ধর্ষনের ধরাভঙ্গ উচ্ছাসে….



বিধ্বস্ত দেখছোনা?
একটু ছুঁয়ে দিলেই তো ভুলে যাই অজস্র বছরের ক্লান্তি,
ভ্রান্তি বিলাসে কল্পনার অনবদ্য সুখ।
তোমার যৌবনে সূর্য্যের তেজ ছিলো,
পোশাক খুলে ফেলো প্রিয়তমা
শরীরে ঢেলে দাও ফোটা ফোটা মধুর মতো বিষ।
যে বিষে মৃত্যুর চেয়ে শীতল কোন শিহরন নেমে আসে,
ধুয়ে মুছে সাফ করে অদ্ভুত অবাঞ্চিত অনুভুতি।

আমিতো আজন্ম বিবস্ত্র আনন্দ আহবানে,
নগ্নতার সবটুকু আবেগ বুকে তুলে নিয়ে অষ্পৃশ্য সবখানে।
যেটুকু সুতোর মতো জড়াতো নিষ্ঠুর জড়তায়,
তাও ঝেড়ে ফেলে বিষন্নতায় দ্যাখোনি
কেমন উলঙ্গ দাঁড়িয়েছিলাম রাজপথে,
প্রতিটি মিছিলে আমার উত্থিত লিঙ্গ ঝরিয়েছিলো বুলেটের খোলস!
রক্তের ধারায় উন্মাদ হয়ে নেচেছি তান্ডবে।

শত্রু শিবিরের সবাই আমার ভোগ্য ছিলো।
পশ্চিম পাকিস্তানের হুর গেলমান সব।
তবুও মাতিনি ধর্ষনের ধরাভঙ্গ উচ্ছাসে
বলেছিলো মুঠো ভরে স্বাধীনতা দেবে নিজস্ব শরীরের মতো।
যখন ওখানে তীব্র নখরের দাগ বসে গেলো
উদ্ধত তরবারির ফলার আঘাতের মতো
আমিও স্থির না থেকে পাল্টা কামড়ে দিলাম
পাক সার জমিন সাদ বাদ
ফুসে ওঠা নাগিনীর বিষাক্ত স্তন।
আমারো অভ্যন্তরে চব্বিশ বছরের জমে ওঠা বিপ্লবী সুর
রক্তের ধারার মতো গান ধরেছিলো,
ও আমায় পাগল করে এনে দিয়েছিলো
মহিমান্বিত স্বাধীনতা।

তাই আমি আজো এতো সাচ্ছন্দ বিছানায়,
মুক্তির সুচাগ্র চুচিতে চুম্বন দিয়ে বলতে পারি,
পতাকা তুমি আমার,শুধুই আমার।

৬ thoughts on “ধর্ষনের ধরাভঙ্গ উচ্ছাসে….

  1. মুক্তির সুচাগ্র চুচিতে চুম্বন

    মুক্তির সুচাগ্র চুচিতে চুম্বন দিয়ে বলতে পারি,
    পতাকা তুমি আমার,শুধুই আমার।

    অসাধারণ রাজু দা ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *