ভাইয়া! এটা আমার নতুন গার্ল-ফ্রেন্ড ফেসবুকে পটাইছি!

সে অনেক দিন আগের কথা সালটা ২০০৪ পারিবারিক সুত্রে আমার কপালে ক্যামেরা সংযুক্ত একটি সেল ফোন জুটে!
আহা কি আনন্দ তখন আকাশে বাতাশে পিটিশ পিটিস ছবি তুলতাম,গান শুনা যেতো তবে খুব অল্প আর ফোন করার মতো খুব বেশী কেঁউ ছিলো না।
আমার যে কজন বন্ধু ছিলো তার মধ্যে হেলিরও একটা সেল ফোন ছিলো,অবাক হয়ে শুনতাম তার প্রেমের পাচ-নামা! ভাবতাম একটা ছেলে একটা মেয়ের সাথে কথা বলা পৃথিবীর কঠিন কাজ গুলোর মধ্যে একটি। আর এই অসম্ভব কেই সম্ভব করতো আমার বন্ধু হেলি! আমি শিখার চেষ্টা করতাম তবু সাহসে কুলাতো না,এই দিক টাই সাহসের অভাবে কতো মনের পরী যে মরে মনেই ভুত হয়ে গেলো সে খবর কেঁউ রাখে নাই।

সে অনেক দিন আগের কথা সালটা ২০০৪ পারিবারিক সুত্রে আমার কপালে ক্যামেরা সংযুক্ত একটি সেল ফোন জুটে!
আহা কি আনন্দ তখন আকাশে বাতাশে পিটিশ পিটিস ছবি তুলতাম,গান শুনা যেতো তবে খুব অল্প আর ফোন করার মতো খুব বেশী কেঁউ ছিলো না।
আমার যে কজন বন্ধু ছিলো তার মধ্যে হেলিরও একটা সেল ফোন ছিলো,অবাক হয়ে শুনতাম তার প্রেমের পাচ-নামা! ভাবতাম একটা ছেলে একটা মেয়ের সাথে কথা বলা পৃথিবীর কঠিন কাজ গুলোর মধ্যে একটি। আর এই অসম্ভব কেই সম্ভব করতো আমার বন্ধু হেলি! আমি শিখার চেষ্টা করতাম তবু সাহসে কুলাতো না,এই দিক টাই সাহসের অভাবে কতো মনের পরী যে মরে মনেই ভুত হয়ে গেলো সে খবর কেঁউ রাখে নাই।
শেষ যেবার বন্ধু হেলির হোস্টেল এ গিয়েছিলাম
তখন কোন এক গভীর রাতে
হেলির হোস্টেল এ টয়লেট রুমের আয়নার সামনে অনেকক্ষন প্র্যাকটিছ করিয়া ফোন দিলাম যাতে ঐ সুকন্ঠী কিছু বলার আগেই আমি দমাদম কিছু সুন্দর অথবা অপমানজনক কথা বলিয়া দিতে পারি।
হয়তো তখন কিশোর ছিলাম,বেকুব ছিলাম,ভীতু ছিলাম।

ফোন দিলাম।
রিং হচ্ছে সাথে আমার হাট-বিটও বাড়ছে।
আর মনে মনে ভাবিলাম, আমি বোধ হয় ইহাকে পাইলাম।
“হ্যালো”।
…… হ্যালো হ্যালো হ্যালো। হঠাত বলিয়া বসিলো, কি চাই …?
আমিও বাস্তবে ফিরিয়া আসিলাম আর উত্তর দিলাম… হুমম, তাইতো কি চাই…!! মেয়েটি বলিলো, আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছি, কি চাই।
ওহ তেমন কিছুনা আমি কাপা কাপা গলায় উত্তর দিলাম। আমাকে অবাক করিয়া দিয়া মেয়েটি হাসি দিলো।
আর অতীব সুন্দর করে বললো, “ আর ফোন দিবেননা”

আমি মোমের ন্যায় গলিয়া গেলাম আমার আর
“I love you” লাইনটি বলা হইলো না যার মানে ছিলো “সে আসলেই সুন্দরী”

কেন জানি মনে হয় আমরা হলাম, পুরনো আর নতুনের মাঝের ট্রানজিশনের প্রজন্ম। আমাদের সেই ভীতু প্রজন্মটি আস্তে আস্তে বিদায় নিচ্ছে আর নতুন সাহসিকতায় একটা প্রজন্ম এখন ঠিক চোখের সামনেই প্রাযুক্তিক উৎকর্ষতায় বাড়ছে।
তাইতো ইস্কুলে পড়ুয়া নাক টিপলে দুদ পড়বে এমন নাবালক-বদ্মাইশ- কিশোর মোবাইল টিপাটিপি করিয়া বলে ভাইয়া! ভাইয়া!
এটা আমার নতুন গার্ল-ফ্রেন্ড ফেসবুকে পটাইছি!
বেসম্ভব কিউট না!

আজ প্রেম-পিরিতির সেই সুক্ষ অনুভবের দিক গুলো হয়তো খুব বদলে গেছে! তখন বিষয় গুলো অনুভব করার অনুভুতিটাই ভিন্ন ছিলো কিন্তু এখন কথায় কথায় এফেয়ার হয় কথায় কথায় হয় ব্রেক-আপ।
একটা সময় ঠিকই এগুলোও বিদায় নিবে।

২ thoughts on “ভাইয়া! এটা আমার নতুন গার্ল-ফ্রেন্ড ফেসবুকে পটাইছি!

Leave a Reply to ডন মাইকেল কর্লিওনি Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *