সুখপল্লীর দুঃখগাঁথা …………

একটা ছোট গ্রাম এবং সেই গ্রামে অনেক মানুষের বসবাস সবাই সুখী কেউ দুঃখী না সেই গ্রামে তাই সেই গ্রামটার নাম সুখপল্লী ।। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সব ধর্মের মানুষের বসবাস সেই সুখপল্লীর মানুষরা সবাই একজন অন্যর বিপদে এগিয়ে আসে ।। সবাই যাতে দুবেলা পেট ভরে খেতে পারে তার জন্য গ্রামের চেয়ারম্যান সবাইকে ব্যাংক থেকে লোনের ব্যাবস্থা নিয়ে দিয়েছেন এবং চাষ করার জন্য চেয়ারম্যান জমির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন বিনা খাজনায় ।। সবাই মনের সুখে চাষ করতে লাগলো এবং ধানের মৌসুম শেষ হয়ে গেলে সবাই মনের সুখে ধান কাটতে ব্যস্থ হয়ে পড়ল ।।


একটা ছোট গ্রাম এবং সেই গ্রামে অনেক মানুষের বসবাস সবাই সুখী কেউ দুঃখী না সেই গ্রামে তাই সেই গ্রামটার নাম সুখপল্লী ।। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সব ধর্মের মানুষের বসবাস সেই সুখপল্লীর মানুষরা সবাই একজন অন্যর বিপদে এগিয়ে আসে ।। সবাই যাতে দুবেলা পেট ভরে খেতে পারে তার জন্য গ্রামের চেয়ারম্যান সবাইকে ব্যাংক থেকে লোনের ব্যাবস্থা নিয়ে দিয়েছেন এবং চাষ করার জন্য চেয়ারম্যান জমির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন বিনা খাজনায় ।। সবাই মনের সুখে চাষ করতে লাগলো এবং ধানের মৌসুম শেষ হয়ে গেলে সবাই মনের সুখে ধান কাটতে ব্যস্থ হয়ে পড়ল ।।

ধান কাটা শেষ হয়ে গেলে সবাই খুশিমনে ধান গণনা শুরু করল এবং সবাই সমান সংখ্যক ৪০ মণ করে ধান পেলো শুধু একজন এক ১ কেজি ধান কম পেলো !! চেয়ারম্যান সাহেব নির্দেশ দিলেন সবার থেকে একমুটো করে ধান দিয়ে এক কেজি পূরণ করে দিতে সবাই চেয়ারম্যানের কথামত নিজেদের থেকে একমুটো করে ধান দিয়ে ঐ লোকের ৪০ মণ পূরণ করে দিলো ।। কিন্তু যখন পুনরায় গণনা শুরু করা হল তখন দেখা গেলো যে লোককে একমুটো করে ধান দিয়ে ৪০ মণ পূরণ করা হল তার ধানের পরিমান বেশি এবং বাকিদের কম ।। সবাই যখন লোকটার কাছ থেকে ধান আবার ফেরত চাইল লোকটি দিতে অস্মমতি জানালো কারণ চেয়ারম্যানের নির্দেশ ।। সবাই চেয়ারম্যানের কাছে এর সমাধান চাইলো চেয়ারম্যান সবাইকে বললেন লোকটিকে ক্ষমা করে দিতে সবাই চেয়ারম্যানের কথামত ক্ষমা করে দিলো ।।

এই ভাবে পরের বছর আবার একই ঘটনা লোকটার ১ কেজি ধান কম এবং সবাই মিলে ১ মুটো করে দিয়ে আবারো ৪০ মণ পূরণ করে দিলো কিন্তু সবার ১ মুটো ধান কম থেকে গেলো আবারো চেয়ারম্যানের নির্দেশে সবাই লোকটিকে ক্ষমা করে দিলো ।। এইভাবে ৪০ বছর পার হয়ে গেলো এ পর্যায়ে গিয়ে দেখা গেলো লোকটার ধান বাকিদের তুলনায় অনেক বেশি এবং সে সবার উপর খবরদারি শুরু করে দিলো !! সবাই বিচার নিয়ে আবারো চেয়ারম্যানের কাছে উপস্থিত কিন্তু এইবার চেয়ারম্যান যখন লোখটিকে বলল মানুষের উপর খরবদারি করা অধিকার কে দিল তখন লোখটি চেয়ারম্যানের কথা শুনতে আপত্তি করে চেয়ারম্যানের প্রতি যুদ্ধ ঘোষনা করল !! চেয়ারম্যান এবং সেই লোকটির মধ্য আজ অবদি সেই যুদ্ধ চলছে আর সেই যুদ্ধের আগুনে পুড়ে ছায় হয়ে যাচ্ছে একে একে করে ঐ গ্রামের সবাই !! এখন আর তারা ধান নিয়ে যুদ্ধ করছে না এখন তারা যুদ্ধ করছে ক্ষমতা নিয়ে কার ক্ষমতা বেশি এবং কে এই গ্রামের পরবর্তী চেয়ারম্যান হবে চলছে আর সেই ক্ষমতার বলি হচ্ছে গ্রামের সাধারণ সব মানুষ …………

৭ thoughts on “সুখপল্লীর দুঃখগাঁথা …………

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *