ভালোবাসা

সূ্র্যের আলো এখনো এসে পৌঁছায়নি।
চারদিকে এখনো ভোরের আবছা অন্ধকার। কোন শব্দ নেই।
তপু কাকাতুয়া পাখীটাকে নিয়ে এমন ভাবে ঘর থেকে বের হলো যেন কেউ দেখতে না পাই। চুপচাপ। টিপ টিপ পায়ে।কিন্তু কোন লাভ হয়নি। যার ভয়ে এত সাবধানতা সেই তার মা নুরজাহান বেগম সামনে দাড়িয়ে। মাকে দেখে থমকে দাড়ালো তপু। মুখে কোন শব্দ নেই।ভয়ের ছাপ এসে বাসা বেধেছে এগার বছরের বালকের চোখে-মুখে।
-কি? আজ আবার বেড়িয়েছিছ পাখী নিয়ে?
মায়ের আচমকা কথায় মাথা নিচু হয়ে গেল তপুর।
-তুকে না বলেছি হাত-মুখ দুয়ে পড়তে বসার জন্য।কথা কানে যাইনা? যা পড়তে যা।

সূ্র্যের আলো এখনো এসে পৌঁছায়নি।
চারদিকে এখনো ভোরের আবছা অন্ধকার। কোন শব্দ নেই।
তপু কাকাতুয়া পাখীটাকে নিয়ে এমন ভাবে ঘর থেকে বের হলো যেন কেউ দেখতে না পাই। চুপচাপ। টিপ টিপ পায়ে।কিন্তু কোন লাভ হয়নি। যার ভয়ে এত সাবধানতা সেই তার মা নুরজাহান বেগম সামনে দাড়িয়ে। মাকে দেখে থমকে দাড়ালো তপু। মুখে কোন শব্দ নেই।ভয়ের ছাপ এসে বাসা বেধেছে এগার বছরের বালকের চোখে-মুখে।
-কি? আজ আবার বেড়িয়েছিছ পাখী নিয়ে?
মায়ের আচমকা কথায় মাথা নিচু হয়ে গেল তপুর।
-তুকে না বলেছি হাত-মুখ দুয়ে পড়তে বসার জন্য।কথা কানে যাইনা? যা পড়তে যা।
নুরজাহান বেগম এক হাতে তপুর কান ধরে অন্য হাতে পাখীর খাঁচাটা হেছকা টান দিয়ে ছিনিয়ে নিলো। তপু মাথা নিচু করে সুবোধ বালকের মত মৃদুপায়ে ঘরে ফিরে এলো। মায়ের কথার কোন
প্রতিবাদ করতে পারলোনা। সে জানে এখন যদি কিছু বলে তাহলে নির্ঘাত থাপ্পর খাবে।

তপু পড়ার টেবিলে বসে আছে। পড়ার কোন লক্ষণ নেই।শুধু ভাবছে আজ মাঠে যেতে পারেনি। কাকাতুয়াকে পোকা-মাকড় ধরে খাওয়াতে পারেনি। যেদিন তার ছোটমামা শান্তনু কাকাতুয়া পাখীটাকে রেখে গেছে সেদিন তপু অনেক খুশি হয়েছিলো। সারাক্ষন পাখীটাকে নিয়ে খেলা করতো।এখানে সেখানে ঘুরে বেড়াতো। পোখা-মাকর ধরে ধরে খাওয়াতো। কিন্তু নুরজাহান বেগন খুশি হতে পারেনি। পাখি দেখে তার ভাইকে অনেক গাল-মন্দ করেছিলেন। আর বলেছিলেন:
–এই বুঝি তপুর পড়ালেখা গুল্লাই গেল। নিজে ভন্ড রামছাগল হয়েছে এখন তপুকেও তাই বানাতে চাচ্ছে।
মায়ের কথা শুনে তপুর মাঝে মাঝে হাসি পায়। আবার ভাবে, মা ঠিক-ই বলেছে। তা না হলে আমি সারাক্ষন পাখী নিয়ে থাকবো কেন?

তপু স্কুলে থাকলেও সারাক্ষন পাখী নিয়েই ভাবতো।স্যার ক্লাস নিচ্ছেন, নানান কিছু পড়াচ্ছেন, কিন্তু সেইদিকে তপুর বিন্দু মাত্র লক্ষণ নেই। এক দৃষ্টিতে ক্লাস রুমের জানালা দিয়ে বাহিরে তালিয়ে থাকতো আর ভাবতো –
না জানি বাড়িতে কাকাতুয়া কেমন আছে? খাবারের জন্যে না জানি কেমন ছটফট করছে। আমি ছাড়া তো আর কেউ পাখিটাকে খাবার দিবেনা!
মাঝে মাঝে ভাবতো পাখীটাকে যদি স্কুলে নিয়ে আসা যেতো তাহলে
কোন চিন্তা ছিলোনা। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে পাখীটাকে খাবার খাওয়ানো যেতো। হঠাৎ স্যারের কান-মলা খেয়ে তপুর ধ্যান ভাংতো।

আজ তপু কাকাতুয়াকে কিছুই খাওয়াতে পারেনি। ভোর সকালে মায়ের হাতে ধরা পরেছে ।পড়ার টেবিলে বসে বসে ভাবছে:
– এখন যদি স্কুলে চলে যাই তাহলে নিশ্চয় কাকাতুয়া না খেয়ে থাকবে। কেউ তাকে খাবার দিবেনা। অনেক কষ্ট হবে।
একথা ভেবেই তপুর চোখে পানি চলে এলো।
তপু পড়ার টেবিল হতে উঠে দরজা ফাঁক করে চারদিকে তাকিয়ে কাকাতুয়াকে খোঁজতে লাগলো। বেলকুনির এক কোনে কাকাতুয়ার খাঁচাটা পরে আছে।
নুরজাহান বেগমকে আশেপাশে কোথাও না দেখে এক লাফে রান্নাঘরে দিকে ছোটে গেল তপু । মাটির বড় কলসির ভিতর হাত দিয়ে এক মুঠো গম নিয়ে কাকাতুয়ার খাঁচার কাছে চলে এলো। খাঁচাটা একটু ফাঁক করে কৌঠার মধ্যে গম গুলো রেখে দিল । মুহুর্তের মধ্যে কাকাতুয়া তার ঠোট দিয়ে গম গুলো তুলে নিচ্ছে।
তপু অপলক দৃষ্টিতে কাকারতুয়ার খাচাঁর দিকে চেয়ে রইলো।

-আবার তুই পাখিটাকে নিয়ে মেতে আছিস?
মায়ের দমকানু কথায় তপুর বুকের ভেতর ছ্যাত করে উঠলো।
নুরজাহান বেগম কাছে এসে তপুর গালের মাঝে ঠাস করে একটা থাপ্পর বসিয়ে বললেন:
–যা হতচ্ছারা যা এখান থেকে। আবার যদি দেখি তুই পাখিটাকে নিয়ে মেতে আছিস তাহলে মেরে পিঠের হার ভেঙ্গে দিবো। কত বলি পড়ার সময় পাখি নিয়ে খেলা করবিনা আমার কথা কানেই তুলেনা।

তপু মায়ের মার খেয়ে আর দাঁড়ালো না। চোখ দিয়ে টপ টপ
করে পানি পরছে আর মায়ের প্রতি এক রাস রাগ বেরিয়ে আসছে। তপু তার স্কুল ড্রেস পরে ব্যাগ কাঁদে নিয়ে রুম থেকে বেরিয়েছে স্কুলে যাবার জন্য।পিছন থেকে নুরজাহান বেগম চেঁচিয়ে ডেকে উঠলো,
নাস্তা খাওয়ার জন্য। কিন্তু তপু ফিরেও তাকালো না।
মায়ের ডাকে হাঁটার গতি আরো বাড়িয়ে দিলো।

তপু স্কুলে যায়নি। পেটে খিদে নিয়ে রৌদ্রের মাঝে সারাটা দিন এ মাঠ থেকে ওমাঠে ঘুরে ঘুরে কাকাতুয়ার জন্য পোকা-মাকড় সংগ্রহ
করেছে। খিদার তীব্রতা যখন প্রবল ভাবে অনুভব হচ্ছে তখন শেষ বিকেলে শুকনু মলিন মূখে বাড়ি ফিরে এলো।

আকাশের কালো মেঘ এক পাশ থেকে অন্যপাশে ছুটে চলেছে, বৃষ্টি হবে মনে হচ্ছে। চারদিকে সন্ধার অন্ধকার ফুটে উঠেছে।
তপু উঠুনের এক পাশ দিয়ে আস্তে আস্তে বাড়িতে ডুকলো। শরীরে এক বিন্দুশক্তি নেই । দূর থেকে নুরজাহান বেগম তপুকে দেখে ছুটে এল।
-সারাদিন কোথায় ছিলি? স্কুলে যাসনি?
তপু কোন কথা বলছেনা। চুপ চাপ দাঁড়িয়ে রইল।
-তুকে এমন দেখাচ্ছে কেন? কিছু খাস নি?
তপুর শরীর মাথা ষ্পর্শ করে নুরজাহান বেগম বললো:
–শরীর এত গরম কেন? জ্বর এসেছে?
তপু ভাবলেশহীন ভাবে দাঁড়িয়ে রইলো। কোন কথা বলছে না। নুরজাহান বেগম তপুকে এক প্রকার কোলে করে ঘরে নিতে চাইলো। হঠাৎ একটু দূরে কাকাতুয়ার খাঁচাটার দিকে তপুর চোখ পরতেই নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে মায়ের কাছ থেকে ছুটে খাচাঁর কাছে চলে এলো। খাচাঁটা উপুর হয়ে পরে আছে।কাকাতুয়া নেই।
-মা পাখি কোথাই? পাখি নেই!
নুরজাহান বেগম কোন কথা বলছেন না। তপু কান্না জড়িত কন্ঠে আবার বলতে লাগলো:
-তুমি পাখি কি করেছ? খালি খাচাঁ পরে আছে কেন?
নুরজাহান বেগম আমতা আমতা করে বললেন –
পাখি কোথায় আমি কি করে বলবো? পালিয়ে গেছে হয়তো।
তপু কাঁদো কাঁদো কন্ঠে বললো –
পাখি পাকিয়ে যায়নি তুমি তাকে ছেড়ে দিয়েছো।
–ছেড়ে দিয়েছি বেস করেছি। পড়া-লেখা নেই, সারাদিন শুধু
পাখি নিয়ে থাকা। তা হবেনা। যা ঘরে যা। নুরজাহান বেগম
রাগান্নিত হয়ে এক প্রকার টেনে হেছড়ে তপুকে ঘরে নিয়ে গেলো।

রাতে তপুর প্রচন জ্বর এল। বাহিরে বৃষ্টি হচ্ছে।নুরজাহান বেগম ছেলের অবস্থা দেখে মানসিক ভাবে অনেকটা গাবরিয়ে গেলেন। কি করবেন কিছুই বুজতে পারছেননা। আকাশের অবস্থাও ভাল নয়
যে ডাক্তার ডাকবেন। একটু পর পর তপুর মাথায় পানি দিচ্ছেন। জল্ পট্টি দিচ্ছেন। জ্বর কমছে না।
নুরজাহান বেগম রাতে একটুও ঘুমাতে পারেননি। ভোররাতে হঠাৎ করে তিনি ঘুমিয়ে গেলেন।

সকালের আলো যখন একটু একটু করে ফুটতে লাগলো তখন তপু আস্তে আস্তে ঘর থেকে বেড়িয়ে এলো, যাতে তার মা টের না পায়।
বাহিরে ঝৃরি ঝৃরি বৃষ্টি পরছে। তপু খালি পায়ে বেরিয়ে পরলো কাকাতুয়াকে খোঁজার জন্যে।
সারাদিন বৃষ্টির মাঝে এ গাছ থেকে ও গাছে এ মাঠ থেকে ও মাঠে ঘুরে বেরিয়েছে। কোথাও কাকাতুয়া নেই।নাওয়া-খাওয়াহীন শরীরে প্রচন্ড জ্বর নিয়ে যখন বাড়ির পথ ধরলো তখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। অর্ধেক রাস্তা হেটে তপু আর হাটতে পারছেনা। ক্লান্ত ক্ষুধার্ত
শরীরে একটা গাছের ঘুড়ায় হেলান দিয়ে বসে পরলো।

বাড়িতে নুরজাহান বেগম তপুর জন্যে কাঁন্না-কাটি করছেন। সকাল থেকে পরিচিত অনেক কে পাঠিয়েছেন খোঁজার জন্যে। নিজেও অনেক খোঁজেছেন। কোথাও পাননি। সন্ধার অনেক পরে পাড়ার
দুজন লোক তপুকে ধরা ধরি করে বাড়ি নিয়ে এলো।

পূর্বের রাত্রের তুলনায় তপুর অবস্থা অনেক খারাপ হয়েছে। ডাক্তার
দেখে ঔষধ দিয়ে গেলেন। অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না।নুরজাহান বেগম বার বার মাথায় পানি দিচ্ছেন, জলপট্রি দিচ্ছেন। কিন্তু তপুর অবস্থার কোন পরিবর্তন হচ্ছে না ।সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে জ্যামিতিক হারে জ্বর বাড়ছে। সেই সাথে মুখ দিয়ে লালা পরছে। চারদিকে হ্যারিকেনের মৃদু আলো ছরিয়ে পরছে। কিছুক্ষণ পর পর তপু দু-চোখের পাতা টেনে ঘরের চারদিকে এক পলক দেখে। একরাশ হতাশা দু-চোখে ফুটিয়ে ফ্যকাশে মুখটাকে আরও ফ্যকাশে বানিয়ে চোখ বন্ধ করে ভির-ভির করে বলছে –
মা…আ- মা- র …পা- খী…… এ-নে- দা- ও…পা- খী…… এ- নে… দা- ও……
নুরজাহান বেগম ছেলের অবস্থা দেখে একটু পর পর কাঁন্নায় ভেংগে পরছেন।বিলাপ করতে করতে তপুকে ঝরিয়ে ধরে বলছেন –
আমি তুকে একাটা না দশটা পাখী এনে দিবো। তুই ভালো হও বাপ আমার, তুই ভালো হও। তপুর গাল বেয়ে কিছুক্ষণ পরপর চোখের পানি পরছে। চোখ মেলে মায়ের দিকে না তাকিয়ে দেয়ালের দিকে ঘাড় কাত করে ভির ভির করছে –কা- কা- তু- য়া কো- – থা- ই? আ-
মা- কে এ- নে -দা –ও … কা- -কা- -তু- – য়া…

মধ্য রাতে নুরাজাহান বেগমের কাঁন্নায় পাড়ার অনেক লোক এসে ঝড়ো হয়।বাড়িতে নুরজাহান বেগম তপুকে নিয়ে একাই থাকেন। বাবা তফাজ্জল হোসেন একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করেন। থাকেন চট্রগ্রামে। টেলিফোনে খবর দেয়া হয়েছে। কিছুক্ষণ আগে তপুর ছোট মামা শান্তনু চলে এসেছেন। সারা বাড়ি একধরনের ঘোম-ঘোম করছে। একেক জন একেক রকম পরামর্শ দিচ্ছেন।
– হাসপাতালে নিচ্ছনা কেন? ডাক্তার ডাক। কিভাবে এমন হলো? ……???

শেষ রাতে শান্তনু পাড়ার একজন ভ্যান চালককে নিয়ে এলেন। অনেক চেষ্ঠা করেও এম্বোলেন্সের সন্ধান করতে পারেননি।
মসজিদ থেকে আযানের ধ্বণি বেশে আসছে। নুরজাহান বেগমের “ওরে আল্লারে” বলে চিৎকার আযানের ধ্বনির সাথে মিশে শোকের করুন সুরের মত চারদিকে ছড়িয়ে পরছে। কেউ কোন শব্দ করছেনা। শুধু আকাশে বাতাসে আযান কাঁন্নার করুন সুর শোকের মাতম
তৈরি করছে।

সন্ধার আকাশ আধো আলো আধো ছায়ায় ঢাকা পরেছে।খাদ্য সন্ধানি পাখী গুলো ক্লান্ত শরীর নিয়ে আকাশে ডানা মেলেছে, ঘরে ফিরার জন্য।মধ্য বয়সি জলপাই গাছ ডাল-পালা চারদিকে মেলে ছরিয়ে আছে। সব ডাল গুলো কে পেছনে ফেলে একটা ডাল কবরের
উপরে এসে ছায়ার মত ঝুলে আছে। সেই ডালে, ঠিক কবরের উপরের অংশটাই কাকাতুয়া কবরের দিকে দৃষ্টি মেলে ডালের সাথে মাথা হেলিয়ে বসে আছে।কাকাতুয়ার দু- চোখের নিচ থেকে গলা পর্যন্ত সরু কালো জলের রেখা বয়ে গেছে। যেন অনন্ত কাল
দরে চোখ দিয়ে জল পরতে পরতে চোখের নিচের পালক গুলোর মধ্যে একটা নালা তৈরি হয়েছে। হঠাৎ কাকাতুয়া একধরনের অদ্ভুত শব্দ করে বুকের মধ্যেখানে তার ধাড়ালো ঠৌঁট দিয়ে ঠৌকরিয়ে ঠৌকরিয়ে একটা পালক ছিড়ে কবরের উপর ফেললো।পালকের গোঁড়ায় বিন্দু বিন্দু রক্ত জমে আছে। তারপর বুকের ক্ষত স্থান হতে এক ফুটা রক্ত যখন কবরের উপর পারলো, তখন সন্ধার আকাশে কাকাতুয়া তার ডানা দুটি শূন্যে মেলেছে।যেখানে মেঘেরা বয়ে চলেছে অবিরাম।

১০ thoughts on “ভালোবাসা

  1. প্রিয় সহব্লগার ইস্টিশন বিধির
    প্রিয় সহব্লগার ইস্টিশন বিধির ৫ নং ধারা মোতাবেক

    ৫. প্রথম পাতায় একজন যাত্রী’র দুই’য়ের অধিক পোস্ট এলে ফ্লাডিং বলে গণ্য করা হবে। কোন যাত্রী’র প্রথম পাতায় দুই’য়ের অধিক পোস্ট দেখা গেলে পুর্বের পোস্টের গুরুত্ব বিবেচনায় যে কোন দুইটি রেখে অন্য পোস্টগুলো প্রথম পাতা হতে সরিয়ে দেয়া হবে। যে কোনো ধরনের স্প্যামিং, কোডিং মুছে দেয়া হবে।

    হিমু ভাই ইস্টিশন বিধি পড়ে দেখার অনুরোধ রইল: http://istishon.blog/node/8#sthash.VqLLJNEX.dpbs

    …… ইস্টিশন মাস্টারকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হইলো।

  2. এটা আমার লিখা প্রথম গল্প। তাও
    এটা আমার লিখা প্রথম গল্প। তাও আবার ক্লাস ১০ এ থাকতে। যেমন ছিলো তেমনই রেখেছি। আমি চাইনি আমার প্রথম লিখা পরিবর্তন হওক। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *