সুখের কবিতা

এটা কোন সুখের কবিতা হতে পারেনা।
ধর্ষিতা এক মেয়ের
প্রথম প্রেমে পড়ার দিন ছিল সেটা,
সমাজের চেতনাধারীরা প্রতিবাদ করেছিল তর্জনী উঁচিয়ে,
মেয়েটিকে ভালবাসতে দেয়া যাবেনা।
কোন ভাবেই না।
প্রতিটা ধর্ষক লম্পট সেদিন নীতিবাক্য শুনিয়েছিল সভা -সেমিনারে!
আমরা করতালির উৎসব করেছিলাম সেদিন।



এটা কোন সুখের কবিতা হতে পারেনা।
ধর্ষিতা এক মেয়ের
প্রথম প্রেমে পড়ার দিন ছিল সেটা,
সমাজের চেতনাধারীরা প্রতিবাদ করেছিল তর্জনী উঁচিয়ে,
মেয়েটিকে ভালবাসতে দেয়া যাবেনা।
কোন ভাবেই না।
প্রতিটা ধর্ষক লম্পট সেদিন নীতিবাক্য শুনিয়েছিল সভা -সেমিনারে!
আমরা করতালির উৎসব করেছিলাম সেদিন।

আর মেয়েটা তখন একা একা
অন্ধকারে বসে কেঁদেছিল।
তার যে আর ভালবাসার অধিকার নেই!
কেউ তাকে ভালবাসেনা যে আর!

এরপর সকালে সিলিংয়ে ঝোলানো
একটা নিথর শরীরকে পোস্টমর্টেম নাটকে
আত্নহত্যা বলে চালিয়ে দিয়েছিলাম আমরাই তো!

নাহ! এটা কোনভাবেই সুখের কবিতা হতে পারেনা।।

৪ thoughts on “সুখের কবিতা

Leave a Reply to অন্ধকারের যাত্রী Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *