আমরা কখনোই বিভ্রান্ত হবো না,বরং সুবিচারের প্রত্যাশায় দ্বিধাহীন হবো। জয় আমাদের সুনিশ্চিত।

জানি,
কসাই কাদেরের এই বিচার প্রক্রিয়ায়~ আমাদের ধৈর্য্যের সর্বোচ্চ পরীক্ষাই নেয়া হচ্ছে।
আমরা অপেক্ষা করছি~ সুবিচারের এবং বিশ্বাস করি বহুপ্রতীক্ষিত সেই সুবিচার আমরা পাবো।
এই ৪২ বছরের সুদীর্ঘ অপেক্ষার কাছে, মাত্র ১/২ দিনের অপেক্ষা এমন কিছুই নয়। তাই আমরা অপেক্ষায় আছি।
বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রতিপর্বের পরতে পরতে জড়িয়ে থাকা দীর্ঘ নাটকীয় পালাবদলের পর, আজকে শেষপর্বে এসে নতুন করে যে নাটকীয়তা~ তা আবারো আমাদের প্রত্যাশাকে নিঃসন্দেহে হতাশাগ্রস্ত করে বৈকি; কিন্তু সাথে সাথে আশান্বিত এবং দ্বিধাহীনও কি করে না?
হ্যাঁ, করে। কেমন করে করে?

জানি,
কসাই কাদেরের এই বিচার প্রক্রিয়ায়~ আমাদের ধৈর্য্যের সর্বোচ্চ পরীক্ষাই নেয়া হচ্ছে।
আমরা অপেক্ষা করছি~ সুবিচারের এবং বিশ্বাস করি বহুপ্রতীক্ষিত সেই সুবিচার আমরা পাবো।
এই ৪২ বছরের সুদীর্ঘ অপেক্ষার কাছে, মাত্র ১/২ দিনের অপেক্ষা এমন কিছুই নয়। তাই আমরা অপেক্ষায় আছি।
বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রতিপর্বের পরতে পরতে জড়িয়ে থাকা দীর্ঘ নাটকীয় পালাবদলের পর, আজকে শেষপর্বে এসে নতুন করে যে নাটকীয়তা~ তা আবারো আমাদের প্রত্যাশাকে নিঃসন্দেহে হতাশাগ্রস্ত করে বৈকি; কিন্তু সাথে সাথে আশান্বিত এবং দ্বিধাহীনও কি করে না?
হ্যাঁ, করে। কেমন করে করে?
এইজন্যই করে যে~ এতো এতো নাটকীয়তার পেছনে অবশ্যই হাজার রকম শক্তিশালী দূরভিসন্ধিমূলক ষড়যন্ত্র বিদ্যমান ছিলো, আছে এবং থাকবে। সেসব ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রমূলক অভিসন্ধি আমাদের মানস গঠনকে নানানভাবে প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছে, এটি অস্বীকার করার কোন অবকাশ নেই।
কারণ, এই বিচার প্রক্রিয়া আদৌ হবে কি হবে না; তা নিয়েই ছিলো ৪২ বছরের সুদীর্ঘ নাটক। সেই নাটকে একদল জারজ, খুনী, হত্যাকারী, ধর্ষণকারী, লুটেরা দুঃখজনকভাবে সময়ের দীর্ঘ পথচলায় পাওয়া সুযোগে অপব্যবহার করে~ গত প্রায় ২/৩ দশক ধরে বেড়ে ওঠা প্রজন্মকে মিথ্যা ইতিহাসের বেড়াজালে আষ্ঠেপিষ্ঠে জড়িয়েছে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।
যার ফলে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে তারা একটি অতীত ইতিহাসে পরিণত করেছে, আর বিশ্বাস করতে শিখিয়েছে; এটা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করা আবান্তর !
এই বিশ্বাস, এই চিন্তা এই প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করেছে, ভুলে যেতে শিখিয়েছে তার আত্মপরিচয়কে।
জাতিকে মেধাশূণ্য করার এই প্রচেষ্টা সফল করতে, প্রথমেই জারজগুলো বেছে নেয় ১৪ ডিসেম্বর,১৯৭১ কে; এই জাতির মেধাবী সন্তানদেরকে সেদিন তারা নিষ্ঠুরতম উপায়ে হত্যা করে, আর জাতিকে পিছিয়ে দেয় কয়েকটা যুগ কিংবা কয়েকটা শতক।
শুধুমাত্র এই পর্যন্ত করেও যে একটি জাতির মানস গঠনকে চক্রান্তের বেড়াজালে আটকে রাখা সম্ভব হবে না; এটাও এই কূটচক্রকারী হায়েনারা সেসময় বুঝতে পেরেছিলো। তাই নানান বিভ্রান্তির বেড়াজালে তারা নিজেদের চক্রান্তকে এগিয়ে নিচ্ছিলো এবং এখনও নিচ্ছে।
আমাদের দূর্ভাগ্য যে,জাতির পথচলার প্রথমেই আমাদের মেধাবী সন্তানগুলো হারিয়ে আমরা ছিলাম দিকভ্রান্ত পথের পথিক।সঠিক মন্ত্রণাদানকারীর অভাবে এই দিকভ্রান্ত জাতির নেতৃত্বদানকারী সেনানী’কে পদে পদে পার হতে হয়েছিলো নানান বাঁধার পাহাড়। একলা সেই পাহাড় ডিঙ্গিয়ে নিয়ে যেতে গিয়ে~ নানান অপপ্রচার,অপ্রত্যাশিত কূটচালের ছড়াছড়ি আর জনচাহিদার সম্মুখীণ হতে হয়েছিলো আমাদের সময়ের স্বাভাবিক পথচলায়।কিন্তু, জাতিকে মুখথুবড়ে পড়তে হয়েছিলো কয়েকবছর যেতে না যেতেই।
সুযোগটা কোনভাবেই হাতছাড়া করেনি এই জারজগুলো।সেই থেকেই শুরু হলো আরেক নাটকের।তখন থেকে ১৮০ ডিগ্রি কোণে ঘুরে গিয়ে জাতি’র পথচলা শুরু হয় পুরোপুরি উল্টোপথে।শুরু হয় নতুন নাটকের।সেই নাটকের পড়তে পড়তে কি অস্বাভাবিক দুঃখজনক ইতিহাস জড়িয়ে আছে, তা জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত রেখেই গড়ে তোলা হলো একটি প্রজন্মকে।
এই প্রজন্ম ভুলে গেলো~
একদল হত্যাকারীর কথা,ভুলে গেলো শুয়োরের বীর্যে জন্ম নেয়া একদল ধর্ষর্ণকারীর কথা।
তারা জানতে ভুলে গেলো তাদের ভ্রাতৃহত্যাকারী,পিতৃহত্যাকারী,মাতৃহত্যাকারী’র কথা।
তারা খুঁজতে চাইলো না কারা তাদের ঘর জ্বালিয়ে,মন পুড়িয়ে দেশ ছাড়া করেছিলো।
তারা ভাবতে চাইলো না কাদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ মদদে তাদের ঘর-বাড়ি লুট করা হয়েছিলো, তাদের মান-সম্মান-ইজ্জত হরণ করা হয়েছিলো।
তাইতো তারা জানতে এবং বুঝতে অসমর্থ হলো~ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর ধরে তাদেরকে অন্ধ করে রাখার দূরভুসন্ধিমূলক অভিলাস পূর্ণ করতে নানা দিক থেকে,নানা প্ররোচনায় ভুল পথে তাদেরকে পরিচালিত করার খায়েশ এদের বহু পুরোন।
নানা ছলনায় এরা এখন ফুলে-ফেঁপে উঠেছে~
তাদের কাছে এখন লুটের টাকায় তৈরী বসত-বাড়ি,ব্যাংক-বাণিজ্য; তাদের কাছে এখন ক্ষমতার সোনার দন্ড !
ওদের এই ক্ষমতার জোড়,অর্থের জোড়,অস্ত্রের জোড় ওদেরকে শক্তি যোগায় এই জাতিকে কটাক্ষ করতে।
কারণ, ওরা এখন ধারণা করে~ এই জাতিকে এই সুদীর্ঘ সময়ের পরিক্রমায় ওরা নপুংসক করে তুলতে পেরেছে।
এই জাতি এখন তার সঠিক ইতিহাস জানে না,নিজেদের মধ্যে দলাদলিতে এরা এতোটাই অন্ধ এবং বিবেচনাহীন যে, সময়ের ব্যবধানে এইসব নরকের কীটদের চেনার এবং বোঝার ক্ষমতা এরা হারিয়েছে।
ক্ষমতা,অর্থ এবং অস্ত্রের জোড়ে এরা এখন চাইলেই কাছে পায় জাতিসংঘ নামক পুতুল সংঘঠনকে,চাইলেই তাদের পক্ষে দাঁড়ায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলো!
হাত বাড়ালেই ওরা খুঁজে নিতে পারে যেকাউকে~ এমনকি আমাদের মধ্য থেকে যেকাউকেই !!!
এই সুদীর্ঘ নাটকীয় পালাবদলের সাক্ষী হওয়ার পরেও, বাস্তব সত্যটি হলো এই যে~জাতি আজকের এই বিচার প্রক্রিয়াটির শেষপর্বে এসে দাঁড়িয়েছে।এটাই কি আমাদের আশান্বিত করে না?
এটাই কি আমাদের দ্বিধাহীন করে তোলে না?
কেউ এই কয় বছর আগে পর্যন্তও কি কেউ ভাবতে পেরেছিলো~
এই ঘৃণ্য জারজগুলোকে বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হবে?
আর কেউ যদি ভেবেও থাকে এদের বিচারের আওতায় আনাটা হয়তো সম্ভব হবে,তদুপরি কি এটা ভাবতে পেরেছিলো যে~
বিচার প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে এনে তাদের আদৌ ফাঁসি’র কাষ্ঠের সামনে আনাটা সম্ভব হবে?
না কেউই সেটা ভাবতে পারেনি, কিন্তু সেটাই আজকে বাস্তব হয়ে সামনে দাঁড়িয়েছে।
আর তাই আমরা আশান্বিত হই।তাই আমরা দ্বিধাহীন হতে পারি।
আমরা যেন ভুলে না যাই, আমরা বীরের জাতি।
আমরা যেন ভুলে না যাই~ আমাদের প্রত্যাশিত এই বিচারের দাবী আমাদের প্রাণের দাবী।
আমরা যেন ভুলে না যাই~এই প্রত্যাশা পূরণের পথে আমাদের সুদীর্ঘ ৪২ টি বছর পার করতে হয়েছে।
আমরা যেন ভুলে না যাই~এই ৪২ বছরের পড়তে পড়তে জড়িয়ে থাকা কূটচালের ফসল আমাদের পদে পদে বাঁধাগ্রস্ত করেছে এবং সবসময়ই করবে।
আমরা যেন ভুলে না যাই~হাজার ষড়যন্ত্র এবং হুমকিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আজকের এই বিচার প্রক্রিয়া সবকিছুর পরেও এগিয়ে যাচ্ছেই।
আমাদেরকে মনে রাখতে এবং বুঝতে হবে~ এই ষড়যন্ত্রগুলোকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে গিয়ে আমাদেরকে কি কি কূটচালের বাঁধায় এখনও পর্যন্ত পড়তে হয়েছে।
আমাদেরকে মনে রাখতে এবং বুঝতে হবে~ এই পথে আমরা পার হয়ে এসেছি অন্ধ ধর্মীয় আগ্রাসনের নাটক।
আমাদেরকে মনে রাখতে এবং বুঝতে হবে~ এই প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করতে চক্রান্তমূলকভাবে বেছে নেয়া হয়েছে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বৈশ্বয়িক নানান সহযোগী সংঘটন এবং প্রতিষ্ঠানকে।
আমাদেরকে মনে রাখতে এবং বুঝতে হবে~এই পর্যন্ত আসতে আমরা পার হয়ে এসেছি আমাদের ভাইয়ের,মায়ের,বোনের এবং বাবা’র তাজা রক্ত।
আমাদেরকে মনে রাখতে এবং বুঝতে হবে~ আজকে এই পথকে বিভ্রান্তি এবং আতংকে পরিণত করে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখে; নিজেদের ষড়যন্ত্রকে সফল করতে চাইছে এই জারজগুলো।
কিন্তু, এতো এতো ষড়যন্ত্র কি আমাদের পথচলাকে থামিয়ে দিতে পেরেছে?
ধীরে হলেও তা কি এই প্রক্রিয়াটি এগিয়ে যাচ্ছে না?
তাই আমরা আশান্বিত হই। তাই আমরা দ্বিধাহীন হতে চাই।
এবার ভাবার সময় হয়েছে~ আজকের এই সফলতা এমনি এমনি আসেনি।
এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের মনের জোরের কারণে। হাজার ষড়যন্ত্র আর হুমকির মুখে থেকেও, লক্ষ বিভ্রান্তি আর অপপ্রচারের জাল পেড়িয়েও আমরা সুবিচারের আশা ছাড়িনি বলেই, আজ আমরা এই নাটকের শেষ পর্বে এসে পৌঁছাতে পেরেছি।
তাই নিজেদের উপর থেকে বিশ্বাস হারালে চলবে না, এখানে দ্বিধার কোনই সুযোগ নেই।
হ্যাঁ, সরকারকে আমরা প্রত্যাশার চাপে ফেলতেই পারি।
কিন্তু, আমাদেরকে বাস্তবতা ভুলে গেলে চলবে না।
সরকার যদি সদিচ্ছা না দেখাতো~ তবে আমাদের প্রাণের দাবী, জাতির বহুপ্রতীক্ষিত এই সুবিচারের আশা স্বপ্ন হিসেবেই রয়ে যেত।
সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে বলেই আজকে তাদেরকে প্রতিনিয়তই দেশীয় এবং বৈশ্বয়িক নানান হুমকি-ধমকি সামলিয়েও এই পথকে সুরক্ষিত রাখতে নিজেদের অনেককিছু্কেই বাজি ধরে এগিয়ে যেতে হচ্ছে।
বাজি ধরতে হয়েছে সর্বোচ্চ নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি’র এবং দলের নেতৃবৃন্দের জীবনকে,জনগণের জান-মাল-অর্থনীতিকে; সর্বপরি বাজি ধরতে হচ্ছে ব্যাপক উন্নয়ণসাধনের পরেও নিজেদের দলের স্বাভাবিকভাবে প্রত্যাশিত ক্ষমতার দন্ডকে।
সরকার কি জানে না~ এর জন্য এই জারজেরা কি কি করতে পারে বা করেছে ইতিপূর্বেই?
তারা কি এটাও জানে না যে~ এই প্রক্রিয়া সফলতায় পরিণত না করতে পারলে, জনগণের ঘৃণার আগুনে তারা ইতিহাসে পাতায় ঠাঁই নিতে পারে?
সরকার পক্ষ-বিপক্ষের পাহাড়সম এই চাপের মাঝে থেকেও এই বাজি ধরেছে~ আর তা জেনে বুঝেই।
সুতরাং, আমাদের অল্পতেই ধৈর্যহারা হলে চলবে না।
বোঝার চেষ্টা করতে হবে~ কে বা কারা আমাদের প্রত্যাশা পূরণ আদৌ করতে পারে বা পারার ক্ষমতা রাখে।
আমাদের সহযোগিতা তাদেরকে এগিয়ে দিতে পারে আবার আমাদের আসহযোগিতা এবং দ্বিধাই তাদেরকে পিছিয়ে দিতে পারে।
আর এই যুদ্ধে তারা আমাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে বলেই, তাদের যেকোন ভুল আমাদেরকে বিচলিত করে~ এটা খুব স্বাভাবিক।
কিন্তু, সেই সাথে এটাও কি সত্য নয় যে~
তারা ভুল করেই হোক বা নানান কূটচালেই হোক; এই যুদ্ধে তারা যদি হেরে যায়~ এই হেরে যাওয়া মানেই কি আমাদের প্রত্যাশা’র হার নয়?
সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে আমাদের বিবেচনাহীন দ্বিধা আমাদের দূর করতে হবে,বরং সাব বাঁধা পেরিয়ে আশান্বিত হতে হবে।
আর তাহলেই তারা সাহস পাবে~ যেমন সাহস তারা আমাদের কাছ থেকে এর আগে পেয়েছিলো~ ৫ ফেব্রুয়ারি,২০১৩ তে।
আমরা যে জেগে আছি, আমরা যে আপোষহীন তা তাদের বার বার জানান দিতে হবে~ কিন্তু তা যেনো এমনভাবে না হয়; যাতে ওইসব জারজগুলো’র দূরভিসন্ধিমূলক ষড়যন্ত্রকেই পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে।
তাই, আমরা ধৈর্যশীল হবো।
আমরা আশা রাখবো।
আমরা কখনোই বিভ্রান্ত হবো না,বরং সুবিচারের প্রত্যাশায় দ্বিধাহীন হবো।
জয় আমাদের সুনিশ্চিত।
জয় বাংলা,
জয় তারুণ্য,
জয় বঙ্গবন্ধু।।

৪১ thoughts on “আমরা কখনোই বিভ্রান্ত হবো না,বরং সুবিচারের প্রত্যাশায় দ্বিধাহীন হবো। জয় আমাদের সুনিশ্চিত।

      1. পরামর্শ দেইনি আমি তো আমার
        পরামর্শ দেইনি আমি তো আমার ব্যাক্তিগত অভিমত দিলাম পরামর্শ দিবেন মানুষরা আমি না …… :ভেংচি:

          1. ঠিক তাই,
            তারিক লিংকন

            ঠিক তাই,

            তারিক লিংকন

            ভাই…
            আমি এখানেই বক্তব্যটা এক করে ফেলেছিলাম…ধন্যবাদ বোঝার জন্য… :ধইন্যাপাতা: :খুশি:

        1. একেলা পথের পথিক
          ভাই,
          আমি

          একেলা পথের পথিক

          ভাই,
          আমি আসলে আপনার মন্তব্যটি আপনার সিগনেচারটি সহ পড়ে ছিলাম…দুঃখিত… :আমারকুনোদোষনাই: :কনফিউজড: :মনখারাপ:

  1. আশায় বাধি নু বুক
    নিরাশায়

    আশায় বাধি নু বুক
    নিরাশায় কাটিল কাল
    ঠোকর মারিল ফোকর হইল
    তুলায় ভরিল গাল।

    আমাদের এই দশা। আর কত আশা আশা বলে চিৎকার করবো???

    আপনি দুই একদিন অপেক্ষার কথা বলছেন?? হাসি পেল। দেখা যাবে…… এক দল ধর্ম নিয়ে ব্যবসায় করে অন্য দল মুক্তিযুদ্ধ।

    1. জয়,
      তুমি সবসময়ই চমৎকার

      জয়,
      তুমি সবসময়ই চমৎকার বলো।তোমার হাসি পাওয়ার বিষয়টি অবান্তরও নয়।কিন্তু, সমালোচনার দাঁড়িপাল্লায় দু’টো অবস্থানকে একই ওজনে মাপতে গিয়ে~ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার আদর্শগত অবস্থাকারীদের সাথে ধর্মান্ধ উগ্রগোষ্ঠিকেও কি একই সাথে স্বীকৃতি দিয়ে দিলে না???
      তুমি সমালোচনাটা বরং এইভাবে করতে পারো কিনা ভেবে দেখতে পারো এবং তাদের কাছে প্রশ্ন তুলতে পারো(অবশ্যই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি দাবীকারী দলের কাছে) ~
      “আমাদের দেশপ্রেম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রাজনৈতিক খেলা/ব্যবসা যাই বলেন না কেনো;আপনারা বন্ধ করুন।আমরা এগুলো পছন্দ করি না”
      কিন্তু, এইভাবে নয় যেখানে বলছো~ দুইপক্ষই দু’টো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে খেলা/ব্যবসায় মেতেছে।এতে দু’পক্ষকে একই পাল্লায় মাপা হয়।
      বিষয়টা খেয়ালে রেখ।
      ধন্যবাদ তোমার সুন্দর প্রতিক্রিয়ার জন্য… :ধইন্যাপাতা: :খুশি:

  2. ধন্যবাদ, সোমেশ্বরী। আপনার
    ধন্যবাদ, সোমেশ্বরী। আপনার লেখাটি পড়ে মনে অনেক অনেক আমা জাগলো। আমরা বিভ্রান্ত হবোনা। আমরা ভুলে যাবনা। আমরা মনে রাখবো। আমরা বুঝবো।…..
    আমরা ভুণলনি। আমরা বিভ্রান্ত হইনি। আমরা মনে রেখেছি। আর শেষ পর্যন্ত আমরা লড়াই করে ঐ জারজদের ফাঁসির দড়িতে ঝুলাবো।
    জয় বাংলা
    জয় বাংলা

    1. শেষ পর্যন্ত আমরা লড়াই করে ঐ

      শেষ পর্যন্ত আমরা লড়াই করে ঐ জারজদের ফাঁসির দড়িতে ঝুলাবো।

      ঠিক বলেছেন,ভাইয়া…
      আমাদের জয় সুনিশ্চিত।
      কারণ, আমরা সত্য এবং সুন্দরের পক্ষে।
      আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
      :ধইন্যাপাতা: :খুশি:

  3. প্রচণ্ড হতাশা ভর করলেও আশার
    প্রচণ্ড হতাশা ভর করলেও আশার ভেলা এখনও ভাসিয়ে রেখেছি… এতগুলো মানুষ এতোকষ্ট করে গেলো এতদিন ধরে, এতো অসম্ভব ধৈর্য পরীক্ষা দিয়ে গেলো বিনা বাক্যব্যয়ে, আর আমি আর সামান্য কটা দিন ধৈর্য ধরতে পারব না… আপু তোমাকে অনেক ধন্যবাদ আশায় বুক বেঁধে থাকার জন্য… আশা ছাড়ি নি আপু… হাল ছাড়ি নি এখনও…

    জয় বাংলা বলে আগে বাড়…

    1. এই তোরাইতো এই দেশের
      এই তোরাইতো এই দেশের ভবিষৎ।তোরা হতাশ হলে কেমন করে হবেরে?
      খুব খুশি হলাম জেনে যে~ এতো কিছুর পরেও আশা ছাড়িসনি।
      আমরা হাল ছাড়বো নারে…আমরা তাই হারবোও না।
      মন খারাপ করিস না।
      দেশের প্রশ্নে আমরা সবাই একতাবদ্ধ~ সময়েই তা প্রত্যক্ষ হবে।
      অপেক্ষা কর।
      :ফুল: :খুশি:

      1. জয় আমাদের হবেই হবে। ধৈর্য
        জয় আমাদের হবেই হবে। ধৈর্য ধর…
        জয় যত দেরীতে আসে ততই নিখুঁত এবং যথার্থ হয়!!

        জয় বাঙলা… জয় বঙ্গবন্ধু…

        1. ধন্যবাদ
          তারিক লিংকন

          ধন্যবাদ

          তারিক লিংকন

          ভাইয়া,
          আমরা ধৈর্য্য ধরে আছি…সুবিচার পাবো এই প্রত্যাশা। :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

  4. ধৈর্য ধরেন……এতটা অধৈর্য
    ধৈর্য ধরেন……এতটা অধৈর্য হলে চলবে কিভাবে????

    ঠান্ডা মাথায় পুরো বিষয়টা চিন্তা করুন।এই মুহূর্তে সরকার অনেক চাপে আছে!!!!
    সরকারকে অনেক চিন্তা ভাবনা করতে হচ্ছে এবং অনেক হিসাবও কসতে হচ্ছে।
    তাই সাময়িক একটু বিলম্বিত হচ্ছে সত্যি……

    গত ৪২ বছর যখন বুকের উপর পাথর রেখে ঐ নরপশু গুলোকে সহ্য করে যাচ্ছি, তখন না হয় আর কটাদিন সহ্য করি।

    …….আমি, আপনি সকলেই ভাল করে জানি এই সরকার ছাড়া অন্য কোন সরকার রাজাকার বা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে নাহ্।

    ……তাই আর কটাদিন ধৈর্য ধরুন।

    বিজয় আমাদের নিশ্চিত……..

    জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
    ।জয় হোক তারুণ্যের…..

  5. সোমেশ্বরী অনেক সুন্দর করে
    সোমেশ্বরী অনেক সুন্দর করে ঘটনা গুলো তুলে ধরেছেন। আমারা শুধু আশবাদিই না আমারা এর শেষ দেখে ছাড়বো। আমার পিতা যদি দেশের জন্য জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করতে পারে আমি তার সন্তান হয়ে কেন এই বিচারের জন্য জীবন বাজী রাখতে পারব না।

    আমরা আছি থাকব, ৭১ এর চেতনায় লড়ব।

    এমন আশা জাগানিয়া পোস্ট কে স্টিকি করার বিবেচনার জন্য ইস্টিশন মাস্টার এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

    জয় বাংলা।

    1. অনেক ধন্যবাদ
      অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া…
      সেই…আমরা নতুন প্রজন্মের সবাই একাত্ম হয়ে এই যুদ্ধে জীবন বাজী রাখবো…
      আর জয় নিয়েই ঘরে ফিরবো… :খুশি: :ধইন্যাপাতা:

    1. জানি না,ভাইয়া…
      তবে…এতটুকু

      জানি না,ভাইয়া…
      তবে…এতটুকু জানি, আমরা পরাজিত হব না।
      হতে পারি না…দেখবেন,শেষ হাসিটা আমরাই হাসবো।
      আমি এটা বিশ্বাস করি। :খুশি: :ফুল:

      1. আশা তো সেটাই করি, জয় আমাদের
        আশা তো সেটাই করি, জয় আমাদের হবেই।
        কিন্তু এখন অবস্থা ভালো বুঝা যাচ্ছে না। কবে কি হয়??
        মিনিটে মিনিটে পরিস্থিতি পালটাচ্ছে।

        1. তাইতো দেখছি…এতো এতো
          তাইতো দেখছি…এতো এতো মিথ্যা’র বেড়াজাল আমরা পার হতে পারবো কিনা কে জানে… :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মনখারাপ:
          তারপরেও আশায় আশায় বসে আছি…জয় আমাদের হবেই

          অন্ধকারের যাত্রী

          ভাই…দেখবেন… :খুশি: :খুশি: :খুশি:

    2. ভবিষৎ এই শুনানি অনির্দিষ্ট
      ভবিষৎ এই শুনানি অনির্দিষ্ট কাল চলিবে, এর পর আবার আপিল।
      এর মধ্যে বহু বছর কাটিয়া যাইবে বাঙ্গালি নতুন ইস্যুতে নাচিবে । কাদের জানোয়ার কে ভুলিয়া যাইবে। কাদের মুরগির রোস্ট আর পোলাও খাইয়া জীবন অতিবাহিত করিবে। এক সময় শান্তিতে অক্কা পাইবে। তখন আবার বলা হইবে হত্যা করা হয়েছে। এই নিয়া বিশাল কেইস।
      এর পর প্রমানিত হইলেও হইতে পারে কাদের রাজাকার আছিল। সবাই কইবো কুত্তার লাস উঠায় ফাসি দাও । অত:পর আমাদের নাস্তিক অক্ষ্যায়িত করিয়া ছাড়িয়া দেয়া হইবে। ……………

  6. তাহলে আপু যুক্তিতেই কথা
    তাহলে আপু যুক্তিতেই কথা বলি।
    আগে একটি প্রশ্নের উত্তর দিন জামাত তো ধর্মানুভুতি ব্যবহার করে তাই নাই না???
    উত্তর অবশ্যই হ্যাঁ হবে।

    আপনার মন্তব্যের এই অংশ

    ### “আমাদের দেশপ্রেম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ
    নিয়ে রাজনৈতিক খেলা/ব্যবসা যাই বলেন
    না কেনো;আপনারা বন্ধ করুন।
    আমরা এগুলো পছন্দ করি না”###

    তার মানে তারা ব্যবহার করছে । তা নাহলে কি করে বন্ধ করবে?

    উদাহরণ স্বরুপ -ঐ ব্যটা লাইট বন্ধ কর্। লাইট যদি বন্ধই থাকে তবে কি করে বন্ধকরার কথা বলবে? লাইট নিশ্চই চালু আছে।

    সুতরাং আমার কথা টা ভুল নয়।

    মনে করুন আওয়ামিলীগ আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছিল সব রাজাকারের বিচার করবে, তাই ভোট চেয়ে ছিল। এখন আবার বলছে যে যুদ্ধাপরাধিদের বিচারের রায় কার্যকর করতে ভোট দিন। তাহলে কি দাড়ালো তারা মুক্তিযুদ্ধের অনুভুতিটা ব্যবহার করছেন।

    (যেহেতু যুক্তিতে এসেছেন তাই এগুলো বললাম। আমি আওয়ামিলীগের কাছে কৃতজ্ঞ কারণ তারা বিচার অনেকাংশে এগিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু এটা বলতে কুন্ঠিত হব না তারা আমাদের অনুভুতিটাকেও ব্যবহার করেছে, রাজনীতি করেছে। )

    1. জয় দুর্দান্ত একটা প্রশ্ন
      জয় দুর্দান্ত একটা প্রশ্ন করেছিস!! অনেক দিন পর চমৎকার একটা যুক্তি দিলি…
      এইবার একটু আলোচনা করি… কোন দেশের কোন সরকার কখনই মানুষের তৃতীয় স্তরের ইশতেহার নিয়ে ক্ষমতায় আসে না। এইবার স্তরত্রয় কি কি একটু দেখি!!
      প্রথম স্তরের ইশতেহারঃ মৌলিক চাহিদা- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা।
      দ্বিতীয় স্তরের ইশতেহারঃ অতিব প্রয়োজন- নাগরিক সুবিধা যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থা, টেলি-যোগাযোগ, রাস্তা ঘাট, অবকাঠামো গত উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, বিদ্যুৎ বা গ্যাস খাতসহ সকল নাগরিক সুবিধার নিশ্চয়তা দেয়া এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি।
      তৃতীয় স্তরের ইশতেহারঃ সাংস্কৃতিক, ঐতিহ্যগত এবং জনগণের আত্মার চাহিদা- এই ক্ষেত্রেই আসে মানুষের অস্তিত্বের প্রশ্নের সকল আদর্শিক এবং দেশপ্রেমের আবেগকে সমুন্নত রাখা আর বিনোদন এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে জনগণের জন্য কাজ করা। এই খানেই জাতি হিসেবে আমরা পিছিয়ে, ১৯৭৫ সালের ষড়যন্ত্রের জন্য এই অসমাপ্ত মৌলিক কাজটি বাকি থেকে যায়।

      বাকি সব কিছুই ধারবাহিক হলেও এই জায়গায় আওয়ামীলীগ সরকারের কাছে তরুণ সমাজের বিপুল আশা ছিল। তবুও আমাদের মনে রাখতে হবে ৫ বছরে কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বিচারকাজ তাঁর কন্যা শেষ করতে পারেন নাই।। এর অর্থ এই না যে গতবারও (২০০১/২০০৮) একই কাজ করেছে। অনেক গুরুত্বের কারণে আমরা এই বিষয়টিকে যৌক্তিক কারণেই অনেক তাৎপর্যপূর্ণ মনে করি এবং আমি এও মনে করি সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে তার দায়িত্বের ৭০% কাজই সম্পন্ন করেছে মাত্র ৫ বছরে। বিশ্বজুড়ে এই অপশক্তির লবিং এবং নেটওয়ার্ক কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তাও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের ভেবে দেখা উচিৎ…

      1. সুন্দর একটা মন্তব্য করেছেন ।
        সুন্দর একটা মন্তব্য করেছেন । উপরিক্ত নিয়ম যে সভ্য জাতির জন্যে।
        আমরা সভ্য নই যদিও এটা দু:খ জনক ঘটনা।

        আমাদের এখানে মৌলিক চাহিদা অবকাঠামো গত উন্নয়ন নিয়ে ভেবে ভোট দেয়ার লোক হাতে গোনা । কারন কজনেই বোঝে এগুলো। আমাদের দেশে রাজনীতির বড় শক্তি হল আবেগ। যেমন জামায়েত এর পুজি ধর্ম নিয়ে আবেগ।

        আমার প্রশ্ন গুলো কি অযৌক্তিক?

        আপনি বলেছেন জাময়েতের লবিং ধ্বংস করেছে হ্যাঁ তা তো দেখছিই শেষ মুহুর্তে রায় স্থগিতের জন্য চিঠি দেয় জাতিসংঘ সহ আরও কয়েক টি বড় বড় সংগঠন।

        আর cnn,bbc এর মত নিউজে হেড লাইন হয় ইসলামি নেতার মৃত্যু দন্ডাদেশ !!!

        1. সভ্য মানুষ যখন নিজেকে অসভ্য
          সভ্য মানুষ যখন নিজেকে অসভ্য মনে করে তখন আসলেই সে সভ্য হওয়ার যোগ্য না!! ১৭ কোটি মানুষ নিয়ে ৫৬ হাজার মাইলের যে ঘনবসতিপূর্ণ জনপদ আর যে অর্জন গত ১৮ বছর তা শুধু বাঙলাদেশের মত সংগ্রামী মানুষের পক্ষেই সম্ভব। এই চেতনায় মানুষের সভ্যতা গড়ার প্রথম ধাপ…

          1. এটা কিন্তু অস্বীকার করতে
            এটা কিন্তু অস্বীকার করতে পারবেন না যে এই অনুভুতি টাই কিন্তু আমাদের নির্বাচনে মুখ্য ভুমিকা পালন করে।
            নিরপেক্ষ ভাবে উত্তর টা দেন।

            আর যাক শেষ পর্যন্ত জয় আমাদেরই হল।
            জয় বাংলা । বর্তমান সরকার কে ধন্যবাদ

    2. তোমার বক্তব্যের জবাবটা দেওয়ার
      তোমার বক্তব্যের জবাবটা দেওয়ার সময়ই রিভিউ আবেদন খারিজ হওয়ার ঘোষণাটা পেয়েছিলাম… :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য:
      তাই সাথে সাথে ফোন করেই একসাথে আনন্দটাও ভাগ করে নিয়েছিলাম।
      তারিক ভাই এতো সুন্দর করে ব্যাখ্যা করার পরে আমার আর নতুন করে কিছু বলতে হচ্ছে না।
      শুধু একটা কথাই বলবো~
      আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল, তারা স্বাভাবিকভাবেই দলের এজেন্ডায় জনগণের মূখ্য চাহিদাগুলোকে আনবে~ এতে অন্যায় নেই।
      কিন্তু, ধর্ম কি রাজনৈতিকভাবে কোন দেশের মূখ্য চাহিদা হয়???
      এটাতো ব্যক্তিগত বিষয়।
      আর আমাদের দেশে ধর্ম পালনে কাকে কখন বাঁধা দেয়া হয়েছে…সেই অনুভূতি কাজে লাগানো লাগবে কেনো???
      ব্যক্তিগত অনুভূতি সার্বিক এজেন্ডায় আসে নাকি???
      যাই হোক, আওয়ামী লীগ আজকে আবারো এটা প্রমাণ করেছে~
      তারা শুধু এজেন্ডা দিয়েই শেষ করে না, এজেন্ডা পূরণও করে… :ভেংচি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *