“ভিক্ষায় কাম নাই, কুত্তা সামলাও”

গনতন্ত্র যে সবসময় ভালোকেই ক্ষমতায় বসায় এমন নয়। কোনো দেশের অধিকাংশ লোক মূর্খ হলে তারা কোনো মূর্খ লোককেই ক্ষমতায় বসাবে। আমাদের দেশটাও হয়েছে এমন। এরা সাম্প্রতিক দেনা পাওনা হিসেব করে, এরা ভাবেনা ৫ বছর আগে কি হয়েছিলো, কিংবা ৫ বছর পর কি হবে। এরা শুধু বর্তমানটাই দেখে। এই কারনেই জনগনের কাছে দেশের বৃহত্তর ভবিষ্যতের থেকেও বড় হয়ে উঠেছে সাম্প্রতিক ক্ষমতাবানদের কিছু দুর্নীতি কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার। কিন্তু উদীয়মান জঙ্গীবাদ কিংবা রাজনীতিতে ধর্মীয় উগ্রতার অনুপ্রবেশ যে দেশের ভবিষ্যতকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে এটা তাদের মাথায় ঢোকে না। ভবিষ্যতে যে দেশটা পাকিস্তানের মত হয়ে যেতে পারে, অর্থাত্‍ মানুষের ঘুম ভাঙতে পারে বোমার শব্দে, কিংবা নিঃশব্দে একটি ড্রোন উড়ে এসে ধ্বংস করে দিতে পারে একটি অঞ্চল এটা তারা বোঝে না। তাই তারা বিশুদ্ধ গনতন্ত্রের নামে বা ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার অপব্যাবহার দেখে তাদেরই ক্ষমতায় আনতে প্রস্তুত যারা উগ্রতাকে বুকে ধারন করে রাজনীতি করে, যারা ক্ষমতায় এসে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া ধর্মীয় উগ্রতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিতে চায়। হয়তোবা এই শক্তিকে ক্ষমতায় আনলে গনতন্ত্রটা রক্ষা হবে, কিন্তু ৫ বছর পর দেশের ভবিষ্যতটা কি হবে সেটা দেশের জনগন বোঝে না। হয়তোবা লুটপাটের রাজনীতিকে একসময় দূরে ঠেলে ফেলে দেওয়া যাবে, সেটা হতে পারে অত্যন্ত ধীর গতিতে। কিন্তু এই উগ্রতা? যেটা ক্যান্সারের মত। একবার অনুপ্রবেশ ঘটলে যে একেবার শিরায় ঢুকে যায়। একে যে অপসারন করা যায় না।
তাই দেশের বৃহত্তর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দেশের বর্তমানকে যে একটু ক্ষতিগ্রস্ত করতেই হবে। উগ্রতার রাজনীতিকে আটকাতে হলে যে সাময়িকভাবে লুটপাটের রাজনীতিকে বরন করে নিতেই হবে। যদিও এতে গনতন্ত্র একটু ক্ষতিগ্রস্ত হবে তবুও এটা মেনে নিতেই হবে। এখন বিশুদ্ধ গনতন্ত্রটাকে রক্ষা করাটা বড় নয়, এখন এই মুহুর্তে উগ্রতার রাজনীতি থেকে দেশকে রক্ষা করাটাই বড় কথা। একারনে সুশীলীয় ধারনাকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে উগ্রতাকে আলাদা রেখে নির্বাচনে যেতেও আমি রাজি।
এখন মানতে হবে এই প্রবাদ বাক্যটিকেই,
“ভিক্ষায় কাম নাই, কুত্তা সামলা”

৪ thoughts on ““ভিক্ষায় কাম নাই, কুত্তা সামলাও”

  1. কিছু কিছু পয়েন্ট খুব
    কিছু কিছু পয়েন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ হলেও আপনার পুরো বক্তব্যটা পরিস্কার বুঝতে পারলাম না , বিশেষ করে উগ্রতার রাজনীতিকে আটকাতে হলে যে সাময়িকভাবে লুটপাটের রাজনীতিকে বরন করে নিতেই হবে কথাটার আরেকটুঁ বাখ্যা চাচ্ছি.. :ভাবতেছি: :অপেক্ষায়আছি:

  2. এখন এই মুহুর্তে উগ্রতার

    এখন এই মুহুর্তে উগ্রতার রাজনীতি থেকে দেশকে রক্ষা করাটাই বড় কথা। একারনে সুশীলীয় ধারনাকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে উগ্রতাকে আলাদা রেখে নির্বাচনে যেতেও আমি রাজি।

    এই কথাটা বুঝলাম না ভাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *