৭১-এর মানবতা বিরোধীদের বিচার করছেন- বেশ ভালো কথা, কিন্তু জামাত-শিবিরের বর্তমান কুকর্মের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন ?



কসাই মোল্লার ফাঁসির মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি কার্যকর হতে শুরু হয়েছে, যার মাধ্যমে আমাদের জাতীয় কলঙ্কের ভার হ্রাস হতে শুরু হলো । এর মাধ্যমে জাতি প্রমাণ করলো যে, আমাদের রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ করে কেউই রক্ষা পাবে না । যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি এই ভাবেই কার্যকর হতে থাকবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা ।

যেই মানবতা বিরোধী অপরাদের জন্য আজ যুদ্ধাপরাধীদেরকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে ঐ যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থনে জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা সারা দেশে তাণ্ডব চালাচ্ছে, মানুষ এবং মানুষের সম্পদ পোড়াচ্ছে, আর সরকার শিবিরের সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিহত করতে পুরোপুরি ব্যর্থ । তাহলে আমরা বিচারের মাধ্যমে জামাতকে লাগাম দিতে পারলাম কোথায় ? আজও আমাদের জনগণকে জামাতের সন্ত্রাসীদের আক্রমণের শিকার হতে হচ্ছে । কী করছে সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা ও বিভিন্ন বাহিনী ? সরকারের কাছে এত গুলি বাহিনী থাকতে কি করে জামাতের সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে দিবালোকে আমাদের জনগণের ওপর তাণ্ডব চালাতে সক্ষম হয় ?

আমাদের জনগণের সুরক্ষার জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে রাষ্ট্র বিভিন্ন বাহিনীকে পুষে থাকে, তাহলে আজ কেন জনগণের জান-মালের সুরক্ষার জন্য সেই সব বাহিনীকে ব্যাবহার করা হচ্ছে না ? জামাত আগেই ঘোষণা করে রেখেছিল; যদি কাদের মোল্লাদেরকে ফাঁসি দেওয়া হয় তাহলে সারা বাংলাদেশে আগুন লাগিয়ে দেবে । এমতাবস্থায় সরকারের কি উচিৎ ছিল না যে, আগেই পরিস্থিতির মোকাবের জন্য প্রর্যাপ্ত ব্যাবস্থা গ্রহন করা ? নাকি রাজনৈতিক কারণে সরকার এমনটি করেনি ? হয়তো জামাত-শিবিরকে তাণ্ডব চালানো সুযোগ দিয়ে দেশি এবং বিদেশিদের দেখানো যে- দেখ, জামাত-শিবির আসলে কতটা অসভ্য-ভয়ঙ্কর ।

ক্ষমতায় আসার জন্য কৌশলের বিকল্প নেই, কিন্তু তার জন্য কোনও নিরপরাধ মানুষের প্রাণ যাক তা আমরা চাই না । আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক তা আমিও চাই । আজ আওয়ামী লীগের সরকার যদি না হতো তাহলে এই স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কখনোই সম্ভব হতো না । সব দিক থেকে বিচার করলে আওয়ামী লীগই বাংলাদেশের সর্বোত্তম দল । আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্পন্দন, এই দল ক্ষমতায় না থাকলে বাংলাদেশ তার ছন্দ হারিয়ে ফেলে । সরকারের কাছে আমার প্রার্থনা- সরকার যেন স্বাধীনতা বিরোধী জামাত-শিবিরের আক্রমণ থেকে জনগণকে রক্ষা করতে কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহন করেন । প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করুন, গুড়িয়ে দিন স্বাধীনতা বিরোধী জামাত-শিবিরকে । ঘরে ঘরে তল্লাসী চালিয়ে সকল জামাত-শিবিরের সদস্যদের ধরে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ এনে বিচারের মুখোমুখি করুন ।

১০ thoughts on “৭১-এর মানবতা বিরোধীদের বিচার করছেন- বেশ ভালো কথা, কিন্তু জামাত-শিবিরের বর্তমান কুকর্মের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন ?

    1. যেই আন্দোলনকারীরা ও
      যেই আন্দোলনকারীরা ও মিছিলকারীরা জনগণের সম্পদ পোড়াচ্ছেন ভাংচুর করছেন, তাঁদেরকে দেখা মাত্র গুলি করার বিধান থাকা উচিৎ । আমি আন্দোলনের বিরোধী নই, তবে কেউ আন্দোলনের নামে মানুষের সম্পদ নষ্ট করলে তা সর্ব শক্তি দিয়ে দমন করা উচিৎ ।

  1. আমরা যারা রাতারাতি জাশি মুক্ত
    আমরা যারা রাতারাতি জাশি মুক্ত দেশ চাই তারা আসলে বোকার স্বর্গে বাস করছি। গত ৩৭ বছর (৭৫ পরবর্তি) ধরে এদের পেলে পুষে বড় করা হয়েছে। পঙ্গপালের মতো বেড়েছে এরা। এখন রাতারাতি এদের নির্মুল করতে চাইলে জাশি মারার এরোসল স্প্রে আবিষ্কার করা ছাড়া উপায় দেখিনা। :মাথাঠুকি:

    1. পরিকল্পনা মাপিক কাজ করলে, খুব
      পরিকল্পনা মাপিক কাজ করলে, খুব তাড়াতাড়ি না পারলেও কয়েক বছরের মধ্যে এদের নির্মুল করা সম্ভব।
      প্রথমে তাদের কিছু প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় করতে হবে, কিছু বন্ধ করতে হবে,
      যারা থাকলে মনে হয় তারা আবার মাথা গজাবে তাদের কাউকে নির্বাসন দিতে হবে,
      কাউকে জেলে দিতে হবে।
      এভাবে তাদের নির্মুল করা সম্ভব।

    2. @ডঃআতিক, বুঝলাম, কিন্তু
      @ডঃআতিক, বুঝলাম, কিন্তু করনীয় কি ? জামাত তো জনগণের সাথে এক রকম যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে । এসব তো কোনও ভাবেই গ্রহনযোগ্য নয় ।

  2. ১৯৭৫ এর পর বিভিন্ন ক্ষমতাসীন
    ১৯৭৫ এর পর বিভিন্ন ক্ষমতাসীন দলগুলোর দুগ্ধ পান করে জামাত-শিবির এত পুষ্ট। তাই এদের নির্মূল করতে হলে কিছু সময় অবশ্যই লাগবে॥

Leave a Reply to অন্ধকারের যাত্রী Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *