মানুষের স্বাভাবিক আচরণকে কটাক্ষ করাটা কখনোই বিবেচনাপ্রসুত হয় না।

১৯৯৬ এর ৬ সেপ্টেম্বর আমার এবং এই দেশের অনেকেরই প্রিয় নায়ক সালমান শাহ-এর মৃত্যুতে সবাই শোকাহত ছিলাম।
মৃত্যু সবারই হবে, কিন্তু সেটা যদি হয় অস্বাভাবিক, অপমৃত্যু এবং তাও যদি হয় নিতান্তই কম বয়সে~ তাহলে সেটা মেনে নেয়াটা কঠিনই বৈকি।
১৯৯৭ এর ৩১ অগাস্ট যেদিন প্রিন্সেস ডায়ানা মৃত্যুবরণ করলেন, তখন আমার মতন তার বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা হাজারো ভক্তকুলের বাইরেও সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ শোকে মূহ্যমান ছিলো।
২০১৩ এর ১ ডিসেম্বর পল ওয়াকার কালকে যখন মারা গেলেন, তখনও তার হাজারো ভক্তকুলের বাইরে আমার মতন একজন মানুষও তাদের মতনই শোকাহত হলাম।
কেউ কেউ এইরকম শোকের প্রতি বেশ দেখলাম~ নির্দয় চপেটাঘাত করতে উৎসাহী !

১৯৯৬ এর ৬ সেপ্টেম্বর আমার এবং এই দেশের অনেকেরই প্রিয় নায়ক সালমান শাহ-এর মৃত্যুতে সবাই শোকাহত ছিলাম।
মৃত্যু সবারই হবে, কিন্তু সেটা যদি হয় অস্বাভাবিক, অপমৃত্যু এবং তাও যদি হয় নিতান্তই কম বয়সে~ তাহলে সেটা মেনে নেয়াটা কঠিনই বৈকি।
১৯৯৭ এর ৩১ অগাস্ট যেদিন প্রিন্সেস ডায়ানা মৃত্যুবরণ করলেন, তখন আমার মতন তার বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা হাজারো ভক্তকুলের বাইরেও সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ শোকে মূহ্যমান ছিলো।
২০১৩ এর ১ ডিসেম্বর পল ওয়াকার কালকে যখন মারা গেলেন, তখনও তার হাজারো ভক্তকুলের বাইরে আমার মতন একজন মানুষও তাদের মতনই শোকাহত হলাম।
কেউ কেউ এইরকম শোকের প্রতি বেশ দেখলাম~ নির্দয় চপেটাঘাত করতে উৎসাহী !
বিষয়টা আমার কাছে অন্যায় বলে মনে হলো।
কারণ, এই মানুষেরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গায় অনেক গুণী হিসেবে বিবেচিত ছিলেন এবং তারা নিজেদের যোগ্যতা দিয়েই মানুষের অন্তরে ঠাঁই করে নিয়েছিলেন।
তাদের প্রতি ভালোবাসা বোধ করাটা কেবল ব্যক্তি তাদেরকেই ভালোবাসা নয়, বরং তাদের নান্দনিক প্রকাশের মধ্যে নিজেদেরই সুপ্ত থাকা ভালোলাগার প্রতি আন্তরিক থাকাটাই প্রকাশ পায়।
এটা অনেকটাই ব্যক্তিগত ভালোলাগা মন্দলাগার মধ্যে পড়ে।
একান্ত ব্যক্তিগত এইসব ছোট ছোট অনুভূতিগুলোকে আসলে আমাদের দৈনন্দিন হতাশগ্রস্ত জীবনের জটিল হিসাবের আওতায় ফেলা উচিৎ নয় বলেই আমার মত।
যদি এই মানুষেরা এতো কম বয়সে অস্বাভাবিক মৃত্যুবরণ না করতেন~
তবে আসলে সবার শোকপ্রকাশটা এতোটা তীব্র হতো না।
এটা এমন কিছু সমালোচনার বিষয় নয়, কিছু অতি বিপ্লবীরা অযথাই মানুষের এই স্বাভাবিক আচরণকে নিন্দা জানাতে উদগ্রীব হয়ে ওঠে।
আমি এমন ধারার আচরণকে অপছন্দ করি।
কারণ, হাজারো কঠিন সময়ের মাঝে আমরা কি গলফার সিদ্দিকুরের সফলতায় আনন্দবোধ করি না?
কিংবা “মাটির ময়না” চলচ্চিত্রটি অস্কারে মনোনয়ন পেলে খুশিতে আমাদের চিত্ত চঞ্চল হয় না??
তখন কি আমরা এটা বিবেচনা করি যে, পোড়ামাংসের গন্ধযুক্ত এই পচা রাজনৈতিক-শিষ্টাচারবহির্ভূত সময়ে আমাদের মন এতো উদ্বেলিত হওয়ার কি আছে???
মানুষের স্বাভাবিক আচরণকে কটাক্ষ করাটা কখনোই বিবেচনাপ্রসুত হয় না।

৮ thoughts on “মানুষের স্বাভাবিক আচরণকে কটাক্ষ করাটা কখনোই বিবেচনাপ্রসুত হয় না।

  1. অনেক দিন পরে ব্লগে লিখলেন।
    অনেক দিন পরে ব্লগে লিখলেন। ভাল বলেছেন। আমিও বিষয়টা লক্ষ করেছি গতকাল। আজ আপনার ভানবার সাথে মিলে গেল। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. অসংখ্য ধন্যবাদ দাদাভাই…
      অসংখ্য ধন্যবাদ দাদাভাই… :ধইন্যাপাতা:
      আশা করি আপনি এবং আর সবাই এতোদিন ভালো ছিলেন…
      :খুশি: :গোলাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *