২০১৩ ইং বছরটি

পুরো লেখাটি এবছর কেমন কাটলো তা নিয়ে। যার সিংহভাগই ইস্টিশন ব্লগকে নিয়ে এবং ইস্টিশনের কিছু ব্লগারকে নিয়ে ।তাদের মধ্যে অন্যতম -রাহাত ভাই, আতিক ভাই, লিংকন ভাই, ডন ভাই, সফিক ভাই, কিরণ দা,অমিত লাবন্য দা, সোমেস্বোরি আপু সহ অনেকেই। যারা ব্লগিং জগতে আমাকে সাহায্য করেছে এবং এদের কয়েকজন ব্যক্তিগত জীবনেও। তাই ইস্টিশন ব্লগটি এত প্রিয়।

বছর টা প্রায় শেষ। আর কয়েক ঘন্টা বাকি আছে।বছর টা কেমন কাটলো তারই হিসাব কসছে সবাই। সেই হিসেব কসতে গেলে পেরে উঠবো না। কারণ সুখ-দু:খ, পাওয়া-না পাওয়ার হিসাব গুলোর দাখিলা রাখা হয় নি মনের হিসেবের খাতায়।

পুরো লেখাটি এবছর কেমন কাটলো তা নিয়ে। যার সিংহভাগই ইস্টিশন ব্লগকে নিয়ে এবং ইস্টিশনের কিছু ব্লগারকে নিয়ে ।তাদের মধ্যে অন্যতম -রাহাত ভাই, আতিক ভাই, লিংকন ভাই, ডন ভাই, সফিক ভাই, কিরণ দা,অমিত লাবন্য দা, সোমেস্বোরি আপু সহ অনেকেই। যারা ব্লগিং জগতে আমাকে সাহায্য করেছে এবং এদের কয়েকজন ব্যক্তিগত জীবনেও। তাই ইস্টিশন ব্লগটি এত প্রিয়।

বছর টা প্রায় শেষ। আর কয়েক ঘন্টা বাকি আছে।বছর টা কেমন কাটলো তারই হিসাব কসছে সবাই। সেই হিসেব কসতে গেলে পেরে উঠবো না। কারণ সুখ-দু:খ, পাওয়া-না পাওয়ার হিসাব গুলোর দাখিলা রাখা হয় নি মনের হিসেবের খাতায়।
অনেক রোমাঞ্চকর কাটলো বছর টা। অনেকটা মুভির মত একের পর এক টুয়িস্ট এসেছে। অনেক কিছু দিয়েছে এ বছর আমাকে। আনলাকি ১৩ বলা হলেও আমার জন্যে আনলাকি ছিল না হয়তো বা।

অনেক নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে, অনেক নতুন মানুষের সাথেই পরিচয় হয়েছে।
অনেক মানুষের স্বরূপ বুঝতে পেরেছি। হারিয়েছি অনেক বন্ধু, আবার নতুন বন্ধুও পেয়েছি। তবে বন্ধু বলতে কেউ যে পাশে দাড়াবার মত নেই সেটাও বলতে দ্বীধা বোধ করবো না। কারণ সবাই বসন্তের কোকিলের মতই।

আমার অনেক মনের ইচ্ছেই পূরণ হয়েছে এ বছর। স্মরণীয় ঘটনাও ঘটেছে অনেক, যা সারা জীবন মনে রাখবার মতই । কিছু ঘটনার মধ্যে গনজগরণ মঞ্চের সৃষ্টির পর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আকর্ষণ টা অনেক পরিমানে বেড়ে গিয়েছে। এর পরই ইস্টিশন ব্লগের মাধ্যমে প্রথম ব্লগিং জগতে পদার্পন। সেখানে কিছু বড় ভাইদের সাহায্যের ফলে অনেক উপকৃত হয়েছি। সাপোর্ট পেয়েছি বিশেষ করে তিন জন ব্যক্তির কাছে তারা হলেন -রাহাত ভাই, লিংকন ভাই, মুক্তা আপু। এরা শুধু ব্লগিং এ সাপোর্ট দেয় নি আমার ব্যক্তি জীবনেও সাপোর্ট দিয়েছে। এছাড়া রাআদ (ডন) ভাই, সফিক ভাই, অমিত দা, আতিক ভাই তো আছেই।
স্মরনীয় দিনের মধ্যে একটি ১০ই আগষ্ট ,১৮ই আগষ্ট, সেপ্টেমবরের ৫ ,অক্টোবরের ১ , নভেম্বরের ১৬ বিশেষ গুরুত্বপূর্ন। ১৬ই নভেম্বর জন্মদিনে (রাহাত+লিংকন+ডন) ভাই এর ট্রিট দেয়া, লিংকন ভাইয়ের উইশ- “আমার ছোট ভাই থাকলে তোর মতই দুষ্টমি করতো, তুই ছোট ভাইয়ের মতই। যদি কখনও কিছু প্রয়োজন হয় নির্দ্বিধায় চেয়ে নিবি। ” মনে থাকবে সব সময়েই। এর পর ১৬ই ডিসেম্বর প্রাণ খুলে জয় বাংলা স্লোগান আর জাতীয় সঙ্গিতের কথা কি করে ভুলবো! রাহাত ভাই এর জন্যেই দিনটি স্মরণীয় হয়ে আছে। সেই দিনই স্যার জাফর ইকবালের দেখা…ওহ! অনেক স্মরণীয়।

এছাড়া মুক্তা (সোমেস্বরী) আপু আপন বোনের মতই আমাকে অনেক পরামর্শ দিয়েছে । তার কিছু মুল্যবান কথা মনে রাখব। , রাহাত ভাইকে কতই না জ্বালিয়েছি তবুও বিরক্ত হয় নি। কার নাম ছেড়ে কারটা লিখব বুঝে উঠতে পারছি না।

এর পর রক্ত দান নিয়ে কাজ , ঘরের খেয়ে বনে মোষ তাড়ানো কাজ , এতে নিয়োজিত আছে কিছু পরোপকারী ভাই -সেলিম ভাই,মানিক ভাই, মোহাই মিনুর ভাই, শুভ ভাই, লিমন ভাই । এদের স্যলুট । মাঝে মাঝে এদের সাহায্য করতে পেরে অনেক ভালই লেগেছে। সবচেয়ে মনে পড়ে দু জনের কথা একজন আলমগীর যার জন্য আমি প্রায় ১৪-১৫ ব্যাগ রক্ত জোগার করে দিয়েছিলাম তার অমায়িক ব্যবহার্। আর সুজন নামে এক রক্ত দাতার যে কিনা গ্রামে যাবার আগে উল্টো পথে গিয়ে রক্ত দান করেছিল আমার কথায়, কিন্তু যাদের রক্ত দিয়েছিল তাদের খারাপ ব্যবহারে অনেক লজ্জিত হয়েছি। তারা বুঝে নি ab- যে কত দুষ্প্রাপ্য রক্ত।

বন্ধুদের সাথে বছর টা ভাল যায় নি। তবুও কয়েক জনের নাম উল্ল্যেখ না করলেই নয় তারা হল কল্লোল, সাদমান , আশিক, রাফসান , অনিক হাসান রনক, ফারহান, জামিল , হাসিন, নুরু , রহিম সবচেয়ে বেশি ইয়াসিন ও অনেক সাহায্য করেছে সাথে জন্মদিনের প্রথম উইশ টাও ও করেছিল। ফারহানের নাম দেয়ায় অনেকে অবাক হয়েছে ,কিন্তু ও যে আমাকে কিছু শিখিয়েছে, বন্ধুত্ব, ক্ষোভ আর মানুষ কি? তাই ওর নামটাও বাদ দিতে পারি নি।

বাবা মায়ের অবাধ্য হয়েছি আরও বহু কিছু করেছি এ বছর। আমার মত ব্যক্তিস্বার্থ নিয়ে চিন্তা করা একজনের চরিত্রের আমূল পরিবর্তন হয়েছে। এছাড়াও অনেক কিছুই পরিবর্তন এসেছে আমার চিন্তাধারায়। সেই ২০১২ এর আমি আর ২০১৩ এর আমি এর মধ্যে অনেক পার্থক্য। তবুও বলবো ভাল কেটেছে বছর টা।

১৭ thoughts on “২০১৩ ইং বছরটি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *