পরিচয়

কলেজের একটা ফর্মের সামনে আমি স্তব্ধ হয়ে বেশকিছুক্ষণ বসে রইলাম। গুটি গুটি করে আমার নাম লিখার পর আমার মনে হলো লিখার কিছু নেই। হয়তো লিখার অনেক কিছু ছিল কিন্তু আমি কিছু লিখতে পারছিলাম না। এরপর লিখতে হবে পিতার নাম, তারপর মাতার নাম।

স্কুলের ফরম ও বিভিন্ন ধরণের কাগজ পূরণের জন্যে আমার মায়ের নামটা জানা খুব জরুরী হয়ে গিয়েছিল । ছোটবেলা অনেক সময় পর্যন্ত জেনেছি আমার মায়ের নাম ‘মা’ । সুলতানা রহমান নামটা অপরিচিত লাগতো । স্কুলের কোন কাগজে যখন মায়ের নামটা লিখতাম আমার মনে হতো অন্য একটা মানুষকে বসিয়ে দিয়েছি আমার মায়ের জায়গায় ।



কলেজের একটা ফর্মের সামনে আমি স্তব্ধ হয়ে বেশকিছুক্ষণ বসে রইলাম। গুটি গুটি করে আমার নাম লিখার পর আমার মনে হলো লিখার কিছু নেই। হয়তো লিখার অনেক কিছু ছিল কিন্তু আমি কিছু লিখতে পারছিলাম না। এরপর লিখতে হবে পিতার নাম, তারপর মাতার নাম।

স্কুলের ফরম ও বিভিন্ন ধরণের কাগজ পূরণের জন্যে আমার মায়ের নামটা জানা খুব জরুরী হয়ে গিয়েছিল । ছোটবেলা অনেক সময় পর্যন্ত জেনেছি আমার মায়ের নাম ‘মা’ । সুলতানা রহমান নামটা অপরিচিত লাগতো । স্কুলের কোন কাগজে যখন মায়ের নামটা লিখতাম আমার মনে হতো অন্য একটা মানুষকে বসিয়ে দিয়েছি আমার মায়ের জায়গায় । আমার খুব ইচ্ছে করতো মাতার নামের পাশে ‘মা’ শব্দটা লিখতে । মা শব্দটিই পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট কিন্তু বিশাল একটি শব্দ । যার থেকে জন্ম নেয় তা ছোটই থাকে । ফল থেকে একটা বৃক্ষ অনেক বড় । আমার মা তাঁর নামের জায়গায় সুলতানা চৌধুরী লিখতেন । আমি ক্লাস এইট হতে তাঁর ‘চৌধুরী’টা নিয়ে অস্বস্তিতে ভুগতাম । মা যেমন বিয়ের পর ফেলে রেখে এসেছেন তাঁর বিশ বছরের অস্তিত্বের একটা অংশ, যার বড় সাক্ষর বহন করে তাঁর নামের রহমান অংশটি । আমি একটা মেয়ে হয়ে বুঝেছিলাম, মা তাঁর রহমান অংশের সাথে ফেলে রেখে এসেছেন তার বাবা-মা, তার নারিকেল গাছ ঘেরা বাড়িটা, বাড়ির বাধানো পুকুর ঘাটটা, উঠোনের কোনে দুলতে থাকা বেলী ফুল গাছটা, আদরের বিড়ালটা । আর গোপণভাবে উনি রহমান নামের সাথে যা ফেলে রেখে এসেছিলেন তা হচ্ছে উশকো খুশকো, কবি ধরণের, জগত্‍ বিচ্ছিন্ন তার ভালবাসার যুবকটিকে । আমি একজন কিশোরী হয়ে খুব ভালভাবেই বুঝতে পারি তার রহমান নামের সাথে বড়ভাবেই জড়িয়ে ছিল এই পুরুষটি !

আমার মায়ের ডায়েরিটা আমার হাতে । উনি অনেক সুন্দর করে আমাকে কয়েকটা চিঠি লিখে গেছেন এর ভেতর । বর্ণীল কয়েকটা কাগজ ভাঁজ করে রাখা ডায়েরিটার ভেতর । একটা আমার সতেরোতম জন্মদিনে লিখা; উনি কি মনে করে দেন নি সে জন্মদিনে, সঠিক কারণটাও উনি বলে যাননি কাগজের কোন কোণায় । আমি আলতোভাবে ভাঁজ খুললাম ।

“কেমন আছ তুমি ? আমি জানি তুমি উত্তর দিচ্ছ তুমি ভাল আছো । এবং আমার খুব ভাল লাগছে যে তুমি সত্যিই ভাল আছো । তুমি কিছুদিন আগে যখন একটা আগুন রঙের একটা প্রজাপতির পেছনে দৌঁড়োলে আমি তখনই বুঝতে পেরেছি তুমি ভাল আছো । গতকাল রাতে যখন তুমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে জোনাকি দেখিয়ে বলছিলে, beautiful ! look look ! its beautiful !, আমি বুঝতে পেরেছি তুমি ভাল আছ । আমি যখন তোমার বয়সী অথবা সামান্য ছোট ছিলাম আমারও শত শত জোনাকি দেখে আনন্দ চিত্কার করে উঠতে ইচ্ছে করতো । আমি ভাল ছিলাম । তুমি সেদিন যেভাবে প্রজাপতির পেছনে ছুটেছিল ধরতে, তোমাকে পাশ কাটিয়ে উড়ে চলে গিয়েছিল ! তুমি তবুও আনন্দে ঝলমল করছিলে ! তুমি এভাবেই সবসময় প্রজাপতির পেছনে ছুটো । প্রজাপতি হাতের তালুতে না বসলেও তুমি ঝলমল করবে । প্রজাপতি না পেলেও আমরা ব্যর্থ হই না । ”

আমি কিছুক্ষণ কাগজটা শুকলাম । ডায়েরিটাতে টুকরো টুকরো জীবনের কথা । কয়েক জায়গায় যতিচিহ্নের প্রলাপের মত ব্যাবহার । একটা বাক্যের শেষে অসংখ্য ডট চিহ্নের ব্যাবহার ! আমার মা এত খণ্ডিত ছিলেন ! এত অমীমাংসিত আবেগ কেন ওনার ! কেন এত অসংখ্য ডট ডট ! আমার মা বারবার তার পুরোনো প্রেমিককে চিল পুরুষ বলে সম্বোধন করেছেন । এটা কি সেই সোনালি ডানার চিল !

আমার মা গত পরশুরাতে মারা গেছেন; আত্মহত্যা করেছেন । আমি কখনো মায়ের কষ্ট জানি নি । মাঝে মধ্যে তার জানালার গ্রিল ধরে কপাল ঠুকে বসে থাকা দেখতাম । তখন মাকে অনেক সুন্দর লাগতো,- তাই আমিও লুকিয়ে, এভাবে বসে থাকতে কত চেষ্টা করেছি ! আমার বাবা হাসিখুশি মানুষ ছিলেন । পারিবারিক কলহ সেরকম কখনোই ছিল না । যদিও বাবা মায়ের সম্পর্কটা বহু দূরের আত্মীয়ের মত ছিল । সেটা টের পেয়েছি ছোটবেলা থেকেই । শৈশব হতে যন্ত্রণায় দগ্ধ করেছে এটা বারবার । একসময় অভ্যস্ত হয়ে গেছি । অথবা অভ্যস্ত হতে চেষ্টা করেছি । বাবার সাথে দেখা, কথা, খাওয়া হতো কদাচিত্‍ । সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে উনি ঘুমিয়ে থাকতেন, উনি রাতে বাসায় আসার পর আমি ঘুমিয়ে পরতাম । গভীর রাতে মাঝে মাঝে টের পেতাম বাবা আমার মাথার পাশে বসে আছেন । উনি সামান্য মাথায় হাত বুলিয়ে চলে যেতেন; আমি নাক-চোখ বন্ধ করে এর অনুভব নিতে চেষ্টা করতাম । সমস্ত ইন্দ্রিয় বুজে রাখতে চাইতাম যাতে স্পর্শানুভূতিকে প্রভাবিত করতে না পারে । বছরে একবার আমরা কোথাও ঘুরতে বেরুতাম; বাবা সবাইকে হাসানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে যেতো। গাড়ির সিটে হেলান দিয়ে মা জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকতো। আমার খুব ইচ্ছে করতো মা-ও আমাদের সাথে হাসি ঠাট্টায় যোগ দিক। মা সেটা করতেন না; চাপ চাপ একটা কষ্ট আমার ভেতর জোড়ো হতেই থাকতো। বাবা কি কষ্ট পেতেন? আমার ধারণা পেতেন। আমি তো বাবাকেও কত দেখেছি হুট করে আনমনা হয়ে যেতে; উদাসীনভাবে সিগারেট জ্ব্বলে ছাদে হাঁটাহাঁটি করতেন।

পারিবারিক কলহে মা আত্মহত্যা করবেন সেটা কখনোই মনে হয় না । তাছাড়া আমাদের পরিবারে কোন কলহ ছিল না; ছিল স্পষ্ট একটা বিভাজন । এ বিভেদ সবার থেকে সবার । আমি জানি মা আমাকে অনেক ভালবাসতেন; বাসতাম আমিও । কিন্তু ওটা না রিনির মায়ের মত ছিল না । রিনি তার মায়ের সাথে ঝগড়া করতো, তার মা সবসময় তার কাজে বিরক্ত হতো আবার রিনি মাকে ছাড়া কোথাও যেতো না । মা আমাকে কখনো শাসনও করেন নি । কখনো সখনো বুঝাতেন তবে এমনভাবে কথা বলতেন যাতে একটা শব্দও অপচয় না হয় । অনেক কবিতা পড়তেন উনি । যেটা সঞ্চারিত করে গিয়েছেন আমার ভেতরও । ওনার ডায়েরিতে অগোছালোভাবে অনেকগুলো কবিতা লিখা । আমি মনোযোগ দিয়ে পড়লাম । বিষন্ন কবিতা, ধূসর কবিতা । আমি প্রতিটা অক্ষর হাত দিয়ে স্পর্শ করি। কল্পনা করতে চেষ্টা করি মা বেঁচে থাকতে কিভাবে ঝুঁকে ঝুঁকে লিখেছিলেন তাঁর বিষন্নতার কবিতাগুলো। আমার মা অনেক গুছিয়ে লিখতে পারতেন, গল্পের মত সাজিয়ে তাঁর প্রত্যেকটা আত্মকথা। তাঁর প্রতিটা কবিতা স্বীকারোক্তিমূলক। নিজের জীবনের বাইরে একটা কথাও নেই। ডায়েরির মাঝের দিকে ছোট করে কিছু কথা লিখা। এই লিখাটিই আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ধরা দিয়েছিল; যা পড়ে শেষ করার আগে কখনো কল্পনাও করতে পারি নি। এটি আমাকে কোন আঘাত দেয় নি, আমি সত্যি বলছি, কোন আঘাত দেয় নি কিন্তু কোথাও একটা কিছু করে গিয়েছিল। সে উপলব্ধির জায়গাটা আমি ভালভাবে কখনোই ধরতে পারি নি, ছিঁড়ে কেটেকুটে দেখতে পারি নি অনুভবটাকে। অথবা দেখতে চাই নি; এড়িয়ে যেতে চেয়েছি।

“ও কখনো সখনো খোঁচাখোচা দাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত বাসার সামনেটায় । জীবনে হেরে যাওয়া কোন এক ব্যর্থ কবির মত মনে হতো। জানি না আমি কবিতা ভালবাসি বলেই কিনা ও এরকম বিরহী সাঁজ দিত ! আমার খারাপ লাগতো । জানালা ঢেকে দিতাম অসংখ্য মোটা পর্দায় ! ওর এখানে আসা উচিত না । কখনোই না । গভীর রাতে যখন ছাদে যেতাম খসে পরা নক্ষত্র দেখতে, তখনও সামনের রাস্তায় বসে থাকতো সে । আমার ভালবাসাটা কমে আসছিল তার প্রতি ক্রমেই ! বিয়ের পর অবাধ্য আকুলতা গলার কোথায় যেন আটকে থাকতো,- সেটি ক্রমশ নিচ থেকে নিচে নেমে যাচ্ছিল। পুরোনো প্রেমের স্মৃতির ফ্রেমে একটু একটু করে ধুলো জমছিল !
ঠিক এক রাতের পর অনেকদিন সে আসলো না ! মিথ্যে বলবো না, স্বস্তি পেয়েছিলাম একটা । আবার কোন এক বিকেলে ছাদের রেলিঙে ঝুঁকে সামনের রাস্তাটা খালি দেখলে একটা স্বস্তির সাথে সূক্ষ্ণভাবে আশাহতের ব্যপার ঘটতো। এই পরস্পরবিরোধী আবেগটা আমি কাউকে বলে বুঝাতে পারব না। ঠিক এটিই সম্ভবত আমাকে লুকিয়ে লুকিয়ে খণ্ডিত করে গিয়েছে আমারই অজান্তে। অনেকদিন পর কোন এক গ্রীষ্মের দুপুরে আসলো সে । তখন বাইরে ঠা ঠা রোদ ছিল। এবং সেটা ছিল গ্রীষ্মের এক দুপুরে।

– তোমাকে দেখতে এসেছি ।
– ভেতরে এসো ।

তাকে আমি বসিয়েছি বাসায় । মুহিব বাইরে । আমার একাই সময় কাটে সারাটাদিন, সামান্য সময় কাটে বিরক্তিকর টেলিভিশনের সামনে, সামান্য একটু সময় বারান্দায় অমানবিকভাবে বেড়ে উঠা বনসাই গাছের সাথে ।
তার শরীরের অবস্থা কোনভাবেই ভাল নেই । টানা কাশতে থাকে । চোখ লাল । ময়লা একটা পাঞ্জাবি গায়ে। উশকো খুশকো চুল। দেখতে কোনভাবেই ভাল দেখাচ্ছিল না। হঠাত কেন যেন তাঁর প্রতি আমার অনেক মায়া হলো; খুব সতভাবে বলতে গেলে হয়তো করুণা। তাঁর প্রতি আমার একটা করুণা হলো।

– নেশা করো ?

সে মাথা নিচু করে পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলের দিকে তাকিয়ে রইলো ।

– তুমি এমনভাবে থাকো কেন? কি মনে করো তুমি নিজেকে ? কবি? দার্শনিক? কি চাচ্ছ তুমি ? তুমি…
– সুলতানা, আমি ভাল নেই।

তার উত্তরটা বিড়বিড় করে আমার কানে বাজলো। একবার… দুবার… তিনবার… বাজতেই ছিল। আমি তারপাশে বসলাম। লিলুয়া বাতাসের মত হঠাত একটা প্রবল আবেগ জড়িয়ে ধরলো; ভেতর থেকে প্রদ্বীপের জ্বিনের মত বের হতে চাইলো ! আমাকে অশান্ত করলো।

– সুলতানা, তুমি ভাল আছো? সত্যি করে বলো তো ! তুমি ভাল তো… !

আমি ভাল ছিলাম না। আমি ভাল থাকতে চাই। আমি হুট করে শক্ত করে তার হাতটা মুঠো করে ধরলাম। এরপরের ঘটনাগুলো যেমন এমনি এমনি করে ঘটে যাচ্ছিল, সয়ংক্রিয়ভাবে, আমার কোন হাত ছিল না, আমি কোন হাত দিতে চাই নি। সেদিনের এক ঝলক তীব্র ভালবাসার পরই আমাদের ভালবাসার সমাপ্তি ঘটেইয়েছিলাম আমি; আমরা।

এর ঠিক সাড়ে ন’মাস পর আমার মেয়ের জন্ম।”

———————————————————————–

কলেজের ফর্মের পিতার নামের পাশের শূন্য জায়গাটা আমার জীবনে একটি বিশাল শূন্যতা হয়ে নেমে এল। একটা বিরাট প্রশ্নের ডট হয়ে ফাকা জায়গাটা পরে রইলো আমার সামনে।

২৪ thoughts on “পরিচয়

  1. প্রজাপতি না পেলেও আমরা ব্যর্থ

    প্রজাপতি না পেলেও আমরা ব্যর্থ হই না

    দারুন লিখেছিস। আবেগটা যেন নিজেরই মনে হচ্ছে। লেখক হিসেবে এখানেই সার্থকতা। পাঠককে মিশিয়ে দেয়া। তোর লেখনি শক্তি প্রখর হচ্ছে দিন দিন। অনেক অনেক কিছু লিখ

  2. চমৎকার লাগল গল্পটা। ইস্টিশনে
    চমৎকার লাগল গল্পটা। ইস্টিশনে কি গল্প স্টিকি করা জায়েজ আছে মাস্টার সাব?

  3. সত্যিই অসাধারণ লেখা।
    সত্যিই অসাধারণ লেখা। সাহিত্যের মান বিচার ক্ষমতা আমার নেই। একজন খুব সাধারণ পাঠক হিসেবেই নিজের মতামত ব্যক্ত করলাম। দারুন… লিখতে থাকুন। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  4. আমি একটা মেয়ে হয়ে বুঝেছিলাম,

    আমি একটা মেয়ে হয়ে বুঝেছিলাম, মা তাঁর রহমান অংশের সাথে ফেলে রেখে এসেছেন তার বাবা-মা, তার নারিকেল গাছ ঘেরা বাড়িটা, বাড়ির বাধানো পুকুর ঘাটটা, উঠোনের কোনে দুলতে থাকা বেলী ফুল গাছটা, আদরের বিড়ালটা ।

    লাইনগুলো ভাল লাগল।
    আর পুরো গল্পটা একথায় অসাধারণ। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :bow:
    নূর ভাই,আরো ক্ষুরধার হোক আপনার লেখনী, এই কামনা করছি।

  5. ছোটগল্পের স্বাদটা থাকলেও
    ছোটগল্পের স্বাদটা থাকলেও গল্পটা বেশ ছোট, ফেবু গল্পের মত লাগছে। হয়তো মেয়েটাও তার মায়ের মত কিছু করে ফেলেছে, তারপর তার জন্মরহস্য জেনেছে- এমন কিছু কি করা যায় না?

    তুই জানিস আমি প্রশংসা খুব কম করি। কিন্তু না বলে পারলাম না, তোর লেখনী দিন দিন অসাধারন হচ্ছে। সাইন্স ছাড়, সাহিত্যে মন দে।

    1. সেরকম করা যায়, কিন্তু করলে
      সেরকম করা যায়, কিন্তু করলে লাভ কি? ফেবু গল্পের মত লাগছে কথাটা সত্যি। কারণ এটা প্রথমে ফেবু গল্পই ছিল। মোবাইল নিয়ে হাতানোর সময় লিখতে লিখতে লিখে ফেলেছি।

  6. একটি লেখা যখন তার পাঠকের মাঝে
    একটি লেখা যখন তার পাঠকের মাঝে আবেগ সৃষ্টি করতে পারে,সেখানেই লেখকের স্বার্থকতা।লেখাকে টেনে হিচড়ে বড় করলেই হয়না,অনেক অল্প কথাতেই আবার অনেক কিছু বোঝানো যায়।আমাদের ফেসবুক মেনিয়াটা এত বেশী প্রবল হয়ে দাড়িয়েছে যে সাহিত্যগুন বিচার না করেই কেবল ছোট বড় প্রশ্নে একটি লেখাকে ফেসবুকি লেখার সাথে তুলনা করে দেই।অনেকদিন পর ছোট অথচ সাহিত্যগুনের দিক থেকে কোনো অংশেই কম নয় এমন একটি লেখা পড়লাম।লেখককে ধন্যবাদ।

  7. এক কথায় অসাধারণ। আপনার লেখা
    এক কথায় অসাধারণ। আপনার লেখা এমনিতেই ভালো লাগে। আর এই গল্পটা তো একটা ক্লাসিক। চালিয়ে যান। আপনাকে দিয়ে হবে।

  8. অনেকদিন পর ইশটিশনে একটি ভালো
    অনেকদিন পর ইশটিশনে একটি ভালো উন্নত মানের লেখা পড়লাম।
    বরাবরই আপনার লেখার হাত ভাল। যদি লেখক হন, তবে বাঙলা সাহিত্যে একজন নতুন ভালো লেখক পাবে…

  9. আমি একটা মেয়ে হয়ে বুঝেছিলাম,

    আমি একটা মেয়ে হয়ে বুঝেছিলাম, মা তাঁর রহমান অংশের সাথে ফেলে রেখে এসেছেন তার বাবা-মা, তার নারিকেল গাছ ঘেরা বাড়িটা, বাড়ির বাধানো পুকুর ঘাটটা, উঠোনের কোনে দুলতে থাকা বেলী ফুল গাছটা, আদরের বিড়ালটা ।

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *