ভার্সন ২০১৪: অপরাজিতা মানবী সম্প্রদায়।

২০১৪ সালের প্রারম্ভে এসে আমরা রাজনীতি নিয়ে বিশ্লেষন করি। দেশের প্রধান হয়ে আছেন দুজন বৃদ্ধ মানবী, তাই এখন এই দেশে মানুষের মুখে তাদের দূর্নীতির সাথে সাথে মেয়েদের বর্তমান অবস্থার বেশি বিশ্লেষন করা হয়। সমাজ এর তথাকথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিয়ত বিশ্লেষনে দেখা দেই এই আশা যে দেশের উন্নতির সাথে এদের ক্ষমতায়নে নারীর উন্নতিও হবে। তাদের চাওয়াটা যে যোগ্য নয়, বা তারা পুরুষতন্ত্রের চোখ দিয়েই নারীর ক্ষমতায়ন দেখছেন তা তাদের চোখে ধরা পড়েনা। একজন সারাজীবন তার বাবার জয় ঘোষনা করতে করতে ও তার বরাতে ভোট চাইতে চাইতে অস্থির হয়ে গেছেন। জীবনে তার কাজগুলো তার কাছে কখনো মুখ্য হয়ে দাড়ায় নি। অনেকে সেটাকে ভদ্রতা বলবেন, আমার কাছে তা কাপুরুষতা ছাড়া কিছু নয়।
অন্যদিকে দ্বিতীয় নেত্রী তার অনুগত দলটি পেয়েছেন স্বামীর উত্তরাধিকার থেকে। স্বামীর মৃত্যুর পরেও তার নামের চুলার ছাই তিনি কয়েক দশক থেকে সারাদেশব্যাপী ছড়িয়ে যাচ্ছেন। তার জীবনের প্রধান কাজই হচ্ছে তার মিলিটারি স্বামীটির কর্মকান্ডের মুখ রাখা। এত বড় যে শিক্ষিত স্বামীটি, যিনি কিনা রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছিলেন, তা যে উপায়েই হোক, কখনো তার সন্তানদের মাকে আরেকটু বেশি পড়ানোর চিন্তা করেননি। তার ফলস্বরুপ আমরা এইট পাশ তিনবারের প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী নেত্রীদের কথা দুরে থাকুক সমাজের সাধারন মেয়েদের অবস্থা দেখলে আগের বিদ্যাসাগরদের চোখে পানি আসতে পারতো, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বমি আসার কথা। এখন মেয়েরা ইন্টার পরীক্ষা দেয়, রেজাল্ট তুলে ভর্তি পরীক্ষা দিতে ছুটে পাবলিক ভার্সিটিতে ঢোকার জন্য, কিন্তু বেশিরিভাগ মেয়ের চিন্তাটা থাকে যে, পাবলিক ভার্সিটিতে চান্স পাওয়া মানে মা বাবার হিসেবে ভাল বর জোটা, সেটা বিশ্বাস করেন আর না করেন। অনেক মেয়েরা থাকে, যারা উন্নত মনমানের, তাদের জীবনের লক্ষ্য থাকে মা বাবার সহায় হওয়া, কিন্তু তাদের অবস্থা এই দাড়ায় যে, তারা ইউনিভার্সিটি থেকে ভাল রেজাল্টে পাশ করে, ব্যাংক বা অন্যকোথাও চাকরি নেয় এরপর শুরু হয় তাদের মা বাবার দৌড় কারন সেশন জট হেন তেন করে মেয়ে আইবুড়ো হয়ে গেছে, তাই যা হোক ধরে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়। মেয়ের বাকি জীবন কাটে দুই সংসারের লিংক হয়ে, মা বাবার সংসারে প্রতিনিয়ত খোঁজ রাখা, স্বামীর সংসারে থেকে সাতসকালে উঠে বাচ্চাকাচ্চার আর স্বামীর কাজকর্ম করে নিজের অফিসের জন্য তৈরি হওয়া, আবার অফিস থেকে এসে সেই একই কাজ। আর অন্যদিকে স্বামী মহোদয় অফিস থেকে এসে অনেক বেশি ক্লান্ত হয়ে টিভির খবরে বেশি মনোযোগী হয়ে পড়েন।
এখন মানবীদের জন্য প্রত্যেক পত্রিকার পাতায় একটি করে পাতা থাকে, যেখানে বিভিন্ন প্রবন্ধ নিবন্ধ ছাপা হয় যার মূল কথা হয় হল- তারাই সফল নারী যারা অফিস ও সংসার একসাথেই সামলেছে। তাদের এই বিষয়ে টিপস দেয়া হয় এবং টিপসের পাঠক দেখা যায় বহু শিক্ষিত নারীকে। আগে মেয়েদের যোগ্যতা ছিল, হালকা পড়াশোনা, সুন্দর, ঘরেরে কাজ জানা। এখন বিয়ের বাজারে মেয়েদের যোগ্যতা হল সব্যসাচী হওয়া। মধ্যবিত্ত ছেলেরা এখন চাকুরিজীবী মেয়ে দেখে বিয়ে করে, বিয়ের আগে সংসারের সব কাজ একসাথে করার কথা থাকলেও বিয়ের পরে ঘরে থাকলে তার প্রধান কাজ হয়ে ওঠে টিভি দেখা। পয়সাওয়ালা ঘরের অবস্থা আগের মতই রয়ে যায়, শিক্ষিত হলেও মেয়ের চাকরি করার দরকার পড়ে না, টাকা তো আছেই। আর দরিদ্র ঘরের অবস্থা বলার বাইরে।

ঢাকা শহরের কাজের মহিলাদের জীবনযাত্রার খবর নিলে দেখা যায় যে, তারা কষ্ট করে প্রতিদিন আয় করে, কিন্তু তাদের প্রত্যেকের ঘরের স্বামীদের বিভিন্ন প্রকারে ভাগ করা যায়।
১. এরা এক দিন কাজ করে তিনদিন চরে বেড়ায়, জুয়া খেলে ও জুয়ার বোর্ডে স্ত্রীকে তুলে দিতে দ্ধিধা করে না। ফলাফল- এসব স্বামীদের কিছুদিন পরেই খোঁজ পাওয়া যায় না।
২. এই স্বামীদের আবার আত্মসম্মান চড়া ধাঁচের, আর এদের সম্মান আসে ছেড়া কাপড়ে স্ত্রীর ঘরে বসে থাকায়। তাই এইসব কাজের মহিলারা নিত্যদিন তাদের স্বামীদের হাতে প্রহার হজম করে নিয়মিত ছুটি নেয়।
৩.এই স্বামীদের নিয়ে দেখা যায় দিনকাল কিছুদিন ভালই যায়, এরপর তাদের কিছুদিন হদিস মেলে না। এরপর এরা ফেরত আসে, জানা যায় এরা একটি বিয়ে করে ভাল লাগে নাই বলে ফেলে আবার আগেরজনের কাছে ফেরত এসেছে, এবং এই স্ত্রীরাও তা মেনে নিয়ে আবার মহানন্দে সংসার করতে থাকে।

ঘরের মেয়েদের কথা আপাতত থাক, বাংলাদেশ রক্ষায় নিয়োজিত মেয়েদের অবস্থার দিকে তাকাই। আগে সেনাবাহিনী, মেরিন অথবা এয়ার ফোর্সে মেয়েদের যোগদান করার কথা স্বপ্নেও ভাবা যেতো না, এখন নাহয় সীমিত সুযোগ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু সুযোগগুলো এমন যে তা অপমানের শামিল। ২০০৭ সালের সমীক্ষা অনুসারেমানবী সেনাসদস্যদের সংখ্যা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তে মাত্র ০.৪% । এত কম মানবী সেনাসদস্য আমাদের আশেপাশের একটি দেশেও নেই। অস্ট্রেলিয়ায় ১৩.৪%, ঘানায় ৮.৭%, এমনকি প্রতিবেশী নেপালে ৩.৮%। সেনাবাহিনী ছেড়ে মেরিনে আসি। ২ বছর আগে থেকে বাংলাদেশ মেরিনে চালু মানবী সেকশান এ গুনে গুনে ৬৯ জন কে নেয়া হয়। মেরিনে মেয়েদের খুবই অল্প পরিমানে যোগ্যতার ভিত্তিতে নেয়া হলে বাস্তবতা হল, তাদের ট্রেনিং শেষে শত যোগ্যতা থাকলেও শীপে জয়েন করতে দেয়া হয় না।

আমার এক পরিচিত আপু ছেলেমেয়ে সকলের মাঝে চতুর্থ হয়ে মেরিনে যোগদান করেছিলেন। এক মাস ট্রেনিং এর পর শুভঙ্করের ফাঁকি ধরা পড়ে। তাকে শত কারনেও শীপে জয়েন করতে দেয়া হবে না। ক্ষোভে দুঃখে তিনি মেরিন ছেড়ে মেডিকেলে চলে আসেন।

বাফা বা বাংলাদেশ এয়ার ফোর্সের ১৪০০০ সদস্যদের মাত্র .২% মানবী। সশস্ত্র বাহিনীর সমাজের নারী ভার্সন তৈরির ফলেই এখন তথাকথিত আধুনিক মা বাবারা মেয়েদের সশস্ত্র বাহিনীতে পাঠাচ্ছে, কিন্তু মেয়েটি কারাটে বা জুডো শিখতে চাইলেই সেটা তাদের জন্য লাঞ্ছনা ও উদ্ধতার বিষয়। প্রত্যেক স্থানে এতটা অবিচার কোন দিক দিয়ে হয় আর তখন এই শিক্ষিত অথবা আপোসহীন নেত্রীরা কই থাকেন তা আশ্চর্যের বিষয়।

সব স্থানে মানবীদের পরোক্ষ অপমানের সংখ্যা প্রচুর বেড়েছে। সংসদে সংরক্ষিত আসন তারই নামান্তর। সংরক্ষিত আসনের নেত্রীরা নির্বাচিত হয়ে আসেন না, ক্ষমতাসীন দলের সংসদের শোভা হয়ে ফুলের মত একস্থানে বসে থাকেন। এই আসনব্যবস্থাটি যেন পিতৃতান্ত্রিক সমাজের আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর চেষ্টা- যে মেয়েদের কোন যোগ্যতা নেই তাই তাদের আলাদা করে আনতে হয়।
তেমনই রয়েছে বাসে আটটি মহিলা,শিশু ও প্রতিবন্ধী আসন। এই আসন চালু হওয়ার পর থেকে মেয়েদের আর আগে সাধারন সিটে বসতে দেয়া হয় না, বাসে উঠেই বলে দেয়া হয় মহিলা সিটে বসতে। অথচ আসন ব্যবস্থাটি প্রনীত হয়েছিল অতিরিক্ত হিসেবে অর্থাৎ পুরো বাস ভরে যাবে, ভেতরের সিটে মহিলা বা পুরুষ সবাই বসবে এবং তারপর মহিলাদের সংখ্যাধিক্য হলে তারা অতিরিক্ত আটটি আসনে বসবে। কিন্তু সেটাও পুরুষদের গায়ে জ্বলে। তাই মহিলা সিটে এখন পুরুষদের বসে থাকতে দেখা যায় উঠতে বললে অশালীন বাক্যবান ভেসে আসে। গত কয়েক হাজার বছর ধরে যাচ্ছেতাই ক্ষমতা খাটানোর পরেও সামান্য বাসের সীটের অতিরিক্ত অধিকারটুকু তাদের রাজদন্ডে(!) লাগে।

রাস্তাঘাটে এখন ইভটিজিং এর সংখ্যা আগের চাইতে বেড়ে গেছে। কিছু ঘটনা সামনে আসে কিছু আসে না। প্রতিবাদী মেয়েটিকে সবার আগে বেয়াদব নামে আখ্যায়িত করে দেয়া হয় এবং টিজের পেছনে তার দোষ ই আছে ধরে নেয়া হয়। যাতায়াতের জন্য কমফোর্টেবল পোষাক পরাকে বড় ধরনের উচ্ছৃংখলতা বলা হয়। জিন্স পরলে তাদের সমাজের গায়ে লাগে শার্ট পরলেও গায়ে লাগে। অথচ জিন্স এবং শার্ট দুটোই পশ্চিমা পোষাক যেটা এদেশি ছেলেদের সাংস্কৃতিক পোষাক নয় কিন্তু সেজন্য ছেলেদের কিছু বলা হয় না। কিন্তু একই পোষাক মেয়েরা পরলে সেটা হয়ে যায় যথেচ্ছ পশ্চিমা সভ্যতার অনুকরন। কিন্তু এর মাঝের সুক্ষ রাজনীতিটি হল, জিন্স পরে লাথি মারতে সুবিধা বেশি। সুতরাং রাস্তায় মেয়েরা জিন্স পরে বের হলে পিতৃতান্ত্রিক সমাজে ভয় ধরে, মেয়েটির যেহেতু পা তুলতে অস্বস্তি হবে অতএব সে যেকোন কিছু করে বসতে পারে। তাই জিন্স পরা মেয়েদেরকে ইভটিজিং বেশি করা হয় যদিও আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে আজকাল মেয়েদের সাধারন পোষাক সেলোয়ার কামিজের কাটা এত বেশি যে কোমর বের হয়ে থাকে এবং সেক্ষেত্রে সমাজের যুক্তি অনুসারে তাদের ইভটিজিং বেশি হওয়ার কথা। আসলে ইভটিজিং এর সাথে কাম বা প্রেমের কোন সম্পর্ক নেই, এর প্রধান কারন আসলে কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা। এর সাথে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ বহু আগে থেকে পরিচিত, শুধু ঘটনার সময় ও রুপ বদলেছে মাত্র। তাই এই বুর্জোয়া গোষ্ঠীর মন জয়ের চাইতে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা বেশি প্রয়োজনীয়, তাই এরা স্মার্ট ও শিক্ষিত মেয়েদের চাইতে সমাজে পেশা শান্তশিষ্ট মেয়েদের দিকে বেশি নজর দেয়। সমাজব্যবস্থা বদলে মানবীদের উন্নতি তেমন কিছুই হয়নি, শুধু তাই নয় অত্যাচার ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার নতুন রুপ দেখা যাচ্ছে যা আগে থেকে পরিচিত নয় বলে ডিটেক্ট করা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। অনেক স্থানে অনেক মানুষকে দেখা যায় ইভটিজিং এর জন্য সমগ্র নারী জাতিকে দোষারোপ করতে। তাদের মতে, টিনএজ ছেলেরা শিলা কি জাওয়ানি বা চিকনি চামেলি দেখে সেই ক্ষুধা রাস্তায় অপরিচিত সাধারন মেয়েদের দেখে মেটায়। তা তাদের এত ক্ষুধা কোথা থেকে আসে এই প্রশ্নের জবাবে প্রশ্নকারীর নামেই বিভিন্ন দুর্নাম রটিয়ে দেয়া হয়। অথচ পৃথিবীতে রবার্ট প্যাটিনসন লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও বা হালের সালমান খান হ্রিত্বিক টিত্তিকদের দেখে মেয়েদের মনে কেন ক্ষুধা আসলো কি না বা এডামটিজিং কেন হল না এই প্রশ্নের উত্তর এই পুরুষতান্ত্রিকেরা দেবেন না। তাই তাদের কাছে এই প্রশ্নটির উত্তর কোন দয়াশীল ব্যক্তি এনে দেবেন। মেয়েদের প্রযুক্তির যুগে পুতুল বানিয়ে রাখার যেসব নতুন নতুন খেলা আবিষ্কার হয়েছে তার ফলাফল দেখার জন্য তাই আমরা সকল মানবীরা উদগ্রীব।

১৭ thoughts on “ভার্সন ২০১৪: অপরাজিতা মানবী সম্প্রদায়।

  1. বেশ কিছু ব্যাপার তুলে এনেছেন
    বেশ কিছু ব্যাপার তুলে এনেছেন অনেক অপ্রিয় সত্য কথা অকপটে বলে গেলেন ভাল লাগলো ।। নারীদের অধিকার শুধুমাত্র বইয়ের ভাজে আর পরীক্ষার খাতায় সীমাবদ্ধ কারণ সামান্য একটা নমুনা বাসে উঠলেই মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা দেখলেই বুঝা যায় নারীদের অধিকার কেমন সেনাবাহিনী অথবা মেরিণে যাওয়া লাগেনা ।।

  2. মেয়েদের যতদিন মানুষ হিসেবে না
    মেয়েদের যতদিন মানুষ হিসেবে না ভেবে নারী হিসেবে মূল্যায়ন করা হবে ততদিন এমন অবমূল্যায়ন চলতেই থাকবে। পুরুষদের চিন্তা ভাবনায় পরিবর্তন তো দরকার পাশাপাশি নারীদেরও চিন্তায় পরিবর্তন আনতে হবে। নিজেকে মানুষ হিসেবে ভাবতে হবে , যেটা অধিকাংশ নারীরাই করে না।
    “আমি তো মেয়ে, তাই আমি এটা করবো , এটা করবো না, ওটা পাব এটা পাব না ”
    এই চিন্তা যতদিন না মুছে যাবে ততদিন নারী শুধু পুতুলই হয়ে থাকবে।

  3. সমাজের প্রথায় সম্পুর্ন
    সমাজের প্রথায় সম্পুর্ন পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত নারীদের মুক্তি মিলবে না! ধরেন, এখনকার পুরুষ প্রধান বিয়ে প্রথা! নারী সারাজীবন দাস হিসেবেই থাকে… প্রক্রিয়া হাজার বছর ধরে চলমান বিধায় রোকেয়ার (বেগম উল্লেখে আমি অনাগ্রহী) মতে নারীর ভিতর বাহির অঙ্কুরে বিনষ্ট হয়েছে!! পরিবর্তন এর আশা একেবারেই নেই, নারীর মর্যাদা দিতে হলে পুরুষ কে আরেক প্রজন্ম বিবর্তিত হতে হবে….

    অসাধারণ লাগল আপ্নার এই স্পিচটা,
    “গত কয়েক হাজার
    বছর ধরে যাচ্ছেতাই ক্ষমতা খাটানোর পরেও
    সামান্য বাসের সীটের অতিরিক্ত অধিকারটুকু
    তাদের রাজদন্ডে(!) লাগে”

  4. রাস্তাঘাটে এখন ইভটিজিং এর

    রাস্তাঘাটে এখন ইভটিজিং এর সংখ্যা আগের চাইতে বেড়ে গেছে। কিছু ঘটনা সামনে আসে কিছু আসে না। প্রতিবাদী মেয়েটিকে সবার আগে বেয়াদব নামে আখ্যায়িত করে দেয়া হয়

    :থাম্বসআপ:

  5. চমৎকার লেখা। অনেক দেরিতে
    চমৎকার লেখা। অনেক দেরিতে পড়লাম। এ বিষয়ক এ বিষয়ক একটি পোস্ট দেব আমি খুব শিঘ্রই। ভাল থাকুন। শুভেচ্ছা!!!

  6. কিছু অপ্রিয় ভয়ংকর সত্য তুলে
    কিছু অপ্রিয় ভয়ংকর সত্য তুলে এনেছ চমৎকার লেখনীর সাহায্যে… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: হ্যাটস অফফ… :ফুল: :ফুল: :bow:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *