চট্টগ্রামের প্রথম অনলাইন শপ

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, হ্যা এটা সেই বাংলাদেশ ৭ কোটি মানুষ যেখানে মনে প্রানে যুদ্ধ করেছিল নতুন একটি পতাকার জন্যে। নিজের নিজস্বতার জন্যে, এবং ৩০ লক্ষ্য প্রাণ ২ লক্ষ্য কিংবা না জানা তার অধিক সম্ভ্রম, নিজের একেকটি পরিবার হারিয়ে আমরা পেয়েছি এই দেশ, আমাদের দেশ বাংলাদেশ।

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, হ্যা এটা সেই বাংলাদেশ ৭ কোটি মানুষ যেখানে মনে প্রানে যুদ্ধ করেছিল নতুন একটি পতাকার জন্যে। নিজের নিজস্বতার জন্যে, এবং ৩০ লক্ষ্য প্রাণ ২ লক্ষ্য কিংবা না জানা তার অধিক সম্ভ্রম, নিজের একেকটি পরিবার হারিয়ে আমরা পেয়েছি এই দেশ, আমাদের দেশ বাংলাদেশ।
এরপর আমাদের পিছে ফিরে তাকাতে হয় নি, আমরা স্বাধীন একটি গনতান্ত্রিক রাস্ট । যদিও একেক সময় রাজনৈতিক রোষানলে পড়ে আমরা মাঝে মাঝে ভুলে যেতাম আমাদের অধিকার কিংবা গনতান্ত্রিকতা কি ?। কিন্তু এই সব কিছুর মাঝেই আমরা এগিয়ে যেতে ভুলিনি, ধীরে ধীরে আমরা আন্তর্জাতিক বিশ্বের পিছিয়ে পড়া দেশ থেকে বেরিয়ে সল্প উন্নত দেশ এ পরিনিত হয়েছি, আর এখন আমরা মধ্যম উন্নত দেশ।
হ্যা আমরা যুগের সাথে তাল মিলাতে শিখে গেছি। আমরা এখন প্রায় ১৭ কোটি জনসংখ্যার একটি দেশ, হ্যা সেই ৭ কোটি মানুষের দেশের জনসংখ্যা এখন ১৭ কোটি। কিন্তু সেই আমরা এই ১৭ কোটি কোন ভাবে পিছিয়ে নেই। আমাদের নতুন বেড়ে উঠা প্রতিটা সন্তান, কিশোর কেউ ই পিছিয়ে নেই। আমাদের দেশের সন্তানেরাই আন্তর্জাতিক বিশ্বে তথ্য প্রযুক্তি তে নাম করছে, হ্যা আমরা এই তথ্য প্রযুক্তির বিশ্বে অন্যান্য উন্নত দেশের মত তাল মিলিয়ে নাম করে যাচ্ছি, আমাদের দেশের প্রায় এখন সবাই ই জানে অনলাইন মানে কি , ইন্টারনেট মানে কি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের কাছে আর কেবল মাত্র বিনোদনের মাধ্যম নেই, এর মাধ্যমে আমরা নিজের প্রয়োজনীয়তার কারনে ব্যাবহার শিখেছি, বর্তমানের যুবা সমাজ একেকটি সামাজিক মাধ্যম কে ওইভাবে প্রয়োজনীয়তা মেটাতে সক্ষম করে ফেলেছে।
একসময় তরুণ সমাজ যখন পাগল হয়ে যেত ইন্টারনেট ব্যাবহার করার জন্যে তখন তাদের পরিবার থেকে বাধা দেওয়া হত, তখন মনে করা হত ইন্টারনেট কেবল মাত্র পর্ণগ্রাফি সাইট । তাদের খারাপ ভাবতো। কিন্তু না যুগ পাল্টে গেছে যারা একসময় এই ভ্রান্ত ধারনা নিয়ে থাকত তারাই আজকাল সন্তান কে উপহার দেয় কোন এক ওয়েব সাইট এর অনলাইন শপ থেকে।
আমাদের এখন রক্তের প্রয়োজনে একবার সামাজিক মাধ্যমে একটা স্ট্যাটাস দিলেই যথেষ্ট কিছু নিবেদিত প্রাণ ঝাপিয়ে পড়ে সেই রক্ত যোগাড়ের জন্যে, মাঝে মাঝে আপনি অবাক হবেন বা ভাববেন আপনার নিজের আত্নিয় হলেও হয়ত আপনি এরকম কষ্ট করতেন না। আর এই সবকিছুই সম্ভব হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির কারনে, ইন্টারনেট এর কারনে। এখন আমাদের দেশে এসেছে ত্রি জি। যা উন্নত বিশ্বের দ্রুততম যোগাযোগের সবচেয়ে আধুনিক পন্থার মধ্যে একটা।
একবিংশ শতাব্দীর তড়িৎ গতি ধরে আমরাও এগিয়ে যাচ্ছি তথ্য প্রযুক্তির হাত ধরে।
হ্যা এখন আমরা ঘরে বসেই আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী পেয়ে যাচ্ছি। হ্যা যা একসময় আমাদের কাছে কেবল রুপকথা মনে হত তা ই এখন আমাদের হাতের মুঠোয়, বিভিন্ন রিটেইলার শপ এর সাইড এখন ইন্টারনেট এ তাদের ফেসবুক পেজ কিংবা ওয়েব সাইটের মাধ্যমে মুহূর্তেই আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সামগ্রী পেয়ে যাচ্ছেন আপনার দরজায়। হ্যা আমরা এখন ইন্টারনেট কে আমাদের প্রয়োজনে ব্যাবহার শিখেছি।
গড়ে উঠছে বিভিন্ন অনলাইন সাইট। বড় বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আমাদের দিচ্ছে তাদের অনলাইন শপ এর মাধ্যমে হোম ডেলিভারি সহ সকল সুবিধা। হ্যা সেই একসময় হলিউড মুভি দেখে কল্পনা করতাম আমরা আমাদের দেশে কখন এরকম ফোন করার সাথে সাথে হোম ডেলিভারি তে পেয়ে যাবো আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
এখন একটা ফোন কলের মাধ্যমে কিংবা একটা ইমেইল এক কথায় একটা ক্লিক এর মাধ্যমেই আপনি পেয়ে যাচ্ছেন আপনার যে কোন মূল্যবান সামগ্রী আপনার দরজাতেই। দেশের বাইরে আছেন দেশে পরিবার কিংবা প্রিয় কারো বিশেষ দিন কিংবা কোন বিশেষ দিবসে অনলাইন শপ এর মাধুমে সঠিক সময়ে সঠিক মুহূর্তে প্রিয় জনের কাছে আপনি উপহার পৌঁছে দিতে পারছেন।

আজ আপনাদের সাথে বিশেষ করে যারা চট্টগ্রামের বন্ধুরা আছেন তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব এরকম ই একটি অনলাইন সাইট Chittagong eShop.com নামে একটি অনলাইন শপ এর সাথে,যারা যাত্রা শুরু করেছিল ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসেই, আমাদের বিজয়ের মাসেই।
যেখানে আপনি যেকোন মুহূর্তে পাচ্ছেন আপনার নিত্য প্রয়োজনীয় যে কোন সামগ্রী, বিভিন্ন নামি দামি ব্র্যান্ড এর পণ্য সকল। এবং তারা তা আপনার কাছে পৌঁছে দিচ্ছে বিনামুল্যে হোম ডেলিভারি সুবিধার মাধ্যমে। যে কোন বিশেষ মুহূর্ত যে কোন বিশেষ দিনের জন্যে ওদের রয়েছে বিভিন্ন উপহার প্যাকেজ, যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ইচ্ছে, সাধ্য সবকিছু মিলিয়ে প্রিয়জন কে খুশি করে দিতে পারছেন, ব্যাপার টা অনেক টা এরকম প্রয়োজনীয়তা আপনার ভাবনা ওদের। আপনাকে পেমেণ্ট এর নিরাপত্তা নিয়েও ভাবতে হচ্ছে না, আপনি পারছেন অন ডেলিভারি পেমেন্ট কিংবা জিনিস পৌঁছে যাওয়ার পড় অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট এর সুবিধা। ওদের ওয়েব সাইটে ঘুরে আসতে পারেন যেকোন সময়, ওদের ওয়েব এর ঠিকানা হল http://www.chittagongeshop.com/ আপনি আবার এদের পাচ্ছেন সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এদের পেজ এর নাম ChittagongEshop.com. লিঙ্ক হচ্ছে https://www.facebook.com/pages/ChittagongEshopcom/196803860498956
তো আর দেরি কেন ঘুরে আসুন ওদের দুনিয়া থেকে। খুজে নিন আপনার প্রয়োজনীয় যে কোন সামগ্রী। এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে উপভোগ করুন ঘরে বসেই মাত্র এক ক্লিক এর মাধ্যমে সকল সুবিধা।

৩২ thoughts on “চট্টগ্রামের প্রথম অনলাইন শপ

  1. আপনার তথ্যটি ভুল। চট্টগ্রামে
    আপনার তথ্যটি ভুল। চট্টগ্রামে আপনার প্রতিষ্ঠান প্রথম অনলাইন শপ নয়। তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে কোন ধরনের ভুল তথ্য দেওয়াকে আমি মনে করি তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে কোন ধরনের জ্ঞান না থাকা। ভুল তথ্য দেওয়াটাও এক ধরনের অপরাধ।

      1. আমি যতটুকু জানি কারিগর.কম
        আমি যতটুকু জানি কারিগর.কম (www.karigor.com) চট্টগ্রামের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনলাইন শপ। যাদের ফেসবুকে গ্রাহক সংখ্যা ৫৪,০০০+ আর আপনাদের মাত্র ৪০০+, কারিগর.কম-এর ফেসবুক পেইজঃ https://www.facebook.com/karigordotcom

        এছাড়াও কারিগর.কম-এর আছে ভিন্ন ধরনের অনেকগুলো প্রোডাক্ট।

        1. আপনি গুগলে সার্চ দিয়ে দেখুন
          আপনি গুগলে সার্চ দিয়ে দেখুন চট্টগ্রামের অনলাইন শপ তাহলে বুঝতে পারবেন। আর আমার জানামতে কারগর ঢাকা থেকে পরিচালিত হয় এবং ঢাকা ভিত্তিক।

          1. গুগুলে যে ডাটা দিবেন সেটাইতো
            গুগুলে যে ডাটা দিবেন সেটাইতো আসবে। কারিগর.কম এর প্রধান অফিস চট্টগ্রামে। ঢাকায় তাদের শাখা অফিস।

          2. আমরা কোন কিছু লাগলে বিশেষ করে
            আমরা কোন কিছু লাগলে বিশেষ করে অনলাইনে সবার আগে সার্চ দি তো গুগল এ নয় কি । আর ওদের পেজ এ ফ্লেক্সি লোড বা এই ধরনের কিছু নিয়ে কাজ করা হচ্ছে, কিন্তু অনলাইন ব্যবসা এই জিনিস তা কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়া আমার হয়ত ভুল হতেও পাড়ে, কিন্তু যতটুকু জানি

    1. ঠিকানা গুলো দেওয়া আছে পোস্ট এ
      ঠিকানা গুলো দেওয়া আছে পোস্ট এ ভাইয়া , ওদের ফেসবুক পেজ লিঙ্ক আর ওয়েব সাইট লিঙ্ক দেওয়া আছে

  2. কে ফাস্ট কে সেকেন্ডে সেটা
    কে ফাস্ট কে সেকেন্ডে সেটা মুখ্য ব্যাপার নাহ্।
    ব্যাপার হচ্ছে এগিয়ে চলেছে আমার প্রিয় লাল-সবুজের দেশ বাংলাদেশ। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  3. আবির সাহেব বাংলাদেশের মতো
    আবির সাহেব বাংলাদেশের মতো দেশে আন্তর্জাতিক কার্ড থাকলেই যে শুধুমাত্র অনলাইন শপিং হয় এটা এই প্রথম শুনলাম।

    আর একটা কথা কি কি থাকলে অনলাইন শপিং কে অনলাইন শপ বলা যায় জানতে চাচ্ছি।

    1. শর্তের পূর্বে: নাম দিতে হবে-
      শর্তের পূর্বে: নাম দিতে হবে- ‘সৌরজগতের প্রথম ই-শপ’
      প্রথম শর্ত: তিনগুণ দামে শুঁটকি বেচতে হইবে..
      দ্বিতীয় শর্ত: চারগুণ দামে নকশি কাঁথা বেচতে হইবে..
      তৃতীয় শর্ত: অদৃশ্য দামে বিয়ার বাজার সদাইর পসরা বসাইতে হইবে..
      চতুর্থ শর্ত: বিভিন্ন বলগ দিয়া ইন্টারনেট চালায়া পুষ্টাইতে হইবে (অবশ্যই ভুল বানানে)..

      1. শওকত সাহেব বা তথাকথিত আব্দুর
        শওকত সাহেব বা তথাকথিত আব্দুর রহমান সাহেব, যে কোন কিছুর দাম নিয়ে চ্যালেঞ্জ করতে হলে উনাদের অফিসে চলে যান ওইখানে গিয়ে সামনাসামনি লাফালাফি করুন। আপনি নিজে নিশ্চয় বলগ দিয়ে ইন্টারনেট চালান তাই অন্যদের নিজের মত ভাবেন। আপনাকে ও নিশ্চয় কারিগর এ চামচামি করার জন্যে রাখছে তাই লাফালাফি করছেন। উপরে একটা কমেন্ট এ উল্লেখ করা আছে চোখ বুলিয়ে দেখে নিবেন আমার হয়ত ভুল ও হতে পাড়ে। আমি আমার জানামতে লিখেছি। আর আপনি তো বলেছেন আপনি ফরমালিন পরীক্ষা করাবেন, আসেন আপনার কারিগর ডট কম এর ৪৫০ টাকার শুটকি ও আনুন এদের টাও নিন দুইটাই একসাথে ফরমালিন পরীক্ষা হোক কি বলেন।

        1. আব্দুর রহমান সাহেবটা কোথেকে
          আব্দুর রহমান সাহেবটা কোথেকে এলো ভাই? কারো মন্তব্যের প্রতিমন্তব্য করতে হলে তার মন্তব্যের নিচে গিয়েই দিতে হয়, এটা কি জানেন? আপনি আমার মন্তব্যের নিচে এসে ‘আব্দুর রহমান’ এর মন্তব্যের জবাব দিচ্ছেন কেন সেটাই বুঝলাম না। যদিও এই নামে কোন মন্তব্যকারী দেখলাম না। হয়তো এই নামের কারো সাথে আপনার কোন ক্যাঁচাল হয়ে থাকবে, কিন্তু সেটা এখানে কেন ঝাড়ছেন !!! কিসের মধ্যে কি? ফরমালিন টেস্ট ফেস্ট নিয়ে কি আবোল তাবোল বকছেন ভাই??? আজিব চিড়িয়া !!!

          উত্তেজনা প্রশমণ করুন, নইলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

    2. বাংলাদেশের মত দেশে এই কথা টার
      বাংলাদেশের মত দেশে এই কথা টার মানে তা বুঝি নাই একটু বুঝিয়ে দিবেন। আর প্রায় প্রতিতাপরিপুরন অনলাইন শপ এ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট এর সুবিধা রাখা হয়, প্রবাসী দের সুবিদারত্থে

  4. ভাবতেসি একটা ই-শপ খুলুম। তার
    ভাবতেসি একটা ই-শপ খুলুম। তার নাম হবে “বাঙলাদেশ এর প্রথম ই-শপ”। তাইলে বাঙলাদেশের প্রথম ই-শপ লিখে গুগলে সার্চ দেন আর যেইটা দিয়াই সার্চ দেন, প্রথমে আমারটাই আসবে। বুদ্ধি খ্রাপ না।

    চট্টগ্রাম ই-শপে গিয়ে দেখি ৪, সেপ্টেম্বর ২০১৩ এর আগে আপনাদের কোন কার্যক্রমই নাই !!! এতোদিন কোথায় ছিলেন ভাইজান? আপনাদের ওয়েব সাইটের ক্রিয়েশন ডেট দেখলাম ১ এপ্রিল, ২০১৩ইং। আর কারিগর.কম এর জন্ম ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৬ইং !!! [চট্টগ্রাম না, খুঁইজা দেখেন ২০০৬ সালে সারাবিশ্বে কয়টা ই-শপ ছিলো]

    আর কিছু জানতে চান??? চাইলে স্ক্রিণশট দিয়ে দিতে পারি।

  5. ইস্টিশন কি বিভিন্ন শপ-টপের
    ইস্টিশন কি বিভিন্ন শপ-টপের বিজ্ঞাপনী সাইট হয়ে যাচ্ছে? আমি যতদূর জানি এই ধরনের বিজ্ঞাপনী পোস্ট ইস্টিশনে নিরুৎসাহিত করা হয়। ব্লগকে সামুর মতো বিজ্ঞাপনী বাজারি ব্লগ হিসেবে দেখতে চাই না। আর কয়দিন পর তো পাবলিক বাসা ভাড়া দেওয়া/নেওয়ার জন্যও পোস্ট দিবে, সামুতে যেমন দেয়। ইস্টিশন মাস্টারের হস্তক্ষেপ আশা করছি এই ধরনের পোস্টের ব্যাপারে।

    1. দুঃখিত আতিক ভাই, আসলে
      দুঃখিত আতিক ভাই, আসলে ব্যপারটা ই-শপ নিয়ে না, তথ্য বিভ্রাট দূর করতে গিয়েই এত ক্যাঁচাল করতে হলো। গায়ের জোরে প্রথম হতে চাওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা দেখে চোখে সইলো না… :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই: :আমারকুনোদোষনাই:

      1. এইটা অনেকটা পরিচিতির জন্যে
        এইটা অনেকটা পরিচিতির জন্যে দেওয়া হয়েছিল , কিন্তু অনেকটা এড এর পর্যায়ে পড়ে যায়, এর জন্যে দুঃখিত @ ডন মাইকেল করলিওনি এবং আতিক ভাই

  6. আসলে বাঙালীর স্বভাব হইলো
    আসলে বাঙালীর স্বভাব হইলো ত্যানা পেচ্যানো… কেউ ভালো করতে চাইলে তার পেছনে খালি বাঁশ দেওয়া।
    ChittagongEshop.com প্রথম ইশপ নাকি কারিগর সেইটা নিয়ে এত প্যাচাল পারার দরকার কি… মানুষ গুগোলে যা পাবে এখন তাই তো লিখবে… ২০ বছর আগে ডোমেন বানাক কিংবা ৪০ বছর আগে সেইটা তো কোন বিষয় না বিষয় হইলো কে কি ভাবে তার ব্যাবসাটা চালাবে… কেউ যদি তার প্রোড়াক্ট ১০০ গুন দামে বেচুক সেইটাতে কয়জনের পেট ব্যথা কেন বুঝলাম না। সেইটা যার যার ব্যাবসা পলিসি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *