”প্রতিপাদ্যহীন আলোকের হাতছানি”

*****

*****
আজ খুব ভোর এ ঘুম ভাঙ্গে শুভর। সচারচর এতো সকালে সে কখনো ঘুম থেকে ওঠে না। কেন জানি আজও হয়তো মা কোন এক ফাকে তার কানে মোড়া দিয়ে গেছে । মায়ের এই কানে মোড়া না খেলে কখনোয় শুভর ঘুম ভাঙ্গে না। ”মা প্লিজ আর একটু ঘুমাই” এটা যেন ঘুম এর ঘোরে একবার বলে শুভ, নাহ! আওয়াজ আসে না। প্রতি প্রভাত এর শুরুতেই শুভ ঘুম থেকে উঠে দরজার দিকে তাকালেই মায়ের হাসি ভরা মুখ টা দেখতে পায়। মন টা কেমন জানি শ্রাব্য সীমার মধ্যে উতফুল্ল হয়ে ওঠে। আজকেও বেতিক্রম হবে না, এটা শুভ জানে, সে চোখ মেলে পাশ ফিরে দরজার দিকে তাকালেই মাকে দেখতে পাবে, হয়তো ঘর ঝাড়ু দেওয়ার ঝাড়ু হাতে, নয়ত রান্নার খন্তি হাতে। যেভাবেই হোক, গত চার বছর ধরে এভাবেই দেখছে সে। একটি দিন এর জন্য ব্যতিক্রম হয়নি। শুভ ভাবে এভাবে মাকে ঘুম থেকে উঠে না দেখলে হয়ত শুভর অস্তিত্ব একদিন শেষ হয়ে যাবে। পবিত্র ঘুম এর পর সবচেয়ে পবিত্রতম মায়ের মুখটি দেখার সাথে তার নিঃশ্বাস এর মাত্রা জড়িত ।
”এই শুভ, ওঠ, জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা বন্ধ করে , হাত মুখ ধুয়ে খেতে আয়” মায়ের ডাকে পুরাপুরি সম্বিত ফিরে পায় শুভ।
”আসছি মা”- বলে জানালার দিকে তাকায় শুভ, আকাশ টা কেমন যেন বিষণ্ণ!

*****
পড়ন্ত বিকাল। বারান্দায় বসে সেলাই করছেন ,মিসেস শারমিন চৌধুরী। মধ্যবয়সী বিধবা মহিলা। একটি সন্তান ,শুভকে নিয়েই বেচে আছেন। ঘুনে ধরা সমাজের বুকে ছোট একটি চাকরি করে কাটিয়ে দিচ্ছেন জীবনটা। অনেককিছুর মধ্যে , আঁধারের তীব্র দৃঢ়তার মধ্যে এক মুঠো আলোকের সন্ধান পান তিনি শুভর জন্য। কিন্তু সেই আলোটুকুও মুহূর্তে আঁধারের স্বপ্নে মলিন হয়ে যায়। ক্ষণিকের স্মৃতিতে ঢুকরে কেঁদে ওঠে মিসেস শারমিন। নীরবে কাদেন তিনি, কান্নার সাথে চলে সূচ -সুতার বুনন। সন্ধ্যার বেশি দেরি নেই। আঁধার এগিয়ে আসছে।

*****
” শুভ ওষুধ গুলা খেয়ে নিস মনে করে ”-এটা বলে আজ খুব সকাল সকাল বেড়িয়ে পড়েন অফিসের উদ্দেশ্যে মিসেস শারমিন। শুভ একটু অবাক হয়। কিন্তু কোন প্রশ্ন করে নাহ । জীবনের সুন্দর কিছু মুহূর্তের কথা স্মরন করে শুভ। অনেক গল্প, আড্ডা, সেই ইউনিভার্সিটির ক্লাস, চায়ের টং এ গিটার বাজানো, বৃষ্টির মধ্যে রাস্তার মাঝে বন্ধুদের নিয়ে বসে থাকা, সিগারেট এর শেষাংশ নিয়ে কাড়াকাড়ি, আর তিথি!!! তিথি!! সহসা বুকের ভেতর পুরাতন কষ্টটা ব্যাথায় রুপান্তরিত হয়। অসম্ভব ভালোবাসার আবেগের এক স্মৃতি , শুভর চোখ এ অশ্রু এনে দেই। হাজারো কবিতা, অসংখ্য গল্পের সেই নায়িকা, শুভর ভালোবাসার আবেগের ছায়াসঙ্গি আজ কোথায়!! কেন মনে পড়ছে তাঁকে? শুভ নিজেই চিরবিদায় জানিয়েছিল তিথিকে, নিজেই নিষেধ করেছিল কখনো যোগাযোগ না করতে। শুভ নতুন ভাবে জীবন শুরু করতে চায়। জীবনের অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্তের সংবেশনে নিপীড়িত শুভ। শুভর সেদিনের কথা আজও মনে পড়ে। যেদিন শুভ , তিথিকে সারাজিবনের জন্য বিদায় জানিয়েছিল অনেকগুলা মিথ্যাকে আলিঙ্গন করে। তিথি চলে যাচ্ছিলো, সহসা ফিরে একটিবার ফিরে তাকিয়েছিল তিথি, অশ্রুসজল দৃষ্টি, দৌড়ে এসে শুভকে জড়িয়ে ধরেছিল, আর বলেছিল একটা শব্দ ”ভালবাসি” ।

*****
”শুভ কেমন আছো? আমি জানি অনেক ভালো। তুমি জানো শুভ, এখনো তোমাকে ভুলতে পারি নি আমি, তুমি জানো অনেক কষ্টে তোমার বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করেছিলাম, প্রতিদিন আমি তোমার বাড়ি থেকে কয়েক ব্লক দূরে মোড় এ দাড়িয়ে থাকি, তোমার বারান্দার দিকে তাকিয়ে থাকি।তুমি জানো , ওই রাস্তার মোড় এর চায়ের টং এর ছেলে গুলা আমার দিকে তাকিয়ে হাসে, তবুও আমি নির্বাক তাকিয়ে রই , কেন? উত্তর জানো তুমি !! আমি জানি তুমি এখনো আমাকে ভালবাস, আমি জানি তুমি সেদিন মিথ্যা ঘৃণার বহরে আমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছিলে, আমি জানি তুমি আমার ভবিষ্যৎ এর জন্য আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলে। কিন্তু তবুও আমি কাছে যেতে সাহস পাই নাহ তোমার। হয়তো মিথ্যা ভয়, সত্য বলার দুঃসাহস এর ভয়। আমার স্পর্ধা হয় না তোমাকে যেয়ে বলব শুভ আমি এসেছি, তুমি সইতে পারবে নাহ। আমিও পারব নাহ তোমাকে হারাতে। মিথ্যা আবেগের বেষ্টনী ভেদ করে সত্য ভালোবাসার স্পর্শ এখন আর ঢুকতে পারে নাহ। তোমার প্রত্যেকটি স্পর্শ, আজও আমি মনে রেখেছি। শুভ সেই বৃষ্টির দিন গুলা মনে আছে তোমার? আমরা হাত ধরে হেঁটে বেড়াতাম আর বৃষ্টিকে সঙ্গ দিতাম। মোহনীয় আবেশে আমরা কল্পে হারিয়ে যেতাম আবেগে।
আমি মনে রেখেছি। তুমি ভালো নেই, ভালো হয়তো আর হবেও নাহ। তবুও আমার ভালোবাসার প্রতি আমি বিশ্বাস করি। সব ঠিক হয়ে যাবে আগের মত। কল্প ছুয়ে আমি তোমাকে ভালোবাসার নিত্যনতুন আবেগ কে বঞ্ছনা করি ”
.. ডায়েরি বন্ধ হয়ে যায়। কফিটা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। দীর্ঘশ্বাস ফেলে তিথি নির্বাক দৃষ্টিতে শুভর লেখা শেষ কবিতাটা পড়তে থাকে।

*****
ঃ দেখুন মিসেস চৌধুরী আমি দুঃখিত এতগুলা টাকা ধার আমি দিতে পারছি নাহ আপনাকে, এমনিতেই পূর্বের কিছু টাকা এখনো পাওনা রয়ে গেছে।
-মিঃ আরমান আমি তো বলেছি আমি দিয়ে দিব, দেখুন আমার সমস্যাটা আপনাকে তো বুঝিয়ে বললাম। আপনি তো আমাদের ফ্যামিলি রিলেটিভ। আপনি তো জানেন সবকিছু, হতাশ করবেন নাহ প্লিজ।
ঃহুম। আচ্ছা আপনি যান, আমি যদি পারি জানাবো, তবে এতো টাকা যে অসম্ভব এটা নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। যা পারি আমি সাহায্য করব।
নিরাশ কণ্ঠে ধন্যবাদ জানিয়ে বেরিয়ে আসে মিসেস শারমিন। অফিসের এখনো দেরি আছে। গলার স্বর্ণের চেইন টা হাত এ খুলে নেন তিনি। রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। গন্তব্য চন্দ্রশেখর জুয়েলার্স ।

অফিস আওয়ার শেষ হওয়ার আগেই আজ অফিস থেকে বেরিয়ে পড়লেন মিসেস শারমিন। তার মাথায় ঘণ্টা বাজছে অনবরত। আর এক সপ্তাহ! এতগুলি টাকা! যেভাবেই হোক , জোগাড় করতে হবে। ক্ষণিকের আবেগে শুভর মুখটা ভেসে ওঠে, কান্না ঠেকাতে যেয়ে ব্যর্থ হন তিনি।

*****
তিথি অনেকক্ষণ ধরে মিসেস শারমিন কে ফলো করছেন। তিথি কিছুদিন যাবত বুঝতে পারছে তিনি কিছু একটা সমস্যায় আছেন । খোঁজ নিয়ে জেনেছে, টাকার জোগাড় করছেন শুভর জন্য। অলরেডি সব বিক্রি করে দিয়েছেন, গায়ের গহনা বলতে যা অবশিষ্ট ছিল সেটাও বেচে দিয়েছেন। তবুও এখনো বেশ কিছু টাকা অবশিষ্ট আছে জোগাড় করার। তিথি জানে কিসের টাকা, আজ তিথি সেই বাকি টাকাই এনেছে, মিসেস শারমিন কে দিবেন তাই, কিন্তু তার সম্মুখে যাওয়ার ক্ষমতা তিথির নেই। শেষ পর্যন্ত তিথি মিসেস শারমিন এর ব্যাঙ্ক একাউন্ট নাম্বার জোগাড় করলেন অফিস এবং মিঃ আরমান এর কাছে রিকুয়েস্ট করে। তিথির মনে পরিতৃপ্তির হাসি ফোটে। অনেক দিন পর আজ তিথি হাসছে।

*****
এক সপ্তাহ পরের কথা , শুভ ঘুম থেকে উঠে আজ মাকে দেখতে পায়না। অবাক হয়। কিন্তু শুভ কোথায়, ঘর টা অপরিচিত। মনে পড়ে কিছুক্ষন এর মধ্যে, সে হসপিটাল এ। তার অপারেশন আজ। অপারেশন এর টাকা কিভাবে জোগাড় করল মা, এটা ভাবতে চায় নি শুভ, কারন সে জানে, যত যাই হোক, সে মারা যাচ্ছে। ডাক্তার বলেছে অপারেশন করলে ঠিক হবে, অপারেশন করলে শুভ ঠিক হয়ে যাবে ,কিন্তু শুভ জানে এটা অসম্ভব। শুভ জানে সে মারা যাবে। শুভ জানে আজকেই এই অপারেশন টেবিল এই সে মারা যাবে। তিথিকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। মাকে ডাক দিল শুভ, মাকে বলল মা, তুমি যেয়ে ওই দরজাটার সামনে দাড়াও, আমি ঘুম ভাঙ্গার পর প্রতিদিন তোমাকে দেখেছি ওখানে, ঠিক সেভাবে দাড়াও, আমি শেষ বারের মত দেখব” । মিসেস শারমিন ঢুকরে কেঁদে উঠে শুভকে জড়িয়ে ধরে। ”শুভ বলে যাই, মা তুমি জানো আমি তোমাকে ভালবাসি ? , মা তুমি জানো, আমি তিথিকে ভালবাসি, ওর দেখা মিললে ওকে বলে দিয়ো ”

*****
চার মাস পরের কথা, মিসেস শারমিন সেলাই করছেন বারান্দায় বসে। গোধূলির জরাতে শূন্যতা আজ নেই। সহসা তিথি এসে জড়িয়ে ধরে পেছন থেকে তাঁকে। চোখ এর চশমাটা পড়ে যায়, দরজায় দাড়িয়ে শুভ হেসে ওঠে উচ্চস্বরে, মা তোমাকে বলেছিলাম, আমি তোমাকে ভালবাসি” ।

৩৬ thoughts on “”প্রতিপাদ্যহীন আলোকের হাতছানি”

    1. @মাশিয়াত খান, হুম পুরা গল্প
      @মাশিয়াত খান, হুম পুরা গল্প টা বেশ বড়। আমি ছোট করে দিয়েছি অনুগল্প আকারে, এখানে আবেগের প্রসঙ্গ শেষে রেখেছি, মধ্যেও আছে সেটা শর্ট করাতে বোঝা যায় না। যাই হোক, মন্তব্য এর জন্য ধন্যবাদ 🙂

  1. ভালো লাগলো । প্লাস
    যে ভুলটা

    ভালো লাগলো । প্লাস

    যে ভুলটা আমার ভয় বানান ভুল , পোস্টে কিছু বানান একটু এডিট করে নিলে ভালো হতো । 🙂

    শুভ রাত্রী

    1. ধন্যবাদ । ভুল ধরিয়ে দেওয়ার
      ধন্যবাদ । ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য। আমি বানান গুলা ঠিক করব করব করেও করি নি। এখন করে দিছি মোটামুটি/ 🙂

  2. বরাবরের মত চমৎকার গল্প!!
    বরাবরের মত চমৎকার গল্প!! অনেকদিন পর…
    আপনাকে আবারও ইস্টিশনে লিখতে দেখে ভাল লাগছে! আশাকরি নিয়মিত হবেন। ওয়েলকাম ব্যাক… :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
    আবেগ নিয়ে এতো খেলা ভাল না কিন্তুক…

    1. ধন্যবাদ লিঙ্কন ভাই। একজন
      ধন্যবাদ লিঙ্কন ভাই। একজন মানুষের আবেগ নিয়েই তো খেলি, পুরা জাতির আবেগ নিয়ে তো আর খেলছি নাহ 😀 😀 😀 😀 😀

  3. > আপনার দেখছি ‘না’কে ‘নাহ’
    > আপনার দেখছি ‘না’কে ‘নাহ’ বলবার রোগ আছে– এটা ভুল । ছাড়তে হবে ।
    > শেষকথা, খুবই ভালো লিখেছেন । নিয়মিত আপনার লেখা চাই ।

    1. ভুল বললেন। আমি নাহ ব্যাবহার
      ভুল বললেন। আমি নাহ ব্যাবহার করি যখন ”না ” শব্দের পর একটা জোর দিয়ে দীর্ঘশ্বাস গ্রহন করা হয়। আর ক্ষেত্র বিশেষে হয়তো নাহ দিয়ে ফেলেছি, তবে সেটা টাইপিং মিস্টেক। যাই হোক, আপনার অনুসন্ধানী ধরনের মন্তব্য এর জন্য ধন্যবাদ । আর আমি নিয়মিত আসলে লিখি নাহ। আগে লিখতাম নিয়মিত। অনেকদিন পর ব্লগ এ ঢুকলাম । চেষ্টা করব নিয়মিত হওয়ার । :ফুল:

  4. এতো ছোটছোট দৃশ্যে গল্প টেনে
    এতো ছোটছোট দৃশ্যে গল্প টেনে আসলে জগাখিচুড়ি হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। তেমন কিছু হয় নি। বরং পুরো গল্পটা সার্থকভাবে ফুঁটিয়ে তুলেছেন। :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল:

    1. দিদি ভাই তোমার নাম তিথি? আমি
      দিদি ভাই তোমার নাম তিথি? আমি জানতাম নাহ। যাই হোক, আমার সব গল্পের নায়িকা মোটামুটি এই তিথি আর শুভ/ দুই কাল্পনিক দ্বন্দ্ব । যাই হোক মন্তব্য এর জন্য অনেক ধন্যবাদ দিদি 🙂 :ফুল: :ফুল:

    1. হুম । অনেকদিন পর লিখলাম।
      হুম । অনেকদিন পর লিখলাম। আপনার পছন্দ হল নাহ গল্প টা? হুম, নো প্রবলেম, নেক্সট টাইম আরও ভালো করার চেষ্টা করব। তবে আমি আপনার সব গল্পের ফ্যান । ইউ নো দ্যাট 😀 😀 😀 😀

          1. (No subject)
            :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা:

  5. গল্পের বাঁধুনি ভালোই। প্রশংসা
    গল্পের বাঁধুনি ভালোই। প্রশংসা অনেকেই করেছে। আমি একটু সমালুচনা করি। 😀 আপনার আসলেই “নাহ” লেখার একটা প্রবণতা আছে যেটা রাহাত ভাই বলেছেন। ক্ষেত্র বিশেষে হয়ত লেখা যায়। কিন্তু আপনি এটা প্রায়ই লিখে থাকেন, যেটা চোখে পড়ে। রাহাত ভাইয়ের কমেন্টের রিপ্লাই দিতে গিয়েও আপনি নাহ লিখেছেন। :হাসি:
    আর একটা জিনিস। এ কার এর ব্যবহারেও একটু সমস্যা হচ্ছে মনে হোল। যেমন প্রথম প্যারাতেই দুই জায়গায় হয়েছে-

    আজ খুব ভোর এ ঘুম ভাঙ্গে শুভর। সচারচর এতো সকালে সে কখনো ঘুম থেকে ওঠে না। কেন জানি আজও হয়তো মা কোন এক ফাকে তার কানে মোড়া দিয়ে গেছে । মায়ের এই কানে মোড়া না খেলে কখনোয় শুভর ঘুম ভাঙ্গে না। ”মা প্লিজ আর একটু ঘুমাই” এটা যেন ঘুম এর ঘোরে একবার বলে শুভ, নাহ! আওয়াজ আসে না

    বোল্ড করা অংশগুলো দেখুন। “ভোর এ” না লিখে “ভোরে”, “ঘুম এর” না লিখে “ঘুমের” লিখলে ভালো হয়না? এরকমটা গল্পের অনেক জায়গাতেই আছে। এটা এভয়েড করলে ভালো হবে।
    যাউকজ্ঞা, অনেক সমালুচনা হইল। আসল কথা হইতেছে অনেকদিন পর আপনারে পেয়ে যার পর নাই খুশী লাগতেছে। :ফুল:

    1. আপনার কমেন্ট দেইখাও যার পর
      আপনার কমেন্ট দেইখাও যার পর নাই খুশি হইছি, কেননা, আমার আগে বানানের রোগ ছিল, আবার ই কারান্ত এবং য় কারান্ত-তে সমস্যা ছিল। আপনি সেটা সমালোচনা কইরা কমাইছেন/ এইডাও কইমা যাইব । আশা করি । 😀

    1. আমারও ভালো লাগল সমালোচনা গুলা
      আমারও ভালো লাগল সমালোচনা গুলা দেখে। আরও ভালো লাগল আপনার দ্বিতীয়বার (সম্ভবত ভুলে) কমেন্ট করা দেখে :হাসি: :হাসি: 😀 😀 😀

    1. ধন্যবাদ মন্তব্য এর জন্য।
      ধন্যবাদ মন্তব্য এর জন্য। আপনার নাম শুভ? ভালো। আমি শুভ নাম টা পছন্দ করি। আসলে , খুব কমন নাম গুলা আমার ভালো লাগে । বিশেষ করে দুই অক্ষর এর নাম । :ফুল:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *