প্রিয় খালেদা জিয়া

প্রিয় খালেদা জিয়া ,

একটি চিন্তা করুন একবার আপনার প্রিয় সন্তান তারেক কিংবা কোকোকে কেউ বাসে বন্দী করে বাসে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে !! আপনার ছেলেরা প্রাণপণ চেষ্টা করছে বেরুতে !! কিন্তু বাসের দরজা বন্ধ !! যারা আগুন দিয়েছে তারা বাহিরে দাড়িয়ে উল্লাস করছে!! আগুন বাসের সিট থেকে লেগে গেলো তাদের জামা কাপড়ে !! তারা আগুনের ঝলসে যাচ্ছে, কাতরাচ্ছে , চিৎকার করছে , কিন্তু বাঁচানোর কেউ নাই !! একসময় পুড়ে কাবাব এর মত হয়ে যাওয়া মাংস নিয়ে বাস থেকে বের হয়ে হাসপাতালে যাও এবং ২-৩ দিন এই ঝলসানো শরীর নিয়ে কাতরাতে কাতরাতে মারা যাওয়া !!


প্রিয় খালেদা জিয়া ,

একটি চিন্তা করুন একবার আপনার প্রিয় সন্তান তারেক কিংবা কোকোকে কেউ বাসে বন্দী করে বাসে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে !! আপনার ছেলেরা প্রাণপণ চেষ্টা করছে বেরুতে !! কিন্তু বাসের দরজা বন্ধ !! যারা আগুন দিয়েছে তারা বাহিরে দাড়িয়ে উল্লাস করছে!! আগুন বাসের সিট থেকে লেগে গেলো তাদের জামা কাপড়ে !! তারা আগুনের ঝলসে যাচ্ছে, কাতরাচ্ছে , চিৎকার করছে , কিন্তু বাঁচানোর কেউ নাই !! একসময় পুড়ে কাবাব এর মত হয়ে যাওয়া মাংস নিয়ে বাস থেকে বের হয়ে হাসপাতালে যাও এবং ২-৩ দিন এই ঝলসানো শরীর নিয়ে কাতরাতে কাতরাতে মারা যাওয়া !!

এই রকম পরিস্থিতিতেই পড়েছিল নাহিদ এবং রবিনরা !! চিন্তা করুন তাদের মা বাবার আজকে ক্যামন লাগছে?? কিভাবে তারা বইবে তাদের সন্তানদের লাশ, যাদের হত্যার জন্য দায়ী আপনি কিংবা আপনার রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা!!

বড্ড জানতে ইচ্ছা করে এই বাসে পেট্রোল বোমা মেরে আপনারা যে অবরোধ কিংবা ককটেল মেরে হরতাল পালন করেন !! আপনাদের ছোরা ককটেল কিংবা দেয়া আগুনে যখন মানুষ পুড়ে কাবাব হয় তারপর বাড়িতে গিয়া আপনাদের খাদ্যনালী দিয়া খাবার নামে কি করে?? আপনাদের কি একবারের জন্যও মনে হয় না যে ঐ মানুষটার মৃত্যুর জন্য আপনি দায়ী?? একবারও কি ভাবেন না আজকে যে তার বাসায় রাতের খাবার খাওয়ার কথা ছিল , ছেলের পড়া ধরার কথা ছিল , ছোটো মেয়েকে রুপকথা শুনাবার কথা ছিল সে শুধু মাত্র আপনাদের ছোরা ককটেল কিংবা পেট্রোল বোমার কারনে হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর মাঝামাঝিতে ঝুলছে??

রাজনীতি করবেন আপনারা, প্রধানমন্ত্রী হবেন আপনারা , আরও কোটি কোটি টাকার মালিক হবেন আপনারা কিন্তু পুড়ে কয়লা হব আমরা , ককটেলের আঘাতে চোখ হারাবো আমরা , রাজনৈতিক দন্দেও বলির পাঠাও এই আমরাই !!

প্রশ্ন একটাইঃ আপনি প্রধানমন্ত্রী হন কিংবা অন্য যে কেউই হোক তা নিয়া নিজেরা মারামারি করেন!! আমাদের মাঝে বলির পাঠা বানান ক্যানো?? আর কত রবিন , নাহিদ , মুনির কে কাবাব বানাবেন?? আর কত??

১৯ thoughts on “প্রিয় খালেদা জিয়া

  1. ভাই, কারে কি বলেন?? মহামান্য
    ভাই, কারে কি বলেন?? মহামান্য গ্রিল থুক্কু গুলাবি আফার প্রিয় মেনু হইল পেট্রোল বোমায় ঝলসানো মানুষের কয়লা হওয়া গলিত দেহ… :মাথাঠুকি: :ক্ষেপছি: :এখানেআয়:

    1. বেজি যদি মেনু চেঞ্জ না করে
      বেজি যদি মেনু চেঞ্জ না করে তাইলে সামনের নির্বাচনে পাবলিক তারে সেইটার ফল ভালোভাবেই বুঝাবে আশা করি :ভাবতেছি:

  2. খালেদারে যদি আমি একবার হাতের
    খালেদারে যদি আমি একবার হাতের কাছে পাইতাম জিন্দা কাবাব বানাইতাম।কিন্তু সমস্যা হইলো এইখানেই এরে ধরা যায় না আন্দোলন দিয়া ইন্দুরেরে মতন কই গিয়া যে লুকায়…
    পাবলিকের মাইর কি টের পাবি গুলাপি(খালেদা) খালি একবার রাস্তায় নাম।তোর সাথে কোন জনগণ থাকে দেখবো তোর হিজড়া ক্যাডার ছাড়া ত মনে হয় আর কেউ থাকবে না।

    1. ও নাকি আজকা রাজপথে নাইমা
      ও নাকি আজকা রাজপথে নাইমা আন্দুলুনে নেতৃত্ব দিব… শুইনা কইলাম… খাড়া আগে হাইশা লই… :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাসি: :হাসি: :এখানেআয়:

  3. ক্ষমতার পালা বদলের ক্রান্তি
    ক্ষমতার পালা বদলের ক্রান্তি লগ্নে লাশ খুব ইম্পরট্যান্ট ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায় মহাপরাক্রমশালী দুই দলের কাছে !!! লাশের উপরে লাশ তার উপরে লাশ দরকার গণতন্ত্র সুরক্ষায় !!! কোন চিন্তা নেই ২০০ টাকায় ভাড়া পাওয়া যায় পেট্রোল বোমা নিক্ষেপকারীদের । চরম সুযোগ এসেছে এখন । কেউ আপনাকে কোন এক অলস ক্ষণে চোখ রাঙিয়ে ছিল – সে কথা আপনার মনে করার সময় এসেছে আজ । যে কোন হরতাল বা অবরোধের যে কোন প্রহরে এরকম একটা পেট্রোল বোমা বা ককটেল ছুড়ে মারুন সেই শত্রুর মাথার উপর । মুহূর্তেই রেজাল্ট । সেই শত্রু তার রাঙা চোখ নিয়ে অলৌকিক স্বর্গ যাত্রা শুরু করে দেবে তৎক্ষণাৎ । চিন্তা করবেন না আজ পর্যন্ত হরতাল – অবরোধে মৃত্যুর কোন বিচার হয়নি । এ তো মৃত্যু নয় – গণতন্ত্র সুরক্ষায় আত্মদান !!!

  4. বাংলাদেশের মত ছোট দেশে ১৬
    বাংলাদেশের মত ছোট দেশে ১৬ কোটি অনেক বড় অংক।আপাতত জনসংখ্যা কমানের মহৎ ঠিকাদারি নিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। কপালে থাকলে আমার আপনার কপালেও সৌভাগ্যের লাল তিলক পড়তে পারে।সেই প্রস্তুতি নিয়েই প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *