রেললাইনের ধারে সেই ছেলেটি

– বসতে বলেছিলাম।
-কেন এসেছ?
-এতটুকু ত বুঝ ফিরে যাবার
কারনে আসিনি।
-ফিরে যাও তুমি।যারা আমার আপন
তারাই
আমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছে।
কথাটা বলেই কান্না শুরু করল
ছেলেটি।সেদিন
রেললাইনে বসে ছিল সে।সেসময়



– বসতে বলেছিলাম।
-কেন এসেছ?
-এতটুকু ত বুঝ ফিরে যাবার
কারনে আসিনি।
-ফিরে যাও তুমি।যারা আমার আপন
তারাই
আমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছে।
কথাটা বলেই কান্না শুরু করল
ছেলেটি।সেদিন
রেললাইনে বসে ছিল সে।সেসময়
দেখেছিলেন তাকে নায়না খান।
মানবাধিকার কর্মী তিনি।
তিনি চাচ্ছেন
ছেলেটা কে নিয়ে ইউনিসেফ এর
স্কুলে পড়াতে।মাঝেমাঝে তার
মনে হয় এদের
যারা বাবা মা তারা মানুষ
নাকি পশু।জন্ম দিয়ে যদি তাকে বড়ই
না করতে পারে তবে তাকে জন্ম দিল
কেন??
এটা কোন গল্প নয়, গল্প নামক ট্রু
স্টোরি। এরকম অনেক
ছেলে মেয়ে আছে যারা তাদের
পরিচয় জানে না।কি দোষে
তারা আজ এই উপরিস্থিতির শিকার।
আপনি যদি দয়া না গ্রহণ করতে চান
তবে সে কেন গ্রহন করবে।সেও ত মানুষ
তবে তার কেন পরিচয় নেই??
প্রশ্ন রইল আপনার কাছে…
একটু খেয়াল
করে দেখুনতো আধুনিকতার
বশে আপনি যা করছেন
সেটা কি স্রষ্টার কাছে পারবেন
জবাবদিহি করতে??
ইন্সপায়ারড বাই:-
ইলিয়াস(পথশিশু)
(এখন ইউনিসেফ এর স্কুলে চিল্ড্রেন
ডেভেলাপমেন্ট ফাউন্ডেশন এর
অধীনে শিক্ষাধীন।)

৩ thoughts on “রেললাইনের ধারে সেই ছেলেটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *