( “আমি” ও “ সে ” এর মান, অভিমান, ভালোবাসাময় একটা রাত। )

সময় – রাত ১২.৩০ মিনিট

আমি – কি হয়েছে তোমার ?

সে – কি হবে কিচ্ছু না।

আমি – তাহলে এরকম মুখ গোমড়া করে বসে আছ ক্যান ???

সে – আমার মুখ এরকম তাই ।

আমি – না বললে নাই, আমাকে বলবা ক্যান ? কতজন আছে বলার ।

সে – হ্যা আমার কতজন আছে বলার, রাস্তায় যাকে পাই তাকেই ধরে ধরে বলব , সমস্যা ???

আমি – আমার সমস্যা হবে ক্যান ? যাও বল , আমারও আছে আমিও বলব হু।

সে – এই তোর আছে মানে কি ? হু ? কি আছে তোর ? এই জন্যেই তো ফোন করলে ধরিস না তাই না ?
কতজন আছে কথা বলার, তা এখানে আসছিস কেন ? যা না ওদের কাছে যা।

আমি – না বাবু শোন না, কাছে আসো।

সময় – রাত ১২.৩০ মিনিট

আমি – কি হয়েছে তোমার ?

সে – কি হবে কিচ্ছু না।

আমি – তাহলে এরকম মুখ গোমড়া করে বসে আছ ক্যান ???

সে – আমার মুখ এরকম তাই ।

আমি – না বললে নাই, আমাকে বলবা ক্যান ? কতজন আছে বলার ।

সে – হ্যা আমার কতজন আছে বলার, রাস্তায় যাকে পাই তাকেই ধরে ধরে বলব , সমস্যা ???

আমি – আমার সমস্যা হবে ক্যান ? যাও বল , আমারও আছে আমিও বলব হু।

সে – এই তোর আছে মানে কি ? হু ? কি আছে তোর ? এই জন্যেই তো ফোন করলে ধরিস না তাই না ?
কতজন আছে কথা বলার, তা এখানে আসছিস কেন ? যা না ওদের কাছে যা।

আমি – না বাবু শোন না, কাছে আসো।

সে – না, একদম কাছে আসবিনা বললাম, একদম খুন করে ফেলব, দূরে থাক বলছি। আমি চলে যাচ্ছি রুম থেকে।

আমি – আচ্ছা বাবু আসবো না তো। এরকম কথা ছিল না কি, ঝগড়া হলেও এক রুমে থাকার কথা ছিল কিন্তু।

সে – কথা ছিল না তো কি হয়েছে , এখন হবে কোন সমস্যা ??

আমি – না কি সমস্যা, তোমার ইচ্ছে হলেই তো করতে পারো।

সে – একদম ন্যাকামি করবা না বলছি মুখ কালো করে, কি ভাবছো হ্যা যা খুশি করবা, আর রাতে এসে একটু বউ কে একটু মুখ কালো করে কথা বললেই বউ গলে পানি হয়ে যাবে, একদম না আমি ওইরকম মেয়ে না।

আমি – আমি ন্যাকামি করলাম কই ?? কিছু করলেই বল ন্যাকামি, রেগে বললে বল রাগছি কেন, যাও কথা বলতে হবে না, ঘুমালাম আমি।

সে – তোমাকে কথা বলতে বলছে কে হু ? যাও না ঘুমাও না, আমার ঘুমের ডিস্টার্ব করছ ক্যান।

এরপর দুই জন দুই দিকে ফিরে শুয়ে থাকা। দুইজনে একটু পর পর আড়ালে একজন আরেক জন কে দেখে, আর ঘুমানোর ভান করে পড়ে থাকা ।

সময় – রাত ২.৩০ মিনিট

( দুইজন একজন আরেকজনের দিকে না ফিরে কথা বলছে, ওইপাশ থেকেই )

আমি – কেউ কি জানে না আমার সকালে অফিস আছে, তাড়াতাড়ি উঠতে হবে, অফিস যেতে হবে।

সে – কেউ কি জানে না, আমার ভোরে উঠতে হবে, কেউ অফিসে যাবে বলে নাস্তা বানাতে হবে।

আমি – সে তো সব জানে, আমার যে কেউ ঘুম পারিয়ে না দিলে ঘুম আসে না, কেমনে অফিসে যাবো আমি।

সে – আর উনিও কি জানে না, কেউ ঘুম পারিয়ে না দিলে আমারও যে ঘুম আসে না। কয়বার বলতে হয় উনাকে।

( এরপর একজন আরেকজনের কাছে চলে আসা , “সে” “আমি” এর মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া )

আমি – এই শোন না একটা কথা ছিল বলা হয় নি ,

সে – হু বল ??

আমি – তোমাকে না অনেক অনেক ভালোবাসি , অন্নেক ভালোবাসি।

সে – জানি তো পাগল টা, তাই তো এত ভালোবাসি।

আমি – হু তাই বলে এত বকা দাও না ?

সে – আমি কি ইচ্ছে করে বকা দি, তোমার না অফিস থেকে আজ তাড়াতাড়ি আসার কথা, দু জন মিলে ছাদে বসে আইসক্রিম খাওয়ার কথা না।

আমি – আমি কি করব বল, হটাত করে অফিসে কাজ পড়ে যাওয়া তে তো আসতে পারিনি,আচ্ছা বাবু তোমার সেই অভ্যাস টা আর গেল না, রেগে গেলে আমাকে তুই তুই করে বলা।

সে – আমার জামাই কে আমার যা ইচ্ছে বলব তোমার কি হু ? আমি তো ভুলি নাই না, কেউ একজন বিয়ের আগে আমাদের প্রেম এর শুরু তে বলত “ আমি না তুমি করে বলতে পারব না, আগের মত তুই করেই বলব, তুমি বলা টা কেমন যেন ন্যাকা ন্যাকা ” আর এখন উনার তুই শুনলে কেমন কেমন লাগে।

আমি – মেয়েটা কিচ্ছু ভুলে না একদম, বলছি ঘুম পারিয়ে দিতে, অফিসে যেতে হবে তো কাল।

সে – দূরে দূরে থাকলে কেমনে ঘুম পাড়াই, কাছে আসে না কেউ।

( এর পরের কথা গুলো আমি আর সে এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাক 😛 😛 )

<< এখানে উল্লেখ্য যে আমি ও সে দুইটা চরিত্রের নাম এখানে আমি বলতে লেখক নিজেকে বুঝানো হয় নি, ভালো থাক সকল ভালোবাসার যুগলদ্বয় >>

১৪ thoughts on “( “আমি” ও “ সে ” এর মান, অভিমান, ভালোবাসাময় একটা রাত। )

  1. এখানে উল্লেখ্য যে আমি ও সে

    এখানে উল্লেখ্য যে আমি ও সে দুইটা চরিত্রের নাম এখানে আমি বলতে লেখক নিজেকে বুঝানো হয় নি

    ঠাকুর ঘরে কে??
    “আমি কলা খাইনি” :চোখমারা: :চোখমারা: :চোখমারা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *