শিহরন উত্তেজনা অতঃপর ফাঁসি

আমার এখনো মনে পড়ে সেদিনের কথা ! উফফ !! কি যে একটা দিন ! ৯ ফেব্রুয়ারি ! সেদিন দুপুর পর্যন্ত জানতাম না যে সন্ধ্যায় শাহাবাগ যাব ! পেপার পড়তে পড়তে কাঁসছিলাম আমি ! টপ টপ করে জল পড়ে পেপার ভিজে যাচ্ছিল ! বাবাকে বললাম যাব বাবা বলল কে নিয়ে যাবে ? বিষন্ন হয়ে ফেসবুকিং করছিলসাম ! দুপুরে মামা ঘরে ঢুকেই বলল সন্ধ্যায় শাহাবাগ যাবে ! আমি বুঝাতে পারব না কি অনুভুতি হয়েছিল ! মাত্র এক ঘন্টা আমরা বইমেলাতে ছিলাম । একটা লিটল ম্যাগ এ আমার কবিতা ছাপা হয়েছে তা কিনে আর টুকটাক খেয়ে রউনা হলাম প্রজন্ম চত্বরে !


আমার এখনো মনে পড়ে সেদিনের কথা ! উফফ !! কি যে একটা দিন ! ৯ ফেব্রুয়ারি ! সেদিন দুপুর পর্যন্ত জানতাম না যে সন্ধ্যায় শাহাবাগ যাব ! পেপার পড়তে পড়তে কাঁসছিলাম আমি ! টপ টপ করে জল পড়ে পেপার ভিজে যাচ্ছিল ! বাবাকে বললাম যাব বাবা বলল কে নিয়ে যাবে ? বিষন্ন হয়ে ফেসবুকিং করছিলসাম ! দুপুরে মামা ঘরে ঢুকেই বলল সন্ধ্যায় শাহাবাগ যাবে ! আমি বুঝাতে পারব না কি অনুভুতি হয়েছিল ! মাত্র এক ঘন্টা আমরা বইমেলাতে ছিলাম । একটা লিটল ম্যাগ এ আমার কবিতা ছাপা হয়েছে তা কিনে আর টুকটাক খেয়ে রউনা হলাম প্রজন্ম চত্বরে !

গিয়ে আমি হতভম্ব ! আহারে ! এত্ত এত প্রানের মেলা ! এক দিকে শ্লোগান , এক দিকে পথ নাটক ! এক দিকে মশাল মিছিল ! আমি বাবা ভাই বোন মামা সব্বাই মিলে শ্লোগান দিলাম ! সে এক অভুত পুর্ব অনুভুতি ! একাত্তুর সালের সেই আগুন ঝরা শ্লোগান গুলা আবার দিয়ে আমার গায়ের রোম দাঁড়িয়ে গেল !

তার পরে দীর্ঘ প্রতীক্ষা ! একটি রায় ! একটি রায় এল ! তার পরেও কাঙ্খিত দিন আসেনা ! অপেক্ষার পালা ফুরায় না ! উৎকন্ঠা ! আতঙ্ক !উদ্বেগ ! রক্ত ! মৃত্যু ! অতঃপর !!

অতঃপর ফাঁসি ! হ্যা ফাঁসি হবে ! আর কোন আইনি জটিলতা নেই ! সব রাজাকারের ফাঁসি অবিলম্বে দিয়ে দেশ কে কলঙ্কমুক্ত করার দাবী জানাই !

জয় বাআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআংলা !

১৬ thoughts on “শিহরন উত্তেজনা অতঃপর ফাঁসি

  1. কিন্তু চুতিয়া সংঘের জন্য ভয়
    কিন্তু চুতিয়া সংঘের জন্য ভয় হয় ওদের কার্যকলাপ সুবিধার না যেকোন মুহূর্তে ওরা যে কোন কিছু করতে পারে ……

  2. আচ্ছা কেন আমাদের আদের ভয় পেয়ে
    আচ্ছা কেন আমাদের আদের ভয় পেয়ে চলতে হবে তাই ত বুঝিনা ! আমাদ্র দেশের শত্রুদের আমরা শাস্তি দিব বাইরের দেশের কি ??

    1. চুতিয়া সংঘ সম্পূর্ণ রূপে
      চুতিয়া সংঘ সম্পূর্ণ রূপে পরিচালিত হয় আমেরিকার নির্দেশে আর আমেরিকার কাজ হল এক দেশের সাথে অন্যদেশের বিবাদ বাজিয়ে দেওয়া কারণ আমেরিকার প্রধান আয়ের উৎস সামরিক ঘাঁটি থেকে যেমন এক দেশ থেকে অন্যদেশে গোলা বারুদ সরবরাহ করা, অস্ত্র সরবরাহ করা ।। যদি অস্ত্র সরবরাহ করতে না পারে তাহলে ওরা না খেয়ে মারা যাবে তাই ওরা ওদের কাজ করে আর ওদের নির্দেশ মতে চুতিয়াসংঘ বিভিন্ন দেশে অনধিকার হস্থক্ষেপ করে ……

  3. আমার জীবনের শাহবাগের স্মৃতি ই
    আমার জীবনের শাহবাগের স্মৃতি ই সবচেয়ে বড় হয়ে থাকবে।
    এই স্মৃতি এর কোন কিছু দিয়ে খাটো করা যাবে না।

    //নব ইতিহাসের সাক্ষী রইলো প্রজন্ম চত্বর//

    হবে ফাঁসি আজ….. অপেক্ষা ……

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *