Legends Never Retire !!!

পল্লী কবি জসীম উদ্দিন এক বিরল সৌভাগ্যের অধিকারী !! তিনি যখন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্র্যাজুয়েশন করছিলেন,  তখন তার রচিত “কবর” প্রবেশিকা/মেট্রিক তথা এসএসসি’র  সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত হয় !!!


পল্লী কবি জসীম উদ্দিন এক বিরল সৌভাগ্যের অধিকারী !! তিনি যখন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্র্যাজুয়েশন করছিলেন,  তখন তার রচিত “কবর” প্রবেশিকা/মেট্রিক তথা এসএসসি’র  সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত হয় !!!

সেই একই রকম বিরল সৌভাগ্যের অধিকারী আব্দুল গাফফার চৌধুরী, সংক্ষেপে আগাচৌঃ (অবশ্য নিন্দুকদের কাছে  “আগাছা” নামেই ব্যাপক সমাদৃত) ! তিনি যখন ঢাকা কলেজে ইন্টারে অধ্যায়নরত ছিলেন ,  তখন তার লিখা অমর কবিতা/ গান -“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো ২১ ফেব্রুয়ারী” রচনা করেন , আলতাফ হোসেনের সুরারোপিত গান হয়ে যা পরবর্তিতে দেশে তোলপাড় সৃস্টি করে ! সে কবিতা রচনার কারণে তাকে ঢাকা কলেজ থেকে বহিস্কার করার  সিদ্ধান্ত ও নেয়া হয়েছিল সে সময় !!

এই ঘরনার বিরলতম সৌভাগ্যবান শচীন টেন্ডুলকার অধিকারী শচীন টেন্ডুলকার ! তিনি তার আখেরি  ম্যাচ খেললেন নিজের শহরে, নিজের নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে , অথচ খেলা ছাড়ার আগে নিজের নামে প্রতিষ্ঠিত স্টেডিয়ামে খেলার  সৌভাগ্য কারো কপালেই সাধারণত জোটে না, এও এক “নজিরবিহীন নজির ” !!! প্রথমবারের মত  নিজের মা,  পিতৃসম ভাই, জায়া পুত্র পরিবার সমেত নিজের শহরের মানুষের উপস্থিততে  একেবারে ভরা মজলিশেই শেষ টেস্ট টা খেলে ক্যারিয়ারের যতি চিহ্ন টেনে দিলেন !! 

ইন্ডিয়া শত শতগ্রেট প্লেয়ারের জন্মদাত্রী ! সুনীলের মত সর্বকালের  সেরা ৩  ওপেনারের একজন, যে টেস্টের সর্বোচ্চ রান এবং প্রথম অভিযাত্রী  হিসাবে “টেস্টে ১০০০০ রানের হিমালয়ের” চুড়া জয়সহ   সর্বাধিক সেঞ্চুরী (৩৪ টা , যা ২ দশক পর শচীন’ই ভাঙ্গেন) ইত্যাদি ইত্যাদি সহ বহু রেকর্ডের অধিকারী ছিলেন এই জীবন্ত কিংবদন্তী ! অরক্ষিত পিচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত জানোয়ার টাইপ বোলারদের বিপক্ষে তিনি ছিলেন ঈর্ষনীয় পর্যায়ের সাফলতম ক্রিকেটার ; কিংবা বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা অঘটন হিসাবে স্বীকৃত ৮৩ র বিশ্বকাপ জয়ে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দেয়া  কপিল দেব ও এ সন্মান পান নাই কখনো !!! কখনো বললাম বলাটা ঠিক হয় নাই, তাদের কপালে এই সন্মান এখনো জোটে নাই !!! তাদের নামে এখনো পর্যন্ত  আন্তর্জাতিক টেস্ট ভেন্যু পয়দা করা হয় নাই !!

অবশ্য শচীন ছাড়া একমাত্র শ্রীলঙ্কার মুরালী ধরনের কপালেই কেবল এ সন্মান জুটছিল ২০১০ সালে…… তবে শ্রীলংকা  ছোট দেশ,  তাদের ক্রিকেট ঐতিহ্য ও তেমন  পুরানো নয়, তাছাড়া তারা কখনই টেস্ট ক্রিকেটের কুলীন সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল না… ডি সিলভা ,জয়াসুরিয়া , জয়াবর্ধনে বা সাঙ্গাকারার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলা  যায় – মুরালী ছাড়া এদের আর কারোই  সর্বকালের সেরার ছোট্ট তালিকায় থাকার যোগ্যতা নাই, একমাত্র ব্যাতিক্রম মুরালী !! মুরালী  অবশ্য আরো একতা ব্যাতিক্রমী ইতিহাসের মহানায়ক ,  জাতিতে তামিল মুরালী একবার “প্রায় চিরস্থায়ী গৃহযুদ্ধে” রুপ নেয়া সরকার বনাম বিদ্রোহী তামিল টাইগারদের মধ্যকার যুদ্ধ থামিয়ে দিয়েছিলেন !! শ্রীলংকার বিশ্বকাপ জয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় তামিলরাও মুরালীর জয় উদযাপনের লক্ষে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষনা করে !! কেবল ক্রিকেট কেন, খেলা ধুলার ইতিহাসেই এ এক অবিস্মরনীয় ঘটনা !!! ছোট দেশের জগৎ শ্রেষ্ঠ প্লেয়ার হিসাবে নিজের নামে একটা স্টেডিয়াম তার প্রাপ্যই ছিলো !

  কিন্তু ইন্ডিয়ার মত চৌদ্দ কুতুবের দেশে এ ব্যাপারটা আসলেই অসাধারণ !! কত জাতে বিভক্ত একটা জাতি,  বাঙ্গালীরা হয়ত মাড়োয়াড়িদের পছন্দ করে না, আবার মাড়োয়াড়ি দের সাথে হয়ত মারাঠি দের তীব্র রেষারেষি , ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে টিমে সৌরভের এত দেরীতে সুযোগ পাওয়া টাকে অনেকেই ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বোর্ডের আভ্যন্তরীন  দলাদলিকেই দায়ী করেন …
সেই তীব্র দলাদলির মধ্যে শচীন এ একমাত্র খেলোয়াড় ,যাকে নিয়ে কোন রাজনীতি হয়  নাই , পুরো ইন্ডিয়ার সবাইকেই তিনি একসুতোয় গেথেছেন…… তার অবশ্য কারণ ও আছে – মানুষে মানুষে দলাদলি থাকতেই পারে,  কিন্তু টেন্ডলকার ত তাদের “ক্রিকেট দেবতা”, দেবতার বিপক্ষে দলাদলি কর্বে কে! ?

প্রসঙ্গত শচীনের অবসরের ব্যাপারে সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং প্রতিবেদন ” দাখিল ” করছে নিউইয়র্ক টাইমস-
“ভারতীয়দের অনেক দেবতা আছে তাদের কারো ৩টা মাথা , কারো ১০ টা , কারো গলায় কুণ্ডলি পাকানো সাপ !!! আর একজন আছেন, যার হাতে থাকে শ্রেফ একটা ব্যাট, যা দিয়ে তিনি সবাই কে শাসন করেন – তার নাম  টেন্ডুলকার” !!!

আমাদের সাকিব অবশ্য আরো একধাপ এগিয়ে , তার প্রতিক্রিয়া-
একটা জায়গায় আমি অদ্বিতীয়। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি এই ‘অর্জন’ আর কারও নেই। টেন্ডুলকার তাঁর শততম সেঞ্চুরিটা করেছেন ২০১২ এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে। ওই সেঞ্চুরির শততম রানটা তিনি নিয়েছিলেন আমার বলেই। পৃথিবীতে যত দিন, যতবার টেলিভিশনে তাঁর শততম সেঞ্চুরির মুহূর্তটি দেখানো হবে, দেখানো হবে আমাকেও। শচীন টেন্ডুলকারের সঙ্গে এই একটা ফ্রেমে আমি সব সময়ই থাকব। জীবনে এটাও বা কম কী !!

তার শেষ টেস্ট ইনিংস নিয়ে উতপল শুভ্র লিখছেন –
“উইকেটে কাটানো এক শ মিনিটের মতো সময়ে তাঁকে এমনই সাবলীল দেখাল, নস্টালজিয়ায় পেয়ে বসল সবাইকে। স্যামিকে মিডঅন ঘেঁষে মারা স্ট্রেট ড্রাইভটা মনে করিয়ে দিল সেরা সময়ের টেন্ডুলকারকে। এটাই তাঁর সিগনেচার শট, একবার যা মেরে মেরে শারজায় চামিন্ডা ভাসকে প্রায় কাঁদিয়ে ছেড়েছিলেন!
ভাসের ‘অপরাধ’ ছিল, আগের দিন কাকে যেন বলেছিলেন টেন্ডুলকার স্ট্রেট ড্রাইভ মারতে গেলে বল উঠে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সেটি টেন্ডুলকারের কানে পৌঁছে যায় এবং পরদিন সেঞ্চুরির পথে তিনি ‘স্ট্রেট ড্রাইভ কত প্রকার ও কী কী’ ভাসকে তা বুঝিয়ে দেন” !!!

এই হলেন টেন্ডুলকার, শত সমালোচনাতেয় ও তিনি নিরব থাকেন, কখনৈ মুখে কোন পাল্টা জবাব দেন না, জবাব যা দেয়ার, তা ব্যাট দিয়েই দেন !! আসলে সচীন এবং ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিম আমার চরম অপছন্দের ছিল,  এখনো অবশ্য অপছন্দের, কেবল শচীনের ব্যাপার্টা আলাদা ! বিস্ময়কর এক ক্রিকেটার সে, মানুষ হিসাবে ত আরো বিস্ময়কর ! ২ যুগের ক্যারিয়ার কিন্তু এখনো তার নামে কোন স্কান্ডাল নাই, দলীয় শৃংখলাভঙ্গ বা এ জাতীয় কোন কিছুর অভিযোগ তার বিরুদ্ধে  কখনোই ওঠে নাই! অথচ আমাদের তামিম সাকিবরা তাদের এই সংক্ষিপ্ত  ক্যারিয়ারেই বেশ কিছু ঘটনার “গর্বিত পিতা” হয়ে গেছেন !! এখানেই তার গ্রেটনেস ,এত খ্যাতি, ক্ষমতা , বিত্ত সব কিছু থাকার পর ও তার পা মাটিতেই ছিল !! এছাড়া বছরের  পর বছর ১০০ কোটি মানুষের প্রত্যাশার চাপ সামলে “সেঞ্চুরীর সেঞ্চুরী” করা অবিশ্বাস্য!! এ প্রসঙ্গে বিরাট কোহলীর মন্তব্যটা ক্লাসিক , ইতিহাসে জায়গা পাবার মত ! ক্যারিয়ারের একমাত্র অপুর্ণতা “বিশ্বকাপ’ জেতার পর তাকে কাধে  তুলে সোল্লাসে ছুততে থাকা অবস্থায় টিভি ক্যামেরা  কোহলীকে পাকড়াও করে  টেন্ডুল্কার কে কাধে নিয়ে ছোটাছুটির কারন জান্তে চাইলে খলীর জবাব-
“এই লোক টা গত ২ যুগ ধরে  ইন্ডিয়ার ১০০ কোটি লোকের প্রত্যাশার নিজের কাধে বহন করেছিলেন, আর আমি ত মাত্র একবার তাকে নিজের কাধে তুললাম” !! ভারতে এই বীরের স্থান কোথায় , তা এই ছোট্ট মন্তব্য থেকেই বোঝা যায়!

ব্রাডম্যান যদি এ যুগে জন্মাতেন , তাইলে জীবনে ও ব্যাটিং এর এই ঈর্ষনীয় ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে পারতেন না,গ্যারান্টেড  …. একে ত ওয়ানডে, টিটুইয়েন্টির হিউজ ‘বানিজ্যিক’  প্রেশার ,ফ্রিকোয়েন্টলি ব্যাটিং স্টাইল চেঞ্জ করতে হয়! ! তার উপ্রে ক্রিকেটে অত্যাধিনিক প্রযুক্তির ব্যাবহার তখন ছিল না, এখন ত একটা বোলার খেলতে নামার আগেই টেন্ডুলকার কে আগাগোড়া বিশ্লেষন করে তার্পর খেলতে নামে!  কিন্তু সেই সময় ঐ খেলা মাঝির ঘাট !

একটা টেস্ট খেলতে প্রস্তুতি সহ ১০ দিন লাগে,  মাসে ৩ টার বেশি টেস্ট খেলা কোন ভাবেই সম্ভব না! আর সেখানে  ২০০ টা টেস্ট ! ২০০ টেস্ট খেলতে ২০০০ দিন লাগে!  এ জমানায় অসম্ভব!  ক্রিকেট এখন আর নিখাদ আনন্দের খেলা না, সেটা এখন পৃথিবীর অন্যতম সেরা ব্যাবসা এবং জীবিকা! তাই খেলাটার প্রতি  সেই  ডেডিকেশন আর নাই !!  এখন গেইল পোলার্ডের  মত টপ গ্রেডের প্লেয়ার রা টেস্টের চেয়ে টি টুয়েন্টিতে বেশি স্বস্তি বোধ করে, টি ২০ তে  পার্ফর্ম করলে অনেক ধান্ধা,  আর পারফর্ম না কর্লে আরো বেশি ধান্ধা, জুয়াড়িদের তরফ থেকে আরো ১০ গুন বেশি টাকা ,সুন্দরী নারি সহ অনেক মৌজ মাস্তি পাওয়া যায় !!! অবশ্য এই ধান্ধাবাজির যুগ টেন্ডুলকার কে আরো মহিমান্বিত করছে  ….. এসব প্রোলভন এড়ানো টেন্ডুককার ছাড়া অন্য রক্ত মানুষের পক্ষে অসম্ভব ….আর কোন প্লেয়ার যদি এই প্রলভন এড়াতে সমর্থ হয়, তার কপালে কি পরিমান সন্মান জুটতে পারে ,তার এক উজ্জ্বল দৃস্টান্ত সৃস্টি করে গেলেন !!

এই লোক টাকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য যথেস্ট পরিমান শব্দ আমার স্টকে নাই, শুধু একটাই কথা, শত শত বছর ধরে তিনি মানুষের মনে রাজত্ব করবেন, তার মৃত্যু নাই, “খেলার ময়দান” থেকে অবসর নেয়া যায়, কিন্তু পাবলিকের ‘মনের ময়দান’ থেকে কক্ষনো অবসর নেয়া যায় না ! কাল টেনন্ডুকারের বিদায় বেলায় মাঠের জায়ান্ট স্ক্রীনে ভেসে ওঠে এক অসাধারণ উক্তি – Legends Never Retire !!!
এই ঐতিহাসিক উক্তির সাথে পুরাই একমত , তার আবার কিসের অবসর ! মানুষের মন থেকে অবসর নেয়ার “যোগ্যতা” টেন্ডুলকারের নাই !!

১০ thoughts on “Legends Never Retire !!!

  1. শচীনের একটি কথা সব সময় মনে
    শচীনের একটি কথা সব সময় মনে থাকে “কোন কিছু হবার আগে প্রথমে একজন ভাল মানুষ হওয়া সবচেয়ে বেশী জরুরী”

    1. সেটাই, শুধু ভালও ক্রিকেটার
      সেটাই, শুধু ভালও ক্রিকেটার নয়, ভাল মানুষ হওয়াটাই যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেই শিক্ষাটা তার উত্তরসুরিদের দিয়ে গেলেন তিনি

  2. দিনশেষে একটাই কথা “- Legends
    দিনশেষে একটাই কথা “- Legends Never Retire !!!”
    :তালিয়া: :তালিয়া: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    স্যালুট টু শচীন :salute: :salute:

  3. নিঃসন্দেহে শচীন ক্রিকেট
    নিঃসন্দেহে শচীন ক্রিকেট দুনিয়ার এক কিংবদন্তীর নাম ।২৪ বছরের ক্রিকেট জীবনে শচীনের কোন দুর্নাম, বিতর্ক নেই ।
    স্যালুট হিম ।

    [ওয়েস্ট ইন্ডিজের মত জানোয়ার টাইপ বোলারদের বিপক্ষে]
    – বন্ধনীর ভিতরের কোট করা অংশটির জানোয়ার শব্দটি বাদ দেয়ার অনুরোধ করলাম ।একজনকে বড় করতে গিয়ে আরেকজনকে ছোট বা কটাক্ষ করা মোটেও সমীচীন নয় ।

    1. শাহীন ভাই এটা আসলে তাদের কে
      শাহীন ভাই এটা আসলে তাদের কে আন্ডার এস্টিমেট করার জন্য বা ইনসাল্ট করার জন্য বলি নাই, উল্টা প্রশংসাই করছি!
      ধরেন আমরা কথায় কথায় বলি, ‘ এই পোলাটা ডেঞ্জারাস ব্রিলিয়ান্ট ‘ , এখানে ডেঞ্জারাস শব্দটাকে একেবারে আভিধানিক অর্থে বিবেচনা করলে চলবে না …..
      কিংবা ‘অসাম’ শব্দটা কিন্তু ‘ ডেঞ্জারাস’ এর একটা সিনোনিম……. ধরেন আপ্নে বিয়ের জন্য পাত্রী খুজতেছেন, আপ্নার বন্ধু হয়ত একটা পাত্রীর খোজ আনছে ….. আপ্নে যদি সে বন্ধু রে জিজ্ঞাসা করেন মেয়েটা কেমন ,সেক্ষেত্রে মেয়েটা যদি সুন্দরী হয়, তাইলে আপ্নার বন্ধু একবাক্যে সারাটিফিকেট দিয়া দিবে “অসাম দোস্ত অসাম” .. এ ক্ষেত্রে আপ্নি যদি আভিধানিক অর্থেই ধরে নেন ” মেয়েটা দেখতে খুবৈ ভয়ংকর ” তাইলে কিন্তু পুরাই ধরা!!
      ঠিক একৈ ভাবে আমিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের প্রশংসা করছি, নিন্দা নয়। দুর্ভাগ্যক্রমে আপ্নি হয়ত ব্যাপার্টা ধরতে পারেন নাই ….

      btw ধন্যবাদ আপ্নার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য …

  4. যুবায়ের ভাই, আপনার প্রথম দুই
    যুবায়ের ভাই, আপনার প্রথম দুই প্যারা বোধহয় রিপিট হইছে, ঠিক করে দেন… খারাপ লাগছে দেখতে :দেখুমনা: … আর লিখেছেন ভালো :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: … তবে ওয়েস্টইন্ডিজের বোলারদের জানোয়ার না বলে ভয়াবহ বলা যেতে পারত… আমি বুঝেছি আপনি কি অর্থে বলতে চাচ্ছেন, তবুও কেন যেন মনে হচ্ছে জানোয়ার কথাটা মানাচ্ছে না। :মাথাঠুকি: ভাল থাকবেন ভাই… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :বুখেআয়বাবুল:

    1. সরি ব্যাপারটা খেয়ালই তো করি
      সরি ব্যাপারটা খেয়ালই তো করি নাই ! এ জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ , রিপিট করা ২ প্যারা মুছে দিলাম ভাই @ডন মাইকেল কর্লিওনি 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *