গণ জাগরণ মঞ্চের এম্বেসী ঘেরাও কর্মসূচীও কিছু কথা

তরকারিতে লবণ না হলে তা যেমন খাওয়া যায় না তেমনি বেশি হলেও সেটা বিষ্বাদ লাগে। ৫ফেব্রুয়ারিতে রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে সারা দেশের মানুষ যে ভাবে রাস্তায় নেমে এসেছিল। একাত্ততা প্রকাশ করেছিল সাহবাগের সাথে সেই জন সমর্থনকে তেঁতু করে ছেড়েছিল এই মঞ্চের নেতারাই।
পড়ে যখন আবার সবাই বিজয় দিবসে গণজাগরন মঞ্চের একটা কর্মসুচির সাথে একাত্ততা প্রকাশ করে এক সাথে গেয়ে উঠে প্রিয় জাতীয় সংগীত ঠিক তখনি তারা আবার আরেক বিতর্কের জন্মদেয়।

এবার ভুক্তভুগি নারী, বীরঙ্গনা আর মুক্তিযুদ্ধারা। আবেগ নিয়ে খেলার চুড়ান্তপর্যায় যা আমাদের চোখের জলে বিশর্জন দিতে হয়েছে।

তরকারিতে লবণ না হলে তা যেমন খাওয়া যায় না তেমনি বেশি হলেও সেটা বিষ্বাদ লাগে। ৫ফেব্রুয়ারিতে রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে সারা দেশের মানুষ যে ভাবে রাস্তায় নেমে এসেছিল। একাত্ততা প্রকাশ করেছিল সাহবাগের সাথে সেই জন সমর্থনকে তেঁতু করে ছেড়েছিল এই মঞ্চের নেতারাই।
পড়ে যখন আবার সবাই বিজয় দিবসে গণজাগরন মঞ্চের একটা কর্মসুচির সাথে একাত্ততা প্রকাশ করে এক সাথে গেয়ে উঠে প্রিয় জাতীয় সংগীত ঠিক তখনি তারা আবার আরেক বিতর্কের জন্মদেয়।

এবার ভুক্তভুগি নারী, বীরঙ্গনা আর মুক্তিযুদ্ধারা। আবেগ নিয়ে খেলার চুড়ান্তপর্যায় যা আমাদের চোখের জলে বিশর্জন দিতে হয়েছে।
কূটনৈতিক পাড়ায় প্রতীকি প্রতিবাদ বা এক ঘন্টার মানব বন্ধন করা যেতে পারে, প্রতিবাদ বা আন্দোলনের ভাষ্য সরুপ। কিন্তু সেখানে আস্তানা গেরে আন্দোলধ চালিয়ে যাওয়া যুক্তি যুক্ত নয়।

একটা দেশের এম্বাসেডর হল সে দেশের রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি। একটা রাষ্ট্রপ্রধান যে সব সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে তাও ঐ কূটনীতিক পেয়ে থাকেন যতক্ষণ পর্যন্ত না কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়।

তাহলে আজ পাকিস্থানের সাথে কূটনিতিক সম্পর্ক্য থাকা অবস্থায় সরকারের নমনিয়তা দেখার মত।

তবে, নারী ও মুক্তিযুদ্ধাদের উপর পুলিশি অক্রমনের ব্যপারটা যেমন নিন্দা পাওয়ার দাবী রাখে তেমনি এর দোষ গনজাগরন মঞ্চের নেতাদের কাঁধেও পড়বে।

পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক্য নষ্ট করে দেওবার মত সয়ংসম্পূর্ণতা এখনও বাংলাদেশ অর্জন করতে পারে নাই। তবে একথাও সত্য যে পাকিস্তানের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করলে এদেশের মৌলবাদী সন্ত্রাশ কমে যাবে। জামাতীদের শক্তিও কমে যাবে। জামাতের সাথে যে পাকিস্তানী তেহরীকে তালেবান বা পাকিস্তানের রাজনৈতিক ক্ষমতাশীন দলের সাথে সম্পর্ক্য আছে তার প্রমাণ হয়ে গেছে।

এর পরও আমি বলব এ দীর্ঘ্য সময় ধরে কূটনৈতিক এলাকায় এভাবে আন্দোলন করা এবং আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কর্মসূচী গণজাগরন মঞ্চের কূটনৈতিক অদূরদর্শী স্বীদ্ধান্ত।
আবার নারীদের উপর পুলিশের এভাবে চড়াও হওয়া এবং হিন্দু নারীকে পুলিশের ‘মালাউনের বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করাটাও অনৈতিক ও সংবিধানের অসাম্প্রদায়ীকতানীতির পরিপন্থী বলে আমি মনে করি।

১০ thoughts on “গণ জাগরণ মঞ্চের এম্বেসী ঘেরাও কর্মসূচীও কিছু কথা

  1. গণজাগরণ মঞ্চ কি বলেছে সেখানে
    গণজাগরণ মঞ্চ কি বলেছে সেখানে গিয়ে অবস্থা নিবে? এবং পাকিস্থানের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা ছারা সেখান থেকে সরবে না ?

    আমার প্রশ্ন আপনার কাছে।

  2. পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক

    পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক্য
    নষ্ট করে দেওবার মত সয়ংসম্পূর্ণতা এখনও
    বাংলাদেশ অর্জন করতে পারে নাই।

    না খেয়ে মরে গেলেও পাকিস্তানের সাহায্য দরকার নেই।
    স্বয়ংসম্পূর্নতা??? পাকিস্থান কোন ঘাটতি পূরণ করছে?
    বলবেন প্লিজ?
    আর শুনুন আপনারে থাপ্পর দেয়ার আগে যেমন জানেন না তারা ও জানে না কি করবে।
    আগের দিনের ঘেরাও কর্মসূচিতে কিছু হয়নি ভাবা হয়েছে এখানেও হবে না।

    আর এটা সম্পূর্ন রাজনৈতিক চাল। এতে করে আওয়ামিলীগ দেখাবে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আপোষ হীন

  3. “পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক
    “পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক্য নষ্ট করে দেওবার মত সয়ংসম্পূর্ণতা এখনও বাংলাদেশ অর্জন করতে পারে নাই।”
    এই লাইনটি শুধু আপনার দেশের অর্জন সম্পর্কে কম ধারণার প্রমাণ দেয় না একই সাথে আপনার বিবেকের দৈন্যতা প্রমাণ করে, আমার কাছে আবার হেত্বাভাসমূলকও মনে হচ্ছে…

  4. আমার মনে হয় লেখক কে এখানে
    আমার মনে হয় লেখক কে এখানে বাংলাদেশ কে কৌশলী হতে বলেছেন। মাজেদ ভাই যেটা বুঝাতে চেয়েছেন সেটা ঠিক মত বুঝাতে পারেননি। ওনাকে আক্রমণ না করে শান্ত ভাবে বললে ভাল হয়।

  5. পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক

    পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক্য নষ্ট করে দেওবার মত সয়ংসম্পূর্ণতা এখনও বাংলাদেশ অর্জন করতে পারে নাই।

    কি আজিব কথা কন,ভাই? :মানেকি: ওই জারজদের সাথে সম্পর্ক রেখে দেশে ওদের জঙ্গিবাদের পুরীষ আমদানি ছাড়া আর কোনদিক দিয়ে লাভ হইছে? :ক্ষেপছি: হিসাবটা দেখতে ইচ্ছা করতেছে… :এখানেআয়:

  6. সবার মন্তব্যের প্রতি মন্তব্য
    সবার মন্তব্যের প্রতি মন্তব্য এক সাথেই দিয়ে দেইঃ

    কৌশল অবলম্বন করার কিছুই নাই।
    এক বেলা না খেয়ে বাচাঁযায় কিন্তু জীবন ধারন করা যায় না।
    পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক্য বিচ্ছিন্য করার ব্যপারে পক্ষ বিপক্ষ দুটি যুক্তিই দিয়েছি তবে পরের যুক্তিটা অনেকেই হয়ত পড়েন নাই।

    দুইটা দেশের কূট নৈতিক সম্পর্ক্য কচুপাতার পানির মত না যেটা ২০ঘন্টার মধ্যেই ছিন্ন করা যাবে। আরে ভাই বিবাহ হল দুটি পরিবারের মধ্যে সামাজিক সম্পর্ক্য সেটা ছিন্ন করার জন্যওতো একটা প্রকৃয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। একটা সময় সাপেক্ষ ব্যপার আছে।

    বাংলাদেশের অগ্রগতি এখনো এতটা সাবলম্বি না। না আর্থীক না মানষীক, আর তাই আপনার মায়ের জন্য যদি বোরকা কিনেন তাহলে বাংলাদেশী কাপরেরটার মূল্য যদি হয় দুই তিন হাজার টাকা তাহলে পাকিস্তানেরটার দাম দশ বার হাজার টাকা।
    পাকিস্তানের জেনারেল এসি ২০০০সলের আগে লাগানো প্রায় সব প্রতিষ্ঠানে এটা এখন একটা স্ট্যাটাসের ব্যপার দাড়িযেছে। বাংলাদেশী PCF ফ্যানের চেয়ে প্রায় ৫০০টাকা বেশী মুল্যের হলেও আমরা বাঙালীরা GFC ফ্যানই ব্যবহার বেশী করি। আমি বেশ কয়েকটা ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে দেখেছি।

    আপনার বোনের জন্য থ্রিপিছ কিনবেন? বাংলাদেশী যর্জেট আড়াই থেকে চার হাজারের মধ্যেই কিনতে পারবেন। কিন্তু ইন্ডিয়ানটা ৫হাজারের উপর আর পাকিস্তানী কাপরের দাম দশহাজারের উপরে। আপনার বাজেট থাকলে দামীটাই বোনের জন্য কিন বেন। এর মধ্যে দোকানীর চাটানী তো কিছুটা প্রভবক।
    ধরলাম সবই ঠিক আছে বাংলাদেশী ব্র্যান্ড ই ব্যবহার করবেন। কিন্তু অপারেশন থিয়েটার অপারেশন টেবিলে প্রেগন্যান্ট বোনের পেটে যে কাচি চালানো হচ্ছে আপনিকি জানেন সেই কাঁচিটা পাকিস্তানে তৈরি? বিকল্প পাবেন কই?

    ছোট ভাইয়ের কলেজের বায়োলজী ডিসেকটিং বক্স তাও পাকিস্তানের। পারবেন ভাইয়ের পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে?

    লজ্জা হওয়া উচিত্‍ ৭১এর গনহত্যার সাথে জারিত ও নেতৃত্ব্য দান কারি পাকিস্থান সেনে অফিসারের মৃত্যুতে বাংলাদেশ সরকার মহান সংসদে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল। সারা দেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় সেই সরকার এবং ৭১ এর ঘাতক দালালদের জোটকে আবার রাস্ট্রিয় ক্ষমতায় পাঠানো হয়েছে। কই তখন তো চুপ করেছিলেন?
    ৯২ এ যখন শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে রাষ্ট্র দ্রোহিতার মামলা দেওয়া হয় আর গোলাম আজমের বিরোদ্ধে আইনী সমনজারী করা হয় কেন সে এদেশে বসবাস করেও তার নাগরিকত্ব গ্রহণ করে নাই তখন তো কোন কর্মসূচী দেন নাই!
    এখন বলছেন পরিস্থিত নিয়ন্ত্রনে আওয়ামীলীগ সরকার বদ্ধ পরিকর তা জানান দেওয়ার জন্য আন্দোলন করীদের উপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে। বিশ্বাস করেন আর না করেন যদি আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকত তবে সাহবাগের অন্দোলন এত দিন চলত না। এই আন্দোলনের জন্মই হত না।

    আবোগ ভালবাসা আর ঘৃণা আমার মধ্যেও আছে। ছোট থেকে বড় হয়েছি রাজাকারদের ঘৃণা করে আর এই রাজাকারের দলযে জামাত তা জেনেছি যখন আমি একাদশ শ্রেণীতে পড়ি এর আগে এই দলটাকে চিনতাম BNP বলেই। এখন বলবেন লীগের দালালী করছি।
    যুক্তিতে আসুন।

  7. এখন বলছেন পরিস্থিত
    নিয়ন্ত্রনে

    এখন বলছেন পরিস্থিত
    নিয়ন্ত্রনে আওয়ামীলীগ সরকার বদ্ধ
    পরিকর তা জানান দেওয়ার জন্য আন্দোলন
    করীদের উপর লাঠিচার্জ করা হয়েছে।
    বিশ্বাস করেন আর না করেন
    যদি আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকত
    তবে সাহবাগের অন্দোলন এত দিন চলত না।
    এই আন্দোলনের জন্মই হত না।

    তা অস্বীকার করছি না। কিন্তু এটা একটা রাজনৈতিক খেল ছাড়া কিছু নয়।
    আমাদের বহু বিকল্প আছে পাকিস্তানি জিনিস আমদানী না করে অন্যত্র থেকে করা হবে তখন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *