বাঙ্গালীর আন্দোলন,সংগ্রাম ও বিম্পি-জামাত……

বাঙ্গালী জাতির ইতিহাস আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাস।আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যমেই বাঙ্গালী জাতি পেয়েছে তার প্রাণ প্রিয় মাতৃভাষা,পেয়েছে স্বাধীনতা।যখনই বাঙ্গালী জাতির উপর নেমে এসেছে স্বৈরাচার কিংবা শাসক গোষ্ঠীর অকথ্য নির্যাতন তখনই বাঙ্গালী জাতি গড়ে তুলেছে এক দুর্নিবার আন্দোলন।আন্দোলনের মধ্যমেই সবসময় বাঙ্গালী জাতি নিশ্চিত করেছে তাদের চূড়ান্ত বিজয়।বাঙ্গালী জাতির আন্দোলন সংগ্রামের এই ইতিহাস সেই ভাষা আন্দোলন থেকে বর্তমানের শাহবাগ আন্দোলন পর্যন্ত বিস্তৃত।প্রতিটি আন্দোলনেই প্রতিফলন ঘটেছে বাঙ্গালী জাতির প্রাণের দাবি গুলোর।ফলে সেসব আন্দোলনে ছিল বাঙ্গালী জাতির স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহন।এর ফলেই সেসব আন্দোলন হয়েছিল সাফল্যমন্ডিত।নিশ্চিত হয়েছিল চূড়ান্ত বিজয়।

কিন্তু বর্তমানে বিম্পি-জামাত জোটের আন্দোলন হয়ে পড়েছে জনগণের উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়া এক অন্যায় কর্মসূচি।যার ফলে মানুষ আন্দোলন সংগ্রামের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে।

গত কয়েক মাস বিম্পি-জামাত ১৮ দলীয় জোট আন্দোলন সংগ্রাম কে করে পরিণত করেছেন এক হিংস্র কর্মসূচিতে।যেখানে আন্দোলন সংগ্রামের নাম করে বিম্পি-জামাত ক্যাডাররা চালিয়ে যাচ্ছে একের পর এক ধ্বংসযজ্ঞ।কখনও ধর্মের নামে কখনবা গণতন্ত্রের নামে হত্যা করছে নিরীহ মানুষকে।পুড়িয়ে মারছে ঘুমন্ত বাস চালক থেকে কিশোর মনির কে।তাদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না কোন কিছুই।তাদের দেওয়া আগুনের লেলিহান শিখায় একদিকে যেমন পুড়ছে যানবাহন তেমনি অন্যদিকে পুড়ছে মসজিদ,মন্দির,গির্জার মত পবিত্র স্থাপনাগুলোও।

স্বাধীনতার ৪২ বছর পর বাংলাদেশ যখন দক্ষিন এশিয়ার উদীয়মান টাইগার হিসাবে অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হতে যাচ্ছে ঠিক তখনই হরতাল,অবরোধের নাম করে চলছে অবাধে ভাংচুর।অচল করে দেবার চেষ্টা চলছে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কে।এ যেন আন্দোলন, সংগ্রামের নামে নিজের পায়ে নিজে কুড়োল মারার মত বোকামি।

আজ ইসলাম রক্ষা আন্দোলনের নাম করে উস্কে দেওয়া হচ্ছে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে। আস্তিক নাস্তিকতার প্রশ্ন তুলে বিভেদ সৃষ্টি করা হচ্ছে সাধারন ধর্ম প্রাণ বাঙ্গালীদের মাঝে।

যে বাঙ্গালীর পরিচয় ছিল শান্তিপ্রিয় বলে, সর্বদা বিপদে আপদে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো ছিল যে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য।আজ সেই শান্তিপ্রিয় বাঙ্গালীর মাঝে বপন করা হচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বীজ।অদূর ভবিষ্যতে যার ফল হবে মারাত্মক।

এযেন এক সুনির্দিষ্ট প্রোপাগান্ডা।যা কিনা বিম্পি-জামাত জোট চরিত্রার্ত করতে দৃঢ় সংকল্প বদ্ধ।

এ যেন বাংলাদেশক ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার গভীর চক্রান্ত।বিম্পি-জামাত যেন কারো আজ্ঞাবহ দাস।তারা যেন শুধুমাত্র কারো হুকুম তামিল করে যাচ্ছে।

১০ thoughts on “বাঙ্গালীর আন্দোলন,সংগ্রাম ও বিম্পি-জামাত……

    1. @অন্ধকারের যাত্রী
      মানতে

      @অন্ধকারের যাত্রী
      মানতে পারলাম নাহ্ ভাই।এক দল সবসময় অন্যায়ের পথে চলবে,বিরোধী দলকে শেষ করার কোন চেষ্টা বাদ রাখবে নাহ্।রাজাকারদের ক্ষমতায়ন করবে।দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করবে
      ।আর অন্য একটি দল এগুলো দমন করার জন্য একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলেই দুই দলকে একই পাল্লায় মাপবেন এটা তো উচিত নাহ্।

      1. অনেক ক্ষেত্রেই দুই দলকে একই
        অনেক ক্ষেত্রেই দুই দলকে একই পাল্লায় মাপা সহজ হয়, যেমন টিকফা চুক্তি দুই দলই সমর্থন করে, রামপাল ইস্যুতে প্রায় এক, গার্মেন্টস শ্রমিকের নুন্যতম মজুরি নিয়ে এদের অবস্থান এক,……
        এখন কথা হলো আমরা কাকে ক্ষমতায় কাকে চাই, যদি আওয়ামীলীগ আবার ক্ষমতায় আসে তাদের স্বৈরাচারী মনোভাব আরও বৃদ্ধি পাবে, বিরোধী মনোভাবকে জেলে দিবে…বিএনপি ক্ষমতায় আসলে জামাতের হাতে সব নিয়ন্ত্রন চলে যাবে, হেফাজতের ১৩ দফা মানতে শুরু করবে…., রাজাকারের বিচারের কার্য বন্ধ হবে,
        তাহলে কাকে চাই ক্ষমতায়……বিভ্রত!

      2. সঙ্খালগুদের উপর হামলা সবাই
        সঙ্খালগুদের উপর হামলা সবাই করে, সেখান থেকে আওয়ামীলীগ কেও বাদ দিতে পারবেন না, কয়েকদিন আগেও ছাত্রলীগের কয়েকজন একটি হামলা করেছে,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *