এই মূহুর্তে সরকার ও আমাদের যা করনীয়ঃ

সো হোয়াটস দ্য ভারডিক্ট টিল নাউ?

১. আগামীকাল পর্যন্ত রিভিউ আবেদনের শুনানি মুলতবি করা হলো। এদিকে আগমীকাল আদালতের শেষ কার্যদিবস। এরপর ১৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর টানা শীতকালীন ছুটি। সুতরাং আমরা ধরে নিতে পারি আগামীকালকের মধ্যে সুরাহা না হলে এ বছর আর কাদের মোল্লার ফাঁসি হবে না। কাদেরের আইনজীবি শুধু কিছুদিন সময়ক্ষেপন করতে চেয়েছিলো। সেটা তারা পেরেছে। ফাসিঁ তো আটকানো গেলো না, এবার যদি কিছুদিন সময় হাতে পাওয়া যায়, তাতেও মন্দ না। আার এই সময়ের ভেতর যদি বাইরের চাপ আরো জোরদারক করা যায় সরকারের উপর, তাইলে তো কথাই নাই!


সো হোয়াটস দ্য ভারডিক্ট টিল নাউ?

১. আগামীকাল পর্যন্ত রিভিউ আবেদনের শুনানি মুলতবি করা হলো। এদিকে আগমীকাল আদালতের শেষ কার্যদিবস। এরপর ১৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর টানা শীতকালীন ছুটি। সুতরাং আমরা ধরে নিতে পারি আগামীকালকের মধ্যে সুরাহা না হলে এ বছর আর কাদের মোল্লার ফাঁসি হবে না। কাদেরের আইনজীবি শুধু কিছুদিন সময়ক্ষেপন করতে চেয়েছিলো। সেটা তারা পেরেছে। ফাসিঁ তো আটকানো গেলো না, এবার যদি কিছুদিন সময় হাতে পাওয়া যায়, তাতেও মন্দ না। আার এই সময়ের ভেতর যদি বাইরের চাপ আরো জোরদারক করা যায় সরকারের উপর, তাইলে তো কথাই নাই!

২. মাবাধিকার নিয়ে কারবার করা চিহ্নিত বিশ্ব চরিত্র গুলা যে যথারীতি ম্যাতকার করবে সেইটা খুবই স্বাভাবিক। নাইলে জামাতের কাছ থেকে খাওয়া টাকাগুলার হিসাব দিবে কিভাবে? ঠিকঠাক মতো ম্যাতকার না করলে জামাত যদি আৎকা টাকা ফেরত চেয়ে বসে, তাহলে দেশের মতিচুর ও আসিফ নজরুল ও মিজান গং এবং বাইরের নাভি আর ইউকে সবাই একযোগে বিপাকে পড়বে। শত হোক, এত গুলা টাকা হুট করে কেই বা ফেরত দিবে? সুতরাং তারা ম্যাতকার না পারলেই বরং অবাক হইতাম। তবে তাদের ম্যাতকার রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রপক্ষ উভয়ই এক কান দিয়ে ঢুকায় আরেক কান দিয়ে বের করে দিচ্ছে – এটাই আশার কথা।

কিছু মন্তব্য/পরামর্শঃ

৩. সামনের দিনগুলোতে শাহবাগে আমরা কি করবো? বেহুদা আগামী ৩ সপ্তাহ এই শীতের মধ্যে সারারাত নির্ঘুম শুধু ফাসিঁ ফাসিঁ বলে চিল্লানোর দিন শেষ! জামাতের সময়ক্ষেপনের ফাদেঁ চেম্বার বিচার পতি ইচ্ছাকৃত পা দিতে পারে, কিন্তু আমরা কিছুতেই দিবো না। নেভার এভার!

*** মামলা চলবে। শুনানি চলবে। কাল রাতে যেমন চেম্বার জজের বাসায় গিয়ে কাদেরের মামলার কার্যক্রম চলেছে, আবেদনে সই সাবুদ হয়েছে, তেমনি বন্ধের মধ্যেও হবে। হোক সেটা চেম্বার জজের চেম্বারে বা অন্য কোথাও। মোদ্দা কথা, বেহুদা সময়ক্ষেপন আমরা মানবো না। এখন আদালত ছুটি বাতিল করে মামলা চালাবে নাকি ছুটির মধ্যেই চালাবে, সেটা আদালতের ব্যাপার।***

৪. ওয়েল, মামলা যদি আগমী বছর পর্যন্ত গড়িয়েই যায় – গনজাগরণ মঞ্চ কি ধরনের কর্মসূচী দিতে পারে? আশাকরি এবার তারা “স্মারক লিপি নিয়ে সুপ্রিমকোর্টে যাওয়া” বা বেলুন/ফানুস উড়ানো – টাইপ কর্মসূচী দিবে না। গনজাগরণ মঞ্চ এখন আমাদের একমাত্র প্রতিবাদের জায়গা, একমাত্র আশার জায়গা, আমরা চাই আমাদের আশা ও প্রতিবাদের জায়গাটা অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে থাকুক। লুতুপুতু অবস্থানে নয়। আমরা অবশ্যই ধৈর্য্য ধরবো। আমরা অবশ্যই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করবে। কিন্তু সেই সাথে এটাও মনে রাখতে হবে আমাদের কর্মসূচীর কারনে প্রতিপক্ষের কাছে আমরা যেন দুর্বল প্রমাণিত না হই।

৫. জামাত যে সময় ক্ষেপন করছে, এই সময়টুকুর ভেতর দেশে যতবার যতগুলো নৈরাজ্য হবে, সেটা সামলানোর মতো যথেষ্ঠ প্রস্তুতি এখনি নিতে হবে স্বরাস্ট্র মন্ত্রনালয়কে। প্রয়োজন হলে, পুলিশ-বিজিবি, র‌্যাব ও ডিবি পুলিশ এদেরকে পূর্ণ ক্ষমতা দিন। ঢেলে সাজান। সেনাবাহিনী থেকে আরোও বেশী সংখ্যক অভিজ্ঞ ও ট্রেইনড লোকদেরকে র‌্যাবে আর ডিবিতে নিয়োগ দিন। জিরো টলারেন্স নীতিতে তাদেরকে মাঠে নামানোর জন্য রেডি রাখুন।

৬. তবে তারচাইতেও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, উইটনেস প্রটেকশান পোগ্রাম শক্ত করেন। ইতিমধ্যেই যে সব অকুতোভয় মানুষজন নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে কোর্টে গিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের ব্যাপারে স্বাক্ষ্য নিয়েছেন, তাদেরকে সরকারীভাবে যথাযথ নিরাপত্তা দিন। আর নিরাপত্তা মানে শুধু দুই পাশে দুইটা ঢ্যাঙ্গা সিপাহী আর থ্রি নট থ্রি রাইফেল দিয়ে বাইরে বেরুতে পুলিশ প্রটেশনের দেয়া নয়। বিশ্বাসযোগ্য, ট্রেইনড ও অভিজ্ঞ একাধিক মিলিটারি পারসোনেল দিয়ে প্রটেকশান দেওয়ান। মনে রাখবেন, এরা যদু মধু টাইপ স্বাক্ষী নন, এরা বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ মামলার স্বাক্ষী। সুতরাং তাদেরকে ভিআইপি হিসাবে ট্রিট করুন। ভিআইপি হিসাবে নিরাপাত্তা দিন।

নাহলে এক্সিসটিং উইনটেস তো হারাবেনই, ফিউচার উইটনেসও হারাবেন।

৭. আদালত যদি ছুটির মধ্যে কাজ না চালাতে চায়, তবে দরকার হলে মঞ্চ থেকে কর্মসূচী ঘোষনা করা হোক এ ব্যাপারে। মঞ্চ থেকে বিচারপতিদের সরাসির অনুরোধ করা যেতে পারে ছুটি বাতিল করার। নতুবা এই সময়ক্ষেপনের মূল্য অনেক চড়া হারে পরিশোধ করতে হতে পারে।

WE SHOULD KEEP IT IN OUR MIND, EITHER NOW….OR NEVER!

৫ thoughts on “এই মূহুর্তে সরকার ও আমাদের যা করনীয়ঃ

  1. জামাতের সময়ক্ষেপনের ফাদেঁ

    জামাতের সময়ক্ষেপনের ফাদেঁ চেম্বার বিচার পতি ইচ্ছাকৃত পা দিতে পারে, কিন্তু আমরা কিছুতেই দিবো না। নেভার এভার!

    দাবী একটাই রাজাকারের ফাঁসি।

  2. সত্যি বলছেন ভাই শাহবাগে বইসে
    সত্যি বলছেন ভাই শাহবাগে বইসে শিতের মাঝে খালি ফাসি ফাসি বইলা চিৎকার মাইরা লাভ নাই কিছু একটা করতে হবে জাতে আমাদের গাও গরম হয় আর চেম্বার বাবাজি রাও টের পায় ৪২ বছর অপেক্ষা করাইছ আর না।এই বার আসল বিচার চাই কোন ধান্দাবাজি চলবে না।
    চুশিলবাদি জাহান্নামে যাক টাকা খাইছে ত ম্যতকার করবোই সমস্যা নাই ওদের একটা ম্যতকার আমাদের হাজারো “জয় বাংলা’ শ্লোগান এর সামনে কিছুই না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *