মৌরাণী-

ভালো করে দেখে নাও
দিন থেকে রাত্রী কিভাবে আলাদা হয়
সকাল ও সন্ধ্যায়।

অস্বচ্ছ বেসিনের জলে কান পেতে
ঝর্নার গর্জন ভেবোনা;
অস্বীকার করোনা- আমাদের আকস্মিক চুম্বন।
স্নানঘর থেকে বেরিয়ে
চুল শুকাতে শুকাতে শুনে নিও
আমার শেষ কবিতাটি।



মৌরাণী;
ভালো করে দেখে নাও
দিন থেকে রাত্রী কিভাবে আলাদা হয়
সকাল ও সন্ধ্যায়।

অস্বচ্ছ বেসিনের জলে কান পেতে
ঝর্নার গর্জন ভেবোনা;
অস্বীকার করোনা- আমাদের আকস্মিক চুম্বন।
স্নানঘর থেকে বেরিয়ে
চুল শুকাতে শুকাতে শুনে নিও
আমার শেষ কবিতাটি।

নিঃশব্দ আর্তনাদে পাহাড় ও সমুদ্রের
হাহাকার নিয়ে
ঘরে ফিরে দূর দিগন্তের চাতকী।
ওদের খুব কাছাকাছি আমরা যেতে পারিনা
চতুর্বর্ণ্যের খোলস ভেঙ্গে।

তালব্য-শ তে শৈশব
স্কুল ঘরের চুন খসা দেয়াল
দক্ষিণের জানালা ঘেসা আম কাঠের ডেস্ক
এবং আমাদের চোখাচোখী
এসব কি মনে পড়ে- মৌরাণী?

মৌরাণী;
ভালো করে দেখে নাও-
দিন ও রাত্রী কিভাবে মিলিত হয়
সকালে ও সন্ধ্যায়।

উল্লেখ্য:
দৈবদোষে তোমার জন্ম ঠাকুর বাড়ীতে
আমি নিম্নমধ্যবিত্ত মুসলিম।

৮ thoughts on “মৌরাণী-

Leave a Reply to হিমেল হাসান Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *