নিরপেক্ষতাঃ- যখন আত্মঘাতী হয়!

নিরপেক্ষতা!
বর্তমানে দেশে এমন লোকের অভাব নাই যারা নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করে! ইহা অত্যন্ত ভাল কথা। যে উনারা কারো সাতে-পাঁচে না গিয়ে নিরীহ ভাবে বাস করতে চান। স্বাধীন দেশে প্রত্যেক মানুষেরই শান্তিপূর্ণ ভাবে বাঁচার অধিকার আছে। আমি সরকারের কাছে দাবী জানাই যাতে সরকার জনগণের সকল অধিকার নিশ্চিত করে।
তবে কিছু কিছু সময় আছে যখন নিজেকে নিরপেক্ষ দাবী করা নির্বুদ্ধিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। কখনো কখনো তা আত্মঘাতীও হয় বলেই আমি মনে করি। যেমন পলাশীর যুদ্ধে এ দেশের মানুষ নিরপেক্ষতা অবলম্বন করে নিজেদের জন্য,দেশের জন্য,নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মারাত্বক বিপদই ডেকে এনেছিলো।


নিরপেক্ষতা!
বর্তমানে দেশে এমন লোকের অভাব নাই যারা নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করে! ইহা অত্যন্ত ভাল কথা। যে উনারা কারো সাতে-পাঁচে না গিয়ে নিরীহ ভাবে বাস করতে চান। স্বাধীন দেশে প্রত্যেক মানুষেরই শান্তিপূর্ণ ভাবে বাঁচার অধিকার আছে। আমি সরকারের কাছে দাবী জানাই যাতে সরকার জনগণের সকল অধিকার নিশ্চিত করে।
তবে কিছু কিছু সময় আছে যখন নিজেকে নিরপেক্ষ দাবী করা নির্বুদ্ধিতা ছাড়া আর কিছুই নয়। কখনো কখনো তা আত্মঘাতীও হয় বলেই আমি মনে করি। যেমন পলাশীর যুদ্ধে এ দেশের মানুষ নিরপেক্ষতা অবলম্বন করে নিজেদের জন্য,দেশের জন্য,নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মারাত্বক বিপদই ডেকে এনেছিলো।

স্বাধীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রান্তিকাল বলা হয় যে ৭৫ সালকে,সেই সালে কিছু মানুষের নিরপেক্ষতার তথা নিষ্কৃয়তার খেসারত দিতে হয়েছিলো বাঙ্গালিকে চরম ভাবে। এবং অনেক দিনই তা বহন করতে হয়েছিলো (এখনো সেই ক্ষত পুরোন হয়েছে নাকি তা বিচারের ভার পাঠকদেরই দিলাম )।

ঘটনা- ( প্রেক্ষাপট বঙ্গবন্ধু হত্যা )
সেসময়ের সেনাবাহিনীর অনেক কর্মকর্তার মতে সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান মেজর জেনারেল জিয়া সহ অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বঙ্গবন্ধুর বিপক্ষে যে বিদ্রোহ করা হবে সে সম্পর্কে জানতেন। আমার এই কথার রেফারেন্স হিসেবে প্রথমেই দিচ্ছি একজন বিদেশী গবেষকের বই( যেহেতু অনেক বাঙ্গালীরই বিদেশীদের কথা সত্য বলে মনে করার একটা মানসিক রোগ আছে তাই প্রথমেই বিদেশীর রেফারেন্স দিলাম) থেকে উনার সরাসরি উক্তি ” সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান সহ অনেক উচ্চপদস্থ সামরিক অফিসারকেই মুজিবের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানে অংশ নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল,তবে অভ্যুত্থান ব্যর্থ হতে পারে এমন আশঙ্কার কারণে তারা এতে উৎসাহ দেখান নি।” ( সুত্র:- লরেন্স লিফশুলৎস এর বাংলাদেশ: দ্যা আনফিনিসড রেভূল্যাশন নামক বইয়ে [ অনুবাদ- অসমাপ্ত বিপ্লব,৫০ পৃষ্ঠা ] লেখক মার্কিন সাংবাদিক ছিলেন।)

বঙ্গবন্ধুর বিপক্ষে অভ্যূত্থানের খবর পেয়ে কর্ণেল শাফায়াত জামিল দ্রুত একটা ব্যবস্থা নিয়ে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণ করে সেনাবাহিনীতে শৃংখলা প্রতিষ্ঠা করার জন্য নির্দেশের আশায় ছুটে গিয়েছিলেন জেনারেল জিয়ার কাছে। আসুন জেনারেল জিয়া উনাকে কি বলেছিলেন তা শুনি আরেক বিদেশী অ্যান্থনী মাসকারেণহাসের মুখ থেকে ” জামিল ঝটপট তার উর্দি গায়ে জড়িয়ে জিয়ার বাসভবনে হেটে উপস্থিত হন। উনি জিয়াকে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে বলেন “স্যার প্রেসিডেন্টকে খুন করা হয়েছে। এখন আমাদের করণীয় দিক নির্দেশ করুন।”

জেনারেল জিয়াকে অত্যন্ত শান্ত দেখাচ্ছিলো। স্পষ্টতই তিনি ঘটনা সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত বলে মনে হচ্ছিলো।জিয়া উত্তর দিলেন:- ” প্রেসিডেন্ট যদি বেচে না থাকেন,ভাইস প্রেসিডেন্ট তো আছেন?!!! তোমরা হেড কোয়ার্টারে যাও এবং পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করো!” ( বাংলাদেশ: এ লিগ্যাসি অব ব্লাড- অনুবাদ বইয়ের পৃষ্ঠা ৯৩) এই ঘটনার উল্লেখ আছে (ক্রাচের কর্ণেল নামক বইয়ের ২৩৪পৃষ্ঠাতে এবং কর্ণেল শাফায়াত জামিলের বই ‘একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ,রক্তাক্ত মধ্য-আগষ্ট ও ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর’ :- এর পৃষ্ঠা ১০৩ এ)
এত বড় একটা ঘটনা ঘটে যাবার পরও জেনারেল জিয়া কিভাবে স্বাভাবিক ছিলেন তা আমার কাছে অবশ্যই একটি বিশাল প্রশ্ন!

মাসকারেণহাস উনার বইতে আরো উল্লেখ করেন ” জামিল সেনাবাহিনীতে ‘চেইন অব কমান্ড’ ফিরিয়ে আনার জন্য সেনাবাহিনীর প্রধান,জেনারেল জিয়ার সঙ্গে এক দফায় আলোচনা করে,কিন্তু জিয়া,এ ব্যাপারে ভালমন্দ কিছুই বলেন নি। সম্ভবত জিয়া দু’কূলই রক্ষা করে চলেছিলেন।” ( বাংলাদেশ: এ লিগ্যাসি অব ব্লাড- এর অনুবাদ- পৃষ্টা ১২৫)

এক্ষেত্রে একটা কথা না বললে আমার মতে আমার তরফ থেকে ভন্ডামীই হবে। অনেক আওয়ামীপন্থী লোক বলে থাকেন যে জিয়া বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সাথে জড়িত ছিলেন যা পুরোপুরি অসত্য বলেই আমি মনে করি। ( অন্তত আমি এই ব্যপারে কোন তথ্য পাইনি। কারো কাছে থাকলে রেফারেন্স দিয়ে উল্লেখ করলে খুশি হবো) তবে উনি এর সম্পর্কে আগে হতেই জানতেন কিন্তু তা প্রতিরোধের কোন ব্যবস্থায় উনি গ্রহণ করেন নি। এখন আমার প্রশ্ন হলো সেনা উপ-প্রধান হিসেবে কি উনার দায়িত্ব ছিলো না রাষ্ট্রপ্রধানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা?

এক্ষেত্রে উনার নিরপেক্ষ তথা নিষ্কৃয় ভুমিকাকে আমরা কি বলবো?

নিজের ভুলের মাশুল জেনারেল জিয়া দিয়েছিলেন নিজের জীবন দিয়েই। ১৯৮১ সালের মে মাসের শেষের দিকের কোন এক বিকেল বেলায় ঘাতকরা প্রেসিডেন্ট জিয়াকে হত্যার পরিকল্পনা করে। মাসকারেণহাসের তথ্য অনুযায়ী জেনারেল মঞ্জুরের সংকেত পেয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা লেঃ কর্ণেল দেলোয়ার হোসেনের বাসায় অভিযানের পরিকল্পনার জন্য মিলিত হন। সেখানে উপস্তিত ছিলেন লেঃ কর্ণেল মতি,লেঃ কর্ণেল ফজলে হোসেন,লেঃ কর্ণেল মাহবুব, মেজর খালিদ,মেজর লতিফুল,মেজর রওশন। লেঃ কর্ণেল ফজলে হোসেনের মতে,তারা তখন দু’টি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। প্রথম পরিকল্পনা ছিল জেনারেল জিয়াকে সার্কিট হাউস থেকে উঠিয়ে এনে উনাকে ব্যবহার করে ভাইস প্রেসিডেন্ট সাত্তার,সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ,এবং সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চট্টগ্রামে এনে হত্যা করার্। বিকল্প হচ্ছে,যদি প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়,তবে জেনারেল জিয়াকে হত্যা করা হবে। ( সুত্র:- বাংলাদেশ: এ লিগ্যাসি অব ব্লাড,অনুবাদ ১৯৭ পৃষ্ঠা)।

নিয়তির কি নির্মম পরিহাস ৩০শে মে রাত আড়াইটার দিকে ঘাতকদল এসে মিলিত হয় কালুরঘাট রেডিও ট্রান্সমিটারের কাছাকাছি নির্ধারিত মিলন স্থলে। সেই কালুরঘাটে যেখানে জন্ম হয়েছিল কিংবদন্তী মেজর জিয়ার!!! ( জিয়া দেশ স্বাধীন হবার পরে সেনাপ্রধান হয়েছিলো,দেশের প্রেসিডেন্ট ও হয়েছিলো,কিন্তু কালুরঘাটের সেই মেজর জিয়াকে ছাড়িয়ে যাওয়া ছিল উনার পক্ষে অসম্ভব! এখানেই একজন সাধারণ মানুষের সাথে একজন কিংবদন্তীর পার্থক্য। ) সেইদিনই প্রেসিডেন্ট জিয়া লেঃ কর্ণেল মতির এসএমজির গুলিতে প্রাণ হারান। খুনের নেশায় পাগল ঘাতক মতি জিয়ার প্রাণহীন দেহ উল্টিয়ে তাঁর মুখমন্ডলে ও বুকে এসএমজির ট্রিগার চেপে পুরো ম্যাগজিন খালি করে।

সেদিনের নিষ্কৃয়তার প্রতিদান জিয়া দিয়েছিলো নিজের জীবন দিয়ে। কিন্তু সেই সাথে কি জাতি হিসেবে আমরাও প্রতিদান দেই নি?

আমাতো মনে হয় আমরা আরো বেশি দিয়েছি! পর্বত সম ব্যক্তিত্বের বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে ( “ আমি হিমালয় দেখিনি। কিন্তু আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতায় তিনিই হিমালয়।” – বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রো ) ,কিংবদন্তী বঙ্গতাজ সহ বাকী জাতীয় তিন নেতাকে হারিয়ে,কিংবদন্তী খালেদকে হারিয়ে,কিংবদন্তী হায়দারকে হারিয়ে,কিংবদন্তী তাহেরকে হারিয়ে,কিংবদন্তী জিয়াকে হারিয়ে।
জিয়ার আরেকটি ভুলের মাশুল আমরা এখনো দিচ্ছি। তাহলো ৭১ এর ঘাতক দালাল রাজাকারদের এদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার মাশুল। এই প্রসঙ্গে কিছু কথা না বললেই নয়।

তিনি ১৯৭৫ সালের ৩১শে ডিসেম্বর, ৭২’এর ঘাতক দালাল আইন বাতিল করে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি দেন, যাদের মধ্যে ৭৫২জন দন্ডপ্রাপ্ত ছিলো। [ ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ নাগরিকত্ব আদেশের (অস্থায়ী বিধান) তিন নম্বর ধারাবলে বাংলাদেশ সরকার ৩৯ ব্যক্তিকে বাংলাদেশে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘোষণা করেছেন। এই ৩৯ ব্যক্তি বাংলাদেশে নাগরিকত্ব পাবে না। এর কারণ হিসাবে বলা হয়েছিলো,এসব ব্যক্তি বাংলাদেশ মুক্তির আগে থেকে বিদেশে অবস্থান করছিলেন। এদের আচরণ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভের উপযুক্ত বলে বিবেচিত হতে পারে না এবং এরা পাকিস্তানেই অবস্থান করছেন। বাংলাদেশে নাগরিকত্ব লাভের অযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে গোলাম আজম ছিলেন ৮নম্বরে। সুত্র:-দৈনিক বাংলা/ ২২ এপ্রিল ১৯৭৩ ]।

কিন্তু ১৯৭৮ সালের ৫ই এপ্রিলে জিয়া নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে ১৯৭১-এর ঘাতক দালালদের নাগরিকত্ব দানের জন্য মন্ত্রনালয়কে আদেশ দেন। নতুন নাগরিকত্ব আইনের আওতায় পাকিস্তানের পাসপোর্ট হাতে রাজাকার গোলাম আজমকে দেশে প্রবেশের অনুমতি প্রদান করেন। ফলশ্রুতিতে রাজাকার গোলাম আজম ১৯৭৮ সনের ১১ জুলাই পাকিস্তানী পাসপোর্টে বাংলাদেশের
(৩ মাসের) ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এবং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার আগ পর্যন্ত বিনা ভিসায় এদেশে থাকেন ও রাজনৈতিক তৎপরতা চালান। যদিও তা অবৈধ ছিল।

অনেক দিয়েছি ভুলের মাশুল,এবার আর নয়। এখন সময় এসেছে ভুল শুধরানোর। তাই আবারো বলছি নিরপেক্ষতার সময় অন্তত এখন নয়।
দেখা হবে বিজয়ে!
জয় বাংলা!

১৯ thoughts on “নিরপেক্ষতাঃ- যখন আত্মঘাতী হয়!

  1. অসাধারন পোষ্ট। আপনার
    অসাধারন পোষ্ট। আপনার রেফারেন্স বহুল লেখা থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম।

    ….ইষ্টিশনে স্বাগতম

  2. কিংবদন্তি জিয়া???!!!!!! মাই
    কিংবদন্তি জিয়া???!!!!!! মাই ফুট :ক্ষেপছি: অবাক হচ্ছি আপনার ধৃষ্টতা দেখে। :ক্ষেপছি:

    জিয়া যা করেছিল সেগুলো তার ভুল ছিল নাহ্,সেগুলো ছিল প্রি-প্ল্যান্ড…….. :ক্ষেপছি:

    ………ইস্টিশনে স্বাগতম।

    1. দেখুন ব্যক্তিগত ভাবে আমি
      দেখুন ব্যক্তিগত ভাবে আমি নিজেও জিয়াকে অপছন্দ করি। কারণ উনি বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করার কোন চেষ্টাই করেননি। উনি রাজাকারদেরও এদেশে প্রতিষ্ঠীত করেছেন।
      কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমি কালুরঘাট বেতার থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে কিংবদন্তীতে পরিনত হয়েছেন তা অস্বীকার করবো!!! কালুরঘাট থেকে জিয়ার আগে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান সাহেবও বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু উনার ভাষণেরথেকেও মেজর জিয়ার ভাষণ টনিক হিসেবে কাজ করেছিলো। একজন সেনাকর্মকর্তাকে দিয়ে ভাষণ দেওয়ানোর উদ্দেশ্য ছিলো জনগণকে এই ম্যাসেজ দেওয়া যে তাদের পাশে পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে বিদ্রোহ করে আসা বাঙ্গালী সৈনিকরা আছে। সেই দিন জিয়ার স্থলে অন্যকোন সেনাকর্মকর্তা থাকলে সেই ভাষণ দিতেন। এপ্রসঙ্গে একটু বলি,সেই দিন মেজর রফিকও বেতার কেন্দ্রের কাছাকাছি ছিলেন( জিয়ার অবস্থানের তুলনায় দূরে) এবং উনি যুদ্ধরত অবস্থায় ছিলেন। তাই উনিই কালুরঘাটের থেকে জিয়াকে দিয়ে ভাষণটা দেওয়াতে বলেন। (জিয়া সেই সময় কালুরঘাট ব্রীজের অপর পাশে ২ প্লাটুন সৈন্য নিয়ে অবস্থান করছিলেন। সেখানে উনি কি করছিলেন তা আমার কাছে এক বিশাল রহস্য!)
      তবে তারপরো এইটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে সেই ভাষণ জিয়াকে কিংবদন্তীতেই পরিণত করেছিলো।

      1. স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ করে
        স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র পাঠ করে জিয়া কিংবদন্তি হয়েছিলেন কিন্তু পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু হত্যা, কর্নেল তাহের হত্যা এবং রাজাকারদের জন্ম দেওয়ার মাধ্যমে কুখ্যাত সামরিক স্বৈরশাসকে পরিণত হন।

        1. ধন্যবাদ। সেই জন্যই আমি বলেছি
          ধন্যবাদ। সেই জন্যই আমি বলেছি প্রেসিডেন্ট জিয়া এবং সেনাপ্রধান জিয়ার পক্ষে কখনোই মেজর জিয়াকে ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হয় নি।

  3. আব্দুল গাফফার চৌধুরীর
    আব্দুল গাফফার চৌধুরীর টেলিফিল্মঃ পলাশী থেকে ধানমণ্ডি ছবিটা দেখে নিয়েন। সত্যি ঘটনা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর জীবানাদর্শন এবং তার রাজনৈতিক চিত্র নিয়ে নির্মিত একটি ছবি । সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ করা আছে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের মধ্য জিয়ার ভূমিকা বেশি কারণ হত্যাপরিকল্পনাকারীদের সাথে জিয়ার সম্পৃত্ততা আছে ।। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পড়ে যদি কোন সমস্যা হয় তার সম্পূর্ণ দায়ভার জিয়া নিয়েছিলো মানে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের জীবনের নিশ্চয়তা দিয়েছিলো ।। সুতরাং জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি ……… স্বাগতম ভাই :গোলাপ:

    1. ধন্যবাদ রেফারেন্সটি দেবার
      ধন্যবাদ রেফারেন্সটি দেবার জন্য। আমি টেলফিল্মটা সংগ্রহ করে দেখবো। এই ব্যপারে কি আপনার কাছে আরো রেফারেন্স আছে? কোন বই বা আর্টিকেল! আমি যে বইগুলো পড়েছি তাতে এইটা পাইনি। কিন্তু বইগুলো পড়ার আগে আমি জানতাম জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে জড়িত।

  4. চমৎকার লিখেছেন ভাই। আর হ্যাঁ
    চমৎকার লিখেছেন ভাই। আর হ্যাঁ গাফফার সাহেবের ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ চমৎকার একটা ইতিহাস ভিত্তিক টেলিফ্লিম। এটা সবার দেখা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *