গণজাগরণ মঞ্চকর্মীদের আটক

গণজাগরণ মঞ্চের পাঁচ ছয়জনকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।এই সময় পুলিশের সাথে ধস্তা ধস্তিতে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, সংসদ সদস্য তারানা হালিমসহ সাতজন আহত হয়েছেন। এছাড়া পাঁচ ছয়জন সংবাদকর্মীও আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

ঘটনাস্থল থেকে জানা যায়, পুলিশের লাঠিচার্যে ইমরান এইচ সরকার গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে অজ্ঞান অবস্থায় প্রথমে গুলশানের ল্যাবএইড শাখায় নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগ না থাকায় পরে তাকে গুলশান ২ এর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানের গণজারণ মঞ্চের পাকিস্তান হাইকমিশন ঘেরাও কর্মসূচিতে এ ঘটনা ঘটে।


গণজাগরণ মঞ্চের পাঁচ ছয়জনকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।এই সময় পুলিশের সাথে ধস্তা ধস্তিতে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, সংসদ সদস্য তারানা হালিমসহ সাতজন আহত হয়েছেন। এছাড়া পাঁচ ছয়জন সংবাদকর্মীও আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

ঘটনাস্থল থেকে জানা যায়, পুলিশের লাঠিচার্যে ইমরান এইচ সরকার গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে অজ্ঞান অবস্থায় প্রথমে গুলশানের ল্যাবএইড শাখায় নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগ না থাকায় পরে তাকে গুলশান ২ এর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে গুলশানের গণজারণ মঞ্চের পাকিস্তান হাইকমিশন ঘেরাও কর্মসূচিতে এ ঘটনা ঘটে।

অন্য আটকৃতরা হলেন-নাট্য নির্মাতা রওশন আরা নিপা, হুমায়ূন আজাদের ছেলে অরণ্য আজাদ, মাহমুদুল হাসানসহ আরো চার পাঁচজন।

এদিকে ইমরান এইচ সরকারকে আটক করে পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় গণজাগরণ মঞ্চের নেতাকর্মীরা তাকে ছিনিয়ে নেয়।

আহত হওয়ার আগে ইমরান এইচ সরকার বলেন, “আপনারা দেখেছেন কিভাবে আমাদের উপর হামলা করা হয়েছে। বন্দুকের নল দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। আমরা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আক্রমণ করে আন্দোলন দমানো যাবে না।

গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, ও আবুল কালাম আজাদ (বীর বিক্রম)নামের এক মুক্তিযোদ্ধা আহত হয়েছেন। ইমরান এইচ সরকারক ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।বাকীদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

৯ thoughts on “গণজাগরণ মঞ্চকর্মীদের আটক

  1. শেষ যখন অনন্যার সাথে আমার কথা
    শেষ যখন অনন্যার সাথে আমার কথা হয় তখন সে বলছিল তাকে পুলিশ ভ্যানে করে রমনা থানায় নেয়া হচ্ছে! সে বলছিল তার গাড়িতে গণজাগরণ মঞ্চের মোট তিনজন বিপ্লবী আছে তাদের আরেকজনের নাম রওশন আরা নিপা এবং অপর নামটি আমি ভালমতো বুঝতে পারি নাই…

    অফিস শেষে যখন গুলশান-২ এ পৌঁছাইলাম ঠিক তার আগ মুহূর্তেই বড় ভাই ফোন করে বলল “তুই কই? ইমরান ভাইকে নাকি গ্রেপ্তার করছে।। গিয়ে অবস্থা জানাবি!!”
    আমি ঠিক সাড়ে তিনটার কিছু বেশী হবে!! বুঝলাম না সরকারের আচরণ।। যেখানে কসাই কাদের মোল্লার ফাঁসীতে ক্ষিপ্ত হয়ে পাকিস্তানে বাংলাদেশ দুতাবাসে তালেবানদের রকেট হামলা করে উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে সেখানে আমাদের সরকারের অতি-উদারনৈতিক ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া কেবল আত্মঘাতী হবে না নির্লজ্জও বটে…

    তারপর একটা গোপন খবর বলি পুলিশের এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জে যখন আমরা সবাই এলোমেলো তখন কিছুক্ষণ পর আমি আবিষ্কার করলাম আমার পাশে একজন নারীকর্মী সরকারের উপরের মহলে ফোনালাপ করছে আর বাক-বিতণ্ডা করছে।। ভাল করে লক্ষ্য করে দেখলাম ‘তারানা হালিম’… তিনি বলছিলেন একমাত্র তিনিই সরাসরি সরকারের সাথে সম্পৃক্ত একজন নেত্রী বাকি সবাই হয় সংস্কৃতিকর্মী অথবা ছাত্র বা কর্মজীবী (ইমরানের মত) গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী এমন শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে কীভাবে পুলিশ এমন নগ্ন আক্রমণ করতে পারে তিনি বুঝতে পারছেন না।। তিনি আরও বলছিলেন যদি কূটনৈতিক আচরণ রক্ষায় বাধা দিতে হয় তবে ব্যারিকেড দিয়ে আটকাইলেই হয়, কিন্তু লাঠিচার্জ কেন? খুব রেগে তিনি কথা বলছিলেন।।

    আশাকরি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে। শীঘ্রই সকল আটক বিপ্লবীদের ছেড়ে দেয়া হবে এবং এই ন্যায্য দাবীর প্রাসঙ্গিকতা বুঝতে পেরে একটি পদক্ষেপ নিবে।।

    যে দেশের মানুষের বসবাস নাই সেই দেশের হাইকমিশন ঐতিহাসিকভাবে অসাম্প্রদায়িক এবং মুক্তিকামী বাঙালীর বাঙলাদেশে থাকার কোন যৌক্তিকতা নেই…

    ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও কর,
    পাকিস্তান হাইকমিশন ঘেরাও কর…
    ছিন্ন ছিন্ন ছিন্ন কর,
    অসভ্যদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন কর…

    মুক্তিযোদ্ধার বাঙলায় !!
    রাজাকার-পাকিজারজদের ঠাই নাই…

  2. হামলা চালিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা
    হামলা চালিয়ে আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না,
    অভিলম্বে ফাকিদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে,

  3. আসলে আমার মনে হয়েছিল যে হাই
    আসলে আমার মনে হয়েছিল যে হাই কমিশন ঘেরাও করাটা উচিত হয় নি। সেখানে পাশাপশি আর্ব বিভিন্ন দূতাবাস আছে। তাদের নিরাপত্তার জন্য এটা ঠিক হয় নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *