলে পাঁচশ গম্বুজ দিয়া মসজিদ বানায়া ফেলবে। মন চাইলে দীঘি কাটবে, খাম্বা বানাবে। কেন বানাবে সেটা বড় কথা না, মন চাইছে সেটাই বড় কথা। প্রজারা বলতেও যাবেনা ‘শালারপুত আমার ট্যাক্সের টাকা দিয়া তুমি বউয়ের জন্য তাজমহল চোদাও?’ কোন রকম নির্বাচনের ঝুট ঝামেলা ছাড়াই মোঘলরা আড়াইশ বছর শাসন করে ফেললো। এক মাস্তিকর লাইফ!

বাংলার মাটিতে প্রথম নির্বাচন হইছে ১৯৫৪ সালে। ফজলুল হকের কৃষক শ্রমিক লীগ, গণতন্ত্রী দল, নিজামী ইসলামী, আওয়ামী লীগ সহ ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলা মিলে গঠন করলো যুক্তফ্রন্ট। হক ভাসানীর নৌকা ২২৩ আসন নিয়া সমঝতার ভিত্তিতে সরকারও গঠন করে ফেললো। বাঙালি প্রথমবার রাষ্ট্র ক্ষমতায়। ক্ষমতার পুরো স্বাদ না পাক, কিছুটাতো পাইলো।

দেশ স্বাধীন করেই জিন্নাহ মরে গেলো। আল্লাহর মাল আল্লাহয় নিয়া গেছে। নির্বাচন হইলো, স্বাধীনতার ৯ বছর কেটে গেছে তখন পর্যন্ত দেশে কোনো সংবিধানই নাই! সংবিধান থেকে একচুল নড়ার ব্যাপার স্যাপারও নাই। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানে প্রথম সংবিধান প্রণয়ন হয়। সংবিধান অনুসারে পশ্চিম পাকিস্তানকে ৪ টা প্রদেশে ভাগ করা হইলো। আর পূর্ব বাংলার নাম পাল্টে রাখা হইলো পূর্ব পাকিস্তান। দেশের নাম হয়ে গেলো ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তান।

৪৭ এ দ্বিজাতিতত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ হইছে। দুই জাতি হচ্ছে হিন্দু আর মুসলিম। হিন্দুস্থান পাকিস্তান। এজন্য সংবিধান অনুসারে দেশ ইসলামিক রিপাবলিক হওয়া খুবই যুক্তিযুক্ত। বাংলাদেশও স্বাধীন হইছিলো দ্বিজাতি তত্বের ভিত্তিতে। এখানে দ্বিজাতি ছিলো ভাষার ভিত্তিতে, ধর্ম নয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সংবিধানও ঐভাবে বানানো হইছে। প্রথম আকামটা করছে জিয়াউর রহমান। সংবিধানে সংশোধনী এনে সংবিধানের প্রথমে বিসমিল্লাহ বসাইলো। যাক দোয়া কলমা পড়ে সংবাধানকে মুসলিম বানায়ে দেওয়া হইলো। যায়গায় বেযায়গায় “৯০ ভাগ মুসলিমের দেশ” বলে জিকির তোলা হইলো। বাঙলাদেশ থেকে হয়ে গেলো মুসলিম দেশ! এতক্ষনে অরিন্দম..

যাই হোক পাকিস্তানে সংবিধান প্রণয়নের পর পাকিস্তানে আইন কানুন আরো উন্নত হওয়ার কথা ছিলো। গণতন্ত্র ফুলস্পীডে চলার কথা ছিলো। তা না হয়ে দুই বছরের ভিতর উল্টা সাঈয়ীদ ইস্কান্দার মির্জা মার্শাল’ল জারি করে প্রেসিডেন্ট হয়ে গেলো (৬ সেপ্টেম্বর ১৯৫৮)। চিফ মার্শাল ল এডভাইজার হিসেবে নিয়োগ দিলো আর্মির বাঘা জেনারেল আইয়ুব খানকে। আর মানুষ খুঁজে পায় নাই। ২১ দিনের ভিতর ইস্কান্দার মির্জাকে ক্ষমতাচ্যুত করে প্রেসিডেন্ট হয়ে গেলো আইয়ুব খান!

আইয়ুব খানতো আর যেই সেই মানব না। পাকিস্তানের ইতিহাসের ভয়াবহতম লৌহমানব। তিনি কোনো আইন কানুন সংবিধান কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে ৪ বছর দেশ শাসনও করে ফেললেন। তারপর ৬২ সালে এসে ঘোষণা দিছেন দেশে স্বৈরশাসন চলবে না, দেশ চলবে গণতন্ত্রে। যেই সেই গণতন্ত্র না “মৌলিক গণতন্ত্র” বেসিক ডেমোক্রেসি।

মৌলিক গণতন্ত্রের প্রধান সিস্টেম হচ্ছে এই গণতন্ত্রে সাধারণ পাবলিক ভোট দিতে পারবে না! ভোট দিবে শুধু কাউন্সিলররা। ইউনিয়ন কাউন্সিল থানা কাউন্সিল জেলা কাউন্সিল এবং বিভাগীয় কাউন্সিল। কাউন্সিলররাও উনার নির্বাচিত। পূর্ব আর পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ৪০+৪০ আশি হাজার কাউন্সিলর প্রেসিডেনশিয়াল নির্বাচনে ভোট দিবে।

ভোট উপলক্ষে আইয়ুব বিরোধী একটা জোট গঠন হয়। নাম দেওয়া হয় কম্বাইন্ড পলিটিক্যাল পার্টিস, সংক্ষেপে কপ। জোটের সদস্যরা হচ্ছে ভাষানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), মুজিবের আওয়ামীলীগ, মওদূদীর জামায়াতে ইসলামী সহ আরো কয়েকটা দল। ঐটাই জামায়াতের সাথে আওয়ামীলীগের প্রথম জোট। দিনটা ছিলো ‘১৬ ডিসেম্বর’ ১৯৬৪! ইতিহাস ভালোই রসিকতা জানে! যাই হোক জামাত তখন যুদ্ধপরাধীদের দল না। বঙ্গবন্ধু ভাসানী সহ কপ এর নেতার গেলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নার বোন ফাতেমা জিন্নাহর কাছে। দেশের স্বার্থে তাকে কপ এর প্রধাণ হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হইছে। তিনি রাজিও হইছেন।

৬৫র ২ জানুয়ারি নির্বাচন। মৌলিক গণতন্ত্র। নির্বাচনে আইয়ুব খান গোলাপ ফুল মার্কায় নির্বাচন করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠাতা পাইছে। কারণ আইয়ুব খানই জিতবে। ফাতেমা জিন্নাহর মার্কা ছিলো হারিকেন। এটাই বোধহয় কাল হইছে। হাতে হারিকেন ধরাইয়া দিছে। গোলাপের সৌরভ নিয়ে আইয়ুব খান আসন পাইছে ১৫৩ টা। ৪৯ বছর তিনদিন পর আরেকটা নির্বাচনে নাকি সেই ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত।

আইয়ুবের পর বাংলার মানুষ আরেকটা শাসক পাইছিলো। এরশাদ। তিনিও একই রকম ভাবে ১৯৮৬তে নির্বাচন দিছিলেন। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ বিএনপি জোট বেধে নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিছে। স্বৈরাচার এরশাদের সাথে আপোষ নয়। দিনের জনসভায় শেখ হাসিনা ঘোষণা দিলেন নির্বাচনে যাবেন না, রাতে এরশাদের সাথে আপোষ করে ফেললেন ডঃ কামাল হোসেনের পরামর্শে। আওয়ামীলীগ নির্বাচনে গেলো এবং হেরেও গেলো। খালেদা নির্বাচন করলো না, স্বৈরাচারের সাথে আপোষ নয় থিওরিতে। সেই থেকে উনার গায়ের সাথে “আপোষহীন নেত্রী” ট্যাগটা চিরস্থায়ী ভাবে সেঁটে গেছে। এই নির্বাচনের অন্যতম ঘটনা হচ্ছে আওয়ামীলীগের পাশাপাশি জামাতও এই নির্বাচনে অংশ নিলো এবং ১০ সিট পাইলো। বাঙলাদেশের পার্লামেন্টে তাদের পুনঃর্বাসন।

অর্ধেকের বেশি বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত। সংবিধাণ রক্ষার জন্য নাকি এই নির্বাচন। আইয়ুব খানেরটা ছিলো মৌলিক গণতন্ত্র। তাইলে এখনকারটা কোন গণতন্ত্র? কেউ সংবিধান থেকে একচুল নড়বে না। কেউ আন্দোলনের বাতাসে চুল উড়ায়ে নিবে। তাইলে এটা হওয়া উচিত “চুলতন্ত্র”!

২৫ thoughts on “চুলতন্ত্র

  1. তাজমহল টহল বানাইয়াও ১ টাকায়
    তাজমহল টহল বানাইয়াও ১ টাকায় আট মন চাল খাওয়াইছে, আর এরা জনদরদী নেত্রী সরকারি বাসায় থাইকা……….

  2. জোটের সদস্যরা হচ্ছে ভাষানীর

    জোটের সদস্যরা হচ্ছে ভাষানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), মুজিবের আওয়ামীলীগ, মওদূদীর জামায়াতে ইসলামী সহ আরো কয়েকটা দল। ঐটাই জামায়াতের সাথে আওয়ামীলীগের প্রথম জোট। দিনটা ছিলো ‘১৬ ডিসেম্বর’ ১৯৬৪!

    ইতিহাস বারবার ফিরে আসে… আমাদের সামনে দিয়ে হেঁটে বেড়ায়। আমরাই দেখি না। চোখ বন্ধ করে রাখি। চোখ বন্ধ করে থাকি।

    1. ক্যান বুঝেন না কিরণ ভাই?
      ক্যান বুঝেন না কিরণ ভাই? :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: 😀 😀
      তবে পোস্টটি পড়ে একটা লাভ হইছে ‘গোলাপি’ শব্দটার মর্মার্থ বুঝতে পেরেছি!!

        1. আমি লুঙ্গি পরি না! বৃক্ষের
          আমি লুঙ্গি পরি না! বৃক্ষের পরিচয় ফলে বিফলে নয়!!
          :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

          1. আনাড়ি হইলে না পরাই ভালো। আমিও
            আনাড়ি হইলে না পরাই ভালো। আমিও পরিনা। এইটা ভালো বলছেন বৃক্ষের পরিচয় ফলে। জামাতি ছাগু আর দলকানা লিগু দেখে আমি ব্যাপারটা ক্লিয়ার হইছি ব্রেইনওয়াশড হয়ে যাওয়া আসলেই ভয়ংকর ব্যাপার।

          2. আর সময়ে ন্যায়সঙ্গত এবং
            আর সময়ে ন্যায়সঙ্গত এবং সময়োপযুগী আচরণ করতে না পারাটা কতটা ভয়ঙ্কর তা বুঝতে কত সময় লাগবে আমাদের জনপ্রিয়তার কাঙ্গালদের? এইটা আরও নির্মম এবং বিবেকহীন!!

    2. @কিরণ শেখর, ৫ জানুয়ারির
      @কিরণ শেখর, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে পর্যন্ত ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়া বহুত জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিছি। বিএনপি গু খাইছে বইলা আওয়ামীলীগও গু খাবে এটা খারাপ লাগে। তবে পার্থক্য হচ্ছে ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কথা বললে বিএনপি সমর্থকরা বরাবরই বিব্রত হইতো, আর ৫ ফ্রেবুয়ারির নির্বাচনের কথা বললে আপনার মত ব্রেইনওয়াশড কিছু লিগু ঐ গু গায়ে মেখে বেড়ায়, বিব্রত হয়না। আসলে আওয়ামীলীগের মত একটা প্রগতিশীল দলের কাছ থেকে এরকমটা প্রত্যাশা করি নাই। তাছাড়া আমি লিখছি এই নির্বাচন নিয়া, প্রসঙ্গ টানছি হাস্যকর পাকিস্তানের।

      এবার আসল কথা বলি। আমি কি নিয়া কথা বলুম সেটা আমার ইচ্ছা। আমি ভুল কিংবা মিথ্যা বললে আপনি আমার কাছে কৈফিয়ত চাইতে চাইতে পারেন। কিন্তু আমি ১৫ ফেব্রুয়ারির কথা বলি নাই কেন এ ব্যাপারে আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করতে পারেন না। কিছুদিন আগে ফেসবুকে আপনার মত পাবলিকদের জন্য একটা স্ট্যাটাস দিছিলাম। হুবহু কপি করে নিচে দিলাম। আপনার জন্য..

      “মিথ্যা বলা মহাপাপ” এই লাইনটা লিখে স্ট্যাটাস দিলে কেউ এসে বলতে পারে “চুরি করাও মহাপাপ, এটা বললেন না কেন!?”

      আরেকজন এসে বলবে-

      “জীব হত্যাও মহাপাপ, বুদ্ধ বলেছেন। আপনিতো এটাও বললেন না! আপনারা হচ্ছেন একচোখা হিপোক্রেট। আপনার কাছে হত্যার চেয়ে মিথ্যা বলাটা বড় মহাপাপ হয়ে গেলো!?”

      ভাই আমি একটা মহাপাপের কথা বলছি, দুনিয়ার সব মহাপাপের কথা বলা আমার পক্ষে সম্ভব না। আপনার এনার্জি থাকলে আপনি সবগুলা বলেন আপত্তি নাই। কিন্তু আপনি আমাকে এটা বলতে পারেন না ‘তুমি অন্য মহাপাপ গুলার কথা বল নাই কেন?’ ..যদি বলেন তাইলে বুঝতে হবে আপনার উদ্দেশ্য খারাপ।

      আমি পাকিস্তানের পণ্য বর্জনের কথা বললে আপনি বলেন “ইন্ডিয়ারটা কেন বর্জনের কথা কেন বলি নাই, ফেলানী মরলো তিস্তার পানি দিলোনা, সীমান্তে প্রতিদিন মরছে, আমার এত ভারতপ্রীতি কেন?”

      আবার যখন ইন্ডিয়ার পণ্য বর্জনের কথা বলি তখন সাথে সাথে বলেন “পাকিস্তান ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করলো, ধর্ষন করলো তারপরও পাকিস্তানের পণ্য বর্জনের কথা বলেন না কেন? আপনাদের এত পাকি প্রীতি কেন? বললে দুইটার কথাই বলতে হবে।” আপনি যখন এরকম বলেন আমি সাথে সাথে বুঝে যাই আপনার উদ্দেশ্য সুবিধার না।

      লিঙ্ক https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=493260857459076&id=100003254987827&refid=17

      1. গু জিনিস টার প্রতি আপনার এত
        গু জিনিস টার প্রতি আপনার এত প্রীতি কেন ভাই। আপনি ব্লগে লিখলেন আর কেউ আপনাকে এ ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাসা করতে পারবে না। এই তত্ত্ব কই পাইলেন। আপনি কিছু ঘটনার পরম্পরা লিখছেন সেই ৫৪ সাল থেকে তার মাঝ থেকে একটি ঘটনা যদি বাদ যায় প্রশ্ন আশা স্বাভাবিক।
        আপনি তো দেখি মহামতি বুদ্ধের কাছাকাছি মানুষ। পৃথিবীর সকল মানুষ কে বিবেচনা করে ফেলেছেন। আপনারা কি চান বলেন তো, ডান হাত দিয়া বাম কান না চুলাকায়া সরাসরি বলেন।
        ধার করা বুদ্ধি দিয়া আর কত দিন এবার নিজের মাথা খাটান।

        1. “আপনারা কি চান বলেন তো, ডান

          “আপনারা কি চান বলেন তো, ডান হাত দিয়া বাম কান না চুলাকায়া সরাসরি বলেন”

          — :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন:

        2. আমার লেখা সম্পর্কে অবশ্যই যা
          আমার লেখা সম্পর্কে অবশ্যই যা খুশি আপনার মতামত দিতে পারবেন। কিন্তু আমি অমুক জিনিস লিখি নাই কেন এ ধরনের কথাবার্তা ছাগুস্টিক হয়ে যায়।

          আমি এখানে মূলত একটা নির্বাচন নিয়াই কথা বলছি, সর্বশেষ নির্বাচন। আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্রের আদলে শেখ হাসিনার সহিহ গণতন্ত্র। ১৯৫৪ সালে প্রথম নির্বাচন হইছে এই তথ্যটাও দিয়ে রাখছি।

          ধার কথা ধারণা নিয়া বরং আপনারাই আছেন। পাবলিক এখন অনেক সচেতন। আপনারা অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হবেনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *