কামদারঞ্জন রায়

“দুষ্টু বিড়াল দাঁত খিঁচিয়ে লাফিয়ে গাছে উঠে, টুনটুনিকেও ধরতে পারলে না, ছানাও খেতে পেলে না। খালি বেগুন কাঁটার খোঁচা খেয়ে নাকাল হয়ে ঘরে ফিরল।”

>>মনে কাছে কি সেই টুনটুনি আর বিড়ালের কথা ?? অথবা “কুঁজো আর ভূত” ও “খুঁত ধরা ছেলে” সেইসব গল্পের কথা??
“সন্দেশ” এর কথা মনে আছে তো ?? উহু খাবার সন্দেশ নয়… বলছিলাম সন্দেশ (বাংলা পত্রিকা) এর কথা।

কামদারঞ্জন রায়!
নামটা নিতান্তই অপরিচিত তাই নয় কি??
কিন্তু উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী??
বাংলা সাহিত্যের কথা যারা কম বেশি জানেন তারা সকলেই এই নামের সাথে পরিচিত…
আজ ২০ ডিসেম্বর এই উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী।


“দুষ্টু বিড়াল দাঁত খিঁচিয়ে লাফিয়ে গাছে উঠে, টুনটুনিকেও ধরতে পারলে না, ছানাও খেতে পেলে না। খালি বেগুন কাঁটার খোঁচা খেয়ে নাকাল হয়ে ঘরে ফিরল।”

>>মনে কাছে কি সেই টুনটুনি আর বিড়ালের কথা ?? অথবা “কুঁজো আর ভূত” ও “খুঁত ধরা ছেলে” সেইসব গল্পের কথা??
“সন্দেশ” এর কথা মনে আছে তো ?? উহু খাবার সন্দেশ নয়… বলছিলাম সন্দেশ (বাংলা পত্রিকা) এর কথা।

কামদারঞ্জন রায়!
নামটা নিতান্তই অপরিচিত তাই নয় কি??
কিন্তু উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী??
বাংলা সাহিত্যের কথা যারা কম বেশি জানেন তারা সকলেই এই নামের সাথে পরিচিত…
আজ ২০ ডিসেম্বর এই উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর মৃত্যুবার্ষিকী।

বাংলা সাহিত্যের যে কটি ধারা রয়েছে, শিশু সাহিত্য তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় একটি ধারা। আধুনিক বাংলা শিশু সাহিত্য সারা পৃথিবীতে একটি বিশেষ স্থান অধিকার করেছে। শিশু সাহিত্যের যে ধারা বর্তমান, তার অন্যতম পথিকৃৎ হলেন এই উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী। লেখক, চিত্রকর, দার্শনিক, প্রকাশক ও শখের জ্যোতির্বিদ উপেন্দ্রকিশোরের মূল পরিচিতি ১৯শ শতকের বাংলার এক ধর্মীয় ও সামাজিক আন্দোলন ব্রাহ্ম সমাজের অন্যতম নেতা ও তৎকালীন এ উপমহাদেশের বিখ্যাত শিশুদের পত্রিকা সন্দেশ-এর সম্পাদক হিসেবে। উপেন্দ্রকিশোরের ছেলে সুকুমার রায় ছিলেন বাংলা সাহিত্যের ননসেন্স রাইম ও শিশু সাহিত্যের সেরা লেখকদের একজন। আর সুকুমারের একমাত্র সন্তান সত্যজিৎ রায় একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক।।

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর লেখা বইগুলো হলো- ছেলেদের রামায়ণ (১৮৯৬), সেকালের কথা (১৯০৩), ছেলেদের মহাভারত (১৯০৮), মহাভারতের গল্প (১৯০৯), টুনটুনির বই (১৯১০), ছোট্ট রামায়ণ (১৯১১), আরও গল্প (১৯১৭), পুরাণের গল্প (১৯১৯)।
গুপি-গাইন-বাঘা-বাইন তাঁরই অমর সৃষ্টি।
১৯১৫ সালের ২০ ডিসেম্বর মাত্র বায়ান্ন বছর বয়সে উপেন্দ্রকিশোর পরলোকগমন করেন।

আমরা বাঙ্গালিরা আমাদের সাহিত্য নিয়ে অনেক গর্ব করি কিন্তু এই সাহিত্যের অগ্রপথিকদের আজ বেমালুম ভুলে যেতে বসেছি… সামনে এগিয়ে যাবার জন্য নিজের ইতিহাস জানা অনেক প্রয়োজন। তাহলে নিজের লক্ষ্য সহজেই ঠিক করা যায়, কোন পথা আমার তা নির্বাচন করা সহজ হয়!

আজ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীকে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ করছি বিনম্র চিত্তে!

৬ thoughts on “কামদারঞ্জন রায়

  1. ছোটেবেলায় উনার লেখা রামায়ন
    ছোটেবেলায় উনার লেখা রামায়ন পড়েছি বলেই হয়তো নামটা এখনো মনে আছে …… ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য শ্রদ্ধা জানাই উনাকে …… :bow:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *