ময়মনসিংহের দুই রাজাকার হলো এমপি…!!!

ভীষণ সময় সংকট থাকা সত্ত্বেও অনেকদিন পর ব্লগে লিখতে আসলাম। আওয়ামীলীগ আয়োজিত “নির্দলীয়” “নিরপেক্ষ” “আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন” এবং “মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের” নির্বাচনের দুটি ঘটনা উল্লেখ করা খুবই জরুরী। মুক্তিযুদ্ধের এতবড় ধারক-বাহকগণ কিভাবে রাজাকারদের মহান সংসদে নিয়ে যান তার কিছু প্রমাণ উল্লেখ করছি :

রাজাকার মোসলেম উদ্দীন (ময়মনসিংহ-৬) ফুলবাড়িয়া


ভীষণ সময় সংকট থাকা সত্ত্বেও অনেকদিন পর ব্লগে লিখতে আসলাম। আওয়ামীলীগ আয়োজিত “নির্দলীয়” “নিরপেক্ষ” “আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন” এবং “মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের” নির্বাচনের দুটি ঘটনা উল্লেখ করা খুবই জরুরী। মুক্তিযুদ্ধের এতবড় ধারক-বাহকগণ কিভাবে রাজাকারদের মহান সংসদে নিয়ে যান তার কিছু প্রমাণ উল্লেখ করছি :

রাজাকার মোসলেম উদ্দীন (ময়মনসিংহ-৬) ফুলবাড়িয়া

ইনি হলেন রাজাকার মোসলেম উদ্দীন উকিল। ময়মনসিংহ-৬ আসন, ফুলবাড়ীয়া থানার আওয়ামীলীগ থেকে সদ্য নির্বাচিত এমপি মোসলেম উদ্দিন একজন যুদ্ধাপরাধী। তিনি একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে ময়মনসিংহ শহরে আলবদর বাহিনীর ক্যাম্পে কোষাধক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সে সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের সাথে বেঈমানী করে বিভিন্ন আলবদর, রাজাকারদের সমাবেশে যোগদান করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অনেক কথা বলেন। অথচ তাকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও অত্যাচার করার অভিযোগ রয়েছে। মোসলেম উদ্দিন মুক্তিযুদ্ধের পর রাজাকারদের প্রশ্রয় দেয় এবং রাজাকারদের অনেক সন্তানদের চাকুরীর ব্যবস্থা করে দেন এরকম অনেক প্রমাণ রয়েছে। তিনি এখন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ‌স্বপক্ষের শাসকদলের নয়নের মণি। তার নিজ দলও তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিল…

লিংকটি দেখুন

লিংক-২

লিংকটি দেখুন
বর্তমানে ফুলবাড়িয়ায় জামাত-শিবিরের আশ্রয় বলতে মোসলেম উদ্দীন।

রাজাকার এম. এ. হান্নান (ময়মনসিংহ-৭) ত্রিশাল

মাননীয় বিশিষ্ট রাজাকার এই ভদ্রলোক এবার ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) জাতীয় পার্টি থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছে। এই ভদ্রলোকের নামে ময়মনসিংহ শহরে পাবলিক টয়লেটও রয়েছে।

একাত্তরে সশস্ত্র রাজাকার ছিলো আব্দুল হান্নান। চলত পাকিস্তানি বাহিনীর আগে আগে। শহরময় প্রকাশ্যে অস্ত্র কাঁধে নিয়ে ঘুরে বেড়াতো। শহরের নতুন বাজারস্থ আব্দুল হান্নানের বিশাল বাড়িটি ছিল রাজাকারদের আস্তানা। এর অভ্যন্তরে করা হয়েছিলো একাধিক টর্চার সেল।
সূত্র জানায়, তখন রাজাকার হান্নানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত ছিলো এক স্কুল শিক্ষিকা। যার মাধ্যমে রাজাকার হান্নান পাক বাহিনীর কুলালসা মেটানোর উদ্দেশ্যে তাদের কাছে অসহায় নারীদের সরবরাহ করতো। আব্দুল হান্নান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার ও আল-বাদর বাহিনী গঠন করে এবং তাদেরকে দেশের নিরীহ মানুষ হত্যা, নির্যাতন ও লুটপাটসহ নানা অপকর্মের মদদ দিতো।
মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ বলেন, যুদ্ধের সময় তিনি এই রাজাকার আব্দুল হান্নানের সহযোগীদের হাতে ধরা পড়েছিলেন। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হওয়ায় তিনি শহরের বড় মসজিদ থেকে কৌশলে পালিয়ে রক্ষা পেয়েছেন।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গ্রেফতার হয় এই কুখ্যাত রাজাকার আব্দুল হান্নান। পরে সাধারণ ক্ষমার আওতায় সে জেল থেকে মুক্তি পায়। এরপর আর তাকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। মুক্তিযুদ্ধকালীন লুটপাট ও জবর দখল করা সম্পদ দিয়ে ময়মনসিংহ শহর ছাপিয়ে রাতারাতি চলে আসে ঢাকার প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতিদের কাতারে।বিগত ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর সুযোগ সন্ধানী এই রাজাকার যুক্ত হয় জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে।
সকল কুকর্মে পাক বাহিনীর আগে আগে চলত রাজাকার হান্নান-২

এখন বলুন, এই দুই রাজাকারকে আপনারা সংসদে দেখতে চান কিনা ??

বি: দ্র: ইদানিং আওয়ামীবিরোধী কথা বললেই ছাগু বলা হয়।

৬৯ thoughts on “ময়মনসিংহের দুই রাজাকার হলো এমপি…!!!

  1. জায়গামত দিলেন বস। খুব দেখার
    জায়গামত দিলেন বস। খুব দেখার ইচ্ছে শাহিন ভাই এর মত আওয়ামী লীগের অন্ধ সমর্থকেরা এইবারে কি বলেন।

  2. শাহিন ভাই চলে আসছি:-)!
    আপাতত

    শাহিন ভাই চলে আসছি:-)!
    আপাতত বলে নেই, মান্নানের অপরাধের দায় আওয়ামীলীগের উপর চাপানোর কোন সুযোগ নেই ।এদেশে স্বাধীনতাবিরুধীদের পূনর্বাসন মেজর জিয়া করে দিয়ে গেছে ।সমস্থ দায় তার, তার দলের এবং সুবিধাবাদ গণতন্ত্রের ।

    (লীগের রাজাকার নিয়ে পরে বলছি ।)

  3. মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী
    মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলে রাজকার থাকা অবিশ্বাসযোগ্য ।হ্যা, দু চারজন যে নেই তা নয় ।তবে এরা অনুপ্রবেশকারী এবং তাদের অপরাধ সাধারণ ক্ষমতার আওতার ভিতরেই আছে ।সেদিন জাফর ইকবাল স্যার ও এই রকম একটি কথা বলেছিলেন ।তাছাড়া লীগের মধ্যে থাকা গুরুতর অপরাধকারী রাজাকারদের বিচারও করা হচ্ছে ।

    যাইহোক, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ১১০০০ হাজারের বাইরের সবাইকে কি আমরা খুন করব? আমার কথা হচ্ছে এই রাজাকার বা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফকে রাজাকারের দায়ে শাস্তি দেয়ার মত কোন গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধ কি আছে?
    আপনাকে অপরাধের মাত্রা বুঝতে হবে। সবচে বড় কথা এরা কি আওয়ামীলীগে যোগ দেয়ার পর বলতে পারে রবীন্দ্রনাথের জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন করতে বলে? অমুসলিমদের উপসনালয় ছাড়া বাকি ভাস্কর্য ভাঙ্গতে বলে? একাত্তরের চেতনার বিরোধী কিছু বলে? অথবা রাজাকারদের বাঁচানোর জন্যে আইসিটির বিরুদ্ধে কথা বলে? এইসব জিজ্ঞেস করতে হবে? রাজাকারিত্ব কেবলই ব্যক্তি নয় একটা অপচেতনা… আজকের শিবিরের ১০/১২ লক্ষ কর্মীকে কি আমরা দেশের বাইরে পাঠাই দিব? তারা সুপথে ফিরতে চাইলে কি পথ খোলা রাখব না? আমরা তো আর জামাত-বিএনপি’র মত অতিপ্রতিক্রিয়াশীল হতে পারি না যা গণতন্ত্রের মূল চেতনাকেই তা নষ্ট করে।

    1. চমৎকার বলেছেন। কিন্তু আমরা
      চমৎকার বলেছেন। কিন্তু আমরা এতোই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে গেছি ১৯৭৫ সালের পট-পরিবর্তন এবং জামাত-বিএনপি-শিবিরের নারকীয় তাণ্ডবের কারণে যে অনেকেই এখন আপনার মত যুক্তি দিয়ে এখন বুঝতে চাইবে না। এই সরকার যদি অতিদ্রুততার সাথে বিচারাধীন সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে তবে আশাকরি আজকের প্রবলেরাও বাস্তবতা মেনে নিবে। আসলে জাতি নিশ্চিত হতে চাই যে শেখের বেটি ক্ষমতায় থাকার জন্যে না রাজাকারদের বিচারকাজ শেষ এবং অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ শেষ করতে ক্ষমতায় বসেছে। তাই বৃক্ষের পরিচয় ফলে এবং জন্ম হোক জথা তথা কর্মই সকল বৈধতা দিবে…
      আমি আশাবাদী, শাহিন ভাই সবার ভাবনা তো আর এক না। তাছাড়া জামাত-বিএনপি-শিবিরের হায়েনারা যা শুরু করছে এদেরকে দেখলেই গা গুলিয়ে উঠে… একটু সময় দিন সব ঠিক হয়ে যাবে।
      মুক্তিযোদ্ধার বাঙলায়, রাজাকারের ঠাই নাই…
      জয় বাঙলা… জয় বঙ্গবন্ধু…

    2. মানলাম এরা গুরুতর (?) মানবতা
      মানলাম এরা গুরুতর (?) মানবতা বিরোধী অপরাধ করে নাই। তাই বলে তাদের কোলে তুলে সংসদে বসাতে হবে? ময়মনসিংহে কি রাজাকার ছাড়া আর কেউ ছিলোনা যে নৌকা মার্কা নিয়া ভোটে দাঁড়াইতে পারত? লীগের এতোই সঙ্গিন অবস্থা নাকি সেখানে?

      শাহিন+তারিক ভাই, যেটা ভুল সেটাকে ভুল বলে স্বীকার করার মাঝে কেউ হেরে যায় না। বরং তাঁরই বিজয় হয়। এই কথাটা বুঝা কি খুব কঠিন?

      1. ভুল না এইটা তো বলি নাই…
        ভুল না এইটা তো বলি নাই… প্রশ্ন ছিল সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বাইরের সবাইকেও কি আমরা ফাঁসি দিব? অথবা সমাজ থেকে বয়কট করব? এইটা কি সম্ভব? আজ দেশজুড়ে শ’খানেকের (যাদের বিচার করা সম্ভব বা করা যাবে) বাইরের সবাইকে আপনি কীভাবে মোকাবিলা করবেন? তাদের আন্ডারগ্রাউন্ডে পাঠায় দিয়ে নাকি বুঝিয়ে লাইনে এনে। আচ্ছা মখা তো রাজাকার এই যুক্তিতে ব্রিঃ জেনারেল সাখাওয়াতও (সাবেক নির্বাচন কমিশনার) রাজাকার। সে ফার্স্ট/সেকন্ড ওয়ার কোর্সের কমিশনপ্রাপ্ত ১৯৬৫/৬৬ সালে। তারও বিচার করি…আমাদের আসলে সুনির্দিষ্ট হতে হবে। এদের কোলে তুলে রাখার মত কোন কারণ নেই! এইটা অবশ্যই ধিক্কারজনক কিন্তু সাথে সাথে কথা থেকে যায় একটা পোস্টদিয়ে যখন এইভাবে উস্কানি দেয়া হয় তখন আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন শিক্ষিত মানুষের কাছে প্রত্যাশিত কোন ব্যবহার নয় বলেই মনে হয়। শাহিন ভাইয়ের প্রশ্ন ছিলঃ
        সবচে বড় কথা এরা কি আওয়ামীলীগে যোগ দেয়ার পর বলতে পারে রবীন্দ্রনাথের জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন করতে বলে?
        অমুসলিমদের উপসনালয় ছাড়া বাকি ভাস্কর্য ভাঙ্গতে বলে?
        একাত্তরের চেতনার বিরোধী কিছু বলে?
        রাজাকারদের বাঁচানোর জন্যে আইসিটির বিরুদ্ধে কথা বলে?
        আমি দু’টা যোগ করি,
        এরা কি আওয়ামীলীগ বা দেশের একমাত্র সেই সরকার নয় যে রাজাকারদের বিচার করবে? যার কাজের দিকে তাকিয়ে আমরা সবাই তাকিয়ে আছে তার একটা ভুলকে পুজি করে কয়েকহাত দেখে নিলাম। ব্যাপারটা ভাত খেয়ে প্লেট ফোটা করে দেয়ার মত হল না?

        1. প্রশ্ন ছিল সুনির্দিষ্ট

          প্রশ্ন ছিল সুনির্দিষ্ট অভিযোগের বাইরের সবাইকেও কি আমরা ফাঁসি দিব? অথবা সমাজ থেকে বয়কট করব?

          বয়কট করতে তো বলি নাই ভাই… থাকুক… সুস্থ সবল দেহেও শার্ট খুললে কাঁটা দাগ কিংবা কখনও কখনও দগদগে ঘাঁ পাওয়া যায়। সেই ঘাঁ হয়তো দেহে থেকে ফেলে দেয়া যায় না। কিন্তু, কেউ সেই ঘাঁ দেখিয়ে বেড়ায় না। লুকিয়ে রাখে।

          আর আমরা কী করলাম? যারা আমার মায়ের জন্মের বিরোধীতা করেছে, আমার মা’কে তাদের হাতে তুলে দিলাম। এদেশের সংবিধান আমরা তুলে দিলাম তাদের হাতে, যারা এই সংবিধানের সৃষ্টিই চায় নি।

      2. যেটা ভুল সেটাকে ভুল বলে

        যেটা ভুল সেটাকে ভুল বলে স্বীকার করার মাঝে কেউ হেরে যায় না। বরং তাঁরই বিজয় হয়।

        :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  4. আওয়ামীলীগের রাজাকার সম্পর্কে
    আওয়ামীলীগের রাজাকার সম্পর্কে এই লিংকে পিয়াল ভাই বিস্তারিত বলেছেন ।চাইলে দেখে নিতে পারেন… https://www.amarblog.com/index.php?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C1144711331

  5. এখানে অন্ধ দলবাজ
    এখানে অন্ধ দলবাজ আওয়ামীলীগারদের থেকে সন্তোষজনক কোন উত্তর পাবেন না। ওদের অবস্থা হচ্ছে- ‘বিচার মানি, কিন্তু তালগাছ আমার’।

    1. নিরপেক্ষ সুশীলের চেয়ে অন্ধ
      নিরপেক্ষ সুশীলের চেয়ে অন্ধ দলবাজ ও গালিবাজ ছিপি গ্যাং যে কিছু প্রাণীর কাছে ভাল, সেটা ইতিমধ্যে আমরা জেনে গেছি। জয় হোক গালিবাজ আর দলবাজদের।

    1. কে জানি একজন বলেছিল, একটা
      কে জানি একজন বলেছিল, একটা কাগজে আঁকা লাইন কে কি আপনি ছোট করতে পারবেন? ঐ কাগজ না ছুঁয়ে, না মুছে বা না ছিঁড়ে?
      একটাই উপায় আরেকটা বড় লাইন টানতে হবে। যতই আদর্শবাদী হই যতই উদারপন্থী হই না ক্যান, আরেকটা বড় কোন দল হওয়ার আগে আওয়ামীলীগের কোন বিকল্প নেই… আমাদের মেহনতি মানুষের স্বপ্নের যে সমাজতন্ত্র ছিল তাও নিজেদের ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্বে যখন ১৫/২০ টুকরা হয় তখন এই একটাই ভরসা। ত্যাগ করতে চাই, লাইন টানুন… অতিস্বপ্নবিলাসী গালগপ্পো বাদ দিয়ে কাজ করুণ না হয় যে অপেক্ষাকৃত ভালকাজ করে তার সাথে থাকুন!! শুভ কামনা…

  6. আওয়ামীলীগ বলে নাই যে, এরা
    আওয়ামীলীগ বলে নাই যে, এরা যুদ্ধাপরাধী নয় মুক্তিযোদ্ধা!
    শেখ হাসিনা বলেছেন, লীগে যুদ্ধাপরাধী থাকলে প্রমাণ দিন আমি বিচার করব ।প্রমাণ ছাড়া জামাত তথা চিংকুদের প্রপাগান্ডা ছড়ানো বায়বীয় তালিকা নিয়ে গলাবাজি করলে কেমনে হবে?

    1. আওয়ামীলীগের অপকর্মের বিরুদ্ধে
      আওয়ামীলীগের অপকর্মের বিরুদ্ধে কিছু বললে তখন হয়ে যায় চিংকুদের প্রোফাগান্ডা! ওহে দলকানা অর্বাচীনের দল- এরা যে রাজাকার এটা প্রমাণ করার কি আছে? এরা সবাই স্বীকৃত রাজাকার। আর প্রমাণ করার দায়িত্ব সরকারের, জনগণের নয়।

  7. সত্যকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার
    সত্যকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য কালবৈশাখী ঝড় ভাইকে ধন্যবাদ।

    আওয়ামী লিগের সবচেয়ে বেশী ক্ষতি করেছে এর সুযোগ সন্ধানী “অন্ধ” সমর্থকরা। এদের সুযোগ-সন্ধানী তাঁবেদারীর কারনে বঙ্গবন্ধুকে প্রান দিতে হয়েছিল, কারন এরা তাঁকে বন্ধু-শত্রু চিনতে দেয় নাই। এবার এদের খুনের টার্গেট শেখের বেটি শেখ হাসিনা। মুল্যবোধ কত নিম্ন মানের হলে এইসব সুযোগসন্ধানীরা রাজাকারের আওয়ামী লিগে যোগদানকে সমর্থন করে। ভাবতে অবাক লাগে। আরে, যে রাজাকার সে রাজাকারই। একজন রাজাকার বাংলাদেশের প্রমানিত শত্রু। নাকি আওয়ামী লিগে যোগ দিলেই সবাই সুফী হয়ে যায়? আসলে যারা রাজাকারের আওয়ামী লিগে যোগদানের বিষয়টাকে justify করার চেষ্টা করছেন, তারা সবাই জামাত-শিবিরের এজেন্ট। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে এরা জামাত-শিবিরের কুকুরগুলোর কাছে নিজেদের ঠিক কত টাকায় বিক্রি করেছে। এরা জামাত-শিবিরের কুকুরগুলোরও অধম। এরা নব্য ফাকিস্তানী জারজ।

    শেষ কথা “আওয়ামী মুখোশধারী নব্য ছাগু সম্প্রদায় থেকে সাবধান থাকুন”।

    1. উগ্রধর্মীয়মৌলবাদে আক্রান্ত
      উগ্রধর্মীয়মৌলবাদে আক্রান্ত অতিপ্রতিক্রিয়াশীল এবং প্রেক্ষাপটের সাথে তাল মিলাতে ব্যর্থ অতিআদর্শিক প্রতিক্রিয়াশীল কেউই দিন শেষে মানুষের জন্যে কিছু করতে পারে না। কেননা উগ্রমৌলবাদে আক্রান্ত অতিপ্রতিক্রিয়াশীলরা হচ্ছে ধর্মীয়মৌলবাদে আক্রান্ত মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত আর অতিআদর্শিক প্রতিক্রিয়াশীলরা হচ্ছে স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে এমন মিসফিট রোম্যান্টিক…

      দিন শেষে সমাজকে ভাল-খারাপের মিশলে যারা কিছু দেয় তারা হল দলকানারা…
      ও হ্যাঁ! একটা প্রশ্ন!! আচ্ছা ইকরাম ভাই বলেন তো শ্রদ্ধেয় হুমায়ুন আজাদ স্যার বাঙলার অন্যতম (মতান্তরে সেরা) প্রথাবিরোধী এবং প্রবল প্রতিষ্ঠান বিরোধী হয়েও কেন পরিবার প্রথা বা প্রতিষ্ঠানকে মেনে নিয়েছিলেন? তাঁর সাক্ষাৎকার নিশ্চয় পড়া আছে!! বা কেন ‘আমি কি এই বাঙলাদেশ চেয়েছিলাম’ গ্রন্থে এত্তগুলো কারণ দেখিয়েছিলেন হাজারও ভুল সত্ত্বেও আওয়ামীলীগ ছাড়া বর্তমানে বাঙালীর কোন পথ নেই? কেনই বা বলেছিলেন ‘চাষার সমস্ত স্বপ্ন আস্তাকুড়ে ছুড়ে একদিন সাধের সমাজতন্ত্রও নষ্টদের অধিকারে যাবে’? বলতে পারেন?
      এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে গেলেই অনেক কিছু বুঝতে পারবেন…
      ভাল থাকুন!! মানুষের এবং শুভবুদ্ধির জয় হোক…

      1. আপনার এই মন্তব্য পড়ে মনে
        আপনার এই মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে আপনি কিছুটা বিভ্রান্ত, এবং আপনি নিজেও নিশ্চিত না আপনি কি বুঝতে চাইছেন| তাই আপনি প্রয়াত হুমায়ূন আজাদ স্যারের স্বরনাপন্ন হয়েছেন| আমি বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাস জানি| আমি দেশের ভবিষ্যত সম্পর্কে সচেতন| আমাকে অন্যের বই থেকে ধার করে যুক্তি দেখাতে হয় না| নিজের বিচার-বিবেচনা থেকে যুক্তি খুঁজে নেয়ার মত শিক্ষা আমার আছে| আর আওয়ামী লিগের প্রতি পারিবারিক ও ঐতিহাসিক এই দুই কারণের প্রভাবেই দুর্বল বলেই এর যেকোন ভুল পদক্ষেপ আমাকে পীড়া দেয়| কিন্তু আপনি যেভাবে আওয়ামীলিগে ১৯৭১ এ ফাকিস্তানের প্রমানিত দোসরদের অন্তর্ভুক্তিকে justfy করার চেষ্টা করছেন, সেটা অত্যন্ত পীড়াদায়ক| আরেকটা কারণে আপনার এই জাতীয় কিছু লেখা আমাকে পীড়া দেয় কারণ আপনার পোস্ট আমি প্রায়ই পড়ি এবং আপনাকে আমি একজন উচ্চমানের ব্লগার/লেখক মনে করি|

        1. ১) যখন মানুষ তর্কে উদাহরণ দেয়
          ১) যখন মানুষ তর্কে উদাহরণ দেয় তখন উদাহরণকর্তার বিভ্রান্তি প্রমাণ করে না যাকে দেয়া হয়েছে তার বিভ্রান্তি দূর করার প্রয়াস প্রমাণ করে…
          ২) আমি যার কাছে আশাকরি সে আশাহত করল অবশ্যই দুঃখ পাওয়ার কারণ আছে তবে দুঃখে রোম্যান্টিক কৈশোরের মত হাতিরঝিলে ঝাঁপ দিয়ে মরলে বা যার কাছে আশা করেছেন তার বিপদ ডেকে আনলে ব্যাপারটা কতটা বুদ্ধিমানের হবে? আমার জানা নেই…
          ৩) আপনার পছন্দের জেনে খুব ভাল লাগল!! তবে ইকরাম ভাই আমি কিছুই না একজন তুচ্ছ ব্লগার। এখনও ৮ মাসও হয় নাই বোধহয় কলম ধরেছি যে! এমন প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য আমি না, বিনয় করে বলছি না!! তারপরও বলি যাকে পছন্দ করেন তাকে গালি দিয়ে সংশোধন করবেন, নাকি বুঝিয়ে যুক্তি দিয়ে করবেন?

          ভাল থাকবেন…
          মানবতার জয় হোক!!
          জয় বাঙলা… জয় বঙ্গবন্ধু…

  8. ফরিদ সাব, ব্লগটা যদি ইষ্টিশন
    ফরিদ সাব, ব্লগটা যদি ইষ্টিশন না হয়ে সামু বা আমু ব্লগ হতো তবে জবাবটা আপনার ভাষায়ই দিতে পারতাম ।আমি চাইনা এই ব্লগটির ভাষাগত শ্রী নষ্ট হোক ।
    ধন্যবাদ ।

    1. দলকানা আম্বারা যখন কথার কোন
      দলকানা আম্বারা যখন কথার কোন যুক্তি খুঁজে পায়না তখন সবাই ছিপি গ্যাং হয়ে যায়। এটা আমরা সবাই জানি।

  9. এই পোস্টের মারফত একটা ব্যাপার
    এই পোস্টের মারফত একটা ব্যাপার আরও সুস্পষ্ট হোল। প্রতিটা মানুষের কাছে তার/তাদের কাজ/অকাজকে জাস্টিফাই করার জন্য যুক্তি/কুযুক্তির অভাব হয় না। :তালিয়া:

  10. রাজাকার রাজাকারই ।আওয়ামীলীগে
    রাজাকার রাজাকারই ।আওয়ামীলীগে যোগ দিলেই রাজাকার মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যায় না ।শেখ হাসিনা কোন দিন বলেন নাই, জামাত-বিএনপির রাজাকারদের বিচার করা হবে ।তিনি সবসময়ই বলে আসছেন, সব রাজকারদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে ।

    কথা হলো এখানে সাধীনতা বিরোধীদের বিচার হচ্ছে না। বিচার হচ্ছে যারা সরাসরি মানবতা বিরোধী
    অপরাধের সাথে যুক্ত ছিল তাদের।তাছাড়া একসাথে সব রাজাকারের বিচার ও রায় দেয়া সম্ভব না ।এই বিচার যখন চালু হয়েছে তখন ধীরে ধীরে সব রাজাকার এমনকি লীগে অনুপ্রবেশকারী রাজাকারদের বিচারও হবে এবং হচ্ছেও।

    গত ক’দিন আগেও যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই বলে যেসব সুবিধাপন্থিরা গলাবাজি করেছিল আজ তারা কৈ? হাসিনা তথা লীগের পাশে বর্তমানে কেউ আছে? সিপিবি-বাসদের মত স্বাধীনতা পন্থি(পড়ুন সুবিধাপন্থি) দলগুলো পাশে আছে?
    নাই! তারা থাকবেও না ।কেননা রাজাকারের বিচার একমাত্র আওয়ামীলীই চেয়েছে, আজো চায়, করেও ছাড়বে ।সেই প্রথমেও বিচারটি বঙ্গবন্ধু শুরু করেছেন এবং ৪২ বছর পর উনার মেয়েই শুরু করেছেন, আর কেউ নয় ।

    কমেন্ট বেশি দীর্ঘ হয়ে যাচ্ছে তাই শেষতক একটি কথা বলে ইতি টানছি… আস্থা রাখুন, ভরসা রাখুন, বিশ্বাস রাখুন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে লীগ যদি ক্ষমতায় থাকে তবে, প্রমানিত মানবতাবিরুধী অপরাধকারী সব রাজাকারের বিচার বাংলার হবে ইনশাআল্লাহ ।তা সে যে দলেরই হোক না কেন ।

  11. জনৈক ব্যাক্তির মন্তব্য পড়ে
    জনৈক ব্যাক্তির মন্তব্য পড়ে দুটো প্রবাদ মনে পরে গেল,

    ১. ঠাকুর ঘরে কে রে? আমি কলা খাই না!

    ২. চোরের মন পুলিশ পুলিশ|

    জামাত আর ফাকিস্তানিদের কুকুর জারজ বললে কাদের গায়ে লাগে সেটা সবার ইতিমধ্যে জানা হয়ে গেছে| তাই সকলের প্রতি আবার আহ্বান জানাচ্ছি, “আওয়ামী-মুখোশধারী নব্য ছাগু সম্প্রদায় থেকে সাবধান থাকুন”|

    :তুইরাজাকার:

    1. ইকরাম ভাই আপনাকে কখনও এমন
      ইকরাম ভাই আপনাকে কখনও এমন প্রতিক্রিয়াশীল হতে দেখি নি, আশাও করি নি। আমরা যাদের সুশিক্ষিত অথবা সচেতন মনেকরি কিংবা নিজেকে চরম রাজাকার/ মৌলবাদ বিরোধী মনে করি তারাই এতটা রিএক্ট করে বা করবে আমার ভাবনার বাইরে ছিল!! কিছুই করার নেই দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া।।
      শাহিন ভাইয়ের প্রশ্নের সাথে আরও দু’টা প্রশ্ন করিঃ
      এরা কি আওয়ামীলীগ বা দেশের একমাত্র সেই সরকার নয় যে রাজাকারদের বিচার করবে? যার কাজের দিকে আমরা সবাই তাকিয়ে আছে তার একটা ভুলকে পুজি করে কয়েকহাত দেখে নিলাম। ব্যাপারটা ভাত খেয়ে প্লেট ফোটা করে দেয়ার মত হল না?

      তবে খুব হাসিও পাচ্ছে এইভেবে যা দিন শেষে আপনারও আমার মত করে আওয়ামীলীগের বিচার প্রক্রিয়ার দিকে তাকায় থাকবেন। খালি দেখার চোখগুলোর পেছনের মস্তিষ্কের ভাবনার ব্যবধান ছাড়া আর তেমন পার্থক্য নেই। ভাল থাকবেন…

      আমার-আর শাহিন ভাইয়ের ভাষায় প্রমাণ করল কে যুক্তি দিতে অযোগ্য। ভাল থাকবেন…

      1. ইকরাম ভাই অধিক উত্তেজনায়
        ইকরাম ভাই অধিক উত্তেজনায় আসলেই একটু বেশী রিয়াক্ট করে ফেলছেন। আশা করি উনার উত্তেজনা প্রশমিত হলে নিজেই ব্যাপারটা ধরতে পারবেন। 😀

      2. এরা কি আওয়ামীলীগ বা দেশের

        এরা কি আওয়ামীলীগ বা দেশের একমাত্র সেই সরকার নয় যে রাজাকারদের বিচার করবে?

        লিংকন ভাই, ঠিক এই কারণটাতেই আওয়ামী লীগের কাছে প্রত্যাশাটা সবচেয়ে বেশি। আপনার কি মনে হয় যে, বি.এন.পি.র রাজাকারকে মনোনয়ন দেয়া বা সাংসদ করা নিয়ে এত কথা কখনও হবে? হবে না। কারণ, তারা সেই দল যারা রাজাকার গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগিয়েছিল। দলটার নাম আওয়ামী লীগ বলেই এতটা প্রতিক্রিয়া হচ্ছে।

        একটা কথা মনে রাখবেন, “স্বপ্ন যত বড় হয়, স্বপ্ন ভাঙ্গার বেদনাও ততটাই গভীর হয়।” আশা করি, আওয়ামী লীগ এবং তাদের “অন্ধ” সমর্থকরা সেটি বুঝবেন।

  12. @আতিক ভাই,(ব্রাউজার সমস্যার
    @আতিক ভাই,(ব্রাউজার সমস্যার কারনে প্রতিমন্তব্য করা যায় না তাই @ ব্যবহার করলাম)
    এখানে হার জিতের কোন প্রশ্ন নয় ।
    আমি বা আমরা কখনো বলিনি যে, মোসলেম, হান্নান, নদভী….রা রাজাকার নয় বা রাজাকার হতে পারে না ।অবশ্যই লীগে অনুপ্রবেশকারী রাজাকার থাকতে পারে বা মোসলেম রাজাকার হতে পারে ।কিন্তু অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগটি তো সরাসরি মানবতাবিরুধী হতে হবে? এবং ICT এর তদন্ত টিমের চোখে অপরাধী বলে তো গণ্য হতে হবে? তাই নয় কি?

    ICT এর তদন্তটিম যদি উল্লেখিতদের বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ পায়, প্রসিকিউশন যদি বিচারে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে তবেই না তাকে রাজাকার বলবেন? যদি ICT মোসলেমদের অপরাধী বলে রায় প্রদান করার পরও আওয়ামীলীগ তাদের ত্যাগ না করে তবেই না আওয়ামীলীগকে দুষবেন?

    1. ধুর আপনি এক লাইন বেশী বুঝে
      ধুর আপনি এক লাইন বেশী বুঝে বসে আছেন কেন? তারিক ভাইও দেখি অতি উত্তেজনায় আপনার মতোই এক লাইন বেশী বুঝলেন। আমি কি কইছি এইসব রাজাকারদের বিচার করতে হবে? আমি প্রশ্ন তুলছি দলের অনেক নিবেদিত নেতা থাকতে এইসব রাজাকার সিল মারা লোকগুলারে নমিনেশন দিতে হবে কেন? ময়মনসিংহে আর নেতা নাই? বিচার কাদের হবে সেই ব্যাপারে আমারে বুঝাইতে হবে না। আমি খুব ভালো করেই আইসিটি আইনের ওই ব্যাপারটা জানি। লাইনচ্যুত মন্তব্য কইরেন না। এখানে এদের বিচারের কথা কেউ কইতেছে না। কইতেছে এদের এমপি হওয়ার বিষয় নিয়ে।

      যখন আপনার শত্রু আপনার পান থেকে চুন খসলেই সেইটা পুঁজি করে আপনার বিরুদ্ধে প্রচার চালাবে তখন আপনি জেনে শুনে কেন সেই শত্রুর হাতে অস্ত্র তুলে দেবেন? আমরা যারা অন্তত কিছু কিছু কারনে আওয়ামী সরকারকে সমর্থন করি, তারা এইসব পয়েন্টে খুব অসহায় বোধ করি। যখন কেউ আঙুল তুলে বলে রাজাকার আওয়ামী লীগেও আছে। তখন চুপ হয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকেনা। তাই এদের এমপি না বানাইলেই কি না? এটাই পয়েন্ট। এই পয়েন্টে কথা বলেন।

      1. আগের অনুরুপ পোস্টে আমিও
        আগের অনুরুপ পোস্টে আমিও বলেছি, আওয়ামীলীগের চক্ষুলজ্জার জন্যে হলেও যারা আসতে চাই তাদের ২/৩ বছর পর্যবেক্ষণে রাখা উচিৎ ছিল! কিন্তু কথা তা না শাহিন ভাইকে আহ্বান জানানো হইছে খুবই অশালীনভাবে! যে আসো তোমার যুক্তি নিয়ে তাই তিনিও এসেছেন আমিও আমার ব্যাখ্যা দিয়েছি…
        কারণ আমরা আমরাই তো!! তবে আরেকজনের যুক্তি বিরোধিতা করতে হবে এই দৃষ্টিতে না দেখে কিছু আসলেই শিখার আছে কিনা সেই চোখে দেখা উচিৎ!! দিন শেষে এইটাই প্রমাণিত হল যে মানুষ কখনই গণতান্ত্রিক না… মানুষ এক চোখা এবং বেশীরভাগ সময় নিজের ইগোর প্রতি অতিসংবেদনশীল। {আমার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য…}

      2. যখন আপনার শত্রু আপনার পান

        যখন আপনার শত্রু আপনার পান থেকে চুন খসলেই সেইটা পুঁজি করে আপনার বিরুদ্ধে প্রচার চালাবে তখন আপনি জেনে শুনে কেন সেই শত্রুর হাতে অস্ত্র তুলে দেবেন? আমরা যারা অন্তত কিছু কিছু কারনে আওয়ামী সরকারকে সমর্থন করি, তারা এইসব পয়েন্টে খুব অসহায় বোধ করি। যখন কেউ আঙুল তুলে বলে রাজাকার আওয়ামী লীগেও আছে। তখন চুপ হয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকেনা। তাই এদের এমপি না বানাইলেই কি না?

        নৈতিক সমর্থন জ্ঞাপন করছি…

    1. আমি সর্বদা কূল! এতই কূল যে,
      আমি সর্বদা কূল! এতই কূল যে, যে ছিনতাইকারী আমায় চাপাতি দিয়ে কোপ মারে তারে আমি ৩ ঘণ্টার মাঝেই সভ্য-শালীন ভাষায় বুঝিয়ে কথা বলতে পারি! ধন্যবাদ আপনার উপদেশের জন্যে…

  13. ভাইসব, আলোচনায় যোগ দেয়ার আগে
    ভাইসব, আলোচনায় যোগ দেয়ার আগে জানিয়ে দিই পোস্টটি আপডেট করা হয়েছে।ময়মনসিংহ বিপিন পার্কের রাজাকার হান্নান টয়লেট-এর ছবি দেয়া হয়েছে। খাওয়া দাওয়া সেরে আলোচনায় আসছি।ততক্ষণে ছবি দেইখা মজা লন

  14. খাওয়া শেষ। তারিক ভাই আর শাহীন
    খাওয়া শেষ। তারিক ভাই আর শাহীন ভাইকে দু-একটা প্রশ্ন করব।

    ১।আওয়ামীলীগের মত একটা বড় দলে দু-চারটা রাজাকার, জামাত-শিবির প্রবেশ করবে তা আশ্চর্যের নয়। কিন্তু একজন মানুষ যখন সংসদে গিয়ে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে তখন কি সর্বোচ্চ যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন আছে কিনা ? যুদ্ধাপরাধের মত স্পর্শকাতর বিষয়কে বিতর্কের ঊর্দ্ধে রাখাটা আওয়ামীলীগের জন্যই মঙ্গলজনক নয় কি ?

    ২।গোলাম আজম, নিজামীরা বড় মাপের রাজাকার। ট্রাইবুন্যাল তাদের দোষী সাব্যস্ত করার বিয়াল্লিশ বছর পূর্ব থেকে এদেশের মাটি-মানুষ জানে ওরা রাজাকার।ঠিক তেমনি ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষ জানে মোসলেম উকিল আর হান্নান মুন্সি উভয়েই রাজাকার। তাদের দ্বারা নির্যাতিত হয়েছে ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষ। প্রচারের দিক দিয়ে ছোট রাজাকার হলেও তাদের নারকীয় কর্মকান্ড মোটেই ছোট নয়।

    ৩। সাঈদীর রায়র পর তাকে চাঁদে পাঠানোকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়াতেও সহিংসতা কম হয়নি। আমি সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। আক্রান্ত হিন্দুরা সেদিন চিৎকার করে বলছিল মোসলেম উকিল তথা আওয়ামীলীগের লোকজনই মন্দির পুড়িয়েছে ! জানা যায় আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা তোফায়েল আহমেদের সাথে সুসম্পর্কের সুবাদে মোসলেম উকিলের এই উত্থান। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত নয়; ফুলবাড়িয়ার মানুষের মুখে মুখে এখনো এই কথা শোনা যায়।শেষ পর্যন্ত প্রবল প্রতাপশালী মোসলেম উকিল এই ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সক্ষম হয়। তাহলে দেখুন তো, প্রকাশ্যে হয়তো আওয়ামীলীগের কোন রাজাকার জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের কথা বলে না। তবে গোপনে চালিয়ে যায় তাদের অসম্পূর্ণ কাজ।

    ৪।ভিন্নদল এবং মতের আদর্শের লোক হয়েও প্রশংসা জানাই শেখ হাসিনার সাহসের। তবে তিনি দেশপ্রমিক চিনতে ভুল করেন। যে কারণে তাকে মাশুলও কম দিতে হয়নি।

    1. ঠিক এই কথাগুলাই বলতে
      ঠিক এই কথাগুলাই বলতে চাইছিলাম। আপনি গুছিয়ে বলে দিলেন। আমি বুঝিনা সমালোচনা করলেই কি কেউ শত্রু হয়ে যায়? সমালোচনা আর কুৎসা রটনার পার্থক্যই যদি না বুঝে মানুষ তাহলে কিভাবে হয়? নিজ দলের ভুলগুলো উট পাখির মতো মাটিতে মাথা গুঁজে অস্বীকার করার মাঝেই কি দলের মঙ্গল হয়? অদ্ভুত…

  15. আতিক ভাই এবং কালবৈশাখী ভাই,
    আতিক ভাই এবং কালবৈশাখী ভাই, এই পোষ্টে পূর্বে দেয়া আমার সবচাইতে লম্বা মন্তব্যটিতে আপনাদের কিছু প্রশ্ন ও সন্দেহের জবাব পেয়ে গেছেন আশা করি ।
    গুরত্বপূর্ণ যে কথা বা লাখ ডলারের যে প্রশ্নটি আতিক ভাই করেছেন, ” এসব বিতর্কিত ব্যাক্তি ছাড়া লীগে কি আর কোন প্রার্থী নাই? আপনি জেনে শুনে কেন সেই শত্রুর হাতে অস্ত্র তুলে দেবেন?

    এই প্রশ্নটির জবাব আমরাও খুজছি! বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌঃ ও বার বার এই বিষয় নিয়ে লিখালিখি করেছেন, শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন, লন্ডনে এক অনুষ্টানে সরাসরিও বলেছেন ।হাসিনাও উনাকে আশ্বস্ত করেছেন এমন বিতর্কিত ব্যাক্তিদের কোন ভাবেই দলে সুযোগ দেয়া হবে না ।কিন্তু দেখা গেছে এরপরও কিভাবে যেন এরাই দলে সুযোগ পেয়ে যায়! আসলে আস্ত ধানে চোচা না থাকলে চিরসত্য যে মিথ্যা হয়ে যাবার সম্ভাবনা থেকে যায়!

    যাইহোক, এত নজরদারির পরও কেন বিতর্কিতরা দলে সুযোগ পেয়ে যায় এই কারনটি জানতে আমাদের তাকাতে হবে ১/ স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাক্তির প্রভাব এবং ২/দলের ভিতরের গণতন্ত্র চর্চার অভাব কিংবা সীমাবদ্ধতার দিকে ।
    আশার কথা হল, যখনি বিতর্কিতরা সুযোগ পাচ্ছে তখনই আমরা বা লীগের শোভাকাঙ্খীরা নিরব না থেকে প্রতিবাদ করছি ।ফল স্বরুপ বিষয়টি নীতিনির্ধারকদের বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে বিতর্কিতদের হার কমে যাচ্ছে কিংবা দলে থাকলেও গুরুত্বহীন কিংবা অস্থিত্বহীন হয়ে পড়ছে ।রনি, আবুল, সুরঞ্জিতরা যার উৎকৃষ্ট প্রমাণ ।

    আশা করি ভবিষ্যতে বাকী বিতর্কিতদেরও দল থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করা হবে ।

    1. ভাইয়াআআ, এই কথাগুলাই আপনার
      ভাইয়াআআ, এই কথাগুলাই আপনার মুখ দিয়ে বের করতে চাইছিলাম। সেই তো জল খেলেনই, তার আগে হুদাই জলকে পানি পানি করে চিল্লায়ে ঘোলা করে খেলেন।

    2. শাহিন ভাইজান, আপনাকে অনেক
      শাহিন ভাইজান, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। এই সহজ, সুন্দর মন্তব্যের জন্য। এখানে আমি বলবো না যে আমাদের সকলের সাথে একমত হওয়ার কারনে কারো জয় বা কারো পরাজয় হয়েছে। জয় এখানেই যে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে আমরা সবাই একমত হতে পেরেছি। :ফুল:

  16. প্রথমেই বলে নেয়া ভাল
    প্রথমেই বলে নেয়া ভাল আওয়ামীলীগ এর মত একটি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তির দল এমন একটি বিতর্কিত ব্যক্তিকে মননয়ন দেয়া যথেষ্ট হতাশাজনকই বটে।তবে সাথে সাথে আমি এও বলবো,আপনার পোস্টটিও যথেষ্ট হতাশা জনক।পোস্টটিতে অভিযুক্ত মোসলেম উদ্দিন সম্পর্কে আপনি শুধু অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছেন,প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে ধরতে ব্যার্থ হয়েছেন।এতে করে যে জিনিসিটি হয়েছে তা হল,আওয়ামী বিরোধীরা কিছু সমালচনার সুজোগ পেয়েছে।আওয়ামী পক্ষীয়রা আরো বেশী সুজোগ পেয়েছে তাদের যুক্তিসম্পন্ন মন্তব্য প্রদানে।এবং সাধারণ পাঠকরা আপনার পোস্টটিতে আগ্রহ না দেখিয়ে মন্তব্য গুলোতে আরোবেশী আগ্রহী হয়ে বিভ্রান্ত হয়েছে।এতেকরে আপনি আপনার নিজের অজান্তেই মোসলেম উদ্দিনের পক্ষে কাজ করেফেলেছেন।
    নিশ্বঃন্দেহে আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী একটি দল।৭৫ এর পর আওয়ামীলীগকে নিশ্চিন্ন করার যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিলো তার থেকে দলকে উত্তোলনের জন্য রাজনৈতিক কৌশলগত কারনে বর্ত্তমান আওয়ামীলীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাইরে কিছু ছোটখাটো সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিলো যা এখন বিএনপি-জামাত সহ সুশীল নামধারী তাদেরই কিছু অনুসারী অনেক বড় করে দেখানোর চেস্টা করে।উদ্যেশ্য ঐ একটাই যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করা।দলকে প্রাধান্য দিয়ে জনসাধারণের সেন্টিমেন্টকে ভিন্যখাতে প্রবাহিত করা।
    এমন একটি দল দেখান যে দল স্বাধিনতার পক্ষে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।যে দল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন নয়।যে দল মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বলিয়ান হয়ে ক্ষমতায় বসার যোগ্যতা রাখে।৩০ লক্ষ শহীদ এবং ২লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমহানীর প্রতিশোধ নিতে পারে।আমি কথা দিচ্ছি এমন একটি যোগ্য দলের পাশে শুধু আমিই নই এখানে যারা আজ আওয়ামীলীগ এর পক্ষে লড়ে যাচ্ছে তারাও সেই দলের পক্ষে দাড়াবে।শুধু আওয়ামী বিরোধিতার কারনে অনেক আকাঙ্খিত যুদ্ধাপরাধীর বিচারকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে অংশ নেবেননা।যে দেশ তার স্বাধিনতা আত্বত্যাগ কারীদের মর্যাদা দিতে পারেনা সে দেশ কখনওই তার সামগ্রিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে পারেনা।আসুন সকলে মিলে দেশকে ভালোবাসি স্বাধীনতার পক্ষের সবাই মিলে একটি সোনার বাংলা গড়ে তুলি।

    1. লাইক অপশন নাই ক্যান?? ধুর…
      লাইক অপশন নাই ক্যান?? ধুর… শঙ্খনীল ভাইয়ের মতামতের সাথে কোটি কোটি লাইক সহ সহমত… :bow: :bow: :তালিয়া: :তালিয়া: :মাথানষ্ট: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:

  17. মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে
    মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু তথ্য পোস্টে দেয়া আছে । ভাল করে পড়ুন, আশা করি হতাশ হবেন না । তদন্ত বা প্রমাণ সংগ্রহ যদিও আমার কাজ নয় । সেটা প্রশাসনই ভাল পারবে । তবু আমি যদি ঝুঁকি নিয়ে প্রতক্ষ্যদর্শীর সাক্ষাতকার সংগ্রহ করতে পারি তবে আপনারা সবাই মিলে সেটাকে কি মিডিয়ার আলোয় আনতে পারবেন ? কারণ

    1. যদি এভাবে লিখতেন তবে আর হতাশ
      যদি এভাবে লিখতেন তবে আর হতাশ হতামনা।

      আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠনের দায়ে স্থানীয় একজন মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। বিষয়টি তদন্তনাধীন রয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এছাড়া ২০০৯ সালের ৪ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক ডা. এমএ হাসানের দেয়া যুদ্ধাপরাদের তালিকায় মোসলেম উদ্দিনের নামের ক্রমিক নম্বর ৭৩।

      1. আর আপনাকে ঝঁুকি নিয়ে
        আর আপনাকে ঝঁুকি নিয়ে সাক্ষপ্রমান নিতে বলিনাই।যাদের নেয়ার তারাই সাক্ষপ্রমান সংগ্রহ করছে।সে অপরাধী সাব্যস্ত হলে তারও শাস্তি হবে।সময়মত৭৩ নম্বরের ডাক পড়বে।

      2. আপনার বক্তব্যটিতে
        আপনার বক্তব্যটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে নয়, বরং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সেটাই স্পষ্ট হয়।যেটা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। সমস্ত বিষয়ে ছাড় দিলেও জামাত-শিবির-রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে আমার কোন ছাড় নেই। ওরা এদেশের ক্যন্সার……….

  18. ‌এই পোস্টের উদ্দেশ্য যদি
    ‌এই পোস্টের উদ্দেশ্য যদি রাজাকারদের বিরোধীতা তবে আমি সহমত যে এই রাজাকারদের আ লীগ থেকে বহিস্কার করা উচিত।

    আর যদি উদ্দেশ্য হয় এটা প্রমান করা যে আ লীগ নিজেরাই রাজাকার পালে এবং শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে যুদ্ধপরাধীদের বিচার করে অতএব ট্রাইবুনাল বাতিল কর। তাহলে আমি আপনার সাথে সহমত না।

    1. জ্বি ভাই, আমার উদ্দেশ্য
      জ্বি ভাই, আমার উদ্দেশ্য রাজাকার বিরোধীতা বৈ কিছু নয়।আর আপনি যে খোঁচাটা দিয়েছেন তার আশংকা আমি পোস্টেই ব্যক্ত করেছি।

  19. এই পোস্টে প্রথম মন্তব্যটি ছিল
    এই পোস্টে প্রথম মন্তব্যটি ছিল আমার। ব্যস্ততার কারণে ইদানিং ব্লগে সময় দিতে পারছি না আগের মত। তাই অনেক কিছুই মিস করলাম। তবে শেষ পর্যন্ত শাহিন ভাই লাইনে এসেছেন দেখে ভালো লাগলো। আমি নিজে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আওয়ামী লীগের বাইরে কোন দলের কথা অন্তত এই মুহূর্তে ভাবতে পারছি না। তাই আওয়ামী লীগ নিজেই যখন যুদ্ধাপরাধীদেরকে এমপি বানায় তখন কষ্ট পাই। ভরসার জায়গাগুলো যদি এইভাবে নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কি আশা নিয়ে পথ চলব?

  20. রাজাকারের বিচার চেয়েছে
    রাজাকারের বিচার চেয়েছে আওয়ামীলীগ, এখনো চায় আওয়ামীলীগ, করছে আওয়ামীলীগ, করবেও আওয়ামীলীগ ।

    শঙ্খনীল কারাগার ভাইয়ের মত বলতে চাই, ।সময়মত৭৩ নম্বরের ডাক পড়বে এবং সময়মত আওয়ামীলী এদের বিচার তো করবেই ত্যাগ ও করবে।

    এবার নাকে তেল দিয়ে ঘুমান ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *