“কানামাছি তুমি আমি যে যার মত”

সে আমার দৈন্যতাকে মেনে নিতে পারেনি মানে সহ্য করতে পারেনি। ঘেন্যা করতে শিখে গ্যাছে। অথচ, অসংখ্য রাত একটি মূদ্রার মত পিঠে পিঠ ঠেকিয়ে গল্প করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছি আমরা। কখনো কোন গল্প শেষ করতে পারতামনা আমরা। গল্পের প্যাচে কত গল্পের যে গীট বেধেছি তার কোন ইয়ত্তা নেই; অসমাপ্ত কত গল্প যে শুকিয়ে কাঠ হয়েছে সকালের রোদে, না সে জানে, না আমি, না জানে ঈশ্বর?

সে আমার দৈন্যতাকে মেনে নিতে পারেনি মানে সহ্য করতে পারেনি। ঘেন্যা করতে শিখে গ্যাছে। অথচ, অসংখ্য রাত একটি মূদ্রার মত পিঠে পিঠ ঠেকিয়ে গল্প করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছি আমরা। কখনো কোন গল্প শেষ করতে পারতামনা আমরা। গল্পের প্যাচে কত গল্পের যে গীট বেধেছি তার কোন ইয়ত্তা নেই; অসমাপ্ত কত গল্প যে শুকিয়ে কাঠ হয়েছে সকালের রোদে, না সে জানে, না আমি, না জানে ঈশ্বর?

এক-ই ধারাপাতে বিশের ঘর পর্যন্ত নামতা মুড়ি ফোটার মত করে বলেছি, যৌথ স্বরে দুই জোড়া ঠোটে। জংগলের ঘু ঘু তাজ্জব হয়ে চেয়ে থাকতো রক্তবন্ধনহীন একটি সম্পর্কের গন্ধে। বদ্দিরাজ, রেন্টির ছাল ছিড়ে যে নাম দুটির আদ্যাক্ষরের মাঝে যোগ চিহ্ন বসিয়েছিলাম, আজ হঠাৎ লক্ষ্য করলাম সেখান থেকে বিচ্ছেদের কষ বেয়ে বেয়ে মাটিতে লুটাচ্ছে।

সামনে-পিছে পালাক্রমে ডাব্লিং করতাম মধ্যবিত্ত দুটি দেহ; সেকেন্ডহেন্ড ফনিক্স সাইকেলে। বাংলা ব্যাকরনের কঠিন কঠিন টার্ম, কেমিষ্ট্রর দুর্বোধ্য সমীকরণগুলো কিভাবে চিবিয়ে খেতে হয় সে শিখিয়েছিলো। লজ্জার কথা হলেও সত্য যে, মৈথুনকে আনন্দময় করার কৌশল ওর কাছ থেকেই শেখা। আবার, নিষিদ্ধ বইয়ের পাতায় নিজেকে নিবেদন করার সাহস তো সে –ই শিখিয়েছিলো।

একদিন, সম্পর্কের জটিল সব সুত্রগুলোকে বাদামের খোসার মত উড়িয়েছি পার্কের বেঞ্চিতে বসে । বহুদিন পর আজ সেই সুত্রগুলোর প্রায়োগিক সমাধান হলো খুব সহজেই।

৪ thoughts on ““কানামাছি তুমি আমি যে যার মত”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *