শেখ হাসিনার সরকার, রাজাকারের পাহারাদার!!!!

শেখ হাসিনার সরকার, রাজাকারের পাহারাদার।
আরে জামাতের সাথে আঁতাত না করলে সরকার এমন একটা রায় কেমনে দেয়?
আরে জেলগেটে কাদের মোল্লার বউ ভি সাইন দেখাইছে? এর রহস্য কি? নিশচই এর মধ্যে বিশাল পলিটিক্স আছে।
রাতের অন্ধকারে কি এমন হইয়া গেল যে ফাঁসি কার্যকারিতার উপর স্থগিতাদেশ দেয়?
সরকার রায় নিয়া ড্রামা করতাছে।
আরে সরকার এই রায় কখনই বাস্তবায়ন করবো না। সরকার মূলা ঝুলাইতাছে।
তার আবার বিচার কি? ঝুলাইয়া দিলেই হয়।


শেখ হাসিনার সরকার, রাজাকারের পাহারাদার।
আরে জামাতের সাথে আঁতাত না করলে সরকার এমন একটা রায় কেমনে দেয়?
আরে জেলগেটে কাদের মোল্লার বউ ভি সাইন দেখাইছে? এর রহস্য কি? নিশচই এর মধ্যে বিশাল পলিটিক্স আছে।
রাতের অন্ধকারে কি এমন হইয়া গেল যে ফাঁসি কার্যকারিতার উপর স্থগিতাদেশ দেয়?
সরকার রায় নিয়া ড্রামা করতাছে।
আরে সরকার এই রায় কখনই বাস্তবায়ন করবো না। সরকার মূলা ঝুলাইতাছে।
তার আবার বিচার কি? ঝুলাইয়া দিলেই হয়।

আরে ভাই থামেন আগে বলেন কাদের মোল্লার বিচার চান নাকি হত্যা চান? যদি বিচার চান তাহলে বিচারিক কার্যক্রম আপনাকে ফলো করতে হবে, এজন্য সময় লাগবে। আর যদি হত্যা চান তাহলে এতদিন কোথায় ছিলেন আপনি? জাহানারা ইমামের মৃত্যুর পরে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বলতে যে কোন দাবি এই দেশের মানুষের ছিল সেটা জানা যায়নি। মানে এই দাবি ছিল সম্পূর্ণ কোমায়। তখন কিন্তু আপনি আমি আবার এই দাবি পুনরুজ্জীবিত করি নাই। তাহলে কে আবার এই দাবি পুনরুজ্জীবিত করলো? সেই শেখের বেটিই। তিনিই বললেন আপনারা আমাকে ভোটের মাধ্যমে ম্যান্ডেট দেন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবো। তখন আপনারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ম্যান্ডেট দিছেন। আর যখন শেখের বেটি ক্ষমতায় আইসা তাঁদের চৌদ্দ শিকের ভিতর ঢুকাইয়া বিচার শুরু করলো তখন আপনাদের বিচারিক প্রসেসের দেরি সয় না। তখন আপনাদের আর বিচার ভালা লাগে না। স্লোগান দেন যুদ্ধাপরাধীদের আবার বিচার কিসের সিধা ঝুলাইয়া দেন। আগে এইসব কথা ছিলনা। বিচারিক কার্যক্রমে একটু দুঃসময় গেলেই একেকজন ফেলুদা হইয়া জামাতের সাথে সরকারের আঁতাতের রহস্য উদঘাটনে বেস্ত হইয়া পরেন। জামাত কি কোটি কোটি টেকা খসাইয়া গরু ছাগল উকিল হিসেবে নিয়োগ দিছে? তাঁদের উকিলদের কি ঘিলু নাই? তাঁদের উকিলরা আইনের সামান্যতম ফাক নিয়া সুযোগ বের করতে চাইব না? তারা কি সামান্যতম ভুল ভ্রান্তি নিয়া সরকার পক্ষকে, সরকারকে প্রেসার ফেলতে চাইবে না? তাঁদের সেই মাথায় সেই ঘিলু নাই? আর যখনই সরকার পক্ষ একটু বেকায়দায় পড়ছে তখনই আপনাদের নাকে আঁতাতের গন্ধ আসতে শুরু করে, আপনাদের নাক এতোই সরেশ। এই বিচারের দুঃসময়ে আপনারা সরকারের পাশে থাকবেন দূরে থাকুক লাত্থি মারতে বাকি রাখেন নাই। ভাগ্য ভালো আপনারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিলেন না। এজন্য আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শোকরিয়া। আপনারা যদি মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ করতে নামতেন তাহলে একটা যুদ্ধে মাইর খাইলেই ক্যাম্পে ফিরা আইসা বলতেন তাজউদ্দীন সরকার ওপারে বইসা বইসা মোরগ পোলাও খায় আর আপনারা এতো কষ্ট কইরা মাইর খান। তাজউদ্দীন সরকার পাকিস্তান-ভারতের লগে আঁতাত কইরা সমস্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাইরা ফেলার প্ল্যান করছে। আল্লাহ নিজের কুদরতে আমাদের বাচাইছে তখন আপনাদের আল্লাহ দুনিয়ায় না পাঠাইয়া। প্রকৃত পক্ষে এই যুদ্ধাপরাধী বিচারে আপনাদের অবদান খুবই ক্ষীণ। যখন যুদ্ধাপরাধ বিচারে রাষ্ট্রপক্ষ সুবিধাজনক অবস্থায় থাকছে তখন আপনারা খুব উতালি পাতালি করেন, ফেসবুকে এমন জোরে স্যালুট দেন যে জুকারবার্গ পর্যন্ত কানে তুলা দিতে বাধ্য হয়, হেন করেন তেন করেন। কিন্তু যখনই রাষ্ট্রপক্ষ একটু বেকায়দায় পড়ছে তখনই আপনাদের ভ্যাট-ট্যাক্সের টাকার পাই পুই হিসাব শুরু করছেন। সুসময়ে দুধের মাছির অভাব হয় না। দুঃসময়ে কয়জন পাশে থাকে সেটাই হল ব্যাপার। প্রকৃতপক্ষে অবদান তাদেরই যারা দুঃসময়েও সরকারের পাশে ছিল।

যুদ্ধাপরাধী মহল কোটি কোটি ডলার খরচ কইরা আন্তর্জাতিক লবিস্ট নিয়োগ করেছে গলফ কোর্টের ঘাস কাঁটার জন্য না। তাদের একমাত্র অ্যাসাইনমেন্টই হইলো যেভাবেই হোক আন্তর্জাতিক ভাবে এই বিচারিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। মুখে যতই বলি আন্তর্জাতিক চাপকে পায়ে ঠেলে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। বাস্তবিক ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষে সেটা আদৌ কি সম্ভব? সরকার আন্তর্জাতিক চাপ উপেক্ষা করলে দেশ চালাতে পারবেনা। সরকারকে সেই চাপ উপেক্ষা নয়, বরং মোকাবেলা করতে হয়। বিচারিক কার্যক্রম নিয়ে কোন প্রশ্ন উঠলে সেই প্রশ্নের জবাব দিতে হয়, এই জবাব বাংলা স্যারের কাছে মুখস্থ পড়া দেওয়ার মত কোন জবাব না, জবাব দিতে হয় কাজের মাধ্যমে। ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের প্রশ্ন না উঠে সেইভাবে বেবস্থা নিয়ে বিচারিক কার্যক্রম চালনা করতে হয়। ব্যাপারটা যত সহজ ভাবা হয় ততটা সহজ নয়। একারনে আইনিভাবে যাতে কোন দুর্বলতা না থাকে সেই দিকে রাষ্ট্রপক্ষের নজর দিতে হয়। সেজন্য কি সময়ের প্রয়োজন নাই? নাকি আলাদীনের দৈত্য আইসা সব কইরা দিয়া যাইব রাতারাতি।

আবার এক দল বলবে ভোটের জন্য আওয়ামীলীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে। আরে ভাই থামেন আওয়ামীলীগ কোন আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম সংগঠন না। এইটা একটা রাজনৈতিক দল। একটা রাজনৈতিক দলের মূলনীতিই হইলো জনগনের দাবি আদায়ের মাধ্যমে ভোট কামানো।

একটা ছোট্ট কারনে ফাঁসি দুই দিনের জন্য স্থগিত হইয়া ব্যাপারটা আদালতে গড়াইলো। প্রধানমন্ত্রীর লাল ফোনে ফোনের পর ফোন আসে, আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফোন দেয়, ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি বলে তারা মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে না, জাতিসংঘ থেকে চিঠি দেয় রায় কার্যকর স্থগিত করতে। এতো কঠিন সময়েও তখন শেখের বেটি আপনাদের পাশে পায় নাই। আঁতাতের গন্ধ পাইয়া গেছেন, আঁতাত যেন প্যারিসের তৈরি কোন সুগন্ধি, এতোই সুমধুর সেই গন্ধ। সেই মুহূর্তে শেখের বেটির উত্তর কি ছিল জানেন? সেই মুহূর্তে শেখ হাসিনা সরাসরি মুখের উপর জবাব দিছে আদালত যেভাবে রায় দিবে সেভাবেই কার্যকর করা হবে। এটাই ফাইনাল কথা।

অবশেষে রায় কার্যকর হয়েছে। সবার মুখে খই ফুটেছে, পাত্র উছলাইয়া সেই খই লাফাইতে লাফাইতে তিড়িং বিড়িং কইরা উপচাইয়া পড়ছে। এর সাথে সেই হুজুগিরাও আছে। এখনো আমি বলবো শেখ হাসিনা সরকার রাজাকারের পাহারাদার। কারন আপনারা যতদিন আছেন ততদিন এই কথা শুনতে আবার হবেই, কারন সামনে আরও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আছে, রায় কার্যকর বাকি আছে। জানি দুঃসময় আসতেই পারে, এও জানি আপনাদের সরেশ নাক আবারো আঁতাতের গন্ধ খুঁজবে। আর একদল কখনোই শেখের বেটির উপর যুদ্ধাপরাধ বিচার বিষয়ে আস্থা হারাবে না। তাঁদের প্রতি রইল হাজার সালাম।

আমি সেইদিন পর্যন্ত এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করার ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদি থাকবো যতদিন এই শেখের বেটি বেঁচে থাকবেন। রক্ত কথা কয়, শেখের বেটি বলে কথা।

৮ thoughts on “শেখ হাসিনার সরকার, রাজাকারের পাহারাদার!!!!

  1. আমি সেইদিন পর্যন্ত এই

    আমি সেইদিন পর্যন্ত এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করার ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদি থাকবো যতদিন এই শেখের বেটি বেঁচে থাকবেন। রক্ত কথা কয়, শেখের বেটি বলে কথা।

    :মাথানষ্ট: :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল: :bow: :bow:

  2. বাকের ভাই,
    আপনি অসাধারণ জবাব

    বাকের ভাই,
    আপনি অসাধারণ জবাব দিয়েছে…এক কথায় অসাধারণ।
    :bow: :bow: :bow:
    আপনার লেখাটা নিয়ে বলার না থাকলেও, একটা অনুরোধ আছে এই বোনের…
    সেটা হলো~
    আপনার অসাধারণ এই লেখাটা আমি প্রথমেই এড়িয়ে গিয়েছিলাম; কেবলমাত্র এর প্যারাগুলো অনেক বড়ো বড়ো বলে… :লইজ্জালাগে:
    একটানা লেখা আমি পড়তে পারি না…কিন্তু, আজকে কেনো জানি না; পড়লাম এবং শেষে আফসোসই হলো~ কেনো আগেই পড়িনি।
    তাই আপনাকে আমার ছোট্ট একটি অনুরোধ~
    এর পর লিখতে গেলে কি ছোট ছোট অনুচ্ছেদে লিখবেন কিনা একটু ভেবে দেখবেন???
    আর আমার কথায় যেনো রাগ করবেন না…
    :খুশি: :ফুল:

    1. ভাইয়া একটা লিখার মধ্যে কয়েকটা
      ভাইয়া একটা লিখার মধ্যে কয়েকটা ছোট ছোট তপিক এসে যায়। আমি চেষ্টা করি একটা তপিক যাতে একটা প্যারাতেই থাকে। এজন্য দুই একটা প্যারা বড় হয়ে যায়।

Leave a Reply to বাকের ভাই Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *