শাবিপ্রবির অঘটন ও জাফর স্যারের পদত্যাগ : নেপথ্যে মৌলবাদ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে সিলেটের স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য শতকরা ৫০ ভাগ আসন সংরক্ষণের বিষয়টি নিয়ে বলার কিছু নেই। প্রস্তাবটি এতই ভিত্তিহীন ও হাস্যকর যে এর জন্য সত্যিকারের ‘সচেতন সিলেটবাসী’দের লজ্জিত হওয়ার কথা। শিক্ষা, চাকরি সহ নানা সেক্টরে যেসব কারণে কোটা পদ্ধতি চালু আছে, সিলেটের স্থানীয় ভর্তিচ্ছুদের জন্য তেমন ব্যবস্থা করার কোন যুক্তিযুক্ত কারণ নেই। কোটা পদ্ধতির উদ্দেশ্যই হলো যে কোন কারণে পিছিয়ে পড়া প্রার্থীদের সুবিধার্থে লেভেল প্লেয়িং ফীল্ড তৈরি করা, যা সিলেটের স্থানীয় ভর্তিচ্ছুদের জন্য আদৌ প্রয়োজনীয় না। আজ সিলেটের শিক্ষার্থীরা এমন কোটা চাইলে কাল ঢাবি ভর্তিতে কোটা চাইবে ঢাকার শিক্ষার্থীরা, বরিশাল মেডিকেলে ভর্তির জন্য কোটা চাইবে বরিশালের শিক্ষার্থীরা; এবং শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে দুটো ভয়াবহ ব্যাপার ঘটেছে—

১. কোটা পদ্ধতির সুবিধা নিয়ে স্থানীয় অযোগ্য মেধাহীন শিক্ষার্থীরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাচ্ছে এবং শিক্ষার মান নিচে নেমে যাচ্ছে;
২. এক জেলার শিক্ষার্থীদের অন্য জেলার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারার সুযোগ কমে যাওয়ায় বহু মেধাবী কোথাও পড়ার সুযোগ পাচ্ছে না।

তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, কোটার পক্ষে আন্দোলনের ঢাল ব্যবহার করে একটি গোষ্ঠী জাফর ইকবাল স্যারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তরুণদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সচেতনতা ও বিজ্ঞানমনস্কতার প্রসারে সচেষ্ট জাফর স্যার বহু দিন ধরেই এ দেশের মৌলবাদীদের প্রধান লক্ষ্য হয়ে আছেন। মৌলবাদীদের আশ্রয়দাতা বিএনপির সাবেক নেতা কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ তো বলেই বসেছিলেন, তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হলে তারা নাকি আনন্দ মিছিল করবেন।

সম্প্রতি গণজাগরণ মঞ্চের সাথে স্যারের সম্পৃক্ততা তাঁর প্রতি মৌলবাদীদের ক্রোধকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যায়। আজ তারা যেন এই সুযোগেই স্যারকে আক্রমণ করে বসলো। এদের মধ্যে পালের গোদা সিলেটের তথাকথিত স্বশিক্ষিত বিএনপিপন্থী মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এমনকি এর পেছন থেকে অন্য অনেকের মত কলকাঠি নাড়ার ভূমিকা পালন করছেন সাবেক মেয়র, আওয়ামী লীগের নেতা বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান (সম্ভবত নির্বাচনের কথা ভেবেই লীগের স্থানীয় নেতা সেইফ সাইডে খেলছেন)।. এদের যুক্তি, জাফর স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ে জাহানারা ইমামের নামে হল ও ভাষ্কর্য স্থাপন করে সিলেটের স্বার্থবিরোধী (?) কাজ করেছেন! আর বিতর্ক ওঠায় খুব স্বাভাবিকভাবেই জাফর ইকবাল স্যার পদত্যাগ করেছেন।

প্রশ্ন উঠতে পারে, হঠাৎ করেই জাফর ইকবাল স্যারকে পদত্যাগ করাতে কেন এত ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠলো মৌলবাদীরা। এর একাধিক সম্ভাব্য উত্তর রয়েছে:

১. গণজাগরণ মঞ্চের সাথে স্যারের সম্পৃক্ততা মঞ্চকে একটা শক্ত ভিত দিয়েছে. স্যার হয়ত মঞ্চের নেতৃস্থানীয় কেউ নন, কিন্তু তিনি মোটামুটি সর্বজনশ্রদ্ধেয় এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁর একটা নন-পার্টিজান ক্লীন ইমেজ আছে। এই বিষয়টা মঞ্চকে তরুণদের কাছে খুবই গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে। বিরোধী দলীয় জোট মনে করেছিলো, ফেলানী/ডেস্টিনি/পদ্মাসেতু/শেয়ারবাজার/সাগর-রুনী ইস্যুগুলোর কারণে তরুণদের ভোট পুরোপুরি গিয়ে পড়বে ধানের শীষে। কিন্তু মঞ্চের সাথে তরুণদের কাছে জনপ্রিয় জাফর ইকবাল স্যারের সক্রিয় সম্পৃক্ততায় হিসেবটা ১৮০ ডিগ্রী কোণে ঘুরে গেছে।

২. স্যার গণিত ও বিজ্ঞানের প্রসারে কাজ করে যাচ্ছেন। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই প্রচেষ্টা এমন একটি দলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না, যারা ১৩ দফার মত উদ্ভট ও অবাস্তব দাবি তুলে ধরেছিলো (হেফাজতে ইসলাম যে মূলত জামায়াতে ইসলামেরই অঙ্গসংগঠন, এ ব্যাপারে আশা করি কেউ দ্বিমত পোষণ করবেন না)।

৩. আমার জানামতে স্থানীয়ভাবে ছাত্রশিবির খুবই শক্তিশালী। তারা যেকোন মূল্যে জাফর স্যারকে ক্যাম্পাসছাড়া করতে চাইবে। নির্বাচনের আগে সিলেটের মাথামোটা গোঁড়া মুসলমানদের ভোট পুরোপুরি আদায় করার পথে সম্ভবত সবচেয়ে বড় বাধা ছিলেন জাফর স্যার। আর এ নির্বাচনে যেহেতু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর হওয়ার একটা ইস্যু আছে, তাই জাফর স্যার এ ক্ষেত্রে বিএনপি-জামাত জোটের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতেন বলে তাদের সংশয় হয়ে থাকতে পারে।

ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে বলছি, এ পর্যন্ত তিনবার সিলেটে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। প্রত্যেকবারই যে জায়গাটা আমাকে সবচেয়ে বেশি প্রফুল্ল করেছে, সেটা হলো শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস। আর এর বাইরে সিলেট শহরটায় ঘুরতে গেলেই চোখে পড়ে মস্ত দালানকোঠায় চাকচিক্যের ছোঁয়া, বিলেতী কাঁচা পয়সায় মানুষের বিলাসী জীবনযাপন। আর সেই সাথে দেখা মেলে ধর্মীয় মৌলবাদের কুৎসিত কট্টর রূপের। শুনেছি, সিলেটী বাঙালিরা বিদেশে গিয়ে বাঙালি পরিচয়ের চেয়ে সিলেটী পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মেলামেশাও করেন পাকিস্তানীদের সাথে। আর শাবিপ্রবিতে জামাতে ইসলামীর অঙ্গসংগঠন ছাত্রশিবিরও খুবই সক্রিয়। এদের বিরুদ্ধে জাফর ইকবাল স্যার দীর্ঘ দিন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। অবশেষে মৌলবাদেরই ছোবলেই নিজের দীর্ঘ দিনের প্রিয় কর্মক্ষেত্র থেকে সরে দাঁড়াতে হলো স্যারকে।

আজ শাবিপ্রবিতে শুরু হলো জাফর ইকবাল স্যারকে দিয়ে। এ অপচেষ্টা সফল হলে কাল আমাদের ঢাবিতে শুরু হবে মুনতাসীর মামুন স্যার সহ সব প্রগতিশীল শিক্ষককে দিয়ে। এক সময় দেশে প্রগতিশীলতার অপমৃত্যু হবে, আবারও ফিরে আসবে ১৪ ডিসেম্বর কিংবা ৫ মে। দেশটা ক্রমশ মৌলবাদীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়ে যাবে, প্রগতির আলো নিভে গিয়ে জ্বলবে মৌলবাদের নূর।

তাই সাস্টিয়ান বন্ধুদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা আপনাদের দাবিতে অনড় থাকুন। শাবিপ্রবির দুই যুগের গৌরবময় অধ্যায়কে কোটা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে ভূলুণ্ঠিত হতে দেবেন না। আর এই প্রতিষ্ঠানের অহঙ্কারের সাথে মিশে আছে যে মানুষটির নাম, তাঁকে এভাবে চলে যেতে দেবেন না। যেভাবেই হোক, এ বিশ্ববিদ্যালয়টিকে রক্ষা করতেই হবে। কেননা আজ যদি অশিক্ষিত অসংস্কৃত মৌলবাদীদের কাছে আপনারা পরাজিত হন, ওদের কাছে বাংলাদেশের পরাজয় হবে সময়ের ব্যাপার মাত্র। তাই তৈরি হন সংগ্রামের জন্য — মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, দেশবিরোধী অপশক্তির বিপক্ষে।

[স্যার ও ম্যাডামের পত্রটির সূত্র : রাকিব হাসান
শাবিপ্রবির উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছবিটি বিশ্ববিদ্যালয়টির দুইজন অজ্ঞাত শিক্ষার্থীর পাঠানো।]

২৮ thoughts on “শাবিপ্রবির অঘটন ও জাফর স্যারের পদত্যাগ : নেপথ্যে মৌলবাদ

  1. শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে দুটো

    শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে দুটো ভয়াবহ ব্যাপার ঘটেছে—

    ১. কোটা পদ্ধতির সুবিধা নিয়ে স্থানীয় অযোগ্য মেধাহীন শিক্ষার্থীরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যাচ্ছে এবং শিক্ষার মান নিচে নেমে যাচ্ছে;
    ২. এক জেলার শিক্ষার্থীদের অন্য জেলার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারার সুযোগ কমে যাওয়ায় বহু মেধাবী কোথাও পড়ার সুযোগ পাচ্ছে না।

    সহমত।

  2. ১৯৭১ এ যা করেছিলো এখনও তা
    ১৯৭১ এ যা করেছিলো এখনও তা করার চেষ্টায় লিপ্ত। জাহাঙ্গীরনগরের ভিসি আনোয়ার স্যারকে অবরুদ্ধ করেও তাকে পদত্যাগ করাতে পারতেছে না। কিন্তু জাফর স্যার কেন তাদের ফাঁদে পা দিয়ে পদত্যাগ করছেন তা বোধগম্য নয়॥

  3. নৈপথ্যে মৌলবাদ, কিন্তু মৌলবাদ
    নৈপথ্যে মৌলবাদ, কিন্তু মৌলবাদ কাদের উপ র ভর করে আঞ্চলিকতার দাবী নিয়ে অযৌক্তিকভাবে সিলেটে অসন্তোষ সৃষ্টি করছে?

    নীচে রাহাত মুস্তাফিজ ভাইয়ের আজকের ফেবু স্ট্যাটাসটা শেয়ার করলামঃ

    শাবিপ্রবি’র সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির বিপক্ষে অবস্থানকারী ও ৫০ ভাগ সিলেটি কোটা দাবিকারী রাজনৈতিক দলগুলোর নাম নিম্নে দেওয়া হইলো :

    আওয়ামীলীগ
    বিএনপি
    সিপিবি
    ওয়ার্কার্স পার্টি
    জাসদ
    বাসদ
    সাম্যবাদী দল
    ন্যাপ
    গণতন্ত্রী পার্টি

    বাম সংগঠন গুলোর কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে একটা আবেদন করতেই পারি যে আপনাদের স্থানীয় কূপ মণ্ডূক আঞ্চলিকতার পাপে পাপিষ্ঠ নেতাদের অবিলম্বে দল থেকে বহিষ্কার করবেন !!!

    1. বাম সংগঠন গুলোর কেন্দ্রীয়

      বাম সংগঠন গুলোর কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে একটা আবেদন করতেই পারি যে আপনাদের স্থানীয় কূপ মণ্ডূক আঞ্চলিকতার পাপে পাপিষ্ঠ নেতাদের অবিলম্বে দল থেকে বহিষ্কার করবেন !!!

      পুরোপুরি একমত।

    2. এই দলগুলার স্থানীয় শাখাকে
      এই দলগুলার স্থানীয় শাখাকে প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করছে, সিলেট কি দেশের বাহিরের কোন জেলা? সেখানে কেন স্থানীয় কোঠা দিতে হবে? আর কেনই বা দল মত নির্বিশেষে আপনারা এক হয়েছেন? ধান্দাবাজি করবেন আবার মঞ্চে বড় বড় বক্তৃতা দিবেন!! বাহ! তা জামায়াতকে বাদ দিছেন কেন?

  4. সমগ্র বাংলাদেশ থেকে আমরা
    সমগ্র বাংলাদেশ থেকে আমরা সিলেটের প্রতি ধিক্কার জানাচ্ছি এবং এই ঘটনার সঠিক সুরাহা না হলে, জাফর স্যারের কাছে সিলেটের সকল রাজনৈতিক দল ক্ষমা চেয়ে স্যারকে আবার সিলেটের কর্মস্থলে ফেরত না নিলে সারা দেশে সিলেট এবং সকল সিলেটবাসীকে প্রত্যাখান করা হবে। বাংলাদেশের মুলধারা থেকে সিলেটকে প্রত্যাখ্যান করা হবে।

  5. স্যারের চিঠিতেও এটা স্পষ্ট যে
    স্যারের চিঠিতেও এটা স্পষ্ট যে বাম নামধারী কিছু গিরগিটি এই ঘটনার সূত্রপাত ঘটায়। খুবই হতাশাজনক। আমার আর ভাল্লাগেনা এই দেশে থাকতে।এতো খারাপ ক্যান আমরা?

  6. আমার মনে হয় এক্ষেত্রে
    আমার মনে হয় এক্ষেত্রে সিলেটবাদ ও মৌলবাদ একসাথে কাজ করেছে। :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  7. খুবই হতাশাজনক ঘটনা। আর কিছু
    খুবই হতাশাজনক ঘটনা। আর কিছু বলতে পারছি না এই মুহূর্তে। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ভালো মানুষ এবং সর্বজন শ্রদ্ধেয় মানুষের সংখ্যা শুন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার এক মহা ষড়যন্ত্র চলছে।

  8. সিলেটের ঘটনায় একটা জিনিস
    সিলেটের ঘটনায় একটা জিনিস প্রতীয়মান হয় যে, তৃনমূল পর্যায়ের ‘প্রগতিশীল’ দাবিদার ‘মুরুব্বীগোত্রিয়’ ব্যক্তিবর্গ এখনো মানুষের পর্যায়ে উন্নীত হতে পারেন নি। তারা বর্বরই রয়ে গেছেন।

  9. এক গোন্ডা ইউনুস চায় যারা দেশ
    এক গোন্ডা ইউনুস চায় যারা দেশ ছেড়ে, অর্থ-যশ-খ্যাতিরলোভে বিদেশীদের পা চাটে সারাদিন বসে বসে সুদের টাকার হিসেব কষে । ‘জাফর ইকবাল’এর কি দরকার এ দেশে? এরকম হাজার হাজার চেতনা ধারী দেশের ‘চৌধুরী বাড়ি’র গলিতে ঘুরঘুর করছে প্রতিনিয়ত গোলাপীদের ছলনায় ভুলে!

  10. খুবই লজ্জাজনক ঘটনা।
    খুবই লজ্জাজনক ঘটনা। সিলেটবাসীরা আজ প্রমাণ করে দিল যে তাঁরা আসলেও রুচিহীন, গোমূর্খ এবং কূপমণ্ডূক।

  11. বামদল গুলোর সাথে কেন জাফর
    বামদল গুলোর সাথে কেন জাফর ইকবাল স্যারের সমস্যা সেটাই তো বিঝু না। নাকি শুধু নামেই বামদল। কাজে জামাত শিবির !!!!
    তরুণ প্রজন্মের প্রতি জাফর ইকবাল স্যারের খুব আস্থা। এই মুহূর্তে যদি সবাই সম্বলিত আন্দোলনের মাধ্যমে উনাকে ফিরিয়ে আনা না হয় তবে উনার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা হবে।

  12. জাফর ইকবাল স্যারের
    জাফর ইকবাল স্যারের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনকারী তরুণ প্রজন্মের বিজয় হয়েছে।

  13. মৌলবাদ তো আছেই । সেইসাথে
    মৌলবাদ তো আছেই । সেইসাথে স্যার এর লিখায় কিন্তু স্পষ্ট বলা হয়েছে জনাব অর্থমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর অসহযগিতার কথা , উনারা স্যারকে ফেলে গেছেন । তারমানে কি উনারাও মৌলবাদী ?

    আসল কথা সস্তা রাজনীতি । ভোটের আগে নির্লজ্জ রাজনীতির স্বীকার হয়েছেন স্যার । তার সাথে যুক্ত প্রায় সব দল

  14. একটা সময়ে কিন্তু আমি আমার
    একটা সময়ে কিন্তু আমি আমার প্রিয় দলটির জন্য রক্ত ঝরিয়েছিলাম জানিনা দল সেই রক্তের মুল্যায়ন করে কিনা।জাফর ইকবাল স্যারের প্রশ্নে একটা কথাই বলবো, আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনাই স্যার আমার অন্তরে মুক্তিযুদ্ধকে ধারন করতে শিখিয়েছেন। আমি শেখ মুজিবকে জানতাম না,স্যার আমাকে শেখ মুজিবের আদর্শ লালন করতে শিখিয়েছেন।এখন যদি আমার সেই প্রিয় দলটিরও মুখোমুখি দড়াতে হয় তবে দাড়ালাম বুক চিতিয়ে।দেখি কার বুকের কত পাটা। যে একবার রক্ত ঝরাতে পারে সে শত রক্ত ঝরিয়ে একবার মরতেও পারে।কেউ যদি বলে এ আমার আবেগের বাড়াবাড়ি তবে সে জানুক জাফর ইকবাল স্যারই আমার আদর্শ, যে আদর্শেই আজকের আমি।

  15. ব্রেকিং: কিছুক্ষণ আগেই
    ব্রেকিং: কিছুক্ষণ আগেই শাবিপ্রবিতে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তারা জাফর ইকবাল স্যারের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণও ঘটিয়েছে।

    প্রিয় সাস্টিয়ান বন্ধুরা, আমাদের যুদ্ধ কিন্তু এখনও শেষ হয় নি। সতর্ক থাকবেন, এবং লড়াই অব্যাহত রাখবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *