বাংলা বই ভাষা ও ভার্চুয়াল

গতকাল সন্ধ্যায় শ্রদ্ধেয় আলতাফ হোসেন স্যার এর সাথে ঘন্টা দুই মুক্ত আড্ডা দিলাম ।স্যার নিজ হাতে চা বানিয়ে খাওয়ালেন ।হুমায়ুন আহমেদ ফরিদপুরে এসে যে রুমে ছিলেন সে রুম দেখালেন ।হুমায়ুন আহমেদ আলতাফ স্যারকে ‘নীলাম্বরী অম্বরে’ নামক একটি বই উতসর্গ করেছিলেন সেটি নিয়ে আলোচনা হল ।জাফর ইকবাল স্যারকে ফরিদপুরে এনে কী কী প্রবলেম ফেস করেছেন তাও বললেন ।বইয়ের মৃত্যু নিয়েও স্যার বললেন ।কম্পিউটার ইন্টার নেট ব্যবহার এর জন্য ছাপার বই কমবে না বাড়বে এই সম্পর্কে আলোচনা হল।



গতকাল সন্ধ্যায় শ্রদ্ধেয় আলতাফ হোসেন স্যার এর সাথে ঘন্টা দুই মুক্ত আড্ডা দিলাম ।স্যার নিজ হাতে চা বানিয়ে খাওয়ালেন ।হুমায়ুন আহমেদ ফরিদপুরে এসে যে রুমে ছিলেন সে রুম দেখালেন ।হুমায়ুন আহমেদ আলতাফ স্যারকে ‘নীলাম্বরী অম্বরে’ নামক একটি বই উতসর্গ করেছিলেন সেটি নিয়ে আলোচনা হল ।জাফর ইকবাল স্যারকে ফরিদপুরে এনে কী কী প্রবলেম ফেস করেছেন তাও বললেন ।বইয়ের মৃত্যু নিয়েও স্যার বললেন ।কম্পিউটার ইন্টার নেট ব্যবহার এর জন্য ছাপার বই কমবে না বাড়বে এই সম্পর্কে আলোচনা হল।

এরকম অনেক মানুষ আছে যারা এখনো প্রিয় লেখকের সদ্য বাধাই করা বইয়ের ঘ্রান নেয় । নতুন বইয়ের একটা ঘ্রান আছে । যারা বই প্রমিক তারা জানে ঘ্রানটি কত গভীর ঘ্রান । নির্জনে বসে একটা ভাল বই পড়ে যে আনন্দ তা কম্পিউটার থেকে পড়ে পাওয়া যায় না ।বই মেলা গুলিতে দিন দিন পাঠক ক্রেতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এই ভার্চুয়াল যুগে ও।বাংলা ভাষার স্থান বিশ্ব পঞ্ঝম ।বাংলা সাহিত্যর বিস্তৃতি খুব দ্রুত বাড়ছে ।আমার আইডিতে বিভিন্ন দেশের বন্ধু আছে ।কিন্তু বাংলায় যত ছেলেমেয়েকে ফেসবুকে গল্প,কবিতা,ছিন্ নঘটনা,রম্য,ছড়া জীবনী,রাজনীতি সমস্যা লিখতে দেখি খুব অবাক হয়ে যায় এত সুন্দর সুন্দর চিন্তা ভাবনা দেখে ।বাংলা এখন আর শুধু কোলকাতা আর ঢাকা থেকে নয় বিশ্বের খ্যাতনামা অনেক দেশ থেকে বাংলা বই ও বাংলা সংবাদপত্র প্রকাশিত হয় ।আর অনলাইনে তো আনাচে কানাচে সব জায়গার লেখা উঠে আসছে ।যাই হোক বাংলা ভাষা,সাহিত্য সংস্কৃতি সব এগিয়ে যাক ।সংস্কৃতি ও আমাদের একটা ধর্ম ।এগিয়ে যাক আমার ঐতিহ্য আমার গর্ব আমার ভাষা আমার দেশ । বিশ্বের প্রতিটা মানুষের সাথে আমরা পরিচিত হয়ে সংস্কৃতির মেলবন্ধনে । একে অপরকে জানা,একে অপরের কাছে আসা সব কিছু সম্ভব এই সাহিত্য সংস্কৃতির মাধ্যমে । সংস্কৃতি হচ্ছে জাতীর আসল পরিচয় ।

যে দেশ তার সংস্কৃতিকে বাচিয়ে রাখতে পারে না সে দেশ তার নিজস্বতা হারিয়ে ফেলে । বাংলা এতখানী সমৃদ্ধ একটি ভাষা যে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশের পন্ডিত গন বাংলাভাষার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন ।এদের মধ্যে ফাদার ফালো,ফাদার দ্যতিয়েন আমাদের কিছু ক্রিয়েটিভ লেখা উপহার দিয়েছেন ।উইলিয়াম রাদিচ রবীন্দ্র সাহিত্যকে ইউরোপে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ।জার্মান সমাজসেবি মার্টিন কেম্পশন বাংলায়ই লেখেন এবং বেশীর ভাগ সময় তিনি এখানেই কাটান । জার্মান গবেষক হান্স হার্ডার উনবিংশ শতাব্দীর কিছু বিস্মৃত বই আলোতে এনেছেন ।মাইক হার্ড ব্রিটিশ নাগরিক আমার হাই স্কুল শিক্ষক ছিলেন,তিনি বাংলা শিখতে ও ইংরেজী শেখাতে এদেশে আসেন । তিনি এত সুন্দর প্রান্জল বাংলা বলতে ও লিখতে পারেন যে মুগ্ধ হয়ে যেতে হয় ।

যাই হোক ফেসবুকের মাধ্যমে বাংলা আরো বিকশিত হোক ।এই ভাষার ইতিহাস আছে ঐতিহ্য আছে ।সারাবিশ্বের মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় এই ভাষার সৌজন্য ।বাংলা ভাষা হোক পৃথিবীর একটি উজ্জল ভাষা

৯ thoughts on “বাংলা বই ভাষা ও ভার্চুয়াল

    1. আপনার লিখাটি অসম্পূর্ণ কারণ
      আপনার লিখাটি অসম্পূর্ণ কারণ আপনি লেখার শেষে দাড়ি দেননি আর “প্রান্জল” এই শব্দটি “প্রাঞ্জল” হবে ……… ধন্যবাদ ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *