“সূরা ইখলাসের ফজিলত ও বরকত”

“সূরা ইখলাসের ফজিলত ও বরকত”
১.যে ব্যক্তি একবার সূরা ইখলাস পাঠ করবে সেই ব্যক্তি কুরআনুল কারীম এক তৃতীয়াংশ পাঠ করার সওয়াব লাভ করবে।
২.যে ব্যক্তি দশবার পাঠ করবে আল্লাহ্ তায়ালা নিজ কুদরতি হাতে জান্নাতের মধ্যে বিশেষ মর্যাদাশীল একটি মহল তৈরি করবেন।
৩.যে ব্যক্তি অধিক পাঠ করবে আল্লাহ্ তায়ালা আর জন্য জান্নাতে ওয়াজিব করে দিবেন।

১৫ thoughts on ““সূরা ইখলাসের ফজিলত ও বরকত”

  1. লিখাটা গতকাল পড়লাম কিন্তু
    লিখাটা গতকাল পড়লাম কিন্তু বাসায় নেট না থাকার কারণে জবাব দিতে পারলাম জনাব জাকোয়ান ভাই আপনি যে লিখাটা লিখেছেন তা অবশ্যই হিন্দু বিদ্বেষী একটা লিখা কারণ আপনি এখানে স্পষ্ট ভাবে বলেছেন

    আমি ধারনা করলাম সেঁতার হাতে এক অর্ধনগ্ন নারী আমার ভগবান ।

    অর্ধনগ্ন বলে আপনি অবশ্যই একজন দেবতাকে আঘাত করেছেন যা কোন সুস্থ মস্থিষ্কের মানুষ বলতে পারেনা কারণ যার যার জন্য তার ধর্ম অবশ্যই বড় তারপর আপনি বলেছেন

    আমি ধারনা করলাম বংশী হাতে ইতিহাসের সব চেয়ে চরিত্রহীন পুরুষ আমার ভগবান ।

    আমার যদি ধারনা ভুল না হয় আপনি কথাটা শ্রী কৃ্ষ্ণকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন যা আপনার বলা উচিত হয়নি কারণ হিন্দু ধর্ম মতে শ্রী কৃষ্ণ হিন্দুদের ভগবান আর আপনাদের সব ধর্মে স্পষ্ট করে বলা আছে আল্লা, ভগবান, ঈশ্বর, গড এক মানে সৃষ্টিকর্তা এক এবং অদ্বিতীয় তাহলে কি আপনি এই কথা বলার সাথে সব ধর্মকে সব ধর্মানুসারীর ধর্মানুভূতিতে আঘাত করেন নি … প্রশ্ন থাকলো ?? তাছাড়া পবিত্র কুরআনে স্পষ্ট ভাবে বলা আছে ” আশরাফুল মাখলুকাত”” মানে মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব তাহলে একজন মানুষ আপনি কিভাবে অন্যকোন মানুষের ধর্মানুভূতিতে আঘাত করতে পারেন …? প্রশ্ন থাকলো……

    1. যাত্রী দা লেখক ইচ্ছা করে
      যাত্রী দা লেখক ইচ্ছা করে ব্যাপারটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন উনার এই ধরনের কথা বলা উচিত হয়নি যতটুকু আমি মনে করি উনি গতকাল থেকে আজ অবদি ৩ টা পোষ্ট দিয়েছেন ………..

  2. ধর্মের ফজিলতও বরকত নিয়ে পোস্ট
    ধর্মের ফজিলতও বরকত নিয়ে পোস্ট দেওয়া ইস্টিশনে নিষিদ্ধ বলেই জানি। আপনি কি ইচ্ছে করেই ফজিলত বয়ান করতে আসছেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *