২৯ ডিসেম্বর – সরকার কি এই প্রথম প্রকাশ্যে বিরোধীদলের ফাঁদে পা দিল ?

আমার ক্যান যেনো মনে হচ্ছে বিগত ৫ বছরের মধ্যে সরকার এই প্রথম প্রকাশ্যে বড় ধরনের বোকামি করে ফেললো । নীচে আমি কারণ ব্যাখ্যা করছি –

২৯ ডিসেম্বরের বিরোধীদলীয় ‘ মার্চ ফর ডেমোক্রেসি ‘ মূলত আজ সকালের আগ পর্যন্ত খালি কলসি বাজে বেশি ধরনের কর্মসূচি ছিল । কথাটা শুনতে অদ্ভুত লাগলেও সত্য । তার কারণ , আপনি কি সত্যি মনে করেন বর্তমান প্রধান বিরোধীদলের পক্ষে আজকের সমাবেশ দিয়ে সরকার টলানো সম্ভব ছিল ? আপনার উত্তর যদি হয় ‘ হ্যাঁ ‘ তবে বলবো – আপনি কিঞ্চিৎ আয়োডিনের অভাবে ভুগছেন ।


আমার ক্যান যেনো মনে হচ্ছে বিগত ৫ বছরের মধ্যে সরকার এই প্রথম প্রকাশ্যে বড় ধরনের বোকামি করে ফেললো । নীচে আমি কারণ ব্যাখ্যা করছি –

২৯ ডিসেম্বরের বিরোধীদলীয় ‘ মার্চ ফর ডেমোক্রেসি ‘ মূলত আজ সকালের আগ পর্যন্ত খালি কলসি বাজে বেশি ধরনের কর্মসূচি ছিল । কথাটা শুনতে অদ্ভুত লাগলেও সত্য । তার কারণ , আপনি কি সত্যি মনে করেন বর্তমান প্রধান বিরোধীদলের পক্ষে আজকের সমাবেশ দিয়ে সরকার টলানো সম্ভব ছিল ? আপনার উত্তর যদি হয় ‘ হ্যাঁ ‘ তবে বলবো – আপনি কিঞ্চিৎ আয়োডিনের অভাবে ভুগছেন ।

এই কথা খুব স্পষ্ট এই বিরোধীদলের পক্ষে বৃহৎ কোন আন্দোলন করে বর্তমান সরকারের গদি কেড়ে নেয়া রুপকথার চেয়েও হাস্যকর । বিগত ৫ বছরে দেশের প্রধান এই বিরোধীদল নিজের একক ক্ষমতায় এমন কোন আন্দোলন করতে পারেনি যার ফলে সরকারের কপালে বিন্ধুমাত্র চিন্তার ভাঁজ পড়বে । মূলত আমাদের বিরোধীদল সরকার বিরোধী আন্দোলনের চেয়ে নিজের দুই ছেলের ভবিষ্যৎ চিন্তায় অধিক মগ্ন ছিল । সরকার গঠনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত সরকারের বেশ কিছু ভুল সিদ্ধান্ত থাকলেও আমাদের বিরোধীদল সেই ভুলের ইস্যুকে পুঁজি করে কোন প্রকার জনসমর্থন মূলক আন্দোলন করতে পারেনি কেবল তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু ছাড়া এবং সেটিতেই তারা ফেল । কারণ ঠিক ই ৫ ই জানুয়ারির নির্বাচন হবে বহাল তবিয়তে । হয়তো ।

তাহলে ২৯ ডিসেম্বরের কর্মসূচি কি ছিল ? আমি বলবো এইটা ছিল বিরোধীদলের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল সরকার বিরোধী কৌশল ! জাস্ট একটা টোপ !!

একটু খেয়াল করুন , আজ নয়া পল্টনে একজন বিরোধীদলের নেতাকর্মী র ছায়া কেউ দেখে নি কিন্তু ইতিমধ্যে সারাদেশ আজকের কর্মসূচি র ইস্যু নিয়ে তোলপাড় হয়ে গেছে । যারা এতদিন নিরপেক্ষ ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিল তারা নতুন করে ভাবতে বাধ্য হচ্ছে ।
সারাদেশে সরকারের অলিখিত অবরোধ , জাতীয় পতাকা বানাতে গিয়ে দর্জি আটক , বাড়িতে বাড়িতে পুলিশি তল্লাসি ,অর্থের বিনিময়ে মুক্তি লাভ , সুপ্রিম কোর্টে জয় বাংলা স্লগানে হামলা , প্রেস ক্লাবে হামলা , নারী আইনজীবীকে ক্যামেরার সামনে রাস্তায় ফেলে পিটানো , লাঠি নিয়ে কর্মসূচীতে আসতে বারণ করা হলেও সরকার দলীয় ক্যাডারদের ঢাকা জুড়ে পুলিশি প্রহরায় লাঠি মিছিল , বিরোধীদলীয় নেত্রীকে গৃহে অবরুদ্ধ করে রাখা , জনমনে আতংক ।

এই সব কিছু করা হচ্ছে পাবলিক ভোগান্তি বাড়ছে অথচ এইসব করতে বিরোধীদলের বিন্ধুমাত্র কষ্ট করতে হল না । এমনকি তাদের মাঠে নামার ই প্রয়োজন পড়লো না ! তারা বাসায় লেপ মুড়ি দিয়ে বসে রইল টিভির সামনে !
জাস্ট টিভি , প্রিন্ট , অনলাইন মিডিয়া তার কাজ করে গেল এবং সরকার নিজের পায়ে যেন নিজেই কুড়াল বসালো !!

এই মুহূর্তে খুব দ্রুত গতিতে এখন পাবলিক সেন্টিমেন্ট ঘুরে যাচ্ছে । সরকারের এতদিনের ভালো এচিভমেন্টগুলো আজ কতোটা কাজে আসবে বলা মুশকিল । ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি যারা এতিদিন কনফিউশনে ছিল কি করবে তারা হয়তো সহজেই সিদ্ধান্তে আসবে বাংলাদেশ সম্পর্কে এবং জাস্ট এই কাজগুলোই করতে চেয়েছিল বিরোধীদল । আর আশ্চর্যের বিষয় তাদের হয়ে সরকার নিজেই সেই কাজ করে দিল ! এবং তারা এই কাজ করলো কেবল মাত্র নিজেদের অহেতুক অতিরিক্ত ভয়ে । যার কোন ভিত্তি ছিল না । ছিল না বিন্ধুমাত্র প্রয়োজন । বিরোধীদল এমন হাজার প্রোগ্রাম করেও কিছু করতে পারতো না যেটি আজ তারা করে দেখাল !! আমি জানি না সরকারকে কে বা কারা এই বুদ্ধি দিয়েছিল , তবে যে দিয়েছিল সে খুব সম্ভবত বড় ধরনের বোকামি করলো ।

আমি জানি না এতো বড় ভুলের সংশোধন কিভাবে করা সম্ভব বা আদৌ সম্ভব কিনা । রাজনীতিতে একটু ভুল সিদ্ধান্ত কতো বড় ক্ষতির কারণ হয় আমরা এখন তাই হয়তো দেখবো ।

( উপরের আলোচনা সম্পূর্ণ আমার পারসনাল অপিনিয়ন । আমার ভুলও হতে পারে । আমি আমার ধারণাটুকু জাস্ট প্রকাশ করলাম এবং সেই অধিকার আমার আছে । নোটটি আমার ফেইসবুক আইডি থেকে প্রথম পোস্ট করা হয়েছিল । )

২৯ thoughts on “২৯ ডিসেম্বর – সরকার কি এই প্রথম প্রকাশ্যে বিরোধীদলের ফাঁদে পা দিল ?

  1. সহমত আপনার সাথে…আজকের
    সহমত আপনার সাথে…আজকের সমাবেশটা করার অনুমুতি দেওয়ার দরকার ছিল।

    আওয়ামীলীগ এভাবে আর কতদিন চলতে পারবে?? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

    1. আজকের সমাবেশ করে বিরোধী দল
      আজকের সমাবেশ করে বিরোধী দল তেমন কিছু করতে পারতো বলে আমি বিশ্বাস করি না । তাদের সেই মরাল ছিল না । কিন্তু হঠাৎ পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে । জানি না ভবিষ্যতে কি আছে

  2. আজকের ব্যাপারটা আমিও ঠিক
    আজকের ব্যাপারটা আমিও ঠিক মেলাতে পারিনি। সমাবেশ করতে দিলে কিছুটা গ্যাঞ্জাম হইত ঠিক, কিন্তু বিএনপি-জামাত সরকার কেশও ফালাইতে পারত না। পল্টনে তেমন লোক জড়ো করার চান্সই পায় নাই। সেক্ষেত্রে খা-লেদা ম্যাদামকে পল্টনে যাইতে দিলে মজাই হইত। ফাঁকা ময়দানে কিছুক্ষন ব্যা ব্যা করে আসত। এখন তো প্রচার হচ্ছে জোরেশোরে যে বেগমকে অবরুদ্ধ করে রাখা হইছে। এইটা আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচিত হবেই।

    1. আতিক ভাই , ঠিক তাই
      লক্ষ্য

      আতিক ভাই , ঠিক তাই

      লক্ষ্য করুন প্রধান বিরোধী দলের অন্তত ৫০০ কর্মী কিন্তু নয়া পল্টন গিয়ে শুইয়া পড়বার কলিজা করতে পারে না !! বিষয়টা অদ্ভুত আর হাস্যকর নয় ?

      যাই হোক রাজনীতি বুঝার সাধ্য আমাদের নেই । আমরা আমাদের প্রাস্পেক্টিভ থেকে একটা ধারণা দিতে পারি । আমার কাছে আজকের সরকারী কর্মকাণ্ড অহেতুক ভীতু চেহারা ছাড়া আর কিছু মনে হয়নি যা বিরোধী দলকে এগিয়ে দিল

    2. আতিক ভাইয়ের সাথে সহমত,
      গাড়ি

      আতিক ভাইয়ের সাথে সহমত,
      গাড়ি না চলার কারনে এভাবেই মানুষ আসতে পারে না, ঢাকার লোক দিয়ে তেমন কিছু করতে পারতো বিএনপি আমার মনে হয়,
      ম্যঠাম কে পল্টনে যেতে দিলে ভালো হতো।

  3. গুড অব্জারভেশন বাট আই ডোন্ট
    গুড অব্জারভেশন বাট আই ডোন্ট এগ্রি উইথ ইউ আবাউট সাম কন্টেক্স ।
    গভমেন্ট অনেক ফল্ট ইন দা মিন টাইম করে ফেলেছে । আজকের ঘটনা অর্থাৎ গভমেন্টের স্ট্যান্ডের কারণে হাতি ঘোড়া কিছু হবেনা । যা হবার অনেক আগেই হয়ে গেছে । আর ৫ মে’ র প্রিসিডেন্ট থাকার পর হাসিনা কেন রিস্ক নেবে বলেন ?
    পাবলিক যেমন হাসিনাকে সাপোর্ট করেনা অন দা অদার হ্যান্ড জামাত সম্পৃক্ততার কারণে ১৮ দলীয় অ্যালায়েন্সের ইভেন্ট কে স্পন্টেনিয়াস সাপোর্ট করছে না । দ্যাটস দা ফ্যাক্ট , নো আদার থিং বিহাইন্ড দিস সিনারিও ।
    ৫ জানুয়ারি একটা ইলেকশন হবে , নতুন গভমেন্ট ফরমেশন হবে বাট পাবলিক শান্তি পাবেনা পাবেনা পাবেনা … বিকজ ইট উইল বি ট্রিটেড আ অন পার্টি ইলেকশন হয়ার মাস পিউপলস ম্যান্ডেট ওয়াজ আবসেন্ট । এন্ড ১৮ দলীয় জোট উইল কন্টিনিউ দেয়ার সো কল্ডড হরতাল অবরোধ ।

    1. ৫ ই মে অবশ্যই একটা ইস্যু ,
      ৫ ই মে অবশ্যই একটা ইস্যু , তবে সেটি উনারা যথাসম্ভব কাটাতে চেষ্টা করেছে । সম্পূর্ণ সফল তা বলা যাবে না কিন্তু মতিঝিলে উনাদের প্রবেশের পর সরকারের চেষ্টা ছিল বিগত ভুলের মাশুক চুকিয়ে দেয়ার ।

      শেষের দিকের পয়েন্ট গুলোর সাথে সহমত । এই নির্বাচন হয়তো হয়ে যাবে । কিন্তু সরকার কতদিন গদি ধরে রাখতে পারে সেটাই মুখ্য ।

      গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ নির্বাচিতা নীরা

  4. সরকার ভয়ের মাঝে ছিলো বলেই এই
    সরকার ভয়ের মাঝে ছিলো বলেই এই অবস্থা হয়েছে কিন্তু একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত ছিলো সুপ্রীম কোর্টে যা হয়েছে তা সত্যি ন্যাক্কারজনক এবং নিন্দারযোগ্য ।। আওয়ামীলীগের উচিত হয়নি এই ধরণের কাজ করা কারণ আদালত অবমাননা রাষ্ট্র অবমাননার সামিল ……

        1. নিন্দা জানানোর ভাষা নেই ।
          নিন্দা জানানোর ভাষা নেই । হেফাজতের মিছিলে নাদিয়া শারমিন আর গতকালের মহিলা আইনজীবী উপর অত্যাচারে গুনগত তেমন পার্থক্য কি ছিল ? মনে হয় না

  5. আজকের ব্যাপারটা আমিও ঠিক
    আজকের ব্যাপারটা আমিও ঠিক মেলাতে পারিনি। সমাবেশ করতে দিলে কিছুটা গ্যাঞ্জাম হইত ঠিক, কিন্তু বিএনপি-জামাত সরকার কেশও ফালাইতে পারত না। পল্টনে তেমন লোক জড়ো করার চান্সই পায় নাই। সেক্ষেত্রে খা-লেদা ম্যাদামকে পল্টনে যাইতে দিলে মজাই হইত। ফাঁকা ময়দানে কিছুক্ষন ব্যা ব্যা করে আসত। এখন তো প্রচার হচ্ছে জোরেশোরে যে বেগমকে অবরুদ্ধ করে রাখা হইছে। এইটা আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচিত হবেই।
    — সহমত ।

    মন্দের ভাল হিসেবে যে কোন নাশকতা বা আন্দোলন ঠেকাতে সরকার যে সমর্থ আছে তা আরেকবার প্রমাণিত হৈলো আর কি ।

  6. বড়ই গোলমেলে ব্যাপার… সমাবেশ
    বড়ই গোলমেলে ব্যাপার… সমাবেশ করতে দিলেও হয়তো এত গেঞ্জাম হত না!
    সবাই জানে বিএনপির অবস্থা এখন কেমন। তারা বেশি কিছু করার ক্ষমতা রাখে না।
    শুধু শুধু সমাবেশ করতে না দিয়ে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হচ্ছে! :ক্লান্তকাছিম: :ক্লান্তকাছিম: :ক্লান্তকাছিম:

    1. এখন বিরোধীদল আন্দোলনের নতুন
      এখন বিরোধীদল আন্দোলনের নতুন ইস্যু পেয়ে গেছে । আজ দেখলাম ব্রিটিশ হাই কমিশনার খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন । সো , অভারল বাঁধা দিয়ে আমি তেমন কোন ফয়দা দেখিনি , ক্ষতি ছাড়া

  7. বলা চলে বি.এন.পি. বর্তমানে
    বলা চলে বি.এন.পি. বর্তমানে একটা নামসর্বস্ব দল। না আছে, সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার মত কেউ, না আছে মাঠ পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী রাখার মত চেইন অব কমান্ড, না আছে কোন সাংগঠনিক শক্তি। জামাতের কিছু ফালাফালি ছাড়া বিএনপি সরকারের একটা গুপ্তকেশও ফেলানোর সামর্থ রাখে না। পাঁচ বছরে সরকারের ভুলগুলো তাদের জনসমর্থন যতটা কমিয়েছিল, সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপি তথা জামাতের নাশকতায় তা প্রায় পুরোটাই পুষিয়ে গিয়েছিল।

    কিন্তু, এভাবে সরকারীভাবে পুরো দেশকে অচল করিয়ে দিয়ে, সরকার আরও ডমেস্টিক এবং ইন্টারন্যাশনাল লেভেলে বার্তা পাঠালো, বর্তমান সরকার বিরোধী দলের আন্দোলনের ভয়ে ভীত। এখন সরকারী হরতাল নামে নতুন একটা বাগধারাও চালু হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের মত প্রবীন রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে এমন ভুল আশা করা যায় না।

    তবে, এটাকে বিএনপির কৌশল বা টোপ হিসেবেও মনে করছি না। মাদারে গণতন্ত্র খালেদা জিয়া জেএসসি কিংবা তার সালাউদ্দিন বিন লাদেন বা ফখা ইবনে চখা কারও দৌড়ই অতদূর না। সংবাদ সম্মেলন করে তারা ফালাফালি অতীতেও বহু করেছে, এখনও করছে। সেটাই করেছিল তারা। স্রেফ নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতে কিংবা জামাতকে নাশকতার ইশ্যু ধরিয়ে দিতে একটা কর্মসূচীর ঘোষণা। কিন্তু, আওয়ামী লীগ অকারণে পুরো দেশকে অচল করে দিয়ে নিজেই নিজের সব গুপ্তকেশ একেবারে শেইভ করে দিয়েছে। বিএনপির ছেড়ার কোন প্রয়োজন হয় নি।

    1. ঠিক তাই । অহেতুক ভয় সরকারকে
      ঠিক তাই । অহেতুক ভয় সরকারকে গেইমে পিছিয়ে দিয়েছে , অন্তুত এই মুহূর্তে

      সুন্দর মন্তব্য ক্লান্ত কালবৈশাখি :গোলাপ:

  8. আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর
    আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর অবস্থানে রেখে সমাবেশ করতে দেওয়া উচিত ছিল। এভাবে বাধা দিয়ে কোন লাভ তো হয় নাই উলটো সাধারণ মানুষকে চরম বিপদে ফেলেছে। এতদিন বিএনপির জন্য মহাসড়ক বন্ধ ছিল এখন সরকারের জন্য। সেদিন যে কি মহা ঝামেলায় পরছিলাম…। বাসও ছাড়ে না, প্লেনের টিকিটও পাই না। ২৪ ঘণ্টা চরম টেনশেনে থেকে অবশেষে প্রিয় মানুষটিকে ঢাকায় পাঠাতে পারলাম। :মাথানষ্ট:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *