ভালোবাসার হরেক রং

রোদের তাপ টা একদম চোখে লাগছে, এই সকালে জানালার পর্দা টা সরালো কে !!!

সে – এই যে উঠেন, আর কতক্ষন ঘুমাবা তুমি ??? সকাল হয়েছে সেই কখন।

আমি – আরেকটু ঘুমাতে দাও, আজ না শুক্রবার, আরেকটু, ঘুমাই, তুমিও আসো ঘুমাই।

সে – হু, আমি ঘুমালে কাজ করবে কে ? আমার অনেক কাজ আছে, আর তোমার বাজারে যেতে হবে, উঠো নাস্তা করে নাও তাড়াতাড়ি।

প্রথমে বুঝলাম না আজ ও এত কাজ কাজ করছে কেন, পরে বুঝতে পারলাম আজ বাসায় আম্মুরা কেউ নেই, বাসা পুরাই খালি, আর তাই সব কাজ করতে হচ্ছে আমার বউ টার।

রোদের তাপ টা একদম চোখে লাগছে, এই সকালে জানালার পর্দা টা সরালো কে !!!

সে – এই যে উঠেন, আর কতক্ষন ঘুমাবা তুমি ??? সকাল হয়েছে সেই কখন।

আমি – আরেকটু ঘুমাতে দাও, আজ না শুক্রবার, আরেকটু, ঘুমাই, তুমিও আসো ঘুমাই।

সে – হু, আমি ঘুমালে কাজ করবে কে ? আমার অনেক কাজ আছে, আর তোমার বাজারে যেতে হবে, উঠো নাস্তা করে নাও তাড়াতাড়ি।

প্রথমে বুঝলাম না আজ ও এত কাজ কাজ করছে কেন, পরে বুঝতে পারলাম আজ বাসায় আম্মুরা কেউ নেই, বাসা পুরাই খালি, আর তাই সব কাজ করতে হচ্ছে আমার বউ টার।

নাস্তা করে বের হয়ে বাজারে যেতে যেতে তখন ১১ টা পার হয়ে গেছে, এখন সকালের বাজারের শেষাংশ, আবার বাজার বসবে বিকেলে। কি নিবো খুজে পেলাম না। শেষ পর্যন্ত মাছ আর বেগুন নিলাম। মাছ টা কেটে পিস পিস করে দিতে বললাম, কারন আজ যেহেতু আম্মু নেই সব ওই করবে, আর ও মাছ কাটা মানে হাত কাটা, তাই কেটে নিয়ে যাওয়ায় ভালো।

বাসায় এসেই বাজার দেখে ওর মাথা খারাপ এত কম বাজার করেছি বলে, বললাম বাজারে কিছু ছিল না, এরপর বকা খেলাম দেরিতে গিয়েছি বলে, মাঝে মাঝে ওর বকা খেতে অবশ্য ভালোই লাগে।

এরপর বেল্কনি তে গিয়ে বসলাম পেপার টা নিয়ে, কিছুক্ষন পর শব্দ শুনে বুঝলাম ও গোসলে গেছে, পেপারে আজ শুক্রবারের গল্প ছিল একটু মনোযোগ দিয়েই পড়ছিলাম, অনেকক্ষণ ধরে কিসের একটা ঘ্রান বার বার নাকে লাগছিলো, ভিতরে গিয়ে দেখলাম বেগুন ভাজি একটু একটু পুড়ছে, চাইলেই চুলার আচ কমিয়ে দিতে পারতাম কিন্তু করলাম না আবার বেল্কনি তে চলে আসলাম।

আমাদের বিয়ের আগের কথা মনে পড়ে গেল, ও আমার সাথে কথা বলছে আর এদিকে ওর বেগুন ভাজি পুড়ছে, এটা প্রায় নিয়মিত ই হত। আর তাই আজও বেগুন টা কে পুড়তে দিলাম, পুড়া বেগুন ভাজি খেতে একটু তিতা হলেও খেতে ভালোই লাগে, আর খাওয়ার সময় বেগুন পুড়ে গেছে বলে ওকে রাগাতে আরও ভালো লাগে।

আর যেখানে ভালোবাসা আছে সেখানে তিক্ততাও মিষ্টি হয়ে যায়।

৯ thoughts on “ভালোবাসার হরেক রং

  1. ভালবাসা যেমন দেয় শুখ তেমনই
    ভালবাসা যেমন দেয় শুখ তেমনই দু:খ। সুখটাও যেমন অসীম দু:খটাও।
    কেউ সুখ নিয়ে লিখে কেউ দু:খ পার্থক্য এটাই।

    অনুগল্প হিসেবে খারাপ লাগে নি। ভাল লেগেছে। সত্য ঘটনা হলে আপনাদের অভিনন্দন। ভালবাসার মানুষটিকে পেয়েছেন বলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *