শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কিছু ফ্যাক্ট

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কিছু ফ্যাক্ট। আগেই বলে নেই! কারো পক্ষ বিপক্ষে নয়, আমরা গুচ্ছ পদ্ধতির পক্ষে, যুক্তির পক্ষে, নিজেদের দাবির পক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান।

গুচ্ছ পদ্ধতি নিয়ে জটিলতায় সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে শহরে গুচ্ছ পদ্ধতি নিয়ে দু’টি পক্ষ আছে। খুব খেয়াল কইরা দুটি পক্ষ মনে রাখবেন শুধু।

১ম পক্ষ
বাম-প্রগতিশীল,সুশিল সমাজ, আওয়ামী পন্থি কিছু অংশ স্বয়ং অর্থমন্ত্রি শিক্ষামন্ত্রিও আছেন।

১ম পক্ষের দাবি

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কিছু ফ্যাক্ট। আগেই বলে নেই! কারো পক্ষ বিপক্ষে নয়, আমরা গুচ্ছ পদ্ধতির পক্ষে, যুক্তির পক্ষে, নিজেদের দাবির পক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান।

গুচ্ছ পদ্ধতি নিয়ে জটিলতায় সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে শহরে গুচ্ছ পদ্ধতি নিয়ে দু’টি পক্ষ আছে। খুব খেয়াল কইরা দুটি পক্ষ মনে রাখবেন শুধু।

১ম পক্ষ
বাম-প্রগতিশীল,সুশিল সমাজ, আওয়ামী পন্থি কিছু অংশ স্বয়ং অর্থমন্ত্রি শিক্ষামন্ত্রিও আছেন।

১ম পক্ষের দাবি
গুচ্ছ পদ্ধতির পক্ষে তাদের অবস্থান। তবে আপাতত শাবিপ্রবি ও যবিপ্রবি’র মধ্যে সমন্বিত এই পরীক্ষা পদ্ধতি তারা চান না। তাই এই পদ্ধতি বাতিলের জন্য স্বারকলিপি দিয়েছিলেন প্রথমে অর্থমন্ত্রি তারপর শিক্ষামন্ত্রি এবং সব শেষে শাবি ভিসিকে। এ বিষয়ে আরো বেশি জানতে চাইলে তাদের স্বারকলিপিগুলো সংগ্রহ করতে পারেন। এতে বুঝতে পারবেন পরিস্কারভাবে। আমিও ফ্যাক্ট না ট্রথ বলছি ধরে ফেলতে পারবেন।

২য় পক্ষ
বিএনপি-জামাত-আওয়ামী কিছু অংশ সর্বোপরি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্টি। এদের মধ্যে সিলেটের শহীদ মিনার ভাঙ্গার হুতারাও আছেন। তাদের ব্যানার ছিল সচেতন সিলেট বাসী।

২য় পক্ষের দাবি
সিলেটিদের জন্য ৫০ ভাগ কোটা। জাফর ইকবাল স্যারের অপসারণ। কারন তিনি জাহানারা ইমাম হল, চেতনা ৭১সহ আরো বিভিন্ন ভাস্কর্য তৈরিতে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। এই পক্ষটি নিজেদের বাঙালি নয় সিলেটি হিসেবে পরিচয় দিয়েও বিবৃতি দিয়েছে।

জাফর ইকবাল স্যার
জাফর স্যার কেন পদত্যাগ করছিলেন সেটা স্পষ্ট না। তবে গুচ্ছ পদ্ধতি নিয়ে জটিলতাই তার মূল কারন শুনেছিলাম। প্রিয় স্যারের পদত্যাগ ২য় পক্ষকেই খুশি করেছে বেশি এবং ঐদিনেই তারা মিষ্টি বিতরণও করেছে। এবং সেই মিষ্টি বিতরণে যারা ছিলেন তাদের ছবি দেখলেই চিনতে পারবেন। আসলে তারা জামাত বিএনপি’র চেলা চামাণ্ডা।

ভিসি স্যার
পুরো বিষয়টাকে গুলিয়ে ফেলার জন্য শাবির ভিসিকে দোষ দেওয়া যায় শতভাগ। তার একতরফা সিদ্ধান্তে পরিক্ষা পদ্ধতি বাতিল/স্থগিত হয়েছিল এবং তিনি বিভিন্ন জায়গা দুটি পক্ষকে এক করে বিবৃতিও দেন। তখনই জাফর স্যার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং জাফর স্যার তার অনেক দিনের সিলেটের সহযোদ্ধা বাম-প্রগতিশীলদের গুচ্ছের বিপক্ষে অবস্থানে মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ হন। তিনি একমূখি ঢালাওভাবে বামপন্ত্রিদের বিষয়ে বিবৃতি দেন।

এই হল মূল ঘটনা এবং তার বহিঃপ্রকাশ। প্রিয় স্যারের জন্য সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের রাজপথে আমরা দেখেছি। শাবিতে আমিও অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলাম। মনে প্রাণে চেয়েছিলাম সংকট যেনো দীর্ঘতর না হয়। প্রিয় জাফর স্যার এবং ইয়াসমিন ম্যাডাম যার সঙ্গে আমার দীর্ঘ ৭ বছর একই সংগঠনে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। চাই নি তারা সামান্য প্রতিক্রিয়াশীলদের কাছে হেরে যান।

সামগ্রিক অবস্থা এবং সংকটে কেউ সিলেটিদের গালাগালি করে ধুয়ে মুছে দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ বামপন্ত্রিদের ন্যাংটা করে কাফনের কাপড় পড়ার বন্দোবস্ত করে ফেলেছিলেন। এসবই সব পক্ষের প্রতিক্রিয়াশীল আদর্শিক মিল তারই বহিঃপ্রকাশ। কথা ছিল সচেতন সিলেটবাসীর ব্যানার লুকিয়ে থাকা জারজ সন্তানগুলোর বিপক্ষে বাম-প্রগতিশীল, জাফর স্যার, ভিসি এমনকি আমরা নিজেও একজোট বাঁধবে। সেটা হয়নি সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আমাদের, বড় দুর্ভাগ্য এ জাতির, বড় দুর্ভাগ্য আমার মৃত বাবার।

আবারও বলছি, আমরা কারো পক্ষ বিপক্ষে নয়, আমরা গুচ্ছ পদ্ধতির পক্ষে, যুক্তির পক্ষে, নিজেদের দাবির পক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান। সংকীর্ণতা, আঞ্চলিকতা এবং প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির বিরুদ্ধে। সচেতন সিলেটবাসীর ব্যানারে থাকা সাম্প্রদায়িক গোষ্টির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে সিলেটে। আপনাদের আহবান জানাবো সাম্প্রদায়িক গোষ্টির বিরুদ্ধে একজোট হবেন। সকল সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠে, ব্যাক্তির ইগো ছাপিয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রী এবং দেশের তরে রাজনীতি হবে, সমাজনীতি হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

৭ thoughts on “শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কিছু ফ্যাক্ট

  1. আবারও বলছি, আমরা কারো পক্ষ

    আবারও বলছি, আমরা কারো পক্ষ বিপক্ষে নয়, আমরা গুচ্ছ পদ্ধতির পক্ষে, যুক্তির পক্ষে, নিজেদের দাবির পক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান। সংকীর্ণতা, আঞ্চলিকতা এবং প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির বিরুদ্ধে।

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    ভাল লাগল।

  2. সকল সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠে,

    সকল সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠে, ব্যাক্তির ইগো ছাপিয়ে সাধারণ ছাত্রছাত্রী এবং দেশের তরে রাজনীতি হবে, সমাজনীতি হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    আমরাও সেটাই আশা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *