“না”-কে তুমি প্রশ্রয় দিলে

সকাল থেকে বৃষ্টি পড়ছিলো ভীষণ,
রিং হচ্ছিলো সশব্দে।
বালিশের নীচে এঁটে থাকা সেলফোনটা
প্রচন্ড শক্তিশালী হয়ে উঠলো দৈবাৎ।
ঘুম ভাঙিয়ে দিলো অসহ্য ভাইব্রেটে।

প্রবল বর্ষণকে উপেক্ষা করে,ছুটে যাই।
বজ্রেপাতে ভয় ছিলোনা প্রাণের
ভয় ছিলো-
হাতের মুঠোটে থাকা রক্ত-স্নাত গোলাপের



সকাল থেকে বৃষ্টি পড়ছিলো ভীষণ,
রিং হচ্ছিলো সশব্দে।
বালিশের নীচে এঁটে থাকা সেলফোনটা
প্রচন্ড শক্তিশালী হয়ে উঠলো দৈবাৎ।
ঘুম ভাঙিয়ে দিলো অসহ্য ভাইব্রেটে।

প্রবল বর্ষণকে উপেক্ষা করে,ছুটে যাই।
বজ্রেপাতে ভয় ছিলোনা প্রাণের
ভয় ছিলো-
হাতের মুঠোটে থাকা রক্ত-স্নাত গোলাপের
আমার হাত ধরে গড়িয়ে যাওয়া হিমোগ্লোবিনের।

সন্ধ্যা অবধি দাঁড়িয়ে ছিলাম একা
কর্দমাক্ত ফুটপাতের রঙিন আলোর নীচে,
শতো আলোকবর্ষ ছিঁড়ে সংক্রামণক্ষম
বজ্রেপাতের নীচে,শব্দের চিৎকারে
মিলিয়ে যাচ্ছিলো আমার চিৎকার।

-প্রশ্ন করবার কাউকে পাচ্ছিলাম না।
-নম্বরটা তুমি কোথায় পেলে?
কেনো ভাঙলে ঘুমকে আমার?
অজস্র শব্দে আতঁকে উঠা সেলফোনটার সাথে,
এতো নির্মম ভাবে!

৩ thoughts on ““না”-কে তুমি প্রশ্রয় দিলে

Leave a Reply to অন্ধকারের যাত্রী Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *