একজন জামাত সমর্থকের শেষ পরিনতি

জয়পুরহাট বাড়ি মিন্টুর । সে রাজশাহী ভার্সিটিতে পড়ে সমাজবিজ্ঞানে থার্ড ইয়ারে আর পলিটিকস করে জামাত-শিবিরের । দলে তার একটিভিটি মোটামুটি ভাল, উপর লেভেলও খুশি তার উপ্রে। এখন আড্ডাও দিচ্ছে একদল সাথী ভাইয়ের সাথে । হঠাত্‍ তার ফোন আসে । ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে ভ্রু কুঁচকায় মিন্টু । ইকবাল ভাই ফোন করেছে , শিবিরের নেতা । বিস্মিত হয় সে । যে ইকবাল ভাইকে এপয়েন্টমেন্ট দিয়েও পাওয়া যায়না সেই ইকবাল ভাই তাকে ফোন করেছে আজ । চোখে কোনে হাসির রেখা ফুটে উঠে ।
-হ্যালো, স্লামালেকুম ভাই ।
-অলেকুম । তা মিন্টু সাহেব আছেন কেমন? কোথায় আছেন এখন?
-ভাল আছি ভাই । এইতো ক্যাম্পাসে আড্ডা দিতাছি । আপনি ভাল?

জয়পুরহাট বাড়ি মিন্টুর । সে রাজশাহী ভার্সিটিতে পড়ে সমাজবিজ্ঞানে থার্ড ইয়ারে আর পলিটিকস করে জামাত-শিবিরের । দলে তার একটিভিটি মোটামুটি ভাল, উপর লেভেলও খুশি তার উপ্রে। এখন আড্ডাও দিচ্ছে একদল সাথী ভাইয়ের সাথে । হঠাত্‍ তার ফোন আসে । ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে ভ্রু কুঁচকায় মিন্টু । ইকবাল ভাই ফোন করেছে , শিবিরের নেতা । বিস্মিত হয় সে । যে ইকবাল ভাইকে এপয়েন্টমেন্ট দিয়েও পাওয়া যায়না সেই ইকবাল ভাই তাকে ফোন করেছে আজ । চোখে কোনে হাসির রেখা ফুটে উঠে ।
-হ্যালো, স্লামালেকুম ভাই ।
-অলেকুম । তা মিন্টু সাহেব আছেন কেমন? কোথায় আছেন এখন?
-ভাল আছি ভাই । এইতো ক্যাম্পাসে আড্ডা দিতাছি । আপনি ভাল?
-হ্যা ভাল, তোমারতো কপাল খুইলা গেছে । গোলাম সারোয়ার ভাই স্বয়ং তোমারে কাজ দিছে, নির্বাচনী কাজ ।
-বলেন ভাই কি করতে হবে! লাগলে জান দিয়া দিবো !
-জান দেওয়া লাগবেনা খালি এট্টু ভয় দেখান লাগে । মন দিয়া শোন । তোমাগো দায়িত্ব সান্তাহার-নাটোর রেলে । মাঝখানে কিছু জঙ্গল পড়ে ! রাত্রে ঐ জঙ্গলের ভিত্রে থাকার ইন্তেজাম করা হয়েছে । তোমরা কয়জন মিলে ট্যুরে যাবা আজই।কাল ভোরের দিকে রেল লাইনের কিছু অংশ উপ্রাইয়া ফেলবা ।
…এতক্ষন নিঃশ্বাস বন্ধ করে অর্ডার শুনছিল মিন্টু !
-ইনশাল্লাহ্ ! ঐ মালাউন, নাস্তিকের বাচ্চাদের জান নিয়েই ছাড়বো ভাই দোয়া করবেন ।
-আমি জানতাম তুমি পারবা । পার্টি ক্ষমতায় আসলে তুমি বের হওয়া মাত্র ক্ষমতা চাইলে ক্ষমতা আর চাকরি চাইলে মন মত চাকরি দেয়া হবে তোমাকে ।
-আল্লাহ্ হুআকবার !

…………
…………পরদিন সকাল দশটায় মিন্টুর ফোনে তার মায়ের কল ।
-মিন্টুরে, তোর বাপ রাত দু’টার ট্রেনে কাল যশোর গেছে, হঠাত্‍ তোর বড় চাচা খুব অসুস্থ । একটু আগে ফোন দিছিলাম তোর বাপরে, ফোন বন্ধ । তোর চাচীরে ফোন দিয়া শুনলাম ঐখানেও পৌছায়নায় । তুই একটু খোঁজ নিয়া দেখ বাবা ।
-(তড়িঘড়ি করে) মা, বাবা যাইবো সেইডা আমারে আগে কও নাই কেন? বাবা গেছে কোন ট্রেনে?
-রাত্রে তো একটা ট্রেনই যাই । খুলনা মেইল ট্রেন ‘সীমান্ত’ !
– ……

…..
বাবার লাশের পাশে দাড়িয়ে মিন্টু । বাবার হত্যাকারী সে । পাশে অঝর অশ্রু সিক্ত নয়নে কাঁদছে তার মা । কাঁদছে সেও । সত্য কথা বলার সাহস হয়নি মিন্টুর !
.
.
.
এই দুনিয়ার আইনে হয়ত ধরা পড়বে না মিন্টু, তবে পরকাল, জাহান্নাম, পুলসিরাত বলেও কিছু আছে । সেখানে কি বিচার হবে জানে না কেউ, জানেনা মিন্টুরাও !

১৫ thoughts on “একজন জামাত সমর্থকের শেষ পরিনতি

  1. ওদের সবার পরিণতিই এরকম হবে
    ওদের সবার পরিণতিই এরকম হবে :ভাবতেছি: … শুধু সময়ের অপেক্ষা… :অপেক্ষায়আছি: ভালো লিখেছেন ভাই… :থাম্বসআপ: :ধইন্যাপাতা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *