ভিসামুক্ত পৃথিবীর স্বপ্ন; খুলে যাক সব বদ্ধ দুয়ার

জুলাই মাসের ঘটনা। এক সপ্তাহের অফিসিয়াল ট্যুরে বের হয়েছিলাম উত্তরবঙ্গের ৮ টি জেলার উদ্দেশ্যে। একদিন পঞ্চগড় হয়ে তেতুলিয়ার উদ্দেশ্যে ছুটে চলছিল আমাদের গাড়ি। তেতুলিয়াতে কাজ শেষ করে ফিরব এমন সময় হঠাতই খেয়াল চাপল বাংলাবান্ধা যাব। বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট হচ্ছে বাংলাদেশের সর্বউত্তরের বিন্দু। তেতুলিয়া থেকে বাংলাবান্ধা যেতে রাস্তার দুইপাশে চোখে পড়ে সমতলের চা বাগান। আমরা যখন বিজিবির চেকপোস্টে পৌঁছলাম তখন আকাশ পরিষ্কার। চেকপোস্ট থেকে ৪ কিমি দূরে জিরো পয়েন্টে পৌঁছোবার আগেই শুরু হল তুমুল বর্ষণ। জিরো পয়েন্ট থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। বৃষ্টির কারণে আমরা সেটা দেখতে পারি নি। পরে শহর থেকে নিচের ছবিটা তুলেছিলাম।

গাড়ির ড্রাইভার ইদ্রিস বলছিল “স্যার, চলেন নেপাল অথবা ভুটান চলে যাই। এখান থেকে মাত্র ৫২ কিমি দূরে নেপাল সীমান্ত আর ৮০ কিমি দূরে ভুটান সীমান্ত।“ ইদ্রিস কথাটা মজা করেই বলেছিল। কাকতালীয় ব্যাপার হচ্ছে তখন মাইক্রোবাসের সিডি প্লেয়ারে কুমার বিশ্বজিতের এই গানটা বাজছিল

যেখানেই সীমান্ত তোমার
সেখানেই বসন্ত আমার

গান শুনতে শুনতে আমি নিজেও কিছুটা কল্পনাবিলাসী হয়ে ভাবছিলাম, আহা কতই না ভাল হত যদি এই দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর লোকজন ভিসা ছাড়াই একদেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারত। ভিসামুক্ত সীমান্তের যেই সুবিধা ইউরোপের ২৬ টি দেশের লোকজন ভোগ করছে, আমরাও কিন্তু সেইরকম সুবিধা ভোগ করতে পারি। পারস্পরিক আন্তক্রিয়া কিংবা মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষতির যে আশংকা তার থেকে লাভের সম্ভাবনাই কিন্তু বেশি। এতে এক দেশের মানুষের অন্য দেশের মানুষের ব্যাপারে অনেক ভুল ধারণার যেমন অবসান ঘটে; তেমনি পরিচিত হওয়া যায় বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সংস্কৃতির সাথে। সেই সাথে পর্যটন খাতের উন্নতির সম্ভাবনাও বেড়ে যায় বহুগুণে।

বিভিন্ন দেশের সীমান্তের অবস্থা দেখার জন্য কি মনে করে জানি গুগলে করে সার্চ দিলাম। কিছু ছবি দেখে আপনাদের সাথে শেয়ার করার ইচ্ছে হল। চলুন শঙ্খচিলের ডানায় ভর করে ঘুরে আসি কিছুক্ষণের জন্য।

১৯৮৫ সালের Schengen Treaty এবং ১৯৯৭ সালের Amsterdam Treaty অনুযায়ী ইউরোপের ২৬ টি দেশের মানুষ কোন ভিসা ছাড়াই অন্য দেশে যেতে পারে। তাই ওই দেশগুলোর সীমান্তে নেই কোন কাটাতারের বেড়া। নেই কঠোর মুখের কোন অস্ত্রধারী সৈনিক। নিরাপদ আর শান্ত এই সীমান্তগুলোতে গেলে অনেকসময় বোঝাই যাবে না যে আপনি এক দেশ থেকে অন্য দেশে চলে এসেছেন।

নিচের ছবিটি যেই স্থানের সেই শহরটির নাম Baarle. শহরটির অবস্থান নেদারল্যান্ড এবং বেলজিয়ামের সীমান্তে। সীমান্তরেখাটি একেবেকে চলে গেছে দুই দেশের বাড়িঘর, উঠান আর রেস্টুরেন্ট এর মাঝ দিয়ে। ছবিতে যেই রেস্টুরেন্ট এর ছবিটি দেখছেন সেখানকার চেয়ারগুলোর অবস্থান নেদারল্যান্ড এ আর ফাঁকা জায়গাটার অবস্থান বেলজিয়ামে। আপনি চাইলেই চেয়ার নিয়ে বেলজিয়ামে বসে নেদারল্যান্ডে অবস্থান করা আপনার বান্ধবীর সাথে একসাথে কফি খেতে পারবেন।

কোন একটি দেশের সীমান্তে গেলে আপনাকে কেউ কিছু না বললেও আপনি বুঝতে পারবেন কোন দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নত, আর কোন দেশের অবস্থা খারাপ। নিচের ছবিটি দেখুন। সুন্দর রাস্তা যেখানে শেষ হয়েছে সেটি স্পেন, আর ভাঙ্গা রাস্তা যেখান থেকে শুরু হয়েছে সেটি পর্তুগাল। রাস্তা দেখেই অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাপারে কিছুটা ধারনা নিতে পারবেন।

পৃথিবীর সব থেকে ছোট আন্তঃসীমান্ত ব্রীজ দেখতে চান? তাহলে নিচের ছবিটি দেখে নিন। কাঠের ব্রীজের একপাশে স্পেন, আরকেপাশে পর্তুগাল।

ছোট ব্রীজ থেকে এবার চলুন একটু বড় ব্রীজে যাই। নিচের ছবিতে যেই ব্রীজটি দেখছেন তার একপাশে পোল্যান্ড আর অন্যপাশে জার্মানি।

ইউরোপের অনেক দেশেই সীমানারেখা বাড়িঘরের ভিতর দিয়ে চলে গেছে। যেমন নিচের ছবিতে যেই বিল্ডিংটি দেখছেন সেটির নাম হচ্ছে Eurode Business Centre. জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডের সীমানা রেখা এই বিল্ডিঙয়ের ভিতর দিয়ে অতিক্রম করেছে। বিল্ডিঙটি তাই Jointly Operated Dutch-German Police Station হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

জার্মানি আর নেদারল্যান্ডের সীমান্ত এমন অনেক স্থানেই এমনভাবে মিশেছে যে হঠাত করে কেউ বুঝতেই পারবে না কিভাবে এক দেশ থেকে অন্য দেশে চলে এসেছে। নিচের ছবিটিই দেখুন। রাস্তার বাম দিকের লেন ধরে এগিয়ে যদি বামে মোড় নেন তাহলে আপনি জার্মানিতে ঢুকে যাবেন আর ডান দিকের লেনে থাকলে আপনি নেদারল্যান্ডেই থাকবেন।

আবার অনেক জায়গায় শুধু ছোট একটা সাইনবোর্ড ঝুলিয়েই কতৃপক্ষ দায়িত্ব পালন করেছে। যেমন নিচের ছবিতেই দেখুন, সাইনবোর্ডটা না থাকলে আপনি বুঝতেই পারবেন না যে জার্মানি থেকে অস্ট্রিয়াতে চলে এসেছেন।

নদী দিয়ে অনেক দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়েছে। চলুন তেমন কিছু সীমান্ত দেখে নেই। প্রথমেই অস্ট্রিয়া-জার্মানি সীমান্ত।

রপর অস্ট্রিয়া-স্লোভাকিয়া সীমান্ত;

এবং মেক্সিকো-গুয়াতেমালা সীমান্ত।

উপরের ছবির মাধ্যমে আমরা ইউরোপ মহাদেশ থেকে আমেরিকা মহাদেশে চলে এসেছি। আমেরিকা মহাদেশের কিছু আন্তঃসীমান্ত ছবি আমরা দেখে নেই। সব থেকে বিখ্যাত যেই সীমান্ত সেটি হচ্ছে নিচের ছবির আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্ত। ছবির বামপাশে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্য এবং ডানপাশে মেক্সিকোর San Diego শহর।

মজার ব্যাপার হচ্ছে ছবিতে যেই সীমানা প্রাচীর দেখছেন সেটির দৈর্ঘ্য মাত্র (!) ৩১৬৯ কিমি।

এটি শুরু হয়েছে Gulf of Mexico থেকে আর শেষ হয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরে।

আমেরিকার সাথে কানাডার সীমান্তে না গেলে কি ভাল লাগবে বলুন? চলুন ঘুরে আসি।

আমেরিকা মহাদেশ থেকে এবার আমরা যাব আফ্রিকা মহাদেশে। এখানকার দেশগুলোতে সবসময় মারামারি লেগেই আছে। তাই বেশিক্ষণ ঘুরাঘুরি করা ঠিক হবে না। দেশগুলোর সীমান্তে অনেকে কড়াকড়ি থাকে। তবে অবাক হয়েছি নিচের সীমান্তটি দেখে। কোন দেশের সীমান্তচৌকি যে এমন হতে পারে সেটা নিচের ছবি না দেখলে বিশ্বাসই হত না। দুইটা মরা গাছের ডালে কেবল একটা দড়ি বেঁধে সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে। দড়ির এইপাশে সোমালিয়া, ওইপাশে ইথিওপিয়া।

সাধারনত দেশের ভিতরের রাস্তাঘাট যতই খারাপ হোক না কেন সব দেশের সরকারই চায় আন্তঃদেশীয় রাস্তাগুলো যেন ভাল হয়। হাজার হলেও দেশের ইজ্জতের প্রশ্ন। এই ব্যাপার নিয়ে আফ্রিকান দেশগুলোর যে কোন মাথা ব্যথা নেই সেটা উপরের ছবির মত নিচের ছবিটি দেখলেও বোঝা যায়। দক্ষিণ আফ্রিকা আর লেসোথোর মাঝের সংযোগ সড়কের অবস্থা কোনমতেই বাংলাদেশের নেত্রকোনা- সুসং দুর্গাপুর এর রাস্তা থেকে ভাল নয়।

বাংলা সিনেমার নতুন ক্রেজ অনন্ত জলিলের “ইউ পম গানা”-র কল্যাণে ঘানা আমাদের কাছে বর্তমানে খুব পরিচিত একটি দেশ। ঘানার রাস্তাঘাটের অবস্থাও খুব করুণ। নিচের ছবিতে ঘানা-নাইজেরিয়া সীমান্তের অবস্থা দেখলেই ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে।

অনেকগুলো দেশের সীমানা পড়েছে সাহারা মরুভূমিতে। তাই মরুভূমিতে কেউ বুঝতেই পারবে না যে তার দ্বারা সীমান্ত অতিক্রম করা হয়েছে কি না। এই যেমন নিচের ছবিতে আপনাকে বলে না দিলে কিভাবে বুঝবেন যে আপনি আলজেরিয়াতে নাকি মরক্কোতে আছেন?

আফ্রিকা নিয়ে অনেক নেগেটিভ কথা বললাম। এইবার কিছু পজিটিভ ছবি দেখাই। সীমান্তগুলোর প্রাকৃতিক দৃশ্যের কথা বিবেচনা করলে আফ্রিকান দেশগুলোর সীমান্তের চেয়ে সুন্দর সীমান্ত আর কোন মহাদেশেই নেই। নিচের ছবিটিই দেখুন। ১১০ মিটার উচ্চতার ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাতের উঁচু অংশে যেখানে লোকটি দাঁড়িয়ে আছে সেটি জাম্বিয়া। আর যেখানে পানি পড়ছে সেটি জিম্বাবুই।

কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা-নামিবিয়া সীমান্তের দিকে তাকাই। অসম্ভব সুন্দর অরেঞ্জ রিভার এর একপাশে দক্ষিণ আফ্রিকা, অন্যপাশে নামিবিয়া।

নিজের মহাদেশ অর্থাৎ এশিয়া মহাদেশে আসি এবার। প্রথমেই মধ্যপ্রাচ্য। ইসরাইলের উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক আরব বসন্তের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থা এখন এমনিতেই নাজুক। সীমান্তগুলোও খুব অনিরাপদ। পুঁজিবাদের নগ্নতা, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন আর ধর্মীয় বিভেদের মিথস্ক্রিয়ায় মানবতা আর মানবাধিকার প্রতিনিয়ত মাথা কুটে মরছে মধ্যপ্রাচ্যের সীমান্তগুলোতে। নিচের ছবিগুলোই এর প্রমাণ।

সিরিয়া-তুরস্কের সীমানায় ঘুরতে থাকা এই শিশুটি জানে না কেন তার দেশে গৃহযুদ্ধ চলছে? জানে না কেন তাঁকে উদ্বাস্তু হয়ে ঘুরতে হচ্ছে।

ধ্বংসস্তূপ মাড়িয়ে চলা গাজা এবং ইসরাইল সীমান্তবর্তী ফিলিস্তিনের এই শিশুরা জানে না পরদিন স্কুলে যাবার জন্য আদৌ তারা বেঁচে থাকবে কি না।

মৃত্যুর ভয়ে কতটা ভীত হলে মানুষ জীবনের উপর এতটা ঝুঁকি নিয়ে সীমান্ত পার হতে পারে? তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্তের ছবি।

ইসরাইল-ফিলিস্তিন সীমান্তের এই একটি ছবিই প্রমাণ করে কতটা অসম যুদ্ধ চাপিয়ে দিচ্ছে ইসরাইল বার বার ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে।

মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। চলুন দক্ষিণ এশিয়াতে চলে আসি। মায়ানমার দীর্ঘদিন তার সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করে রেখেছিল। সম্প্রতি তারা বহির্বিশ্বের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের স্বার্থে নিজেদের সীমান্ত কিছুটা হলেও উন্মুক্ত করেছে। নিচের ছবিটিই তার প্রমাণ। ছোট্ট ব্যরিয়ারটি পার হয়ে খুব সহজেই আপনি মায়ানমার থেকে থাইল্যান্ড চলে যেতে পারবেন।

ভারত আর চীনের মাঝে ১৯৬২ সালের সীমান্ত যুদ্ধে ভারত শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে ১৬৫০০ বর্গমাইল জায়গা হারিয়েছিল। অরুণাচল এবং কাশ্মীরের অনেক অংশের উপর দুই দেশেরই দাবী আছে। তাই তাঁদের সীমান্তে দুই দেশই অনেক তৎপর। নিচের ছবিটি ভারত-চীন সীমান্তের নথুলা পাস অংশের।

সব শেষে আপনাদের নিয়ে যাব পৃথিবীর সবথেকে বিপদজনক সীমান্তে। এই সীমান্তে সীমান্তবর্তী দেশ দুটির মাঝে গত ৪০ বছরে কোন যুদ্ধ হয় নি। তারপরেও এটিই পৃথিবীর সবথেকে বিপদজনক সীমান্ত। মৃত্যু প্রতিনিয়ত এই সীমান্তে উত পেতে থাকে। ইসরাইল-ফিলিস্তিন, কিংবা ভারত-পাকিস্তানের কাশ্মীর সীমান্তের ভয়াবহতা এই সীমান্তের নিষ্ঠুরতাকে কখনোই অতিক্রম করতে পারে নি, ভবিষ্যতেও পারবে না। কারন গাজা কিংবা কাশ্মীর সীমান্তে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মানুষ মারা যায়। আর এই সীমান্তে যুদ্ধ ছাড়াই একদেশের সৈন্যদের গুলিতে অন্যদেশের মানুষ মারা যায়। কি, ধরতে পেরেছেন আমি কোন সীমান্তের কথা বলছি? নিচের ছবিটি দেখুন, তাহলেই ধরতে পারবেন।

হ্যাঁ, আপনি ঠিকই ধরেছেন। এটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত। Human Rights Watch এর ভাষ্য অনুযায়ী এই সীমান্তে গত ১০ বছরে ১০০০ এর বেশি বাংলাদেশী ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন এর থেকেও কয়েকগুন বেশি। ৪০৯৫ কিমি দীর্ঘ এই সীমান্ত পৃথিবীর ৫ম দীর্ঘ আন্তঃদেশীয় সীমান্ত। এই সীমান্ত ভাগ করে দিয়েছে অসংখ্য পরিবারকে। খুব কাছে তারপরেও স্পর্শের ওপারে পাঠিয়ে দিয়েছে প্রিয়জনদের।

শেষ কথাঃ
ভিসামুক্ত একটি পৃথিবীর স্বপ্ন আমি সবসময়ই দেখি। স্বপ্ন দেখি শুধু একটি ভিসার অভাবে হিমালয় স্পর্শ করার সুযোগ আমার মুঠো থেকে ফস্কে যাচ্ছে না। স্বপ্ন দেখি আমাদের সীমান্তগুলো হবে নিরাপদ। স্বপ্ন দেখি মানুষে মানুষে মিথস্ক্রিয়ার। স্বপ্ন দেখি একটি সুন্দর আগামীর, একটি নিরাপদ বৈষম্যহীন পৃথিবীর। আমি জানি শুধু আমি একাই এই স্বপ্ন দেখি না। চারপাশের অসংখ্য মানুষ এই স্বপ্নের সহচর। আজ না হোক কাল; কাল না হোক পরশু; আমাদের স্বপ্নগুলো পূরণ হবেই এই বিশ্বাস বুকের গভীরে সবসময়ই লালন করে চলছি। বিশ্বাসের শক্তি অসীম। এই শক্তিতে বলীয়ান হয়ে আমরা না পারলেও আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের স্বপ্নগুলো সফল করবেই করবে। নতুন বছরে এই স্বপ্নই আমি দেখছি। সবাইকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা।

১৩ thoughts on “ভিসামুক্ত পৃথিবীর স্বপ্ন; খুলে যাক সব বদ্ধ দুয়ার

  1. সুন্দর পোষ্ট জন্ম লগ্ন থেকে
    সুন্দর পোষ্ট জন্ম লগ্ন থেকে শুনে আসছি ইসরাইল ফিলিস্তিনি যুদ্ধের ব্যাপারে ।। আমার যতদূর মনে হয় এরা শান্তি কি জিনিস এইটা ভুলে বসে আছে ……

    1. আজ যেটা অসম্ভব একদিন সেটা
      আজ যেটা অসম্ভব একদিন সেটা সম্ভবও হতে পারে দুলাল ভাই। আমরা দেখে যেতে পারব কি না জানি না। আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম হয়ত দেখে যাবে।

  2. পাশাপাশি অবস্থিত দুই দেশের
    পাশাপাশি অবস্থিত দুই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার যেখানে অনেক পার্থক্য, কাঁটাতারের বেড়া দেখছি সেখানেই উঁচু আর লম্বা।
    মানুষও ফেরেশতা হবে না আর পৃথিবীও ভিসামুক্ত হবে না।
    ইন্ডিয়া বাংলাদেশ বর্ডারে প্রতিনিয়ত যে নির্বিচারে মানুষ মারা হচ্ছে তাঁর প্রতিবাদ জানাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *